আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

গোসাইরহাট পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অনির্বান, সা.সম্পাদক অপু

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গোসাইরহাট (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি

Image

গোসাইরহাট পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের দ্বিতীয় মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অনির্বান ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন অপু।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সরকারি শামসুর রহমান কলেজ অডিটরিয়ামে স্বেচ্ছাসেবকলীগের ত্রি-বার্ষীকি সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামি তিন বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

গোসাইরহাট উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক কোতোয়াল মো. টিপু সুলতাল সভাপতিত্বে ও প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান খান এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক এম পি।

এতে প্রধান উদ্বোধক ছিলেন কেন্দীয় স্বেছাসেবক লীগ জন শক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন উদ্ধোধনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মাহাবুবুল আলম বুলবুল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন- শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক বাবু অনল কুমার দে, গোসাইরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাজাহান সিকদার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আশ্রাফুল ইসলাম লিটন দেওয়ানসহ অনেকে।

এছাড়াও উক্ত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, গোসাইরহাট পৌরসভা মেয়র আবদুল আউয়াল সরদার, জেলা পরিষদের সদস্য আব্রাহাম লিংকন, ডামুড্যা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রসদি গোলন্দাজ, গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মো.আবুল খায়ের ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম প্রমুখ।


আরও খবর



দোহারে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

ঢাকার দোহার উপজেলায় পানিতে ডুবে জান্নাত নামে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার ইউসুসপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত জান্নাত ইউসুসপুর এলাকার মো.শরিফ ও ফাতেমা দম্পতির একমাত্র মেয়ে।

শিশুটির পরিবার জানান, দুপুরে বাড়ির আঙ্গিনার পুকুর পাড়ে শিশুটি খেলা করতে থাকে। খেলা করার এক পর্যায়ে শিশুটির খেলনা পুকুর পাড়ে পড়ে যায়। পরে পুকুর পাড়ে খেলনা আনতে গিয়ে শিশু জান্নাত পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা। কোথাও না পেয়ে বাড়ির পুকুর পাড়ে পানির মধ্যে উপুড় হয়ে থাকা অর্ধেক ডুবন্ত অবস্থায় শিশু জান্নাতকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশি মো. মানিক হোসেন বলেন, শিশুটি বাড়ির আঙ্গিনায় পুকুরপাড়ে বসে খেলতে গিয়ে পড়ে যায়। আমরা খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি বাচ্চাটা মারা গেছে। পরিবারের ব্যস্ততার কারণে নজর না রাখায় শিশুটির এমন মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বর্ষাকাল আসছে, তাই যেসব পরিবারের ছোট ও সাঁতার না জানা শিশু আছে সেসব পরিবারের লোকজনকে আরো বেশি সচেতন ও সতর্ক হতে হবে।


আরও খবর



বান্দরবানে কুকি-চিনের দুই সদস্য নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড শ্যারণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্যারণপাড়া প্রধান তলুয়াং থাং বমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতরা হলেন শ্যারণপাড়া এলাকার লাল নু বম ও বেথানি পাড়া এলাকার থাং পুই বম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শ্যারণপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এসময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন কেএনএফ সদস্যরা। আত্মরক্ষার্থে যৌথবাহিনী পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই কেএনএফের দুই সদস্য নিহত হন।

দুই কেএনএফ সদস্য নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাই মো. রায়হান কাজেমী বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে বান্দরবান হাসপাতালে আনা হয়েছে। আগামীকাল তাদের ময়নাতদন্ত হবে।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জুয়েল ত্রিপুরা জানান, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বিকেল ৫টার দিকে গুলিবিদ্ধ দুটি মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২ ও ৩ মে বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, হামলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র লুট ও ব্যাংক ম্যানেজার অপহরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা হয়েছে। থানচিতে চারটি ও রুমায় পাঁচটি। এসব মামলায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে ৮৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ জন নারী রয়েছেন।


