আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

গেল বছর ধর্ষণের শিকার ৭৭৪ শিশু, নিহত ৫৯৬

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০২১ সালে শারীরিক নির্যাতনে মৃত্যু, ধর্ষণের পরে হত্যা, ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা, অপহরণ ও নিখোঁজের পর হত্যাসহ বিভিন্ন কারণে অন্তত ৫৯৬ শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৭৭৪ শিশু এবং বলাৎকারের শিকার ৭৮ ছেলে শিশু।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২১: আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পর্যালোচনা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে বলা হয়,  শিশু অধিকারের ক্ষেত্রেও ২০২১ সালের চিত্র ছিল হতাশজনক। হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, বলাৎকার, অনলাইনে যৌন হয়রানিসহ শিশুর প্রতি নানা সহিংসতার ঘটনা অব্যাহত থেকেছে বছরজুড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, 'আসক তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটের হিসাব মতে, ২০২১ সালে শারীরিক নির্যাতনের কারণে মৃত্যু, ধর্ষণের পরে হত্যা, ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা, অপহরণ ও নিখোঁজের পর হত্যাসহ বিভিন্ন কারণে নিহত হয় মোট ৫৯৬ শিশু।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে নিহত শিশুর সংখ্যা ছিল ৫৮৯। এছাড়া ২০২১ সালে বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয় ১৪২৬ শিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয় ৭৭৪ শিশু ধর্ষণ চেষ্টা ও যৌন হয়রানীর শিকার হয় ১৮৫ শিশু এবং বলাৎকারের শিকার হয়েছে ৭৮ ছেলে শিশু।

গৃহকর্মী নির্যাতন ও অ্যাসিড নিক্ষেপ

আসকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে ৪৫ নারী গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের পরবর্তী সময়ে মারা যান ৩ নারী। অন্যদিকে এ বছরে অ্যাসিড নিক্ষেপের শিকার হয়েছেন ২৩ নারী। 

সংবাদ সম্মেলনে ২০২১ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আসকের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির ও সহকারী সমন্বয়কারী অনির্বাণ সাহা।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আসক নির্বাহী কমিটির মহাসচিব মো. নূর খান। অন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আসকের নির্বাহী পরিচালক গোলাম মনোয়ার কামাল ও পরিচালক নীনা গোস্বামী।


আরও খবর



প্রায় দেড় হাজার কোটির মালিক দক্ষিণী এই তারকা

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হায়দরাবাদের ধনী পরিবারগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে তাঁদের পরিবার। তবে পারিবারিক সম্পত্তি ছাড়াও প্রায় একার জোরেই ১,৩০০ কোটি টাকার মালিক কোনিডেলা রাম চরণ তেজা। তেলুগু ফিল্মের ভক্তদের কাছে যিনি রাম চরণ নামে পরিচিত।

বাবার পথ অনুসরণ করে তেলুগু ফিল্মে পা রেখেছিলেন। সেটি ছিল ২০০৭ সাল। পি জগন্নাথের পরিচালনায় চিরুতা ফিল্মে অভিষেক। তার পর থেকে পর পর কম হিট ফিল্ম করেননি। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই জনপ্রিয়তায় যেন বাবাকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন রাম চরণ। এই মুহূর্তে তেলুগু ফিল্ম তো বটেই, রোজগারের নিরিখে বহু বলিউড তারকাকে ছাপিয়ে গিয়েছেন চিরঞ্জীবী-পুত্র।

তবে ফিল্মে অভিনয় ছাড়াও রাম চরণের আয়ের একাধিক উৎস রয়েছে। বিমান সংস্থায় অংশীদারি, আস্ত একটি পোলো ক্লাব পড়ে শোনালে তালিকা ক্রমশই দীর্ঘ হতে থাকে।

ফিল্মের কত তারকারই তো নিজস্ব বিমান রয়েছে। তবে এ দেশের কজন তারকার বিমান সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে? বিশেষ চিন্তা-ভাবনা করতে হবে না। মগধীরা-র নায়কের সম্পত্তির তালিকায় তা-ও রয়েছে।

ফিল্মে অভিনয়ের পাশাপাশি হায়দরাবাদের টার্বো মেঘা এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাম চরণ। ট্রুজেট নামে ওই সংস্থাটির নিজস্ব উড়ান ছাড়াও অন্যান্য বিমান সংস্থার পরিষেবার কাজ করে।

