আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

গৃহবধূ হত্যায় সতিনসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিনাজপুরে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে সতিনসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও একজনকে আমৃত্যূ কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মে) বিকেল ৩টার দিকে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম রেজাউল বারী এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরীর স্ত্রী প্রতিমা রানী চৌধুরী (৪৫), তার ছেলে আকাশ চৌধুরী (২৭) এবং কাটাবাড়ী গ্রামের কার্তিক চন্দ্র মহন্তের ছেলে কাজল মহন্ত (৩১)

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- সাধনানন্দ চৌধুরী (৬৩)। চকচকা গ্রামের রবীন্দ্রনাথ দাশের ছেলে জীবন চন্দ্র দাসকে (৩০) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরী তার প্রথম স্ত্রী তপতী রানী চৌধুরীর সঙ্গে সংসার করাকালীন তার বিনা অনুমতিতে প্রতিমা রাণী চৌধুরীকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে প্রথম স্ত্রী তপতী রানীকে সাধনানন্দ চৌধুরী ভরণপোষণ দিতেন না। ফলে পরিবারে প্রতিনিয়িত কলহ লেগেই থাকত।

২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাত ৯টার পর থেকে স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলেসহ পাঁচজন মিলে তপতী রানীকে নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তারা। পরে উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে মরদেহ আগুন ধরিয়ে দেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শুভনন্দ চৌধুরী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ দেন। মামলার চারজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতে মামলাটি চলাকালীন ২২ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার বাদী শুভনন্দ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ৫ বছর পর আমার মায়ের হত্যার ন্যায় বিচার পেলাম। আমি আশা করেছিলাম মামলার সব আসামির ফাঁসি হবে। কিন্তু দুজনের হয়নি, তারপরও এ রায়ে আমি খুশি। এই মামলায় যারা আইনি সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পিপি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী রায়।


আরও খবর
পাকা কলার কেজি ৫০ টাকা

রবিবার ১৫ মে ২০২২




সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৭৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় দেশের বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৮ টাকা ও খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে।

এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকা। একই সঙ্গে প্রতি লিটার পাম অয়েলের দাম ১৭২ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিবের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী- আগের চেয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলে লিটারপ্রতি ৩০ টাকা এবং খোলা তেলে লিটারপ্রতি ৩৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া পাম অয়েলের দাম লিটারপ্রতি ৩৯ টাকা বেড়েছে।


আরও খবর
বাড়ন্ত আটার দর আরও বেড়েছে

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




খোলা বাজারে সেঞ্চুরি হাঁকাল ডলার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাত্র এক দিনের ব্যবধানে খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের দাম ৪ টাকা বেড়ে ১০২ টাকা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মানি এক্সচেঞ্জে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০২ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তারপরও পর্যাপ্ত ডলার সরবরাহ করতে পারছে না মানি এক্সচেঞ্জগুলো।

রাজধানীতে গতকাল সোমবারও প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল ৯৮ টাকা। ধারণা করা হচ্ছিল, আজ ডলারের দামে সেঞ্চুরি হবে। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। মতিঝিলের পাশাপাশি পল্টন ও গুলশানের মানি এক্সচেঞ্জে প্রতি ডলার ১০১ থেকে ১০২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

মতিঝিলের খোলা বাজারের ডলার ব্যবসায়ী মো. কাসেম প্রথম আলোকে বলেন, আজ বাজারে ডলার নেই বললেই চলে। আজ ১০১ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।

চাহিদা বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমায়। প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ৮০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসের শুরুতে ডলারের বিনিময়মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর ২৩ মার্চ তা আবার ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল। গত ২৭ এপ্রিল বাড়ানো হয় ২৫ পয়সা। তাতে ১ ডলারের বিনিময়মূল্য দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সায়। সর্বশেষ ৯ মে ডলারের বিনিময়মূল্য ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




হলিউডকে নকল করতে গিয়ে ডুবছে বলিউড : রবিনা ট্যান্ডন

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাহুবলী থেকে পুষ্পা বা হাল আমলের আরআরআর বা কেজিএফ ২। বলিউডকে যেন প্রতি ম্যাচে বলে বলে ১০ গোল দিচ্ছে দক্ষিণী সিনেমাগুলি।কেন এমন অবস্থা? তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন কেজিএফ ২ অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন।

