আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

গম রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিজেদের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গম রপ্তানি বন্ধ করেছে ভারত। সাময়িকভাবে দেশটি এই পদক্ষেপ নিয়েছে। শুক্রবার রাতে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর এক ঘোষণায় এ কথা জানিয়েছে। যা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। খবর এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমসের।

তবে আগে করা রপ্তানি চুক্তিগুলো বহাল থাকবে বলেও জানিয়েছে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর। অর্থাৎ শুক্রবার বা তার আগে গম রপ্তানিতে যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে সেগুলো বহাল থাকবে।

বিশ্বের মোট গম রপ্তানির ২৯ শতাংশই সরবরাহ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্যের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগেছে। হু হু করে দাম বেড়েছে গমেরও।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের রপ্তানি বন্ধ আর রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী ভারতীয় গমের চাহিদা বেড়েছে। ভারতের গম রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, রাশিয়া-ইউক্রেনের বিকল্প হিসেবে অনেক ক্রেতাই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

এ অবস্থায় বৈশ্বিক চাহিদা ও মূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় এ বছর রেকর্ড পরিমাণ গম রপ্তানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল ভারত। গত অর্থবছরে দেশটি রেকর্ড ৬৫ লাখ টন গম রপ্তানি করেছিল। চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সেই সীমা পার হয়ে গেছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে গমের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় শেষপর্যন্ত রপ্তানি নিষিদ্ধ করলো ভারত সরকার। তাদের এ সিদ্ধান্তে ক্রেতা দেশগুলো আরও বড় সমস্যার সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর



‘দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা এক প্রাজ্ঞ মানুষকে হারালাম’

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যুতে দেশের অর্থনীতিতে অনন্য অবদান রাখা একজন প্রাজ্ঞ, বিজ্ঞ, ভদ্র মানুষকে হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সদ্যপ্রয়াত প্রবীণ রাজনীতিক মুহিতের কফিনে আজ শনিবার দুপুরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ।

ভব্যতা-ভদ্রতাসহ অনেক কিছু শেখার ছিল উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, মুহিত ভাই কনিষ্ঠ ও অনুজদের যেভাবে আপন করে নিতেন, তা ছিল অভাবনীয়। তাঁর মৃত্যু আমাদের দেশ ও দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশ যে আজ স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে, সব প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ যে আজ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এ ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সর্বোত্তম সহায়তা করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আবুল মাল আবদুল মুহিতের মাধ্যমে দেশে মোট ১২টি বাজেট পেশ হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের ১০টি বাজেট দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও প্রাজ্ঞ এ মানুষটি। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

গত বছর করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই বছরের ২৯ জুলাই তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। পরে তিনি করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফেরেন। তখন থেকে তিনি শারীরিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েন।


আরও খবর



১০০ দিনে কেন দু’লক্ষ গ্রাহক হারাল নেটফ্লিক্স

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হুড়মুড়িয়ে কমল নেটফ্লিক্সের শেয়ার দর। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকেই এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মের শেয়ারের দাম ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৬২ ডলারে। কেন এই অবনতি? তার কারণ ব্যাখ্যা করেছে সংস্থাটি। সেই সঙ্গে এ কথাও জানিয়েছে যে, গত এক দশকে এই প্রথম বার এমনটা ঘটল।

ঠিক কী কারণে সিনেমা এবং টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং ওটিটি সিরিজ দেখার এই প্ল্যাটফর্ম এমন ক্ষতির মুখে, একে একে তার কারণ জেনে নেওয়া যাক।

করোনা: ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছিল অনেকটাই। তবে তাতে আশা জাগলেও পরে ২০২১ সালে যখন করোনা সংক্রমণ কমল না তখন দেখা গেল না আশানুরূপ সংখ্যায় ব্যবহারকারী আসছেন না নেটফ্লিক্সে।

ব্যবহারকারী: বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ ১০০ দিনেরও কম সময়ে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক কমেছে। প্রথম ত্রৈমাসিকে নেটফ্লিক্সের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ২২ কোটি ১৬ লক্ষ। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের থেকে বেশ কম।

যুদ্ধ: নেটফ্লিক্সের দাবি, তাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রতিবাদে নেটফ্লিক্স তাদের সম্প্রচার বন্ধ করেছে রাশিয়ায়। এখন নেটফ্লিক্স জানাচ্ছে, সেই সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।

