আজঃ বুধবার ২৯ মে ২০২৪
শিরোনাম

গরমে তেল ব্যবহার করুন চুলের সমস্যা বুঝে

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

গরমে রুক্ষ চুল, খুশকি, মাথায় দুর্গন্ধ, চুল পড়া, অকালপক্কতা কিংবা আগা ফাটার সমস্যা লেগেই থাকে। ঘামের কারণে চুলে জটও লাগে। এসব সমস্যা দূর করতে অনেকেই ঘরোয়া উপাদান বেছে নেন। কেউ কেউ আবার ভরসা রাখেন তেলের ওপর। একেক তেল একেক সমস্যায় কাজে লাগে। গরমে চুলের কোন সমস্যায় কোন তেল বেছে নেবেন তার জন্য এই টিপস অনুসরণ করতে পারেন।

আমন্ড অয়েল: যাদের চুল খুব পাতলা তারা ব্যবহার করুন আমন্ড অয়েল। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ আমন্ড তেল নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। পাশপাশি চুল পড়া বন্ধ করে। চুলের ঘনত্ব বাড়াতে চাইলে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন আমন্ড তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

জবা তেল : যাদের চুল রুক্ষ তারা ব্যবহার করতে পারেন জবা তেল। এই তেল মাথার তালু থেকে চুলের আগা পর্যন্ত লাগান। ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে নিন। জবা তেল থেকে অনেকের চুলকানি বা কোনও অ্যালার্জি হয়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে সতর্ক থাকুন।

নারকেল তেল: চুলের সব ধরনের সমস্যায় উপকারী নারকেল তের।  খুশকির সমস্যা , রুক্ষ ভাব কিংবা চুল পড়া বন্ধ করতে নারকেল তেল লাগাতে পারেন।

অ্যাভোকাডো তেল: ভিটামিন এ, বি, ডি ও ই-র মতো উপকারী উপাদান রয়েছে অ্যাভোকাডো তেলে। চুলের নানা সমস্যা দূর করে এই তেল। যারা ড্যামেজ হেয়ারের সমস্যায় ভুগছেন তারা অবশ্যই ব্যবহার করুন অ্যাভোকাডো তেল। এতে উপকার পাবেন।

অলিভ অয়েল: চুলে কন্ডিশনিং করতে অলিভ অয়েল বেশ উপকারী। এই তেলে থাকা নানা উপকারী উপাদান নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। আবার অকালপক্কতা দূর করতেও এই তেল বেশ কার্যকর।  ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন এই তেল ব্যবহার করুন। এতে চুলের সমস্যা দূর হবে।

নিউজ ট্যাগ: খুশকি

আরও খবর



উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ। আগামীকাল সোমবার (১৩ মে) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এই ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ মে।

এর আগে ২ মে নির্ধারিত সময় শেষে মোট এক হাজার ৫৮৮ জন প্রার্থী তৃতীয় ধাপের ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫৭০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬১৮ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। উপজেলা ভোটে অংশ নিতে এবার প্রার্থীদের জন্য অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের মতো তৃতীয় ধাপের সব প্রার্থীই অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এদিকে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া এবং যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী থাকায় নির্বাচন ছাড়াই তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ ছাড়া পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে সংরক্ষিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচন ছাড়াই তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করতে পারে ইসি।

এবারের উপজেলা নির্বাচন চার ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলায় ভোটের লড়াই শেষ হয়েছে।

ইসি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ১৫৯ উপজেলায় চূড়ান্ত প্রার্থী রয়েছেন এক হাজার ৮২৮ জন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৬৯৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৫২৯ জন রয়েছেন। এই ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২১ মে।


আরও খবর



পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেলেন মাসুদ আলম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসেন, পাবনা

Image

পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেলেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম বিপিএম। ২৮ তম বিসিএসএ উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন মাসুদ আলম।

রাজশাহীর সারদায় প্রশিক্ষণ শেষে ২০১২ সালের শুরুতে দিনাজপুর জেলা পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই তিনি পাবনা জেলা পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন।

পাবনায় যোগদানের পর থেকেই তিনি সাহসিকতার সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেন। কাজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার নাম হয়ে উঠেন মাসুদ আলম।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কোচকুড়ি গ্রামের আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক ও মৃত মেহেরুন নেছা দম্পতির সন্তান মাসুদ আলম। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে চতুর্থ তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ও দুই ছেলে সন্তানের জনক।