আরও খবর



যারা বলে বিমান লাভে নাই, আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক: বিমানের এমডি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি শফিউল আজিম বলেছেন, যারা বলে বিমান লাভে নাই, আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুক। বিমানে গত ১০ বছরে ৮ বছরই লাভ ছিল। তবে দুই বছর লস হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) এক এভিয়েশন ও ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরামের (এটিজেএফবি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এমডি শফিউল আজিম বলেন, ওই দুই বছরের এক বছর করোনা ভাইরাসের আধিক্য ছিল, আরেকবার আমাদের মোটা অঙ্কের পেমেন্ট পরিশোধ করতে হয়েছিল। তাছাড়া গত বছর ডলারের সমস্যা ছিল, বিশ্বে দুইটি যুদ্ধ চলমান, এর মধ্যেও আমরা লাভ করেছি। বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান দিয়ে অডিট করা হয়েছে আমাদের লাভের বিষয়ে। আমরা বিমানে নিয়মিত নিয়োগ দিচ্ছি, বেতন দিচ্ছি, বোনাস দিচ্ছি, প্রোফিট বোনাস দিচ্ছি। লাভ না হলে এসব টাকা কোথা থেকে আসছে?

তিনি বলেন, এয়ারবাস ফ্লাইট কেনার জন্য দুইটা প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রথম প্রস্তাবে দুইটা কার্গো ফ্লাইট বিক্রির কথা বলা হয়েছিল। তবে আমাদের মনে হয়েছে, আপাতত আমাদের কার্গো বিমান কেনার দরকার নাই। পরে আমরা যাত্রীবাহী বিমান বহর বাড়ানোর ইচ্ছার কথা জানাই। তখন এয়ারবাস আমাদের ৪টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট বিক্রির দ্বিতীয় প্রস্তাব পাঠায়। এই প্রস্তাব আগের প্রস্তাবের চেয়ে ভালো ছিল। সেই প্রস্তাব ইভ্যালুয়েশন কমিটি থেকে বিমানের বোর্ডে যায়। বোর্ড এ বিষয়ে আগানোর নির্দেশনা দিয়ে নেগোসিয়েশন কমিটিতে পাঠিয়েছে।

এমডি শফিউল আজিম বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এয়ারক্রাফট তৈরির প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে যাত্রীবাহী এয়ারক্রাফট কেনা হবে। আমরা এখন এয়ারবাসের অফারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের বহরের সব বড় এয়ারক্রাফট বোয়িংয়ের (২১ টির মধ্যে ১৬ টি বোয়িং)। কিছু ডাইভার্সিটি, নতুন এয়ারক্রাফট থাকলে যাত্রীরাও পছন্দ করবে।

এমডি বলেন, যেকোনো সময় যেকোনো কোম্পানির এয়ারক্রাফট খারাপ পারফর্ম করতে পারে, তখন যেন রিস্কে না পড়ি সে কারণে আমরা ডাইভার্সিফাইয়ের কথা ভাবছি।

বোয়িংয়ের প্লেন বিক্রির প্রস্তাব নিয়ে তিনি বলেন, বোয়িংও আমাদের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সেটাও ইভ্যালুয়েট করব। বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক। শুধু প্লেন কেনা-বেচা সম্পর্ক না, তাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট ভালো, ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি ভালো। সবমিলিয়ে আমরা একসঙ্গে ভালোভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তবে যে এয়ারক্রাফটই কিনি না কেন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাবে ক্রেতা হিসেবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছি।

এমডি থাকা অবস্থায় নিজের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, বিমানে চাকরি করা অবস্থায় আমি কোনো কর্মীকে মূল্যায়ন করতে কার্পণ্য করিনি, শাস্তি দিতেও কার্পণ্য নয়। আমি খুব ভাগ্যবান, বিমানবন্দরে কাজ করার সময় কোনো পর্যায় থেকে চাপ আসেনি। আমি আমার অথরিটিকে শতভাগ ব্যবহার করতে পেরেছি। চেষ্টা করলে বিমানকে পৃথিবীর বড় বড় এয়ারলাইন্সের কাতারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

বিমানে অল্প সময়ের মধ্যে এমডি ও সিইও পরিবর্তন হয়। বিমানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এমডির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না জানতে চাইলে এমডি বলেন, বিমানের হিউম্যান রিসোর্স ও টেকনিক্যাল রিসোর্স মানসম্মত। যেকোনো প্রতিষ্ঠানে সিস্টেম ও স্ট্রাকচার দাড় করানোর গেলে এমনিতেই কাজ হবে। আমি এসব সিস্টেম ও স্ট্রাকচার দাড় করানোর চেষ্টা করেছি। সিস্টেম ঠিক থাকলে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর প্রতিষ্ঠান নির্ভর করবে না।