ইন্টারনেট: তবে শুধু যুদ্ধ নয়, অনেকক্ষেত্রেই ইন্টারনেট সমস্যা একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে নেটফ্লিক্সের। গ্রাহক সংখ্যা কমে যাওয়ার এটাও একটা কারণ বলে মনে করছে তারা। টিভিতে ইন্টারনেটের সাহায্যে নেটফ্লিক্স দেখা যায় এখন। তবে স্মার্ট টিভি আর যথাযথ ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে ব্যবহারকারীদের পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে নেটফ্লিক্সের দাবি।

অ্যাকাউন্ট ভাগ করে নেওয়া: নেটফ্লিক্সে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ভাগ করে থাকেন। নেটফ্লিক্সের তরফেই এই সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু নেট ফ্লিক্স জানিয়েছে এই সুবিধার গ্রাহকের সংখ্যা সে ভাবে বাড়েনি গত এক বছরে।

নিউজ ট্যাগ: নেটফ্লিক্স

আরও খবর



বাংলাদেশে করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের আশঙ্কা কম

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ আসার আশঙ্কা খুবই কম বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) কান্ট্রি ডিরেক্টর নিলি কায়ডোস। বুধবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশান আমেরিকান সেন্টারে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএস সিডিসির পার্টনারশিপ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীনসহ যুক্তরাষ্ট্র এবং কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ এলেও বাংলাদেশে এই ঢেউ আসার আশঙ্কা খুবই কম। যদি নতুন করে আসে তাও ছোট পরিসরে হতে পারে।

তারপরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে নিলি কায়ডোস বলেন, একটি মহামারি নিয়ন্ত্রণে থাকার অর্থ এই নয় যে আমরা অন্য মহামারি থেকে নিরাপদ। ভাইরাসের একক বাহক থেকে নতুন আরেকটি মহামারি শুরু হতে পারে। তাই আমাদের এমন কোনো ঘটনা শনাক্ত করা, প্রতিরোধ করা এবং মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আগামীতে কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অর্জনগুলোকে কাজে লাগাতে হবে এবং সংক্রামক রোগের বিস্তার প্রতিরোধে বাংলাদেশের সামর্থ্য জোরদার করা অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক জনবল তৈরি অব্যাহত রাখতে হবে, নতুন ও উদীয়মান জীবাণু শনাক্ত করতে পরীক্ষাগার ও নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত সব ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে করোনা টিকাদান ব্যবস্থা ভালো ছিল। এছাড়া এদেশের মানুষের করোনা বা অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ভালো। এই কারণে বাংলাদেশ করোনা নিয়ন্ত্রণে ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত; এ বিষয়ে যথাযথ জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ডায়রিয়া-কলেরা এখানে (বাংলাদেশে) সিজনাল। এটা একবার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না। তবে ডায়রিয়ার ভ্যাকসিন প্রদানের হারে বাংলাদেশ এগিয়ে।

বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারজনিত সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে নিলি কায়ডোস বলেন, এটি কোভিড-১৯ এর মতো মহামারির তুলনায় অনেক ধীরগতিতে বিকশিত হওয়া একটি মহামারি। তবে এটি কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। অ্যান্টিবায়োটিক এক ধরনের হুমকি, যা বোঝা দরকার এবং মানুষ, প্রাণিসম্পদ ও পরিবেশে একে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার; তাই এই বিষয়টি অনেক জটিল। এটি বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অগ্রাধিকারমূলক একটি বিষয়।

বাংলাদেশের সঙ্গে সিডিসির দীর্ঘ কাজের ইতিহাস সফলতার ইতিহাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের অনেকগুলো যৌথ প্রকল্প বাংলাদেশি জনগণের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখার পাশাপাশি বিশ্বের বাকি মানুষের জীবনকেও প্রভাবিত করেছে।

নিলি কায়ডোস বলেন, আমরা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইসিডিডিআর,বি এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রাখি।


আরও খবর



সাত বছরের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি পৌঁছতে পারে জাপানে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাপানে খুচরা পর্যায়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এপ্রিলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতিটির মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে পৌঁছতে পারে। এতে সাত বছরের সর্বোচ্চে দাঁড়াবে দেশটির মূল্যস্ফীতি। মূলত তাজা খাবার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিই এর কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির কারণে বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খবর নিক্কেই এশিয়া।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ মূল্যস্ফীতির কারণ হলো ইয়েনের মান দুর্বল হয়ে যাওয়া ও ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়া। যার পেছনে রয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এর আগে ২০১৫ সালে সর্বশেষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল। সে সময় অবশ্য ভোক্তা কর বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে পৌঁছে।