ফিল্মের পর্দায় বহু বার ঘোড়ায় চড়েছেন। তবে পর্দায় বাইরেও ঘোড়ায় চড়ার শখ রাম চরণের। সেই ছোটবেলা থেকেই ঘোড়ার প্রতি ভালবাসা তাঁর। নিজের আস্তাবলে বাদশা এবং কাজল নামে দুটি ঘোড়াও রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাম চরণ।

ছোটবেলার কোনও কোনও শখ যে অভিনয় জীবনেও কত কাজে আসে! বস্তুত, এস এস রাজামৌলির নির্দেশে ঘোড়ার পিঠে বসেই মগধীরা-র বহু দৃশ্যের শ্যুটিং করেছিলেন রাম চরণ। তিনি যে একটি পোলো ক্লাবের মালিক হবেন, তা আর নতুন কথা কী! হায়দরাবাদ পোলো ক্লাবের মালিক রাম চরণের আবার নিজের দলও রয়েছে।

ফি মাসে নাকি চার কোটি টাকারও বেশি রোজগার রাম চরণের। অন্যান্য শখের মধ্যে দামি গাড়িও নেশা রয়েছে। ঘোড়াশালে ঘোড়ার পাশাপাশি হাতিশালে হাতি না থাকলেও গ্যারাজে একাধিক দামি গাড়ি রয়েছে। অ্যাস্টন মার্টিন বা রোলস রয়েস ফ্যান্টম থেকে মার্সিডিজের জিএল৩৫০ মডেল কোটি কোটি টাকার একাধিক গাড়ির মধ্যে শুধু এ কটির নাম শুনলেই চোখ কপালে ওঠার জোগাড়।

ঘোড়া এবং গাড়ি তো হল। কিন্তু বাড়ি? মুম্বইয়ে একটি অভিজাত পেন্টহাউসের মালিক তেলুগু ছবির সুপারস্টার। রাজামৌলির ফিল্ম আর আর আর-এর শ্যুটিংয়ের জন্য মুম্বই গেলে এই পেন্ট হাউসে স্ত্রী উপসনার সঙ্গে থাকেন রাম চরণ। ছিমছাম ইউরোপীয় ধাঁচের এই পেন্টহাউসটিকে দেখলে হলিউড ফিল্মের বিলাসবহুল সেট বলে ভুল হতে পারে।

মুম্বই ছাড়াও হায়দরাবাদের অভিজাত এলাকা জুবিলি হিলসে ৩০ কোটিরও বেশি অর্থমূল্যের একটি বাড়ি রয়েছে রাম চরণের। ২৫ হাজার বর্গফুটের ওই বাড়িতে রয়েছে সমস্ত রকমের আধুনিক সুযোগসুবিধা। সুইমিং পুল, জিম মায় একটি টেনিস কোর্টও!

নিজের পরের দুটি ফিল্মের জন্য ১০০ কোটি টাকা করে পারিশ্রমিক চেয়েছেন রাম চরণ। অন্তত, ফিল্মি পাড়ায় তেমনই কানাঘুষো চলছে। কিয়ারা আডবাণীর সঙ্গে শঙ্করের পরিচালনায় আরসি ১৫। তার পরের ফিল্মে গৌতম তিন্নানুরির পরিচালনায় দিশা পাটানির সঙ্গে রোম্যান্স করতে দেখা যেতে পারে তাঁকে।

ফিল্মের পারিশ্রমিক ছাড়াও একাধিক বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়ে কম আয় করেন না রাম চরণ। আর এক বার তাতে মুখ দেখালেই হল! রয়্যালটি বাবদ ফি মাসে বেশ মোটা অঙ্কই জমা পড়ে রাম চরণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে!

নিউজ ট্যাগ: রাম চরণ

আরও খবর



আকাশে ‘অলৌকিক’ শিশুর প্রসব করালেন মুসলিম চিকিৎসক

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত মাসে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে দোহা থেকে উগান্ডার এন্টেবে শহরে যাচ্ছিলেন কানাডিয়ান চিকিৎসক ডা. আয়েশা খাতিব। পথিমধ্যে ফ্লাইটেই উগান্ডার এক অভিভাসী নারী কর্মী অলৌকিক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সেটির প্রসব করিয়ে এখন আলোচনায় কানাডিয়ান এই মুসলিম চিকিৎসক।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটে গত ৫ ডিসেম্বর। কিন্তু টরন্টোতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যস্ত থাকায় সেটি সবাইকে জানাতে পারছিলেন না ডা. আয়েশা খাতিব। অবশেষে শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে নিজের অভিজ্ঞতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. আয়েশা খাতিব দোহা থেকে উগান্ডার এন্টেবে শহরে যাচ্ছিলেন। এক ঘণ্টা পরই ইন্টারকম দিয়ে জিজ্ঞেস করা হয়, ফ্লাইটে কোনো চিকিৎসক আছে কি না? এর পরই তিনি সেখানে যান এবং অলৌকিক শিশুর প্রসব সম্পন্ন করান।

