আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় বরিশালে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায়  করোনায় ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ৬০০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন,  যা নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৮৭ জনে।

রবিবার সকালে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ছয়জন এবং করোনা ওয়ার্ডে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, মোট আক্রান্ত ২৫ হাজার ৮৮৭ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৮৭৯ জন। 

আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ ১৯৭ জন নিয়ে মোট ১০ হাজার ৯৮৫ জন, পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৬৯ জন নিয়ে মোট তিন হাজার ২০৬, ভোলা জেলায় নতুন ৬১ জনসহ মোট ২ হাজার ৫৮৬, পিরোজপুর জেলায় নতুন ৯৬ জনসহ মোট তিন হাজার ৫৬৪, বরগুনা জেলায় নতুন ৭০ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত দুই হাজার ২২৬ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ১০৭ জন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৩২০ জন।

এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের এবং করোনা ওয়ার্ডে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, যা নিয়ে শুধু শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৬৫৯ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর



সাগরে নিম্নচাপ, ভারি বৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগস্ট মাসে ভারি বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদি ও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একইসঙ্গে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি মৌসুমী নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদফতরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এই পূর্বাভাস দিয়েছে। গত ২ আগস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চলতি মাসের পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগস্ট মাসে বাংলাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। আগস্ট মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি মৌসুমী লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের প্রধান নদনদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে জানিয়ে পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে মৌসুমী ভারি বৃষ্টিপাতজনিত কারণে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের কতিপয় স্থানে স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। অপরদিকে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য অববাহিকার কতিপয় স্থানে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে।

জুলাই মাসে সার্বিকভাবে বাংলাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ দশমিক ১ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে জানিয়ে সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, তবে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে।

জুলাইয়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এক দশমিক ৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি ছিল বলেও জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক।

আবহাওয়ার আগস্ট মাসের প্রতিবেদনে জুলাই মাসের অবস্থা তুলে ধরে বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ১ ও ২ জুলাই সারাদেশে মাঝারি ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হয়। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ২৭ থেকে ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হয়। এ সময় এ মাসের দৈনিক সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৩২৮ মিলিমিটার টেকনাফে (২৭ জুলাই) রেকর্ড করা হয়। অতিভারি বৃষ্টিজনিত কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হয়।

এতে আরও বলা হয়, গত ১১ জুলাই সকাল ৬টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তী সময়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ১৩ জুলাই মৌসুমী অক্ষের সাথে মিলিত হয়।

২২ জুলাই সকাল ৬টায়ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, যা ২৩ জুলাই সকাল ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। এটি পরবর্তী সময়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ২৪ জুলাই ভারতের মধ্যপ্রদেশ ও কাছাকাছি এলাকায় প্রথমে লঘুচাপে পরিণত হয় এবং আরও দুর্বল হয়ে মৌসুমী অক্ষের সাথে মিলিত হয়।

২৭ জুলাই সকাল ৬টায় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়, যা ২৮ জুলাই সকাল ৬টায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে ২৯ জুলাই দুপুর ১২টায় খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়।

এরপর এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ৩০ জুলাই ভারতের বিহার এলাকায় অবস্থান নেয় এবং আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ৩১ জুলাই ভারতের উত্তর প্রদেশ এলাকায় অবস্থান করে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।



আরও খবর



ময়মনসিংহে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুক-যুদ্ধে মারা গেছে কথিত দুই ডাকাত। এ সময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুলাই) সকালে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে রবিবার (১৮ জুলাই) দিনগত ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের ভারইল গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হন র‌্যাবের দুই সদস্য।

র‌্যাব ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার (১৮ জুলাই) দিনগত রাত ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের ভারইল গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল ডাকাত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় র‌্যাব এর একটি টহল দল। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায় ডাকাতদল। র‌্যাব পাল্টা গুলি চালালে পালিয়ে যায় ডাকাত দলের সদস্যরা।

একই সময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে আহত অবস্থায় কথিত দুই ডাকাতকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তল, রামদা, ছুরিসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গভবনে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনের হলওয়েতে নামাজ আদায় করেন তিনি।

সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য ও বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। রাষ্ট্রপতি নামাজ শেষে দেশবাসীর উদ্দেশে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, আশা করি, সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করবেন এবং যথাসময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সচেষ্ট থাকবেন।

তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে আনন্দ-বেদনা ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এবার মুসলিম বিশ্ব এমন একটা সময়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছে যখন করোনার ভয়াল থাবায় গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। বাংলাদেশেও করোনার নেতিবাচক প্রভাব ক্রমান্বয়ে প্রকট হচ্ছে। করোনার কারণে দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকা আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, সরকার করোনা মোকাবিলা ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিভিন্ন প্যাকেজ প্রণোদনা প্রদানসহ বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবেও বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। কৃষি ও শিল্পসহ উৎপাদনশীল প্রতিটি খাতের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতেও সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।



আরও খবর



বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ১৯০জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুর থেকে দেলোয়ার হোসাইন

লকডাউনের প্রথম দিকে কাজ না থাকায় যারা বাড়ি ফিরে এসেছিলেন তারা আবারও ছুটছেন রাজধানী ঢাকার দিকে। গার্মেন্টস, শিল্প-কারখানা খোলার খবরে ঢাকামুখী ছুটছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

তাই লকডাউনের নবম দিনে শনিবার (৩১ জুলাই) শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে রয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোর থেকেই রাজধানীগামী যাত্রীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে নৌরুটে।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন সত্ত্বেও ঈদের পর দিন থেকেই নৌরুট দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত ছিল চোখে পড়ার মতো। লকডাউনে ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও গত ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

শুধু যাত্রীবাহী বাস পারাপার বন্ধ ছিল। এছাড়া নৌরুটে সাধারণ যাত্রীদের পারাপার ছিল নির্বিঘ্ন।

তবে শনিবার যাত্রীদের ভিড় অন্যান্য দিনের তুলনায় বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সকাল থেকেই প্রতিটি ফেরিতে রয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকে নৌরুটে চারটি রো রো চারটি কে টাইপসহ মোট ১০টি ফেরি চলাচল করছে। গত দুইদিন বৈরী আবহাওয়া থাকায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়েছিল নৌরুটে। ফলে পদ্মা পারাপারের জন্য অপেক্ষারত পণ্যবাহী পরিবহনের সংখ্যা বেড়েছে নৌরুটে।

এছাড়া শনিবার সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। ঘাটে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটসহ ছোটবড় অসংখ্য গাড়ি পার হচ্ছে ফেরিতে। এদিকে পদ্মায় পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় স্রোতের গতিও বেড়েছে সে কারণে ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগছে।

জাহানারা বেগম নামে পিরোজপুর থেকে আসা এক যাত্রী বলেন, গার্মেন্টস খুলবে কাল। বাড়িতে থেকে জমানো টাকা শেষ হয়ে গেছে। কিছুই করার নেই এখন ঢাকায় ফিরতে ডাবল ভাড়া দিয়ে ঘাটে আসছি।

ঘাট সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রীরা কয়েকগুন ভাড়া গুনে থ্রি-হুইলার এবং মোটরসাইকেলে করে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন।

বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্রাসহ হালকা যানবাহনে চড়ে ঘাটে আসছেন। একইভাবে যাত্রীরা ঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাচ্ছেন। যাত্রাপথে স্বাভাবিকের চেয়ে ব্যয় হচ্ছে দ্বিগুণ।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, নৌরুটে শনিবার সকাল থেকে ১০টি ফেরি চলছে। পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। ভিড় থাকায় ফেরিতে যাত্রীদেরও পার করা হচ্ছে।


আরও খবর



সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে ইজিবাইকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৬

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বৈলতলীতে ট্রাক চাপায় একটি অটোরিকশার ছয়জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক গোলাম সরোয়ার।

জানা গেছে, আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল আনাম বলেন, পণ্যবোঝাই একটি পিকআপ মোংলার দিকে যাচ্ছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইককে চাপা দেয় পিকআপটি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইজিবাইকের ছয় আরোহী। ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক রয়েছেন।

বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক গোলাম সরোয়ার জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এরপর সেখান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


আরও খবর