আরও খবর



অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জুয়েল চন্দ্র ওরফে জুয়েল রানা (২৭) নামে এক যুবকের ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রবিবার (১২ মে) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন এ রায় দেন ।

জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল নোয়াখালী জেলার চরজব্বর থানাধীন চরবাটা গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। আদালতের রায়ের সময় আসামী অনুপস্থিত ছিলেন। জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অস্ত্র মামলায় আসামী জুয়েল রানা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

আদালত তাকে অস্ত্র আইনের ১৯ ধারায় ১০ বছর ও ১৯ এফ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত মো. সুজন (৩৩) নামে অপর আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। সুজন রামগতির চরগাজী গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। মো. জুয়েল নামে এ মামলার আরেক আসামী কিশোর হওয়ায় তার মামলাটি বিচারের জন্য কিশোর আদালতে পাঠানো হয়।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্র জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতির হাজিরহাট বাজার থেকে পুলিশ একটি একনলা দেশীয় বন্দুক ও নয়টি কার্তুজসহ জুয়েল রানা ও জুয়েলকে আটক করে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, অস্ত্রটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সস্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য মো. সুজন নামে এক ব্যক্তি জুয়েলের কাছ থেকে অস্ত্র ভাড়া করেন। পরে নির্বাচন শেষে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের আটক করে।

এ ঘটনায় রামগতি থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের বাদী হয়ে আটক দুজনসহ পলাতক সুজনকে আসামী করে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। একই বছরের ১১ এপ্রিল থানার এসআই মামলাটি তদন্ত করে অভিযুক্ত জুয়েল ও সুজনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। অন্য আসামী জুয়েল কিশোর হওয়ার বিচারের জন্য পৃথক তদন্ত প্রতিবেদন কিশোর আদালতে দাখিল করা হয়। 


আরও খবর



বিএনপি একটা জালিয়ত রাজনৈতিক দল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

বিএনপি একটা জালিয়ত রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আপনাদের মনে আছে গতবছর ২৮ অক্টোবর জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্ঠাকে বিএনপি হাজির করেছিল। ভুয়া উপদেষ্ঠা যখন বিএনপি কার্যালয়ে, তখন দেখি শুধু ইংরেজি বলে। পুলিশ যখন ধরে নিয়ে গেল তখন দেখি গড়গড়াইয়া বাংলা বলে।

তিনি বলেন, তার আগে বিএনপি কংগ্রেসম্যানদের সই জাল করেছিল। সেই সময়ে বলেছিল ভারতের অমিত শাহ ফোন করেছিল। অমিত শাহর অফিস থেকে বলা হলো তিনি কাউকে ফোন করেননি, যে আওয়াজ ছাড়া হয়েছিল সেটা অমিত শাহর নয়। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে বিএনপি ও তাদের দোসরদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে দেখি জিএম কাদেরেরও মাথা খারাপ হয়ে যায়।

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি বিএনপি প্রতিদিন বিভিন্ন এম্বেসিতে ঘুরে বেড়াত। আর দেন দরবার করত, নির্বাচনটা যাতে বন্ধ করা যায়, কোন লাভ হয় নাই। নির্বাচন হয়েছে, ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যদি নির্বাচনের দিন কুয়াশা এবং প্রচন্ড ঠান্ডা না থাকত তাহলে আরো বেশি মানুষ ভোট দিত। আর বিএনপি যদি নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা, মানুষের উপর হামলা, ট্রেনের মধ্যে শিশুসন্তানসহ পুরো পরিবারকে জ্বালিয়ে হত্যা না করত তাহলে ভোটের হার ৬০ শতাংশের বেশি হত। গত দুতিন বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে অনেক দেশে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। যদিওবা সেখানে নির্বাচনে বর্জন ও প্রতিহতের কোন হুমকি ছিলনা।   

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অত্যন্ত চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন যদি চমৎকার না হত তাহলে পৃথিবীর ৮০টা দেশের সরকার কিংবা রাষ্ট্র প্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সর্বশেষ দুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এজন্য বিএনপির মাথা খারাপ। সম্ভবত সেজন্য বিএনপি নেতা ড. মঈন খান ইদানিং জ্যোতিষীর মতো কথা বলছেন।