উগান্ডার ওই নারী সৌদি আরব থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। মূলত সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যেই তার দেশে ফেরা। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কি হুকুম দেখুন, ফ্লাইটেই সন্তান পৃথিবীর আলোর মুখ দেখেছে। আর নাম রাখা হয়েছে চিকিৎসকের সঙ্গে মিলিয়ে অলৌকিক আয়েশা

ডা. আয়েশা খাতিব বিবিসিকে বলেন, ইন্টারকম থেকে ভয়েস শোনার পর আমি গিয়ে দেখি রোগীকে ঘিরে জটলা বেঁধে আছে। তখন এটিকে হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল পরিস্থিতি মনে হচ্ছিল। কিন্তু আরও কাছে গিয়ে দেখি তার সন্তান পৃথিবীতে আসার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।

তখন আরও দুই যাত্রীর সহায়তায় প্রসবের কাজ সম্পন্ন করি। শিশুটি দৃঢ়ভাবে কাঁদছিল। শিশুটি স্থিতিশীল এবং মাও সুস্থ ছিল। তখন আমি অভিনন্দন জানাই এবং বলি, কন্যা সন্তান হয়েছে। এরপর পুরো ফ্লাইটে তালি ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। সবাই ঘটনাটি দেখছিল, যোগ করেন তিনি।


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




পাকিস্তানে দুর্নীতি ও যৌন অপরাধ বাড়ছে : ইমরান খান

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, সমাজে দুই ধরনের অপরাধ বাড়ছে। এর একটি হলো দুর্নীতি। অন্যটি যৌন অপরাধ। বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে গতকাল রোববার বৈঠক করেন ইমরান খান। সেই বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

পাকিস্তানের পত্রিকা দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, তরুণদের বিশ্বাস, ধর্ম ও নৈতিক মূল্যবোধের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে যে আঘাত হানা হচ্ছে, তা থেকে রক্ষার উপায় খুঁজতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ বৈঠকে ইমরান খান বলেন, আমাদের সমাজে যৌন অপরাধ ব্যাপক হারে বাড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে ধর্ষণ, শিশুদের যৌন হয়রানি। এর এক শতাংশের খবর পাওয়া যায়। ন্যাশনাল রেহমাতুল-লিল-আলামিন অথরিটি এ সংলাপের আয়োজন করেছিল।

ইমরান খান বলেন, যৌন অপরাধের বিরুদ্ধে সমাজের লড়াই করতে হবে। দুর্নীতি ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নিতে হবে। সমাজে দুর্নীতিবাজদের অগ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো আমাদের নেতারা যখন দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি করে, তখন এই দুর্নীতি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

এদিক আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, মুসলিম দেশগুলোকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। আধুনিকায়নের যে নেতিবাচক প্রভাবগুলো রয়েছে, সেগুলোর মোকাবিলা করতে এই দেশগুলোকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

এ আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সাইয়্যেদ হোসেন নাসর। তিনি বলেন, এই সময় তরুণদের জন্য অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক।


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




সর্বশ্রেণীর নাগরিক আমাকে বিজয়ী করবে : তৈমূর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র (হাতি মার্কা) মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, দল, মত নির্বিশেষে এখন সকলেই আমাকে ভোট দিতে পারবে, কেন না এখন আমি দলীয় কোনো প্রার্থী না। যেহেতু নাগরিকদের জন্য আমি এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি, তাই সর্বশ্রেণীর নাগরিক আমার পাশে আছে, তারা আমাকে বিজয়ী করবে। আমার দলের লোকেরাও আমার পাশে আছে। বিএনপি আমাকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নির্বাচনী প্রচারণাকালে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

তৈমূর বলেন, বিএনপির লোকজন কারো কথায় কখনো নৌকায় ভোট দিবে না। আগামী ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনে আমিই জয়লাভ করবো। ১৭ জানুয়ারি আমার বিজয়ের গেজেট প্রকাশ হবে ইনশাআল্লাহ।