রবিনার মতে হলিউডের ছবিকে নকল করতে গিয়েই ডুবছে বলিউড।হলিউডের অন্ধ অনুকরণ মানুষ ভাল চোখে দেখছেন না।দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্যও তিনি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দক্ষিণের ছবি তৈরি হয় দেশীয় গল্পের উপর ভিত্তি করে।

এর ফলে দর্শকরা নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন গল্পের সঙ্গে। রবিনার মতে, এটাই হল দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্য।এ প্রসঙ্গে তিনি নব্বই দশকের বলিউড ছবির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন।রবিনা বলেন, ওই সময় পর্যন্ত গান ও গল্পে ছিল দেশীয় ছোঁয়া। তার পর থেকে হলিউডের নকল করা শুরু হয়।

রবিনার মতে, বলিউড ছবিতে পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রভাব, নায়কের বা ভিলেনের চপারে যাতায়াতএ সব আরও দূরে সরিয়েছে ভারতীয় দর্শককে।অন্য দিকে, দক্ষিণী ছবিতে দেশের গল্প, দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকার ফলে মানুষের মধ্যে তার আকর্ষণ বাড়ছে। এমনকি অ-হিন্দিভাষী ভারতীয়রাও দক্ষিণের ছবি দেখতে হলে ভিড় করছে।

রবিনা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি নিজেও যখন স্ক্রিপ্ট পড়তাম, তখন বুঝতে পারতাম কোথাও যেন গল্পগুলো আলাদা হয়ে যাচ্ছে। দেশের সংস্কৃতি এবং ভাবনার সঙ্গে মিলছে না।রবিনা মনে করেন, হাল আমলে বলিউড ছবির পশ্চিমীকরণের শুরু হয়েছে যশরাজ এবং ধর্মা প্রোডাকশনসের হাত ধরে। দুটিই বর্তমানে বলিউডে সবচেয়ে বড় প্রোডাকশন হাউস।

একটা সময় অবধি মানুষ তাদের প্রযোজিত ছবিগুলি পছন্দ করেছেন। কিন্তু লাগাতার পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রাধান্যে দর্শক দূরে সরেছেন সেই ধরনের ছবিগুলি থেকে।আয়ের অঙ্কেও সম্মিলিত দক্ষিণী চলচ্চিত্র (তেলুগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম) বলিউডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

২০২১ সালে বক্স অফিসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে তেলুগু সিনেমা।দক্ষিণী ছবির বিষয়বস্তু বেছে নেওয়া হয় বৃহৎ অংশের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। অল্লু অর্জুনের পুষ্পার কথাই ধরা যাক। এই ছবির বিষয়বস্তু একেবারেই অনন্য। গল্প বলার পদ্ধতিতেও নিজস্বতা রয়েছে।শুধু বিষয়বস্তু নয়, দক্ষিণী অভিনেতারাও মন ছুঁয়ে যাচ্ছেন দর্শকের। অভিনেতার স্টাইলও সাফল্যের একটি অন্যতম সূত্র।

যে স্টাইলের শুরু করেছিলেন রজনীকান্ত, তা বজায় রেখেছেন তেলুগু তারকা অল্লু অর্জুন, প্রভাস, মহেশ বাবু, জুনিয়র এনটিআর এবং রাম চরণ।আর্থিক বিশেষজ্ঞ রমেশ বালার মতে, সিনেমার বৃহত্তর বাজারকে এড়িয়ে যাচ্ছে বলিউড। আর সেই জায়গাতেই ঢুকে পড়ছে দক্ষিণী ছবি।

রমেশের মতে, বলিউড গত কয়েক বছর ধরে সিনেমার যে বৃহৎ বাজার রয়েছে, তাকে উপেক্ষা করছে। রাজকুমার রাও, আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত চলচ্চিত্রগুলি বৃহত্তর ভারতীয় দর্শককে ছুঁতে পারে না।অক্ষয়কুমার সামাজিক বার্তাবাহী ছবি টয়লেট: এক প্রেম কথা কিংবা পুরোদস্তুর কৌতুকধর্মী করছেন। রমেশের প্রশ্ন, দক্ষিণ কি এই ধরনের ছবি করবে? বরং তারা বিজিল, বিস্ট বা পুষ্পার মতো ছবি তৈরি করবে, যা বৃহৎ অংশের দর্শককে ধরবে।