বয়সে সিনিয়র বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের প্রতি সম্মান রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, তিনি রাজনীতির বাইরে এখন জ্যোতিষীর দায়িত্বও পালন করা শুরু করেছেন। বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পরিচালনা করছিলেন তখন মঈন খানের বাবা আবদুল মোমেন খান খাদ্য সচিব ছিলেন। খাদ্যবাহী জাহাজ ভারত মহাসাগর থেকে ফেরত যাবার পেছনে তার বাবার কারসাজি ছিল, যাতে দেশে খাদ্য সঙ্কট তৈরী হয়। খাদ্য সঙ্কট তৈরী করে বঙ্গবন্ধুকে অজনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে আবদুল মোমেন খানের ভুমিকা ছিল। সেটির পুরস্কার স্বরূপ জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করার পর আবদুল মোমেন খানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় খাদ্য উপদেষ্ঠা বানিয়েছিলেন। ৭৯ সালের নির্বাচনের পর আবদুল মোমেন খান সংসদে খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে বক্তব্যে বলেছিল খাদ্যের জন্য দরকার হলে দেশ বিক্রি করে দিব। ওনারই সন্তান মঈন খান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন, তারা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্যই এই সফরে এসেছিলেন। এবং আমার সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে কিভাবে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাব, সেটি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। এমনকি আমরা যদি কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু রিফর্ম করি তাহলে আমাদেরকে জিএসপি সুবিধাও ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ও তারা ব্যক্ত করেছেন। একইসাথে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে তাদের একটি বিশেষ তহবিল আছে। সেখান থেকে তারা সাহার্য্য করার কথাও বলেছেন। সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই কাজ করছি। এজন্যই বিএনপির মাথাটা বেশি খারাপ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে হলে, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প একমাত্র শেখ হাসিনা, এইদেশে আর কোন বিকল্প নাই। তিনি জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের। এবং সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটেছে। ২০১৮ সালে আমাদের স্লোগান ছিল আমার গ্রাম আমার শহর। আজকে গ্রামগুলো শহরেরমত হয়ে গেছে, গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।

তিনি বলেন, এবার আমরা স্লোগান দিয়েছি স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্ট বাংলাদেশ বলতে, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নেন্স এবং স্মার্ট পিপলস। এই চারটি অনুসঙ্গকে আমরা সাথে নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা করতে চাই। ইনশাল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এই অভিযাত্রায়ও বিজয়ী হব। কিন্তু আমাদের অভিযাত্রাকে আটকে দিতে চান বিএনপি এবং তাদের দোসররা। সেই কারণেই নানা ষড়যন্ত্র।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু , সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান প্রমুখ।

এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চট্টগ্রাম নগরীর কদম মোবারক এতিমখানায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ কমিটির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে সুষম খাবার বিতরণ করেন। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগর সহ সভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন প্রমুখ।


আরও খবর



সিগন্যালে ত্রুটি, বন্ধ মেট্রোরেল চলাচল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এমআরটি লাইন-৬ এর সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করায় হঠাৎ করে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। একটি ট্রেন সচিবালয় স্টেশনে আটকা পড়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ট্রেন কাছাকাছি স্টেশনে আটকে আছে। এতে বহু যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লাইনে ১০টি ট্রেন আটকে আছে। মূলত মেট্রোরেল সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। সিগন্যালিং সিস্টেম ছাড়া ট্রেনগুলো আনা যাবে, তবে সেটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে সূত্রগুলো জানায়, সিগন্যালিং সিস্টেমের সঙ্গে টেলিকম সিস্টেমেরও ঝামেলা দেখা দিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার এই মুহূর্তে লাইনে আছে। সমাধান হওয়া মাত্রই চালু হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাত্রীদের দেওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্টেশনে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের তাড়া রয়েছে তারা নিচে নেমে বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে পারেন। আর যারা টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা কাউন্টারে ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন।

এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, আমাদের অপারেশন কন্ট্রোল সেন্টারে যে ট্রান্সফরমার থেকে বিদ্যুৎ যায়, সেটির লাইন অফ হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে কোনো সিগন্যাল পাঠানো যাচ্ছিল না আমাদের স্টেশনগুলোতে। এখন যাত্রীদের সেফটির জন্য সেটা রি-ইন্সটল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যতদূর জানি কিছুক্ষণের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। যদি সিগন্যালের কারণে কন্ট্রোল করা না যায় তাহলে কোনো এক্সিডেন্ট হয়ে যেতে পারে। তাই নিরাপত্তার জন্য মেট্রোরেল বন্ধ রাখা হয়েছে।


আরও খবর