আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

ফোন নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নওগাঁয় মোবাইল ফোন চালানো নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ায় আয়েশা সিদ্দিকা (২১) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার চকরামচন্দ্র এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আয়েশা সিদ্দিকা নওগাঁ সদর উপজেলার মেহরাব হোসেনের স্ত্রী।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান, শুক্রবার রাতে স্বামী মেহরাব হোসেনের সঙ্গে শশুরবাড়ি থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে চকরামচন্দ্র নিজ বাসায় ফেরেন আয়েশা সিদ্দিকা।

পরে মোবাইল ফোন ব্যবহারকে কেন্দ্র করে তার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাতে সাবার অজান্তে ঘরের সিলিং ফ্যানের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেন।

খবর পেয়ে সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



জার্মানির নির্বাচনে মেরকেলের দলকে পেছনে ফেলেছে এসপিডি

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এদিকে সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সাথে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি ‘বাস্তবধর্মী সরকার’ গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে

জার্মানিতে রোববারের নির্বাচনে মধ্য বামপন্থী দল এসপিডি ছোট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। তবে হাল ছাড়তে অস্বীকার করেছেন দেশটির বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের আশীর্বাদপুষ্ট আরমিন লাশেট। নির্বাচনে বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরমিন লাশেট সরকার গঠনের সংকল্প ব্যক্ত করলেও বলা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন অব জার্মানি বা সিডিইউর জন্য এই নির্বাচনটি ছিল তাদের ইতিহাসের জঘন্যতম। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনও পাওয়া যায়নি তবে খুব ছোট ব্যবধানে মধ্য বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এসপিডি জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ বলেছেন, সরকার গঠনে তার দল ভোটে স্পষ্ট রায় পেয়েছে। ভোটের ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে রয়েছে তার দল এসপিডি। অন্যদিকে ২৪ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সিডিইউ ও তার শরীক দল।

এদিকে সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সাথে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি বাস্তবধর্মী সরকার গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপে দুই দলই সমান ভোট পাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত পূর্বাভাস আসতে থাকে এবং এই ফলাফলই যে শেষ নয় এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছিল। আরমিন লাশেট অবশ্য বলছেন, সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন অংকের হিসেব।

এছাড়া সরকার গঠনের চাবিকাঠি রয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পাওয়া গ্রিনস এবং ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পাওয়া এফডিপি দলের হাতে। দুটি দলের কেউই আলাদা করে চমক না দেখালেও তাদের দুই দলের ভোট একসাথে করলে একটি জোট সরকার গঠনে বড় দুই দলের যে কারোর জন্য সেটি চমক হতে পারে।

তবে তাদেরকে এক ছাদের নিচে আনতে পারাই এখন বড় দুটি দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জোট সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ছোট এই দল দু’টিই ৩০ বছর বয়সের নিচে জার্মান নাগরিকদের পছন্দ।

সব মিলিয়ে জটিল আকার ধারণ করেছে এই নির্বাচনের ফল। তবে এটি পরিষ্কার যে, একটি জোট সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাচ্ছেন না বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।


আরও খবর



পৌনে ৫ লাখ জনবল নিয়োগ দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য খাতে শিগগিরই পৌনে ৫ লাখ জনবল নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) প্রথম সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি জনবল কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন দিলে শিগগিরই স্বাস্থ্য খাতে পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ দেয়া হবে। এই নিয়োগ কমপ্লিট হলে স্বাস্থ্য সেবার মান আরও উন্নত হবে।

তিনি বলেন, কয়েকদিনে ধরে আবার করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, আমাদের দেশে করোনার থার্ড ওয়েভ আসুক এটা চাই না। এখন থেকেই সবার সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনার কারণে অনেক দেশের সরকার পরিবর্তন হয়েছে। তবে আমরা সফলভাবে করোনা মোকাবেলা করতে পেরেছি।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা প্রতিরোধে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে ৩ কোটি এবং তার থেকে বেশি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। চলমান থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের কার্যক্রম কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।


আরও খবর



রূপগঞ্জে নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ( নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আসন্ন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সভা করেছে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কায়োতপাড়ার নাওড়াস্থ্য চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংধনু গ্রুপ ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ানম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইমলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আউয়াল, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূইয়া, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, আলী আজগর,  থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিলন, যুবলীগ নেতা আব্দুল আউয়াল, হাজী সফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান মুন্না, আশফাকুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল হক ভুইয়া জেমিন, মহিলালীগ নেত্রী স্বপ্না আক্তার, ইয়াছমীন আক্তার প্রমুখ।

সভায় রফিকুল ইসলাম বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে আগামী ১১ নভেম্বর আমাদের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আপনারা নির্বিগ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। কোন সন্ত্রাসী কায়েতপাড়ার মাটিতে জোর করে আপনাদের ভোট ছিনিয়ে নিতে পারবে না।


