আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

‘গ্রাম থেকে উন্নয়ন হলেই সমগ্র ঢাকা জেলার উন্নয়ন হবে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

অনেক সময় মানুষ কেন্দ্র ভিত্তিক চিন্তা ভাবনা করে, কিন্তু আমি সব সময় প্রান্তিক দিক নিয়ে চিন্তা ভাবনা করি। আমি মনে করি, আমরা যদি গ্রামে উন্নয়ন করতে পারি তাহলেই আমরা ঢাকা জেলার সমগ্র উন্নয়ন করতে পারি।

ঢাকার দোহার উপজেলায় উপজেলার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সাথে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে দোহার উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সভায় সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে আনিসুর রহমান বলেন, আমাদের দারিদ্র্যের হার মাত্র ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে। যা ২০০৫ বা ২০০৬ সালে ছিল ৫০ শতাংশে। এসময় উন্নয়ন যাত্রায় বঙ্গবন্ধুর দেখানো স্বপ্নের সোনার বাংলা স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, দোহার পৌরসভার মেয়র মো. আলমাছ উদ্দিন, দোহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল আলম, দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক বেপারী, সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম চৌধুরী, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব আলী মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প. প. কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শামীম হোসেন, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

নিউজ ট্যাগ: জেলা প্রশাসক

আরও খবর



ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদের টানা পাঁচদিনের ছুটি শেষে সরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খুলছে আজ বুধবার (১৯ জুন)। ছুটি শেষ হওয়ায় ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে আজ ঢাকায় ফেরা মানুষের সংখ্যা কিছুটা কম।

গত ১৭ জুন সারাদেশে উদযাপিত হয় মুসলমান ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ঈদ উপলক্ষে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন নির্ধারিত হয় সরকারি ছুটি। তবে তার আগে ১৪ ও ১৫ তারিখ শুক্র, শনিবার হওয়ায় মোট পাঁচদিনের ছুটি পান চাকরিজীবীরা।

এদিকে, ছুটি কাটিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে যাওয়া সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই অফিস করতে আজই ঢাকায় ফিরছেন।

রাজধানীর ধোলাইপাড়, যাত্রাবাড়ী ও সায়দাবাদ ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে ফাঁকা সড়কগুলোতে কিছুক্ষণ পর পর এসে থামছে যাত্রীবাহী গাড়ি। এসব গাড়িতে করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের অধিকাংশই চাকরিজীবী। একই অবস্থা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। অনেকে একা ফিরছেন, কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে।

খুলনা থেকে ফেরা আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিবার ছাড়াই ঢাকায় ফিরলাম। আজ অফিস করতে হবে তাই আমি একাই ফিরেছি। আবার বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে যাবো। পরে শনিবার একসঙ্গে পরিবার নিয়ে আবার ফিরবো।

বরিশাল থেকে আসা সাইফুল মুন্সী  বলেন, আমি বাড়তি ছুটি পাইনি, তাই ফিরতে হলো। পরিবারের সঙ্গে আরেকটু সময় কাটাতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু কিছু তো করার নেই, চাকরি যেহেতু ফিরতে তো হবেই।


আরও খবর



পিরোজপুরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মামি-ভাগ্নি নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া-মঠবাড়িয়া সড়কের ইকড়ি বাসস্ট্যান্ডে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক নারী ও এক শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ইকড়ি বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ৪ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার দক্ষিণ ইকড়ি গ্রামের আবু হাসান হাওলাদারের স্ত্রী ঝুমাইয়া আক্তার (৩২) ও আবু হাসান হাওলাদারের শ্যালিকার মেয়ে হাওয়া (৭)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দক্ষিণ ইকড়ি গ্রামের আবু হাসান হাওলাদার তার স্বজনদের চট্টগ্রামগামী বাসে উঠিয়ে দেওয়ার জন্য সড়কের পাশে বাসের অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় মঠবাড়িয়া থেকে আসা মোবাইল টাওয়ারের বিদ্যুৎ সংযোগের কাজে নিয়োজিত একটি পিকআপ ভ্যান বেপরোয়া গতিতে তাদেরকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে অন্তঃসত্বা ঝুমাইয়া বেগম ও শিশু হাওয়া আক্তার নিহত হন।

