আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

গার্লফ্রেন্ডকে সন্তুষ্ট করুন সহজ উপায়ে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১ | ৩৬৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যেকোনো সম্পর্কে সততা খুব গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চাইলে দুজনেরই সততা জরুরি। আর তা আপনার গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করবে

প্রায়ই লোকে বলে, নারীকে সন্তুষ্ট করা খুব কঠিন। তবে যদি সে ভালোবাসার মানুষ হয়, তা কিন্তু কঠিন নয়। আপনি এমন কিছু করতে পারেন, যা আপনার প্রেমিকাকে সর্বদাই সন্তুষ্ট রাখবে। তা ছাড়া, বয়ফ্রেন্ড হিসেবে আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার গার্লফ্রেন্ড অসন্তুষ্ট থাকুক।

কীভাবে? আপনি যদি এখনই উপায় খুঁজতে মাথা চুলকাতে শুরু করেন, তাহলেই বুঝব আপনি সঠিক পথে আছেন। মানে, সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করার জন্য আপনি চিন্তিত। ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে এমন কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা আপনার সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করতে সাহায্য করতে পারে। আসুন, আমরা একবার চোখ বুলিয়ে নিই

প্রেমিকার কথা শুনুন

যখন প্রেমিকা কিছু বলে বা বলতে চায়, তখন আপনার তা মন দিয়ে শোনা উচিত। গার্লফ্রেন্ডকে সন্তুষ্ট করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তার কথা শোনা। যখন আপনার প্রেমিকা কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে চাইছে আর আপনি সে সময় মুঠোফোনে ব্যস্ত বা অন্য কিছু করছেনএমনটা হলে কিন্তু সঙ্গীর মন জোগাতে পারবেন না। সে ভাববে, আপনি তার প্রতি যত্নবান নন।

প্রেমিকার ওপর আস্থা রাখুন

যেকোনো সম্পর্কে সততা খুব গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চাইলে দুজনেরই সততা জরুরি। আর তা আপনার গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করবে। নারী সব সময় চায়, তার প্রেমিক বা সঙ্গী সৎ হোক এবং তাদের ওপর আস্থা রাখুক। অসৎ পুরুষকে নারী দেখতে পারে না। আপনি যদি আপনার গার্লফ্রেন্ডের ওপর আস্থা না রেখে সারাক্ষণ নজরদারি করতে থাকেন এবং সততার কোনো উদাহরণই তৈরি না করেন, তবে তার ভালোবাসা পাওয়া কঠিন হবে। এর চেয়ে ভালো, আপনার অভ্যাস বদলান।

প্রেমিকাকে সময় দিন

প্রেমিকার সঙ্গে কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটানোর চেয়ে আনন্দদায়ক আর কী হতে পারে। এমনকি, যদি আপনার খুব ব্যস্ততা থাকে, ফুরসত মেলা ভার; তবুও তার জন্য কিছু সময় বের করুন এবং দারুণ মুহূর্ত কাটান। আর এটিই আপনার লেডি লাভের মুখে হাসির ঝিলিক এনে দেবে। সে লক্ষ করবে, আপনি তার খুশির জন্য অনেক কিছুই করতে পারেন। এতে সে আপনাকে মূল্য দেবে।

প্রেমিকাকে সারপ্রাইজ দিন

যদি আপনি কোনো বিজনেস ট্রিপে যান বা কিছুদিনের জন্য বাইরে যান, তবে আসার সময় উপহার আনতে ভুলবেন না। হোক সেটা চকলেট, হ্যান্ডব্যাগ বা প্রসাধন; আপনার লেডি লাভের জন্য কিছু আনতে ভুলবেন না। আর এটা ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম কিউট উপায়। এতে নিশ্চিত আপনার প্রেমিকা খুব খুশি হবে।

