আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

গোবিন্দগঞ্জে বিস্ফোরণে নিহত ৩ : তদন্তে বোমা বিশেষজ্ঞ দল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বোমা বিশেষজ্ঞ দল। ঢাকা থেকে আসা ১১ সদস্যের দলটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে ওই বাড়িতে তদন্তকাজ শুরু করে। দলটির সদস্যরা জানান, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

এ ঘটনায় আজ বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনার কারণ এখন বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় বগুড়ার শিবগঞ্জের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে জানা গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

গতকাল বুধবার বিকেলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে নয়াপাড়া গ্রামে থমথমে অবস্থা দেখা যাচ্ছে। গ্রামবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। গ্রামের বাসিন্দা শাহাজাহান মিয়া বলেন, শান্ত গ্রামটি এখন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ দুতিনজন অপরিচিত ব্যক্তি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে যান। এর কিছুক্ষণ পর বাড়ির মধ্যে শোরগোল ও বিকট শব্দ শোনা যায়। এ সময় বিস্ফোরণে বোরহান উদ্দিনের একটি ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। এ ঘটনায় নয়াপাড়া গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে বাড়ির মালিক বোরহান উদ্দিন প্রধান (৩৬), একই গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে অহেদুল ইসলাম (৩৫) ও একই উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিড়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে রানা মিয়া (২৯) নিহত হন। এর মধ্যে বিস্ফোরণে রানা মিয়ার বুক ছিদ্র হয়ে গেছে। তাঁর বাঁ হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।

নিউজ ট্যাগ: গাইবান্ধা

আরও খবর
কালবৈশাখীর আঘাতে ৫ জনের মৃত্যু

রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১




মাস্ক না পরলে হতে পারে লাখ টাকা জরিমানাসহ ৬ মাস কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সরকার। এই বিধিনিষেধকালে বাড়ির বাইরে বের হলেই সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। একইসঙ্গে মেনে চলতে হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮ দফা ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি।

কোনো ব্যক্তি এই সরকারি আইন অমান্য করলে তাকে ২০১৮ সালের সংক্রামক রোগ আইন ও ১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইন-এর মুখোমুখি হতে হবে। সংক্রামক রোগ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। আর ১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

এরইমধ্যে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্ত্বরে অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮ দফা ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ দফা নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ২৫ জনকে ১২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া বিনা কারণে রাস্তায় চলাফেরা করায় রাজধানী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫ জনকে প্রায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেককেই জরিমানা গুণতে হয়েছে।

২০১৮ সালে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২৪ ধারায় বলা হয়েছে-

২৪(১) : যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক জীবাণুর বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করেন বা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও অপর কোনো ব্যক্তি সংক্রমিত ব্যক্তি বা স্থাপনার সংস্পর্শে আসিবার সময় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি তাহার নিকট গোপন করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ১ (এক) লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান ও নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপনের অপরাধ ও দণ্ড

আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে

২৫(১) যদি কোনো ব্যক্তি

(ক) মহাপরিচালক, সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাহার ওপর অর্পিত কোনো দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এবং

(খ) সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের উদ্দেশ্যে মহাপরিচালক, সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোনো নির্দেশ পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদানের অপরাধ ও দণ্ড

২৬ ধারায় বলা হয়েছে

২৬(১) যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদান করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ২ (দুই) মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনে শাস্তি

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইনসঙ্গতভাবে জারিকৃত কোনো আদেশ অমান্য করার দণ্ড

১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ১৮৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আদেশ জারি করতে বিধিসঙ্গতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জারিকৃত আদেশে তাকে কোনো বিশেষ কাজ হতে বিরত থাকার অথবা তার দখলাধীন বা পরিচালনাধীন কোনো সম্পত্তি সম্পর্কে কোনো বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ নির্দেশ অমান্য করে, যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে আইনসম্মতভাবে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির বিঘ্ন হয়, বিরক্তি উৎপাদিত হয় বা ক্ষতি সাধিত হয় অথবা বিঘ্ন, বিরক্তি বা ক্ষতির অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় তবে সেই ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

যদি অনুরূপ অবাধ্যতার ফলে মানবদেহ, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অনুষ্ঠিত হয় কিংবা অনুরূপ বিপদ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় অথবা কোনো দাঙ্গা বা কলহ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

কোনো কার্য দ্বারা জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াইতে পারে জানিয়াও অবহেলাবশত উহা করে তার দণ্ড

১৮৮০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ২৬৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

নিউজ ট্যাগ: করোনা সংক্রমণ

আরও খবর



মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশের সব মসজিদে জুমা ও ৫ ওয়াক্তের নামাজের আগে-পরে সভা-সমাবেশে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনার আগে-পরে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারীরভ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

বুধবার (৭ এপ্রিল)  ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, করোনার সংক্রমণ রোধে গণজমায়েত এড়িয়ে নিম্নবর্ণিত শর্ত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিদের মসজিদে নামাজ আদায় করতে হবে। একইসঙ্গ উপাসনালয়গুলোতেও এসব শর্ত মেনে প্রার্থনা আদায় করতে বলা হয়েছে।

শর্তগুলো হলো:

১।  জুমা, অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ ও প্রার্থনার আগে-পরে মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোনো সভা ও সমাবেশ করা যাবে না।

২।  মসজিদে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে তারাবিসহ অন্যান্য নামাজ আদায় করতে হবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রার্থনা করতে হবে।

