আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

গাজায় ইসরায়েলের মন্ত্রীর ছেলে নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলি এক মন্ত্রীর ছেলে নিহত হয়েছেন। তিনি গাজায় স্থল অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) আরও দুজন সেনা নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

ওই দুই সেনার একজন হলেন ইসরায়েলের বর্তমান যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভার দপ্তরবিহীন মন্ত্রী গাদি ইজেনকোতের ছেলে গাদ ইজেনকোত। নিহত অপর সেনা হলেন জোনাথান ডেভিড ডিচ।

বর্তমানে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা গাদি ইজেনকোত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধানও ছিলেন।

গাজায় দখলদার ইসরায়েলি সেনারা যে যুদ্ধ চালাচ্ছে সেটির মূল পর্যবেক্ষক হিসেবে আছেন তিনি। এছাড়া গাজা যুদ্ধে কি ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে সেটিরও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

ইসরায়েলি উগ্রপন্থি রাজনীতিবিদ বেনি গানজের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার আইডিএফের সাউদার্ন কমান্ড সেন্টারে গিয়েছিলেন গাদি ইজেনকোত। সেখানেই ছেলের মৃত্যুর খবর পান তিনি।

ইসরায়েলি মন্ত্রীর ছেলে গাদ ইজেনকোত গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী ক্যাম্পের একটি সুড়ঙ্গের কাছে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে দ্রুত ইসরায়েলের একটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সেখানে তার মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: ইসরায়েল আইডিএফ

আরও খবর



শরীয়তপুরে আগুনে ৬ প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই, দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

Image

শরীয়তপুরের নড়িয়া বাজারে ভয়াবহ আগুনে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে নড়িয়া বাজারের বড় সেতু এলাকায় এ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বাজারের বড় ব্রিজ রোড এলাকার মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে সেই আগুন মুহূর্তের মধ্যে আশপাশে থাকা অন্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের দুইটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আধাঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই বাজারের মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান, আক্তার হোসেনের ওষুধের দোকান, ইদ্রিস আলীর ফার্নিচারের দোকান, বাবুল শেখের এসি ফ্রিজ মেরামতের দোকান, নাসির শেখের থাই ও অ্যালুমিনিয়ামের দোকান, হিরণ মোল্লার দোকানসহ ৬টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, আমার ওষুধের দোকানে অন্তত ৩০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। অনেক কষ্ট করে তিলে তিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। আগুনে আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। সরকারের সাহায্য ছাড়া আমার আর কোনো বাঁচার পথ নেই।

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাবুল শেখ বলেন, খবর পেয়ে আমি বাজারে ছুটে আসি। এসে দেখি আমার দোকানের ফ্রিজসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার মতো ৬ জন ব্যবসায়ীর এই ক্ষতি হয়েছে। সাহায্যের অনুরোধ ছাড়া আর কিছুই বলার নাই আমাদের।

নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ব্যাটারির দোকানের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কাছাকাছি বড় একটি পুকুর থাকার কারণে বাজারের অন্যান্য দোকানসমূহ রক্ষা পেয়েছে। অন্যথায় আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।

এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, খবর পাওয়ার পর আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: শরীয়তপুর

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একমাত্র দেশ হিসেবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলজেরিয়ার উত্থাপিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয়। এতে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১২ সদস্য পক্ষে ভোট দেয়। ভোট দান থেকে বিরত ছিল যক্তরাজ্য। আর একমাত্র দেশ হিসেবে এতে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের পাঁচটি দেশ স্থায়ী সদস্য। যাদের সবার যে কোনো প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

১৫টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশের যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি বর্বরতা বন্ধ হোক এমনটি চাচ্ছে বিশ্বের সব দেশ।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা ও প্রায় ২৫০ জনকে ধরে গাজায় নিয়ে আসে।

এরপর গাজায় বর্বরতা শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত এ উপত্যকায় ২৯ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭০ হাজার।

হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার নিরাপত্তা পরিষদে ওঠা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় ভেটো।

আলজেরিয়ার তোলা এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেবে সেটি আগে থেকেই সবাই জানতেন। তবে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যে যুদ্ধ বন্ধ চায়, সেটি দেখাতে নতুন এই প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে তোলা হয়েছিল।

যুদ্ধবিরতির এ প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে ওঠার আগে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পক্ষ থেকে একটি পাল্টা প্রস্তাব দেয়। এতে বলা হয়, উপযুক্ত সময়ে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে এবং ত্রাণের ওপর থেকে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে। এর বদলে হামাসকে ইসরায়েলের সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে।


আরও খবর



গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা চারগুণ বাড়ছে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে গ্রাম আদালত সংশোধন আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এক ব্রিফিংয়ে বলেন, গত বছর এই আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এটি সংসদে উপস্থাপন না হওয়ায় এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ায় নতুন মন্ত্রিসভা থেকে অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মন্ত্রিসভা এটিকে চূড়ান্ত অনুমোদন করে দিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গ্রাম আদালতের আর্থিক ক্ষমতা (জরিমানার করার ক্ষমতা) ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের সমন্বয়ে গ্রাম আদালত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো সময় একজন অনুপস্থিত থাকলে আদালতের সদস্য সংখ্যা চারজন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতি হলে অনুপস্থিত যিনি ছিলেন তাকে উপস্থিত হতে সাতদিন সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে তিনি উপস্থিত না হলে তখন ভোটাভুটি হলে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, মামলার এক পক্ষ মারা গেলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এখন বলা হয়েছে, রায়ের আগে কোনো পক্ষের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারকে পক্ষ করা যাবে।