আরও খবর
৩৪ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে গণধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




রোহিঙ্গাদের নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে আটক ১

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ অক্টোবর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রোহিঙ্গাদের প্রথম সারির নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন -১৪।

আটককৃত হলেন, মোহাম্মদ সলিম ওরফে সলিমউল্লাহ ওরফে লম্ব সলিম (২৬)। শুক্রবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৬ থেকে তাকে আটক করা হয়।   

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক। তিনি বলেন,  'হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আটক সলিম পলাতক ছিল, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে'। 

আটক সলিমকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এপিবিএন এর এই কর্মকর্তা।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ।  


আরও খবর



‘ফোনের কথোপকথনে হত্যা-ধর্ষণ প্রমাণ হয়না’

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার হত্যা ও ধর্ষণের মামলা তদন্ত করছে পিবিআই। ৮নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে করা মামলার তদন্ত অনেকদূর এগিয়েছে বলে পিবিআই সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া এই মামলাটি দায়ের করেন। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে এপ্রিলে মারা যান মুনিয়া। তার মৃত্যুর পর প্রথমে মুনিয়ার বোন নুসরাত তানিয়া একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেছিলেন। তিন মাস তদন্তের পর গুলশান থানা আত্মহত্যার প্ররোচনার কোন প্রমাণ না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। কিন্তু মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া ওই পুলিশ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন এবং নারাজি দরখাস্ত দেন। এরপর আদালত ওই নারাজি দরখাস্তটি নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে নুসরাত তানিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন, ট্রাইব্যুনালে এই মামলা তদন্ত দিয়েছে পিবিআইকে। একাধিক সূত্র বলছে যে এখন পর্যন্ত যে সমস্ত আলামত এবং তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়েছে তাতে হত্যা বা ধর্ষণের কোন কিছুই প্রমাণ হয়না। বিভিন্ন সূত্র বলছে হত্যা এবং ধর্ষণের জন্য কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে লাগে।

১. শারীরিক উপস্থিতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্তে শারীরিক উপস্থিতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২. হত্যা বা ধর্ষণের ক্ষেত্রে যে আলামতগুলো দরকার সে ধরনের কোনো আলামত বাদীপক্ষ এখন পর্যন্ত দিতে পারেনি।

৩. হত্যা বা ধর্ষণের যে সাক্ষ্য প্রমাণের বিষয় থাকে, সেই সাক্ষ্য-প্রমাণও এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত।

বিভিন্ন সূত্র বলছে যে একটি হত্যা মামলায় সুনির্দিষ্ট উপস্থিতিটিই সবচেয়ে প্রধান উপজীব্য বিষয়। কিন্তু মুনিয়ার কথিত হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় কোন সুনির্দিষ্ট শারীরিক উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে শুধুমাত্র ফোনের কথোপকথনে বা বিভিন্ন মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে হত্যা ধর্ষণ প্রমাণ হয় না। ফোনে হত্যা করা যায় না বা মেসেজ দিয়ে হত্যা করা যায়না, হত্যার জন্য যে উপস্থিতির প্রয়োজন সেই উপস্থিতি সম্পর্কে কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাছাড়া শুধু উপস্থিত থাকলেই হবে না, যিনি হত্যা ও ধর্ষণের জন্য উপস্থিত হয়েছেন সে ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শীর কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ লাগবে।

এই মামলার বাদী নিজেই বলেছেন তিনি কুমিল্লা থেকে আসছিলেন এবং কুমিল্লা থেকে আসার পথে কয়েকদফা তার সঙ্গে মুনিয়ার কথাবার্তা হয়েছে। কাজেই তিনি প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীনন এবং ওই ফ্ল্যাটে যারা দায়িত্বে ছিলেন গার্ড বা অন্যান্য প্রতিবেশীরা তারা কেউই মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বা মুনিয়ার বাসায় প্রবেশ করে কেউ তাকে হত্যা করেছে এমন সাক্ষ্য প্রমাণ দিতে পারেননি। ফলে যে সমস্ত অভিযোগ বা তথ্য প্রমাণ দিয়ে মুনিয়ার হত্যা-ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে সেগুলো আইনের চোখে অগ্রহণযোগ্য বলেই মনে করছেন বিভিন্ন সূত্র।

বিশেষ করে মুনিয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রধান তথ্য প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কিছু টেলি আলাপ এবং কিছু মেসেজ। এই মেসেজ এবং টেলি আলাপ দিয়ে কোন কিছুই প্রমাণিত হয় না বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন কর্মকর্তারা মনে করছেন। তারা বলছেন যে হত্যা প্রমাণের জন্য যে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ বা আলামতের প্রয়োজন তার কোন কিছুই এখানে নেই। সেক্ষেত্রে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গুলশান থানা পুলিশের অনুরূপই হতে পারে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর