আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

গবেষণায় সফল বিএফআরআই: আবার পানিতে ঢেউ তুলবে কাকিলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৫৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা কাখলে একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে এবং ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায় সেটি মিঠা পানির। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে

স্বাদুপানির অন্যতম মাছ কাকিলা। খেতে সুস্বাদু এ মাছটির দোপেঁয়াজা ভোজনরসিকদের কাছে অমৃতসম। মানবদেহের জন্য উপকারী অণুপুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ এবং কাঁটা কম থাকায় সবার কাছে প্রিয়। একসময় মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিলে প্রচুর পাওয়া গেলেও এখন বিলুপ্তপ্রায় কাকিলা। অঞ্চলভেদে কিছু কিছু এলাকায় পাওয়া গেলেও পরিমাণে খুবই কম। জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ মাছ আর পানিতে বিচরণ করতে দেখা যায় না।

আশার কথা, বদ্ধপরিবেশে অভ্যস্তকরণ ও কৃত্রিম প্রজনন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোরের বিজ্ঞানীরা। ইনস্টিটিউটের কোর গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় তিন বছর নিবিড় গবেষণার পর এ সাফল্য পান মাৎস্যবিজ্ঞানীরা। ফলে আবার পানিতে ঢেউ তুলবে কাকিলা, রক্ষা পাবে বিলুপ্তির হাত থেকে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে ওই গবেষণা করেন।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় দেশি মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র ইতিমধ্যে অনেক বিনষ্ট হয়ে গেছে। ফলে প্রাকৃতিক জলাধার যেমন হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল ও নদ-নদীতে এসব মাছের প্রাপ্যতা হ্রাস পেয়েছে। মৎস্য অধিদফতর অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব দেশি মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি বলেন, আমরা হারিয়ে যাওয়া দেশি মাছের স্বাদ মানুষের খাদ্যের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। এজন্য দেশি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণে বর্তমানে ইনস্টিটিউটের যশোর, সৈয়দপুর ও ময়মনসিংহ গবেষণা কেন্দ্র থেকে গবেষণা করা হচ্ছে। এতে সাফল্যও আসছে।

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা কাখলে একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে এবং ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায় সেটি মিঠা পানির। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কাইকল্যা, কাইক্কা নামেই পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Xenentodon cancila. মাছটিকে ইংরেজিতে  Freshwater garfish. বলে। এটি ইবষড়হরফধব পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ মাছ পাওয়া যায়। তবে রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে।

গবেষক দলের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন বলেন, কাকিলার দেহ লম্বা, সামান্য চাপা এবং প্রায় সিলিন্ডার আকৃতির। এগুলো লম্বায় ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার হয়। পরিণত পুরুষ মাছের মাথার শীর্ষে লাল চূড়া দেখা যায়, যা থেকে সহজেই স্ত্রী ও পুরুষ মাছ আলাদা করা যায়। এ ছাড়া পুরুষ মাছের দেহ স্ত্রী মাছের তুলনায় সরু এবং আকারে একটু ছোট হয়। এটি শিকারি মাছ। মূলত ছোট মাছ খেয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান জলাশয়ে বিশেষ করে নদীতে এবং বর্ষাকালে প্লাবিত অঞ্চলে প্রজনন করে থাকে। পরিণত মাছেরা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ নেই এমন স্থানে বসবাস করলেও জলজ উদ্ভিদের পাতার নিচে ও ভাসমান শিকড়ে এদের স্ত্রীরা ডিম পাড়ে। কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজনন এটিই বাংলাদেশে প্রথম এবং বিশ্বের কোথাও এ মাছের কৃত্রিম প্রজননের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, রাজবাড়ী জেলাসংলগ্ন কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে কাকিলা ব্রুড (মা-বাবা মাছ) সংগ্রহ করে যশোরের স্বাদুপানি উপকেন্দ্রের পুকুরে ছাড়া হয়। পরে হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্পজাতীয় মাছের জীবিত পোনা এবং নানা জলাশয় থেকে সংগৃহীত জীবিত ছোট মাছ খাইয়ে পুকুরের আবদ্ধ পরিবেশে মাছকে অভ্যস্ত করা হয়। এরপর চলতি বছরের মে থেকে বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করে কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্যে উপকেন্দ্রের হ্যাচারিতে নির্দিষ্টসংখ্যক মা-বাবা মাছকে বিভিন্ন ডোজে হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়।

