আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ঘুষের টাকা ফেরত নিতে গিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৯০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অনার্স-মাস্টার্স পাস করে চাকরির সন্ধানে ছিলেন উম্মে সাদিয়া (ছদ্মনাম)। এর মাঝেই ফেসবুকে পরিচয় হয় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। সেই সম্পর্ককে বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন ওই প্রকৌশলী।

চাকরি দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে বছর পঁচিশের ওই তরুণীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেন ১০ লাখ টাকা। দীর্ঘ দিনেও চাকরি দিতে না পারায় টাকা ফেরত চাইতে আনিসুরের তেজকুনীপাড়ার ১০৫/২ নম্বর বাসায় যান ওই তরুণী। আপ্যায়নের আড়ালে কোকের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ান চেতনানাশক। অচেতন হতেই কেড়ে নেন তার সম্ভ্রম। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের চিত্র গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই চাকরিপ্রার্থীকে বছরজুড়েই ভোগ করেন আনিসুর রহমান।

এসব অভিযোগ এনে গত বছরের ২৯ অক্টোবর প্রকৌশলী আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিমের আদালতে (১৪ নম্বর কোর্ট) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেন সাদিয়া। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ দিদার হোসাইনের নির্দেশে সেই মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গত ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেন ধানমন্ডি থানার এসআই মধুসুদন মজুমদার। চার্জশিট আমলে নিয়ে গত ২৫ আগস্ট আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি করেন আদালত। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ধরা পড়ছেন না প্রকৌশলী আনিসুর।

এদিকে ভুক্তভোগী তরুণী প্রকৌশলী আনিসুরের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বাপাউবোর মহাপরিচালকের দপ্তরেও লিখিত অভিযোগ দেন। ঘুষ-সম্ভ্রম হারানোর বিস্তারিত ঘটনা লিখে জানান সাদিয়া। কিন্তু আনিসুর রহমানের টিকিটিও ছুঁতে পারেনি বাপাউবো কর্তৃপক্ষ। উল্টো মামলা তুলে না নিলে বিশেষ একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে ভুক্তভোগী তরুণীকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ওই প্রকৌশলী। হুমকিতে এখন ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ আমাদের সময়কে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আনিসুর রহমানের ক্ষমতার কাছে পুলিশও জানি অসহায়! গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়েও অভিযুক্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রকাশ্যে। অফিসে গিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দিব্যি। যদিও পুলিশের দাবি, ওয়ারেন্টভুক্ত ওই আসামিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ভুক্তভোগীর স্বজনরা অবশ্য জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের দেওলা এলাকায় গ্রামের বাড়িতে গত শুক্রবার আনিসুরের অবস্থান নিশ্চিত করলেও সাড়া দেননি ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই। আসামির অবস্থান শনাক্তের পরও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামীম হোসেন বলেন, এই ওয়ারেন্টের বিষয়ে আমি অবগত নই। এসআই আমিনুলের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সেই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে ওয়ারেন্ট তামিল করে আদালতের নির্দেশ পালন করা হবে।

অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন প্রকৌশলী আনিসুর রহমান। গতকাল সোমবার দুপুরে তিনি আমাদের সময়কে বলেন, চাকরির কথা বলে ওই তরুণীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া এবং ধর্ষণের যে অভিযোগ তিনি তুলেছেন, তা অসত্য। অনৈতিক সুবিধা নেওয়া এবং আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণের উদ্দেশ্য চক্রটি নানা অভিযোগ তুলছে। আদালতে দাখিল করা ধর্ষণের ভিডিওর বিষয়ে তিনি বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে সব কিছুই সম্ভব। যদি আদালতে এমন কিছু মেয়েটি দিয়ে থাকে তা অবশ্যই এডিট করা ও সাজানো। মামলা উঠিয়ে না নিলে তরুণীকে তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, এটি কোনো কথা হলো, তাকে উঠায় আনতে হবে কেন? আমি যদি চাই ও-তো সুড় সুড় করে চলে আসবে! মামলায় চার্জশিটের বিষয়ে আমি জানি না। অফিসের কাজে ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে এর বেশি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন এই প্রকৌশলী।