তিনি বলেন, আমার সুপারিশ থাকবে যারা বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিভাগে কাজ করছে সেখানে যেন বয়স বিবেচনা না করা হয়। কারণ টেকনিক্যাল ফিল্ডে বয়স যত বাড়ে অভিজ্ঞতা তত বাড়ে। অভিজ্ঞদের বয়স বিবেচনা না করে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিমানে রেখে দিতে হবে। বিমানকে সরকারি অফিসের মনমানসিকতা প্র‍্যাক্টিস করলে বিমান কাজ করবে না। এটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সব কিছু বাণিজ্যিকভাবে চিন্তা করতে হবে।

আপনার কোনো আক্ষেপ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার দায়িত্বপালনের সময়ের মধ্যে যদি বিমানের বহরে ৪ টা এয়ারক্রাফট অ্যাড হতো, তাহলে খুবই খুশি হতাম। আমি চাইতাম ৫০টা এয়ারলাইন্সের মালিক হোক।

মতবিনিময় সভায় এটিজেএফবির সভাপতি তানজিম আনোয়ার, সহ-সভাপতি রাজীব ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কাউসার ইমনসহ এটিজেএফবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার (২৬ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব দেয়া হয় মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞাকে। পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে শফিউল আজিম পদোন্নতি পেয়ে ইসির নতুন সচিব হয়েছেন।


আরও খবর



চট্টগ্রামে স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মামলায় স্ত্রী নাজমা আক্তার হত্যার দায়ে স্বামী মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ সরওয়ার আলমের আদালত এই রায় দেন।

চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, মামলার দীর্ঘ ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে স্ত্রী নাজমা হত্যার দায়ে আদালত আজ আসামী সাইফুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাস সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদালতের রায় দেওয়ার পর  আসামীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, নাজমা আক্তার ও মো. সাইফুল ইসলামের ২০০৯ সালে বিয়ে হয়। সাইফুল ইসলামের সাথে স্ত্রি নাজমার পারিরিবারিক বিরোধ ছিল। বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ১৮ জুন রাতের কোনো এক সময় মারধর ও ছুরিকাঘাতে নাজমা আক্তারকে হত্যা করা হয়। নাজমা আক্তার হত্যার ঘটনায় বোন বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা পিপি অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সহযোগিতা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ভূপাল চন্দ্র চৌধুরী।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হলে অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সোমবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আনার হত্যাকাণ্ডে দুটি মামলা হয়েছে। একটি ভারতে, আরেকটি তার মেয়ে ঢাকায় করেছেন। মূল আসামি শাহিনের নিরুদ্দেশ হওয়ার পরেই মামলাটি হয়েছে। কাজেই এ ঘটনায় দুদেশই সম্পৃক্ত হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে, বাংলাদেশের সঙ্গে নেই। সেক্ষেত্রে শাহিনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনার বিষয়ে ভারত সুবিধা পেতে পারে। বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে আমাদের সব কাজেই ভারত সহযোগিতা করছেন এবং ভবিষ্যতে করবেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আনারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সত্যের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। মরদেহের বিষয়টি নিশ্চিত হলেই অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারব। যে হাড়মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলো ডিএনএ পরীক্ষা করলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে, সোমবার (১০ জুন) সকালে কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীভা আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো মানুষের বলে জানিয়েছে কলকাতার ফরেনসিক বিভাগ। তবে ডিএনএ পরীক্ষার পর জানা যাবে মাংসগুলো এমপি আনারের কি না।

এর আগে, গত ২৮ মে সেপটিক ট্যাংক থেকে কিছু মাংস উদ্ধার করেছে পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি। তবে সেটি এমপি আনারের মরদেহের খণ্ডিত দেহাংশের মাংস কিনা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অন্যদিকেম আনার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়াম হোসেনকে নিয়ে রোববার (৯ জুন) সকালে কৃষ্ণমাটির বাগজোলা খালে তল্লাশি চালায় সিআইডি। তল্লাশির পর একটি ঝোপের পাশ থেকে বেশ কিছু হাড়গোড় উদ্ধার হয়। তবে সেগুলো আনারের কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। নিশ্চিত করতে পাঠানো হয়েছে ফরেনসিকে।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১৩ মে সঞ্জীভা গার্ডেনে এমপি আনারকে খুন করা হয়।


আরও খবর