এভাবে কয়েকবার বিভিন্ন ডোজের ট্রায়াল দেওয়া হলেও মাছের প্রজননে সাফল্য আসেনি। অবশেষে ২৫ আগস্ট প্রজননকৃত মাছের ডিম থেকে পোনা বের হয় এবং কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য আসে।

প্রধান গবেষক জানান, কাকিলা মাছের প্রজননের জন্য পিজি হরমোন ব্যবহার করা হয়। ১৮ আগস্ট পুকুর থেকে মাছ ধরে চার জোড়া মা-বাবা নির্বাচন করে হ্যাচারির চৌবাচ্চায় নির্দিষ্ট সময় ঝরনাধারা দিয়ে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে মা-বাবা মাছকে একত্রে একটি চৌবাচ্চায় রেখে ঝরনাধারা দিয়ে সেখানে কচুরিপানা রাখা হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মা মাছ ডিম ছাড়ে। ডিমের ভিতরে বাচ্চার বিভিন্ন দশা ও উন্নয়ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ডিম ছাড়ার ৯০ থেকে ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়।

গবেষকরা জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার-উপযোগী কাকিলা মাছে ১৭.১ শতাংশ প্রোটিন, লিপিড ২.২৩ শতাংশ, ফসফরাস ২.১৪ শতাংশ এবং ০.৯৪ শতাংশ ক্যালসিয়াম রয়েছে যা অন্যান্য ছোট মাছের তুলনায় অনেক বেশি। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টির কৃত্রিম প্রজননে ইতিমধ্যে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সাফল্য পেয়েছে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা যুক্ত হলো।’


আরও খবর
ইভ্যালির সিইও রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও মারা গেছেন ৮ জন। এরমধ্যে রাজশাহীর ৪ জন, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা ও কুষ্টিয়ায় ১ জন রয়েছেন।

জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে করোনায় মারা গেছেন ১ জন, করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫ জন এবং ২ জন করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর মারা যান।

এনিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ১০২তম দিনে মোট ১ হাজার ৩২০ জনের মৃত্যু হলো।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুই ল্যাবে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৯৭ জনের আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৩ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০.৮৩ শতাংশ।


আরও খবর
রামেক হাসপাতালে ৮ জনের প্রাণহানি

বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১




মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার-৬১

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে ৬১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সকাল ছয়টা থেকে বুধবার (২৫ আগস্ট) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫৬৭ পিস ইয়াবা, ২৮৩ গ্রাম ৮৬ পুরিয়া হেরোইন, ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।


আরও খবর
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিপেটা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বিশ্বে একদিনে আরও ১০ হাজারের বেশি মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখনও বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ৯১ লাখ ৫৭ হাজার ২৪৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৬৮০ জন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে মারা গেছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ লাখের বেশি। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২১ কোটি ৪৭ লাখ আর মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টায় পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১০ হাজার ৪৭৬ জন। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯৩ জনে।

এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৩০ হাজার ২৭২ জন। এতে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৪৭ লাখ ২১ হাজার ৪৪৭ জনে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখনও বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ৯১ লাখ ৫৭ হাজার ২৪৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৬৮০ জন। সংক্রমণের ওই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ২৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন চার লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৬ জন।