৩। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৪ এপ্রিলের নির্দেশনা অনুযায়ী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ৫ এপ্রিল জারি করা নির্দেশনাগুলো সবাইকে মেনে চলতে হবে।

৪। উল্লিখিত নির্দেশনাগুলো লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী  ও সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটি এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে।


আরও খবর



যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শসার স্মুদি তৈরি করতে প্রথমে শসা ছাড়িয়ে কুচি করুন। এরপর কুচানো শসা ব্লেন্ডারে দিয়ে তাতে আইস কিউব, দই, মধু, পুদিনা পাতা ও লেবুর রস দিন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভালোভাবে মিশছে,

শসা ত্বক ও স্বাস্থ্য, উভয়ের জন্যই অত্যন্ত উপকারী। শসা শরীর ঠাণ্ডা রাখে, বিশেষ করে গরমকালে। এ ছাড়া শসায় রয়েছে ফসফরাস, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শসায় থাকা ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর, যা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। ডিহাইড্রেশন রুখতেও সাহায্য করে শসা।

আজ আমরা কিউকামবার বা শসার স্মুদি তৈরির রেসিপি বলব, যা গরমে আপনাকে একটু হলেও স্বস্তি দেবে

উপকরণ

১. দুটি শসা

২. দুই টেবিল চামচ মধু

৩. দেড় কাপ টক দই

৪. এক মুঠো পুদিনা পাতা

৫. হাফ কাপ আইস কিউব ও

৬. এক চা চামচ লেবুর রস

 

তৈরির পদ্ধতি

শসার স্মুদি তৈরি করতে প্রথমে শসা ছাড়িয়ে কুচি করুন। এরপর কুচানো শসা ব্লেন্ডারে দিয়ে তাতে আইস কিউব, দই, মধু, পুদিনা পাতা ও লেবুর রস দিন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভালোভাবে মিশছে, ততক্ষণ ব্লেন্ড করুন। তৈরি হয়ে গেলে কাঁচের গ্লাসে ঢালুন। প্রত্যেক গ্লাসের ওপর পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে নিন। এরপর ঝটপট পরিবেশন করুন।

নিউজ ট্যাগ: শসা

আরও খবর
মাস্ক কখন পরিবর্তন করবেন

শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১




বিকেলে ঢাকা-জলপাইগুড়ি ‘মিতালী এক্সপ্রেস’ উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি জংশন পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস উদ্বোধন বিকেলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনের নাম নির্ধারণ করেছেন।

শনিবার (২৭ মার্চ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন থেকে উদ্বোধন করা হবে। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ‌্যমে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিতি থাকবেন।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম জানান, ২৭ মার্চ উদ্বোধন হলেও শিগগির নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করবে না মিতালী এক্সপ্রেস। করোনার কারণে ভারতের ভিসা বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি উন্নতি হলে ট্রেনটি নিয়মিত চলবে। ঢাকা থেকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার এবং জলপাইগুড়ি থেকে রবিবার ও বুধবার ট্রেনটি চলবে।

ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু করতে গত বছর বাংলাদেশের চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ী পর্যন্ত রেলপথ পুনর্নির্মাণ করা হয়। এই পথে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেন চলাচল ছিল। ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের পর এ রুটে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর পণ্যবাহী ওয়াগন চলাচলের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ৫৫ বছর পর চালু হয়।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে জলাপাইগুড়ি থেকে রাতে ঢাকায় পৌঁছে ফের জলপাইগুড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যাবে ট্রেনটি। পথে কোনো স্টেশনে দাঁড়াবে না। বর্তমানে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এবং কলকাতা-খুলনা রুটে বন্ধন নামে দুটি ট্রেন চলছে।

ঢাকা থেকে জলপাইগুড়ির দূরত্ব রেলপথে ৫৯৫ কিলোমিটার। বাংলাদেশ অংশে পড়েছে ৫২৬ কিলোমিটার। বাকি ৬৯ কিলোমিটার ভারত অংশে। ট্রেন থেকে আয় ভাগাভাগির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতকে। দূরত্ব অনুপাতে ভাড়ার ৮৫ ভাগ বাংলাদেশ এবং বাকি ১৫ ভাগ ভারত পাবে।

রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী জানান, ভাড়ার হার ও রাজস্ব ভাগাভাগি নিয়ে ভারতকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তা চূড়ান্ত হবে।

রেল সূত্রে আরও জানা গেছে, মিতালীর সব কামরা হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সব ধরনের করসহ এসি বার্থে যাত্রীপ্রতি তিন হাজার ৭৪০ টাকা, এসি সিটে ২৮০৫ টাকা এবং এসি চেয়ারে এক হাজার ৮৭০ টাকা ভাড়া পড়বে। ভারতের দেওয়া ১০টি ব্রডগেজ ট্রেন কোচে আপাতত চলবে এটি। পরে নতুন বগি আমদানির পর বাংলাদেশের বগি ও ইঞ্জিনে চলবে মিতালী।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় এসেছেন। দুই দিনের সফর শেষে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি ঢাকা ছাড়বেন।


আরও খবর



অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চডুবি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১৪৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুন্সিগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে আসা শতাধিক যাত্রী নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর সৈয়দপুর কয়লাঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জ নৌপুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুচ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

লঞ্চটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি। তবে লঞ্চটিতে শতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।


আরও খবর