সময়ের সঙ্গে জাপানের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি বেশ স্থিতিশীল ছিল। একটি পরিসংখ্যানের তথ্য বলছে, চলতি বছর দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের একটি জরিপে দেখা গিয়েছে, অক্টোবরে দ্রব্যমূল্য বেশি বেড়েছে। অন্য দুটি জরিপে আগস্ট ও চলতি এপ্রিলে দাম বাড়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সব জরিপই বলছে যে মূল্যস্ফীতি অন্তত ২ শতাংশ হবে। এরই মধ্যে ব্যাংক অব জাপান মুদ্রা লেনদেনের বিষয়টি সহজ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার হয়তো ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে গত জানুয়ারিতে ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এপ্রিলে শুরু হওয়া বছরের জন্য মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ১ দশমিক ১ শতাংশ করা হয়।

মিজুহো রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজি মনে করছে, আগস্ট নাগাদ মূল্যস্ফীতি ২ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছতে পারে। এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে জ্বালানির দাম। যেহেতু তেলের দাম বাড়তি তাই বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী গ্রীষ্ম নাগাদ দাম সমন্বয় করতে হবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যুতের জন্যও বাড়তি দাম গুনতে হবে।

এনএলআই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ তারো সাইতো বলেন, ২০২২ সালজুড়ে মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশই থাকতে পারে। যদি বাড়েও তবে তা ২ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি হবে না। দুর্বল ইয়েনের উচ্চমূল্য ভোক্তাদের ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে। এতে ভোক্তার নিত্যপণ্যের দাম ও পোশাকের দাম বাড়বে।

সব মিলিয়ে ২০২২ সালের জন্য মূল্যস্ফীতি গড়ে ২ শতাংশ হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট হবে ১২৮ ইয়েন, যা বর্তমান সময়ের বেশ কাছাকাছি। মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তা ব্যয় কমে যাবে বলে শঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ২০২৩ সাল নাগাদ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এ ধারা কমে আসবে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হচ্ছে।

এসএমবিসি নিক্কো সিকিউরিটিজের অর্থনীতিবিদ ইয়োশিমা মারুইয়ামা বলেন, বেতন বাড়ছে না, তাই দ্রব্যমূল্য বাড়লে তার সঙ্গে পরিবারগুলোকে ব্যয় সমন্বয় করতে হবে। যদিও জাপানের দ্রব্যমূল্য ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাড়েনি, তবু তার রেশ ভোক্তাদের ওপর ঠিকই পড়েছে।


আরও খবর



জয়ের ফিফটি, সেঞ্চুরির পথে তামিম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টেস্টে বরাবর বাংলাদেশের আক্ষেপের নাম ওপেনিং জুটি। থিতু হওয়ার পাশাপাশি বড় রান খুব একটা আসতে দেখা যায় না। সেখানে সুবাস ছড়াচ্ছেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান। দুজনের ছড়ি ঘোরানো ব্যাটিংয়ে ৬১ ইনিংস পর দেখা মিললো শতরানের ওপেনিং জুটি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪৭ ওভারে ১৫৭ রান। তামিম ব্যাট করছেন ৮৯ রানে। সঙ্গে জয় ক্রিজে রয়েছেন ৫৮ রানে। বাংলাদেশ পিছিয়ে ২৪০ রানে।

তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের শাসন করেছেন দুই ওপেনার। তামিম দ্রুত ব্যাট চালিয়ে ৩২তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন। তুলনায় মাহমুদুল ছিলেন ধীর স্থির। দেখে শুনে টেস্ট মেজাজে খেলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি। তবে ৩৯তম ওভারে অল্পের জন্য জীবন পেয়েছেন তরুণ ব্যাটার। হুক করতে গিয়ে বল বাতাসে তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু আসিথা ফার্নান্ডো বাউন্ডারির কাছে তার ক্যাচ হাতে জমাতে পারেননি ঠিকমতো। পরে সেই বল ছুঁয়েছে বাউন্ডারি।

চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দারুণ জবাব দিচ্ছে দুই ওপেনার। এক কথায় আধিপত্য বিস্তার করা ব্যাটিং। রান রেট বিবেচনায় নিলে প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার তুলনায় রান তোলার গতিও বেশি। যেখানে ২৫ ওভারে ২ উইকেট হারানো লঙ্কানদের ৩.০৪ রান রেটে সংগ্রহ ছিল ৭৬। তুলনায় সমান পর্যায়ে (২৫ ওভার) বাংলাদেশের দুই ওপেনার ৪.১৬ রান রেটে তুলে ফেলে ১০৪ রান! সেই ধারা ধরে রাখার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে এখনও।


আরও খবর