তৈমূর বলেন, সরকারি দলের কিছু নেতার বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে কিছু শঙ্কা দেখা দেয়। যেমন একজন বইলা গেছে- তৈমূরকে মাঠে নামতে দেয়া হবে না। এসব কথা আমি গায়ে মাখি না, তবে এই ধরনের কথাবার্তা উস্কানিমূলক। নির্বাচন কমিশন আমার শো-ডাউনকে বাধাগ্রস্ত করেছে আমি তা মেনে নিয়েছি। কিন্তু সরকার দলের শো-ডাউনকে তো নির্বাচন কমিশন বাধাগ্রস্ত করতে পারে নাই।

তৈমূর বলেন, আমি রাজপথে গুলি খাওয়া লোক, নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য আমার অনেক অবদান আছে।

তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালে আমি বসি নাই, বসছে বিএনপি। এবার তো আমার থেকে সব পদ উঠায় নিছে, এখন তো দল আর কিছু বলতে পারবে না।

তিনি আরো বলেন, জনগণ যেভাবে আমার পক্ষ হয়ে মাঠে নামছে, আর সিটি করপোরেশনের যে ব্যর্থতা, ট্যাক্সের বোঝা তাতে জনগণ এবার হাতি মার্কার প্রতি রায় দিবে। কেন না আমার চিন্তা এবারের সিটি করপোরেশন হবে জনমুখি, মানুষ সিটি করপোরেশনের পিছে ছুটবে না, সিটি করপোরেশন মহল্লায় মহল্লায় যাবে।

এ সময় নানা শ্রেণী পেশার মানুষ, বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, বিএনপির নেতাকর্মীসহ অসংখ্য কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



একাদশে ভর্তি: প্রথম দিনে আবেদন করেছেন পৌনে ৩ লাখ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যারা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন, তারা আবেদন করতে পারবেন। তবে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ২২ বছর বয়সেও আবেদন করতে পারবেন

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে শনিবার (৮ জানুয়ারি)। এদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ২ লাখ ৭৫ হাজার ১২১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে রোডম্যাপ তৈরি করেছে। আবেদনে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করবে। ভর্তির জন্য তিন ধাপে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানিয়েছেন, শনিবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত সারা দেশ থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজার ১২১ জনের আবেদন জমা হয়েছে। তারা ৫ থেকে ১০টি করে কলেজ নির্বাচন করেছে।

এদিকে, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলছেন, এবার প্রায় ২১ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন। কলেজগুলোতে পর্যাপ্ত আসন আছে কি না, এ নিয়ে তাদের মনে আছে সংশয়। তবে, কলেজ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সব শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পরও প্রায় ৫ লাখ আসন খালি থাকবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা গেছে, ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তাদেরকে পুনরায় ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১১-১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

যারা আবেদন করতে পারবেন

২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যারা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন, তারা আবেদন করতে পারবেন। তবে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ২২ বছর বয়সেও আবেদন করতে পারবেন। যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও দাখিলের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন, তারা ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করলেও ফল পরিবর্তনকারীরা ২২ ও ২৩ জানুয়ারি আবেদন করতে পারবেন। ২৪ জানুয়ারি পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। ২৯ জানুয়ারি প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে।

অন্যদিকে, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতেও ৮ জানুয়ারি থেকে আবেদন নেওয়ার চিন্তা চলছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ভর্তি নীতিমালাসহ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন ও ভর্তি ফি কত:

আবেদন ও নির্বাচন পর্ব শেষে ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। এবার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। নীতিমালায় ঢাকা ও জেলা পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি ফিসহ সব ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, ঢাকা মহানগরের বাইরে ৩ হাজার, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার আর উপজেলা ও মফস্বলে ১ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে। নির্ধারিত ফির বেশি অর্থ আদায় করা যাবে না। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি নেওয়া যাবে। উন্নয়ন ফি আদায় করা যাবে না।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া হয়, সারা দেশে এমন কলেজ ও মাদ্রাসা আছে ৮ হাজার ৮৬৪টি। অন্যদিকে, সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে ৫৫০টি। কলেজ ও মাদ্রাসায় আসন আছে ২৪ লাখ ৪০ হাজার ২৪৯টি। পলিটেকনিকে আছে ১ লাখ ৬৯ হাজার আসন। সবমিলিয়ে এ স্তরে আসন ২৬ লাখ ৯ হাজার ২৪৯টি। এর বিপরীতে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন। তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন এসএসসি, ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২ জন দাখিল এবং ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৩ জন কারিগরি শাখা থেকে সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: একাদশ শ্রেণি

আরও খবর