প্রেমিকাকে মিষ্টি বার্তা দিন

ব্যস্ততার ফাঁকেও আপনি প্রেমিকাকে সময় দিতে পারেন। কীভাবে? মাঝেমধ্যে আপনি তাকে মিষ্টি খুদেবার্তা পাঠাতে পারেন। ভরসা রাখুন, এটা নিশ্চিত কাজে দেবে। যেমনআপনি কিছু মিষ্টি উদ্ধৃতি তাকে টেক্সট করতে পারেন অথবা প্রথম দেখায় কেমন লেগেছিল, সেই কথাটিও টেক্সট করতে পারেন। এসব মুহূর্তের বার্তা তার মনে পুলক এনে দেবে।

প্রেমিকাকে সম্মান করুন

আমরা সবাই সম্মান চাই। একে অন্যের প্রতি সম্মান বোধ না থাকলে সম্পর্ক টেকে না। আপনি তার আবেগ-অনুভূতি, চিন্তাধারা, মত ও পছন্দকে গুরুত্ব দিন। এটা তার ভেতরে এই বিশ্বাস জন্মাবে যে আপনি তার সুখের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত। মনে রাখা দরকার, দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চাইলে পারস্পরিক সম্মান বোধ খুবই দরকার।

মুখরোচক খাবার দিয়ে চমকে দিন

যদি গার্লফ্রেন্ডের হৃদয় জয় করতে চান, তবে তার প্রিয় খাবার রান্না করে চমকে দিন। শুধু পুরুষই ভোজনরসিক হয় না, নারীও হয়। আপনি যদি রান্না ভালো করতে না-ও পারেন, তবু চেষ্টা করুন। এখন তো অন্তর্জালের যুগ। সেটা ঘেঁটেই না হয় রান্না করুন।

কঠিন সময়ে প্রেমিকার পাশে থাকুন

প্রত্যেকের জীবনে দুঃসময় আসে। আপনার প্রিয়তমার জীবনেও সেটা ঘটতে পারে। এ সময় তার মন চাইবে, কেউ বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিক। আর সেই হাতটি তো প্রেমিক হিসেবে আপনারই। ধরুন, কোনো বিষয়ে আপনার প্রেমিকা চিন্তিত বা সমাধানের উপায় খুঁজছে। এ সময় তাকে কিছু পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করুন। এতে আপনার ওপর তার ভরসা বাড়বে। সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। নিজের কঠিন সময়ে আপনিও নিশ্চয়ই তাকে পাশে পেতে চাইবেন?

নারীকে সন্তুষ্ট করার এমন অনেক উপায়ের কথাই বলা যায়। কিন্তু আপনাকে আগে প্রেমিকার মনপড়া জানতে হবে। এতে আপনাদের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। শেষতক সুখী হবেন দুজনই।


আরও খবর
যেভাবে রান্না করবেন মেজবানি মাংস

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




প্রতি মাসে এক কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে : স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতি মাসে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের। সেই অনুযায়ী কাজ চলছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‌্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, শহরে হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর ৭৫ শতাংশ গ্রাম থেকে আসা। ঈদে গ্রামে যাওয়া আসার কারণে করোনা সংক্রমণ ৫ থেকে ৬ গুণ বেড়েছে।

করোনা সংক্রমণের এমন পরিস্থিতিতে নতুন সংকট তৈরি করেছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই হাসপাতালের বারান্দায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ‌্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকেই হাসপাতালে এসে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছেন। এই নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ডেঙ্গু রোগীদের জন‌্য সুনির্দিষ্ট হাসপাতালের ব‌্যবস্থা করার পরিকল্পনা নিচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‌্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

উল্লেখ‌্য, দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৯ হাজার ৪৬ জন। ২৪ জুলাই পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪ জন। এ পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৯ জন।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




ময়মনসিংহ মেডিকেলের করোনা ইউনিটে আরও ১৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, এর মধ্যে পাঁচজন করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং বাকি ১৪ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ জেলায় ৩৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিটের কনসালটেন্ট ও করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. মো. মহিউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন ময়মনসিংহ সদরের রহিমা খাতুন (৪৫), ফ্রান্সিলা কামা (৪৬), ফুলপুরের অজিত পণ্ডিত (৭০), নেত্রকোনার শেখ ফরিদ (৩২) ও জামালপুরের আইনুদ্দিন (৮৫)।