এ সময় আহত হন- ইয়াসিন (৫), মায়া বেগম (৩৫), হাফিজা আক্তার মিষ্টি (২৮), আবু হাসান হাওলাদার (৩২)। আহতদের প্রথমে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে বরিশাল শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়েছে। গাড়িটির চালক তোফায়েল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। আটক তোফায়েল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার তুয়ার ডাঙ্গা গ্রামের মোত্তালেব গাইনের ছেলে। এ ঘটানায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



পাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর: ছাত্রলীগ নেতাকে হল ছাড়ার নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসেন, পাবনা

Image

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত সেই ছাত্রলীগ নেতাকে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন। সোমবার (১৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম রাসেল হোসেন রিয়াদ, তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে অবস্থানরত ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাসেল হাসান রিয়াদ। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৪০৭নং রুমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অবস্থান করে আসছেন। সোমবার রাত আনুমানিক ৩টার সময় সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী গোলাম কিবরিয়ার ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনায় মো. রাসেল হোসেন রিয়াদ জড়িত থাকায় তাকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৪ জুলাই) রাত ৩টায় হলের রিডিং রুম থেকে পড়াশোনা করে সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী গোলাম কিবরিয়া তার রুমে যান। এরপর রুমের বাইরে গিয়ে পাঁচ মিনিট পরে রুমে এলে দেখেন রুমের দরজা বন্ধ। এরপর দরজা খোলার জন্য দরজায় আঘাত করতে থাকলে এক পর্যায়ে রুমের দরজা খুলে রাসেল হোসেন রিয়াদ তার দিকে তেড়ে আসেন। তখন রুমের সামনে থাকা জুতা তুলে নিয়ে কিবরিয়াকে হাত এবং জুতা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে কিবরিয়ার নাক ফেটে রক্ত বের হলে তিনি দৌড়ে ৩০৪ নম্বর রুমে চলে আসেন। এ সময় রাসেল তার ফোনও ভেঙে ফেলেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কিবরিয়াকে তার সহপাঠীরা চিকিৎসার জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।


আরও খবর



ঈদের আমেজ শেষে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিল মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা। শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।

দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।

এক সিএনজিচালক বলেন, এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলীর যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।

ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক রনি খাঁ বলেন, আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে সায়েদাবাদ থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি, ভালো লাগছে।

কুষ্টিয়া থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।

এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন (রবি, সোম ও মঙ্গল) ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। এদিন সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক খুলতে দেখা গেছে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে রোববার (২৩ জুন) থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।


আরও খবর



শিশু নিখোঁজের তথ্য ভিত্তিহীন ও অসত্য: ডিএমপি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে শিশু নিখোঁজের কোনো অস্বাভাবিক তথ্য না থাকার কথা জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ গুজব ছড়াচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন।

সম্প্রতি ফেসবুকে করা কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়, ঢাকাসহ চট্টগ্রামে অস্বাভাবিকভাবে শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটছে। এ সংক্রান্ত একটি পোস্টে বলা হয়, ৪৮ ঘণ্টায় ঢাকাসহ চট্টগ্রামে ৩৫ শিশু নিখোঁজ হয়েছে। আপনারা শিশুদের সাবধানে রাখুন। বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকে।

রবিবার সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিনকে জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশু নিখোঁজের বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়েছে। তবে, এসবের সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বেশিরভাগই ভিত্তিহীন ও অসত্য।

যারা হারিয়ে গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হচ্ছে, পরে তাদের অনেককেই খুঁজে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন ডিএমপির এ কর্মকর্তা। তিনি জানান, কিন্তু সেটি আর প্রচার হচ্ছে না।

প্রতিমাসে স্বাভাবিকভাবেই কিছু নিখোঁজের খবর পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।

খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, অস্বাভাবিক কোনো পরিসংখ্যান আমাদের চোখে পড়েনি। ইনজেনারেলি আমাদের এ ধরনের কিছু রিপোর্ট থাকে, প্রতি মাসেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে যদি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার কথা বলা হয়ে থাকে সেটি হয়তো সঠিক নয়।


আরও খবর