তা হলে হাতে রইল কী? স্রেফ নিজস্বতা এবং দেশের মানুষ যে ধরনের গল্প পছন্দ করেন, তেমন সিনেমা করেই বাজিমাত করছে দক্ষিণ।

নিউজ ট্যাগ: রবিনা ট্যান্ডন

আরও খবর



এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ২০০ কোটি ডলার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা ২০০ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এটি আগের ১১ মাসের মধ্যে অর্থ্যাৎ ২০২১ সালের মে মাসের পর এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

এর আগে, গত বছরের মে মাসে ২১৭ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। মে মাসের পর এবার সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো। বাংলাদেশি মুদ্রায় (১ ডলার ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা ধরে) ১৭ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা। এ ছাড়াও গত মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সারাবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর সরকারের প্রণোদনা বেড়েছে। এ ছাড়া পবিত্র রমজান এবং ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বাড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২/৩ মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী সদ্যবিদায়ী এপ্রিলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬১ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়াও বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতো এবারই রেমিট্যান্স আনার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। যা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় স্থানে রযেছে ডাচ–বাংলা ব্যাংক। এ ব্যাংকের মাধ্যমে রোমট্যান্স এসেছে ২৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। এছাড়াও অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে ১২ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৮ লাখ ডলার এবং ব্যাংক এশিয়ায় মাধ্যমে ৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠায়। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ১৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে নেমে আসে। মার্চ থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। গত মার্চে ১৯১ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, এপ্রিলে ২০৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, মে মাস ২১৭ কোটি ১১ লাখ ডলার, জুন মাসে ১৯৪ কোটি ৮ লাখ ডলারে। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ১৮৪ কোটি ১২ লাখ ডলার।

অন্যদিকে চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে নভেম্বর পর‌্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে আবার শুরু করে। গত জুলাই মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার, আগষ্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, নভেম্বরে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ১৬২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৭০.৪৪ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার এবং মার্চে ১৮৬ কোটি ডলার।এপ্রিলে ২০০.৯৫ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৭৩০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

অর্থবছর ভিত্তিক রেমিট্যান্স:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ হাজার ৬৩১ কোটি ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।

অন্যদিকে পঞ্জিকা বছর হিসাবে রেমিট্যান্স :

২০২১ সালে করোনার মধ্যেও প্রবাসীরা অতিথের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে রেমিট্যান্স পাঠায় ২ হাজার ২০৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ২০২০ সালে প্রবাসীরা ২ হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।এর আগে ২০১৯ সালে প্রবাসীরা ১ হাজার ৮৩৩ কোটি মাকির্ন ডলার, ২০১৮ সালে ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, ২০১৭ সালে ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার, ২০১৬ সালে ১ হাজার ৩৬১ কোটি ডলার এবং ২০১৫ সালে ১ হাজার ৫৩১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




মে মাসে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মে মাসের ৬-৭ তারিখে এ অঞ্চলে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। আর ১২ মের মধ্যে তা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হতে পারে এই ঝড়, যার সম্ভাব্য গতি হবে ৩৪ নটিক্যাল মাইল এবং স্থলভাগে আঘাত হানার আগে গতি হবে ঘণ্টায় ১৭৫ কিলোমিটার।

এ ঝড়ের নাম শ্রীলঙ্কান আবহাওয়া অধিদফতর দিয়েছে আসানি। আসানি সিংহলি ভাষার শব্দ যার অর্থ অত্যন্ত রাগান্বিত বা ক্ষুদ্ধ।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, আগামী ৬ থেকে ৭ মের মধ্যে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এটি সুনির্দিষ্ট লঘুচাপের পর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষা ও বাংলাদেশের উপকূলে চলতি মাসের ১০ থেকে ১২ মের মধ্যে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন, যদি এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা ও বাংলাদেশ উপকূল বরাবর দিকটা তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই মুহূর্তেই এই পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, গত কয়েক বছরে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে যে লঘুচাপগুলো দেখা গেছে, সেগুলো ক্ষণে ক্ষণে চরিত্র, বৈশিষ্ট্য ও দিক পরিবর্তন করেছে। এ জন্যই বলা যাচ্ছে না যে, এটা আদৌ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না। তবে বর্তমান তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী শক্তি অর্জন করে এটির ঘূর্ণিঝড় হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।


আরও খবর