আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

গোয়ায় বিশেষ অভ্যর্থনা পেল জয়ার ‘ফেরেশতে’

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের অভিনীত এবং ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম পরিচালিত ফেরেশতে সিনেমাটি গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। চলচ্চিত্রটির প্রথম বিশ্বব্যাপী প্রদর্শনী উপলক্ষে লাল গালিচায় জয়া আহসান, মুর্তজা আতাশ জমজম এবং জয়ার সহঅভিনেতা সুমন ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

এই সিনেমার চিত্রনাট্য যৌথভাবে রচনা করেছেন মুর্তজা অতাশ জমজম ও মুমিত আল রশিদ। ছবিতে বাংলাদেশের সমাজ-সংস্কৃতি ও রীতিনীতির সৌন্দর্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

ফেরেশতের অভিনেতা সুমন ফারুক বলেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতেই এতো বড় একটি চলচ্চিত্র উৎসব থেকে এমন একটি অর্জন সত্যিই আমার জন্য বিশেষ কিছু। উৎসবটির মধ্যমণি হয়ে ছিলাম আমি এবং ফেরেশতের পুরো টিম। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক বড় বড় অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা এসেছিলেন। সবাই ফেরেস্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। এটা আমাদের জন্য এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের জন্য বড় একটি সফলতা বলেই মনে করছি।

তিনি আরও বলেন, আমি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। এ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। এর মধ্যেই এমন অর্জন আমার আগামী দিনের কাজগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবে ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন, ভালো ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারি। অচিরেই আরও ভালো কিছু কাজ নিয়ে দর্শকদের সামনে আসবো ইনশাআল্লাহ। 

আরও পড়ুন>> মুক্তির আগেই ‘ডাঙ্কি'র আয় ১৩২ কোটি টাকা!

এ সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা হলেন, রিকিতা নন্দিনী শিমু, শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, শাহীন মৃধা, ফ্রান্সের জন পল সারমাদিয়াস এবং শিশুশিল্পী সাথী। ফেরেশতে ছবিটি ২০২৪ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে উদ্বোধনী সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হবে। পরে ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি জনসাধারণকে দেখানোর চেষ্টা করছেন নির্মাতারা।

নিউজ ট্যাগ: জয়া আহসান

আরও খবর



ঢাবিতে শিক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে 'গ্লোবাল অ্যাসেম্বলি অন ফিউচার অব এডুকেশন' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইডেনসহ ৮টি দেশের বিশেষজ্ঞরা থাকছেন এবারের সম্মেলনে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে 'বিল্ডিং স্মার্ট গ্লোবাল এডুকেশন কমিউনিটিজ: ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন ফর সাসটেইনেবিলিটি ইন এডুকেশন'। বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং ইউএনডিপি'র সহযোগিতায় গ্লোবাল এডুকেটরস ইনিশিয়েটিভ ফর সাসটেইনেবল ট্রান্সফরমেশন (জিইআইএসটি) এই সম্মেলন আয়োজন করেছে।

ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ, জিইআইএসটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব, জিইআইএসটি গ্লোবাল-এর সভাপতি ড. সব্যসাচী মজুমদার এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট বামন কুমার ঘিমির উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সমন্বয়ে নতুন প্রজন্মকে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দেশে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ইতোমধ্যেই নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে একটি কমন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে এবং আমাদের দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে অত্যন্ত উপকৃত হবেন।


আরও খবর



ক্যানসারের ইঙ্গিত দেয় যেসব লক্ষণ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে ২০৫০ সালের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৫ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির ক্যানসারবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএআরসি) জানিয়েছে, ২০১২ সালে বিশ্বজুড়ে ক্যানসার আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৪১ লাখ এবং ৮২ লাখ। এক দশক পর এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ২ কোটি ও ৯৭ লাখে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে আরও সাড়ে তিন কোটি, যা ২০২২ সালের চেয়ে অন্তত ৭৭ শতাংশ বেশি।

তবে ৭০ এর দশকের পর থেকে ক্যানসারে আক্রান্তদের বেঁচে থাকার হার তিনগুণ বেড়েছে। মূলত সঠিক সময়ে ক্যানসারের চিকিৎসা করালেই ভালো হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

যুক্তরাজ্যের ক্যানসার গবেষণা সংস্থার এক গবেষণা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের অর্ধেকের বেশি বাসিন্দা জীবনের কোন না কোন সময়ে এমন কোন উপসর্গে ভুগেছেন যেটি আসলে ক্যানসারের উপস্থিতির জানান দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু মাত্র ২ শতাংশ মনে করেছেন যে এর কারণে তাদের ভুগতে হতে পারে এবং এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ একে কোন ধরণের পাত্তাই দেননি এবং এর ফলে চিকিৎসকের কাছেও যাননি। এমন কিছু লক্ষর সম্পর্কে চলুন জেনে নিই-

হুট করে ওজন কমে যাওয়া : ক্যানসার আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষই কোন না কোন সময় ওজন হারাতে শুরু করে। যখন আপনি কোন ধরনের কারণ ছাড়াই ওজন হারাতে শুরু করেন, এটাকে বলা হয় ব্যাখ্যাহীন ওজন হারানো। আর এই ব্যাখ্যাহীন ওজনহীনতা ক্যানসারের প্রথম লক্ষণ হতে পারে। অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী, খাদ্যনালী বা ফুসফুসের ক্যানসারের ক্ষেত্রে ওজন কমে যাওয়ার এই লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

জ্বর : ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের সবচেয়ে সাধারণ একটি উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। এছাড়া ক্যানসার শরীরে ছড়িয়ে পড়লে প্রায়ই জ্বর দেখা দেয়।