এদিকে প্রকৌশলী আনিসুর রহমান তার বিরুদ্দে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেও তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিটে উল্লেখ করেন- আনুষঙ্গিক কার্যাক্রমের পাশাপাশি জব্দকৃত আলামত (বাদী-আসামির তিনটি ঘনিষ্ঠ ছবি, তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ধারণকৃত ভিডিও) পরীক্ষা করানো হয়। এ বিষয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই ও আলোকচিত্র বিশারদ রিপন হালদার মতামত দেন, ভিকটিমের নমুনা ছবির সঙ্গে অশ্লীল স্থিরচিত্র থাকা নারীর ছবি ও ভিডিওতে সংরক্ষিত ভিডিওচিত্রে থাকা নারীর ছবির মিল রয়েছে এবং তা এডিট করা হয়নি।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে এসআই মধুসুদন মজুমদার চার্জশিটে আরও উল্লেখ করেন, বাদীর সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি আনিসুর রহমানের ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন বড় প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে তিনি বাদীকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে বাদীর কাছ থেকে বায়োডাটা এবং বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা নেন। কিন্তু চাকরি না দিয়ে তিনি বাদীকে ঘুরাতে থাকেন। একদিন টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে আসামি তার তেজকুনীপাড়ার বাসায় তরুণীকে নিয়ে যান। কিন্তু বাসায় কেউ না থাকায় সন্দেহ হলে বাদী চলে আসতে চান। এ সময় আসামি আনিসুর রহমান জোর করে তাকে কোক খাওয়ান। তার সঙ্গে ছিল চেতনানাশক। ফলে বাদী নিস্তেজ হয়ে পড়লে আসামি তাকে ধর্ষণ করেন। জ্ঞান ফিরলে বাদী নিজেকে আসামির বিছানায় বিবস্ত্র অবস্থায় দেখেন। কোনো মতে সেখান থেকে বাসায় চলে আসেন ওই তরুণী। পরবর্তী সময় শারীরিক মেলামেশার জন্য আসামি ফের তার বাসায় যেতে বললে বাদী রাজি হননি। এ সময় তিনি হুমকি দেন যে, ধর্ষণের সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করা আছে। আমার কথামতো না চললে সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। অগত্যা পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় আসামির কথায় সায় দিতে বাধ্য হন তরুণী। তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় বাদীর অভিযোগ ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮ (১)/৮ (২) ধারার প্রমাণিত হয়। কিন্তু ব্যাপক চেষ্টার পরও আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

নিউজ ট্যাগ: ধর্ষণ বাপাউবো

আরও খবর



বিয়ে বিচ্ছেদে এগিয়ে নারীরা, দিনে ১৪টি আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাড়ছে বিয়ে বিচ্ছেদ। মহামারির মতো সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে বিয়ে বিচ্ছেদের প্রবণতা। চলতি বছরের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহরে বিয়ে বিচ্ছেদ চেয়ে সিটি করপোরেশনের সালিশি আদালতে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ৫৭২ জন। গড়ে দৈনিক ১৪টি বিচ্ছেদের আবেদন পড়েছে এ আদালতে।

স্বার্থের সংঘাত, অর্থের অভাব, পরকীয়ায় আসক্ত, মাদকাসক্ত, মোবাইল ফোনে আসক্তি, যৌতুক, কনে পক্ষের দেনমোহরের চাপ, মতের অমিল আর আত্মসম্মান মোকাবিলায় চূড়ান্ত হচ্ছে বিয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন নারীরাই।

নারীদের বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদনের প্রধান কারণ-যৌতুকের জন্য নির্যাতন, অন্য নারীর সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক বা দ্বিতীয় বিয়ে, মতের বনিবনা না হওয়া, শাশুড়ির সঙ্গে দ্বন্দ্ব, স্বামীর মাদকাসক্তি, চাকরি করতে না দেওয়া বা স্বাবলম্বী হতে বাধা দেয়া ইত্যাদি।