নিউজ ট্যাগ: গ্রাম আদালত

আরও খবর



মারা গেছেন আমির খানের ‘দঙ্গল’খ্যাত তারকা সুহানি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মারা গেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খানের দঙ্গল ছবিতে তার কন্যার চরিত্রে অভিনয় করা সুহানি ভাটনাগর। দঙ্গল ছবিতে মহাবীর সিং ফোগাটের (আমির খান) মেয়ে ববিতা ফোগাটের (ছোটবেলা) চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দিল্লিতে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়া টিভির।

জানা গেছে, সুহানি ভাটনাগরের পা ভেঙেছিল। সেকারণে চিকিৎসা চলছিল তার। সেই চিকিৎসার জন্য বেশকিছু ওষুধ সেবন করতে হয়েছিল তাকে। ওষুধগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ সুহানির শরীরে তরল পদার্থ জমা হতে শুরু করে। আর সেটাই সুহানির এই অকাল মৃত্যুর কারণ!

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সুহানি। শনিবার ফরিদাবাদে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

প্রসঙ্গত, দঙ্গল ছবিতে কিশোরী ববিতা ফোগাটের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন সুহানি। ছবিতে সুপারস্টার আমির খান, সাক্ষী তানওয়ার, ফাতিমা সানা শেখ, সানিয়া মালহোত্রা এবং জাইরা ওয়াসিমের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। এছাড়াও বেশকিছু টিভি বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার জন্য অভিনয় থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় ব্রিটেন : ক্যামেরন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে চায় ব্রিটেন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিনিদের একটি রাজনৈতিকক্ষেত্র দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। নভেম্বরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি অঞ্চলটিতে চতুর্থবার সফর করবেন। বিবিসি মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ক্যামেরন ওয়েস্টমিনস্টারের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কেমন হবে তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব যুক্তরাজ্যের। ফিলিস্তিনি জনগণকে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে অপরিবর্তনীয় অগ্রগতি দেখাতে হবে।

রক্ষণশীল মধ্যপ্রাচ্য কাউন্সিলকে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘসহ মিত্রদের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। এটি এই বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলকে গাজায় আরও মানবিক সহায়তার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি হাস্যকর, ব্রিটিশ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা সীমান্তে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

ডেভিড ক্যামেরন বলেন, গত ৩০ বছর ইসরায়েল তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতা স্বীকার করলেই শান্তি ও অগ্রগতি হবে বলে তিনি দাবি করেন।

ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে সমর্থন করেছে, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা আলাদা দেশে পাশাপাশি থাকতে পারে। কিন্তু ক্যামেরন বলছেন, ব্রিটেন একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিতে পারে এবং তা চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে নয়, বরং আলোচনার সময়েই। একই সময়ে গাজা শাসন করতে সক্ষম টেকনোক্র্যাট এবং ভালো নেতাদের নিয়ে দ্রুত একটি নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ গঠন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন, এসবের সঙ্গে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফিলিস্তিনি জনগণকে একটি রাজনৈতিকক্ষেত্র প্রদান করা, যাতে তারা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের অপরিবর্তনীয় অগ্রগতি এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা দেখতে পায়।

ক্যামেরন বলেন, সেখানে আমাদের একটি দায়িত্ব রয়েছে। কারণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রটি কেমন হবে, এতে কী থাকবে, কিভাবে কাজ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে জাতিসংঘসহ মিত্রদের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা শুরু করা উচিত।

তিনি বলেন, এ ছাড়া একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে, নিশ্চয়তা দিতে হবে যে হামাস ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ চালাবে না এবং গোষ্ঠীটির নেতারা গাজা ছেড়ে চলে যাবে। এমন চুক্তি কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

গাজায় যুদ্ধের অবসানের চলমান প্রচেষ্টার বিষয়ে ক্যামেরন বলেন, যুদ্ধে একটি বিরতি এখন প্রয়োজন এবং আলোচনার বিষয়ে আশাজনক লক্ষণ রয়েছে। এমন একটি পথ আছে, যা আমরা এখন উন্মুক্ত দেখতে পাচ্ছি, যেখানে আমরা সত্যিই অগ্রগতি করতে পারি। শুধু সংঘাতের অবসান ঘটাতে নয়, বরং এমন একটি রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে অগ্রগতি রয়েছে, যা কয়েক মাসের জন্য শান্তির পরিবর্তে বছরের পর বছর শান্তি আনতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আসল চ্যালেঞ্জ হবে যুদ্ধে ফিরে না গিয়ে সেই বিরতিটিকে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে পরিণত করা। যদিও এটি অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন, যদিও অতীতে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। গত ৩০ বছরে আমরা শুধু ব্যর্থতা দেখেছি। এটি ইসরায়েলের জন্য ব্যর্থতার গল্প। কারণ তাদের একটি ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ছিল, তাদের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে, তারা প্রতিরক্ষা ও সুরক্ষায় বিনিয়োগ করেছিল। কিন্তু তারা একটি রাষ্ট্র দিতে পারেনি। প্রতিটি পরিবার নিরাপত্তা চায়। গত ৩০ বছর তারা ব্যর্থ হয়েছে।


আরও খবর