এ ছাড়া উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ময়মনসিংহের ফুলপুরের মনোয়ারা (৬০), ধোবাউড়ার ফাতেমা (৭০), মুক্তাগাছার নুরুল ইসলাম (৬০), রোকনুজ্জামান (৫০), গৌরীপুরের রাবেয়া খাতুন (৫৫), নেত্রকোনার রোমেলা (৬৫), কেন্দুয়ার মইনুল (৬০), জামালপুরের সুফিয়া বেগম (৬৮), মো. শওকত আলী (৬৫), রমজান (৩৫), বকশিগঞ্জের খাদিজা (৬৫), কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের রফিকুল (৫৫), টাংগাইলের ধানবাড়ীর আবদুর রশীদ (৫৫) ও গাজীপুরের শ্রীপুরের রাবেয়া খাতুন (৬৪)।

ডা. মো. মহিউদ্দিন খান জানান, হাসপাতালে করোনা ইউনিটে মোট রোগী ভর্তি আছেন ৪৩৮ জন। আর আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১৯ জন।

এদিকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটিপিসিআর টেস্টে এক হাজার ৩০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে মোট পজিটিভ হয়েছেন ৩৩২ জন। এদের মধ্যে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে ১৯৫ জন ও আরটিপিসিআর টেস্টে ১৩৭ জন রয়েছেন। শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

এদিকে জেলার সর্বশেষ করোনা টেস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায়, ময়মনসিংহ সদরে ১৬২ জন, নান্দাইলে ১৯ জন, ঈশ্বরগঞ্জে দুজন, গৌরীপুরে সাতজন, ফুলপুরে নয়জন, তারাকান্দায় দুজন, হালুয়াঘাটে আটজন, ধোবাউড়ায় চারজন, মুক্তাগাছায় ৭০ জন, ফুলবাড়িয়ায় ১০ জন, ত্রিশালে ১২ জন, ভালুকায় ২৫ জন ও গফরগাঁওয়ে দুজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।



আরও খবর



ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, দেশবরেণ্য গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জোহরের নামাজের পর দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১১টায় পল্লীমা সংসদে ফকির আলমগীরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় ফকির আলমগীরের মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সবশেষ বাদ যোহর রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে শেষ জানাজা শেষে তাকে তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে, দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। সেখানে তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সকালেই খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ মাঠে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্টজনরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় রহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। শোকাহত পরিবারের সদস্য ও ফকির আলমগীরের অগণিত ভক্তের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

ফকির আলমগীর ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে। তিনি ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন এ গণসংগীত শিল্পী। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।

জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান, আমার কথা, যারা আছেন হৃদয় পটেসহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১২ জন

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় গত ঘণ্টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১১ জন ও উপসর্গ নিয়ে এক জন মারা গেছেন। সোমবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ। এ সময় সুস্থ হয়েছেন ২৩৮ জন রোগী। এর মধ্যে ৪ জন ইন্টার্ন ডাক্তার রয়েছেন।

তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন জানান, কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে ২শ বেডের অনুকূলে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে এখন রোগী ভর্তি আছে ২১০ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ১৩৬ জন। বাকীরা করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে।


আরও খবর



শিথিল বিধিনিষেধেও যা যা বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদের আগে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও এ সময় পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে না যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে জনসমাবেশ হয় সে ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জুলাই)  সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বুধবার (১৪ জুলাই) মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের আরোপ করা বিধিনিষেধ শিথিল করা থাকলেও করোনার বিস্তার রোধে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এ সময়ে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে গমন ও জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান- বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতে হবে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) আরোপিত বিধিনিষেধে ঈদ উদযাপন, ঈদে যাতায়াত, ঈদ কেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বুধবার (১৪ জুলাই) মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে।



আরও খবর