অপরদিকে বিয়ে বিচ্ছেদে পুরুষের আবেদনের প্রধান কারণ-অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক, সংসারে মানিয়ে না চলা, স্বামীর কথা না শোনা, যৌথ পরিবারে থাকতে না চাওয়া, সন্তান না হওয়া, শ্বশুর ও স্বামীর নিকটাত্মীয়ের প্রতি সম্মান না দেখানো ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে দেনমোহরের লোভেও বিয়ের কয়েক মাস না যেতেই স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সালিশি আদালতের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা বলেন, উচ্চ, মধ্য ও নিম্নবিত্ত-সবার ক্ষেত্রেই বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বিয়ে বিচ্ছেদের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

২০২০ সালে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সালিশি আদালতে আবেদন করেন ৪ হাজার ৮৫৪ জন। ২০১৯ সালে ৪ হাজার ৫৫০, ২০১৮ সালে ৪ হাজার ৩৩১, ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৯২৮, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৯৬১, ২০১৫ সালে ৩ হাজার ৪৮৬ ও ২০১৪ সালে ৩ হাজার ২৬৮ জন বিয়ে-বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সালিশি আদালতের তালাকের নোটিশগুলোর ৫৫ শতাংশের বেশি ছিল স্ত্রীদের পক্ষ থেকে। অর্থাৎ নারীরাই বিয়ে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে বেশি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।


আরও খবর
কক্সবাজারে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি

বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

ঘরে আগুন লেগে কলেজছাত্রের মৃত্যু

বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১




ছিনতাইকারীদের গুলিতে এজেন্ট ব্যাংকের মালিক নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাংনীর গাঁড়াডোব-আমঝুপি সড়কের খোকসা ও গাঁড়াডোব মাঠের মধ্যে ছিনতাইকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন কোমরপুর সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ও তন্নি হার্ডওয়্যারের স্বত্বাধিকারী খাদেমুল ইসলাম (৩২)।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

খাদেমুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার যতারপুর গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় ৪৬ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

খাদেমুল ইসলাম মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর বাজারে স্থাপিত সিটি ব্যাংকের এজেন্ট মালিক ও তন্নি হার্ডওয়ারের স্বত্বাধিকারী।

খাদেমুল ইসলামের ছোট ভাই রানা জানান, ৪৬ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে আমঝুপি-গাঁড়াডোব সড়ক ধরে গাংনী যাচ্ছিলেন খাদেমুল। তিনি আমঝুপি-গাঁড়াডোব সড়কের খোকসা ও গাঁড়াডোব গ্রামের মাঠের মধ্যে পৌঁছানো মাত্র পেছন থেকে মোরসাইকেলে আসা দুইজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তখন খাদেমুল ইসলামের সঙ্গে দুইজন দুর্বৃত্তের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা খাদেমুলকে পিছনে গুলি করে। এসময় খাদেমুল রস্তায় পড়ে চিৎকার শুরু করেন। এসময় একটি পাখি ভ্যান আসতে দেখে দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, খাদেমুল টাকাগুলো সিটি ব্যাংকের গাংনী এজেন্টে জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, স্থানীয়রা খাদেমুলকে মুমূর্ষু অবস্থায় টাকার ব্যাগসহ উদ্ধার গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তার কাঁধে থাকা ব্যাগ থেকে ৪৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করেছে।

এদিকে খবর পেয়ে মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু, গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা গাংনী থানায় খোঁজ নেন।


আরও খবর



সেরা অভিনয়শিল্পীর স্বীকৃতি পেয়েছেন কিয়ারা আদভানি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের আবেদনময় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হলো। অর্জনে যুক্ত হলো সুখ্যাত পুরস্কার। হ্যাঁ, সেরা অভিনয়শিল্পীর স্বীকৃতিস্বরূপ স্মিতা পাতিল মেমোরিয়াল গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন এ লাস্যময়ী।