সংক্রমণে তৃতীয় কিন্তু মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা দুই কোটি ছয় লাখ ৪৫ হাজার ৫৩৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৭৩০ জন। সংক্রমণের তালিকায় এর পরের স্থানগুলোতে রয়েছে রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, স্পেন, ইরান, ইতালি।

সংক্রমণের তালিকায় ২৭ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩০ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৫ হাজার ৬২৭ জন। আর করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭১ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সপ্তাহের তৃতীয় দিনে বেড়েছে সূচক ও লেনদেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টানা তিন দিন দরপতনের পর সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ( ৩১ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়েছে। এ দিন বিমা, প্রকৌশল, আর্থিক, খাদ্যসহ অন্য খাতের শেয়ারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দামও। এতে লেনদেনেও ফিরছে গতি।

সরকারি ছুটি উপলক্ষে সোমবার (৩০ আগস্ট) লেনদেন বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় উভয় বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়। গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা এবং ওয়ালটন হাইটেক পার্কসহ বড় মূলধনী কোম্পানির পাশাপাশি বিমা ও আর্থিক খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় দিনভর সূচকের তেজিভাব লক্ষ্য করা যায়।

এ দিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে ৪৫ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়েছে ১৫৩ পয়েন্ট। ফলে টানা তিন দিন (গত বুধ, বৃহস্পতি ও রোববার ) পর মঙ্গলবার দেশের পুঁজিবাজারে উত্থান হলো। পরপর তিনদিন পুঁজিবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। আশঙ্কা ছিল আজও বাজারে দরপতন হতে পারে।

ডিএসইর তথ্য মতে, মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৭৬টি প্রতিষ্ঠানের ৬০ কোটি ৩০ লাখ ৮ হাজার ৬৮১টি শেয়ার হাত বদল হয়েছে। এর মধ্যে ২২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ২৪৯ কোটি ৩৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৮৪৬ কোটি ৮৯ লাখ ৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় এ দিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৪৫ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রধান সূচকের পাশাপাশি ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৯০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৪৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এ দিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। দ্বিতীয় স্থানে ছিল লাফার্জ-হোলসিম লিমিটেড। এরপর সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার। এরপর যথাক্রমে ছিল-ম্যাক্সন স্পিনিং, বেক্সিমকো ফার্মা, শাইনপুকুর সিরামিক, স্কয়ার ফার্মা, ইসলামিক ইনস্যুরেন্স, সাইফ টাওয়ার এবং লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৯৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০২টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ৭১ কোটি ৪৪ লাখ ১৯ হাজার ৮৪০ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৩ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: শেয়ার বাজার

আরও খবর
পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




রাজধানীর সড়কে তীব্র যানজট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার পর সড়কের এ চিত্র যেন এখন নিত্যকার ঘটনা । সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। যে কারণে কোথাও কোথাও ধীরগতির সঙ্গে সড়কে যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে। এতে গন্তব্যে যেতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাসের চালক সাইদুর রহমান বলেন, উত্তরা থেকে মগবাজার পর্যন্ত আসতে গাড়ির গতি তুলতে পারিনি। সব সড়কেই যানবাহন অনেক বেশি। সে কারণে সিগন্যালেও অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ছুটির দিন ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সড়কে এমন যানজট আর ধীরগতি থাকছেই। আগের তুলনায় এখন ট্রিপের সংখ্যা কম হচ্ছে, ফলে আমাদের আয় ইনকাম আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে।

গাবতলী থেকে বৈশাখী পরিবহনের বাসে বাড্ডা পর্যন্ত এসেছেন এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, যে পর্যন্ত এসেছি সড়কে এমন কোনো স্থান নেই যেখানে যানবাহনগুলো টেনে আসতে পারছে। সব সড়কেই ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। এছাড়া অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে প্রতিটি সিগন্যালে দুই তিনবার করে আটকে থাকতে হচ্ছে। দিন দিন রাজধানীর সড়কে যানজটের চিত্র খুবই খারাপ হয়ে উঠছে।


আরও খবর
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিপেটা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১