ক্লান্তি : এখানে ক্লান্তি বলতে বোঝায় চরম ক্লান্তিভাব যা বিশ্রাম নেয়ার পরও দূর হয় না। ক্যানসার বাড়ার সাথে সাথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে। কিছু কিছু ক্যানসার যেমন লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে শুরুর দিকেই ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। কিছু কোলন বা মলাশয় ও পাকস্থলীর ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রক্তপাত হতে পারে তবে এটা সবক্ষেত্রে হয় না। এর কারণেও ক্যান্সারের সময় ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।

ত্বকে পরিবর্তন : ত্বকের ক্যানসার ছাড়াও আরো কিছু ক্যানসার রয়েছে যাতে আক্রান্ত হলে আপনার ত্বকে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। যেমন- ত্বক কালো হয়ে যাওয়া বা হাইপারপিগমেনটেশন, ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিস, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, মাত্রাতিরিক্ত চুলের বৃদ্ধি, অন্ত্রের ক্রিয়া বা মূত্রাশয়ের কার্যক্রমে পরিবর্তন কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ইত্যাদি। অন্যদিকে প্রস্রাব করার সময় ব্যথা, প্রস্রাবে রক্তপাত বা মূত্রাশয়ের কার্যক্রমে পরিবর্তন যেমন আগের তুলনায় কম বা বেশি প্রস্রাব করা ইত্যাদি মূত্রাশয় বা প্রোস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

রক্তপাত : ক্যানসারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় কিংবা তা ছড়িয়ে পড়ার পর অস্বাভাবিক রক্তপাত হতে পারে। কাশির সাথে রক্ত বের হওয়া ফুসফুস ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া আপনার যদি মলের সাথে রক্ত বের হয়, তাহলে মলদ্বারে ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

শরীরের যে কোন স্থান শক্ত হয়ে যাওয়া : অনেক ক্যানসার ত্বকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যেতে পারে। এ ধরনের ক্যানসার সাধারণত স্তন, অণ্ডকোষ, গ্রন্থি এবং শরীরের নরম টিস্যুতে হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দেহে শক্তভাব বা মাংস জমে আছে- এ ধরনের অনুভূতি হয়। এটা এসব ক্যানসারের প্রাথমিক বা বিলম্বিত উপসর্গ হতে পারে।


আরও খবর



গাজায় নিহত বেড়ে ২৮ হাজার ৬৬৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৩৯৫ জন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ডেইলি সাবাহ।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১০৪ জন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছেন এবং উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় গাজার ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। উপত্যকাটিতে হাজার হাজার মানুষ কোনো ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক সেখানে প্রবেশ করছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত গাজায় হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিলেও তারা সেটি মানছেন না। 

আরও পড়ুন>> বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা জানাল আইএমএফ

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের হামলায় গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন রকেট হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। মাঝে এক সপ্তাহ মানবিক বিরতির পর গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে ফের হামলা শুরু করে ইসরায়েল।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪




‘বঙ্গবন্ধু’ অ্যাপ উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গবন্ধু অ্যাপ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে এই অ্যাপের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় অ্যাপ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী ও বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসসমৃদ্ধ অ্যাপটি নির্মাণ করেছে দুর্বার টেকনোলজিস লিমিটেড।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই জাতির পিতার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন সম্পর্কে মানুষের জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে আমাদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এস এম ফারুকী হাসান, রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, লুৎফুর রহমান, রেজাউল মাকসুদ জাহেদী, লে. কমান্ডার মসিউল, জামিলুর রহমান, মো. সুমন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



গাজায় অভিযানে ২৩৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে আরও এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সেনার নাম সার্জেন্ট সিমোন স্লোমোভ, বয়স ২০ বছর। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৫ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপর থেকেই গাজায় অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হাতে জিম্মি থাকা লোকজনকে মুক্তি দেওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েল। আগামী ১০ মার্চের মধ্যে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ইসরায়েলের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গান্তজ হুঁশিয়ারি দিয়েছে বলেছেন, হামাস যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাজায় আটক সব জিম্মিকে মুক্তি না দেয় তবে রাফায় তীব্র আক্রমণ চালানো হবে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামাসের হাতে জিম্মিদের কোথায় রাখা হয়েছে সে বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। নাসের হাসপাতালে তাদের অভিযানকে সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত হিসাবে বর্ণনা করেছে আইডিএফ। ইসরায়েলের দাবি ওই হাসপাতালকে সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহার করছে হামাস।

ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গান্তজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বকে অবশ্যই জানতে হবে এবং হামাস নেতাদের অবশ্যই জানা উচিত যে, যদি রমজানের মধ্যে আমাদের জিম্মিরা বাড়ি ফিরতে না পারে তবে রাফাসহ সর্বত্র তীব্র লড়াই চলবে।

চলতি বছরের ১০ মার্চ গাজায় রমজান শুরু হচ্ছে। ইসরায়েলের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রিসভা দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এতে কমপক্ষে ১২০০ জন নিহত এবং ২৫৩ জনকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করা হয়। হামাসের হাতে এখনও প্রায় ১৩০ জন জিম্মি বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

গাজার জনাকীর্ণ দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে কবে সৈন্যরা প্রবেশ করতে পারে সে বিষয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার তথ্য দিলো ইসরায়েল। রাফায় এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সমালোচনা শুরু হয়েছে। শহরটিতে বর্তমানে ১৫ লাখ ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।

এর আগে জাতিসংঘের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি অভিযানের পর গাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করতে রাফা শহরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