এ বছরের অন্যতম সফল শেরশাহ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য এ সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছেন কিয়ারা আদভানি। এর আগে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন বিদ্যা বালান, দীপিকা পাড়ুকোন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস ও আনুশকা শর্মার মতো তারকারা।

কিছুদিন আগে বিশ্বের চাহিদাসম্পন্ন অভিনেতাদের তালিকায় নাম আসে কিয়ারা আদভানির। শাহরুখ খান, আল্লু অর্জুন, সালমান খান, টম হিডলস্টোন, সাং হু-দের পাশে যুক্ত হয় কিয়ারার নাম। বলা জরুরি, এ তালিকায় বিশ্বে নারী অভিনেতাদের মধ্যে শুধু কিয়ারা আদভানি ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নাম উঠে আসে।

নিউজ ট্যাগ: কিয়ারা আদভানি

আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তা থেকে জিয়াউর রহমানের নাম অপসারণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের বাল্টিমোর সিটির রাস্তা থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম অপসারণ করল বাল্টিমোরের মেয়র অফিস।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ম্যারিল্যান্ডের বাল্টিমোরের সড়ক থেকে এই নাম সরায় সিটি কর্তৃপক্ষ। ওইদিনই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

সামরিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মতো আইন পাসসহ ৬টি  অভিযোগ আমলে নিয়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

১৫০ ডলার ফি দিয়ে ওই রাজ্যে বিশিষ্টজনের নামে সড়কের নামকরণের ব্যবস্থা করেছিল সিটি মেয়র অফিস। তবে- এবার পুরা প্রক্রিয়ায় আরও কোনো গাফিলতি আছে কিনা তাও তারা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে।

এর আগে বাল্টিমোরের ২০০ ওয়েস্ট সারাটগা স্ট্রিটে গত জুন মাসে জিয়াউর রহমান ওয়ে নামফলক লাগানো হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্রিফিংয়ে  জানানো হয়, 'আজকে অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ম্যারিল্যান্ডের বাল্টিমোর সিটিতে জিয়াউর রহমান ওয়ে নামে যে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছিল, তা আজ বাতিল ঘোষণা করে তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল জিয়াউর নামে রাস্তার নামকরণ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার, কংগ্রেস অব বাংলাদেশি আমেরিকান, শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সংগঠনসমূহের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।'

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, 'বাঙালি জাতির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘাতক হিসেবে জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের কাঠগড়ায় অবশ্যই দাঁড়াতে হবে। একদল লোক মার্কিন প্রশাসনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছিলেন, আমরা লাগাতার চেষ্টায় সেটি সংশোধনে সক্ষম হলাম।'

ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, এমন একজন স্বৈরশাসকের নামে যুক্তরাষ্ট্রের মতো গণতান্ত্রিক দেশে কোনো স্থাপনার নাম হতে পারে না। ২০২০ সালের ১৬ জুন বাল্টিমোর সিটি কাউন্সিল কনফেডারেট সৈনিকদের প্লাক সব স্থাপনা থেকে সরিয়ে দেওয়ার আইন পাস হয়েছে। সেই শহরে সামরিক শাসক জিয়ার নামে রাস্তার নামকরণ হতে পারে না।

ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়, মিটিং চলাকালেই বাল্টিমোর সিটি কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবির সাথে একমত হয়ে জিয়ার নামে রাস্তার সাইন নামিয়ে ফেলার কথা বলেন। ইতোমধ্যেই তা নামিয়ে ফেলা হয়েছে।


আরও খবর
লন্ডনে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষকে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পারিবারিক কলহের জেরে মিন্টু মিয়াকে (৫২) কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে জনি মিয়া (২৩)। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের জামতলী বাঙ্গালীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মিন্টু মদ্যপ অবস্থায় নিজ বাড়িতে আসলে ছেলে জনির সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছেলে বাবাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিন্টুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

দীঘিনালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ মিল্টন খন্দকার জানান, নিহতের ঘাড়ে ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। ঘটনার পরপর ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর