আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

হাসপাতালে ভর্তি রওশন এরশাদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | ১৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় পার্টির (জাপা) চিফ প্যাট্রন (প্রধান পৃষ্ঠপোষক) ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তাকে ভর্তি করানো হয়। প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতা হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রওশন এরশাদের ব্যক্তিগত সহকারী মামুন হাসান বলেন, ম্যাডামের করোনা নেগেটিভ। গরমে ম্যাডামের ডি হাইড্রেশন হয়েছিল। তাই সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। আশা করা যাচ্ছে, শুক্রবারের মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরবেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, "রওশন এরশাদকে সিএমএইচে (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে বলে শুনেছি। শুক্রবার বিস্তারিত জানতে পারবেন।"


আরও খবর



মার্কেট খোলার প্রথম দিনে তীব্র যানজটে ভুগছে রাজধানী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লকডাউনের পর মার্কেট খুলে দেয়ার প্রথম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১০টা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁও, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও রিকশায় পূর্ণ রাস্তা। আগারগাঁও থেকে বিজয়স্মরণী পর্যন্ত এসব যানবাহনের দীর্ঘ সারি। একদিকে ফার্মগেট থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত যানজট দেখা গেছে। অন্যদিকে এই যানজট ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার হয়ে পান্থপথ এলাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে সরকার আজ থেকে মার্কেট খুলে দিয়েছে। অন্যদিকে আজ সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস। ফলে রাস্তায় অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহন বেড়েছে। তবে এখনও বাস চলাচলের অনুমতি না দেয়ায় সিএনজি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কারে করে মার্কেট, কর্মস্থল ও প্রয়োজনীয় জায়গায় যাচ্ছেন।

গণপরিবহন না থাকায় একদিকে যেমন পরিবহন সংকটে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।

নিউজ ট্যাগ: তীব্র যানজট

আরও খবর



মনটাকে জাগিয়ে রাখা কঠিন মনে হচ্ছে আজকাল: জয়া আহসান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ মে ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি। কলকাতায় তার সহকর্মীদের কথা ভেবে মন খারাপও হচ্ছে এ অভিনেত্রীর। শনিবার (০১ মে) নিজের ফেসুবকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

জয়া লিখেছেন, মনটাকে জাগিয়ে রাখা কী যে কঠিন মনে হচ্ছে আজকাল। এত ক্ষয়, এত মৃত্যু, এত হাহাকার! চারদিকে যেন শুধু একটাই চিহ্ন, বিয়োগের। আমাদের কত না আপনজন উষ্ণ হাতের মুঠো ছেড়ে বিদায় নিচ্ছেন। যারা আমাদের আনন্দের সময়ের বন্ধু, বেদনার সময়ের আশ্রয়, বিপদের সময়ের ভরসা, তারা চলে যাচ্ছেন একে একে। চলে গেলেন সৌমিত্র কাকুর মতো মেঘসমান উঁচু একজন মানুষ, চলে গেলেন আরও কত কত কবি, লেখক, শিল্পী। ঢাকায়, কলকাতায় একই অন্ধকার ছবি। সমস্ত ভারতেই করোনার ভয়ংকর থাবায় মানুষ বড় নিঃসহায়।

জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী আরও লেখেন, মন খারাপ করা নিউজ ফিডের সোশ্যাল মিডিয়া যেন মৃত্যুর প্রান্তর। খবরের কাগজ হাতে নেওয়ার আগেই বুক ধক করে ওঠে, আজ জানি আবার কে! কলকাতায় আমার বন্ধু সহকর্মীদের কথা ভাবি। কতদিন দেখা হয়নি। অসম্ভব কষ্টের একটা সময় পার করছে তারা। একটা করে মন্দ খবর শুনি, আর আমার মনটা নিভে আসে একটু একটু করে।

আলো ফিরে আসুক সবার জীবনে উল্লেখ করে জয়া আহসান লিখেছেন, যাদের সঙ্গে এতদিন ধরে কাজ করছি কলকাতায়, পরিচালকশিল্পীকুশলীসহযোগী, শুনি তাদের কষ্ট, অসুস্থতা আর বিদায়ের খবর। আমার আলো কমে যায়। আমার কেবলই মঙ্গল কামনা। আলো ফিরে আসুক সবার জীবনে। হতাশার এই অন্ধকারে মন যেন পথ না হারায়। তোমার মুক্তি আর আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আঁধারে।

নিউজ ট্যাগ: জয়া আহসান

আরও খবর



নারীদের গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যদি সম্ভব হয় তবে নারীরা কিছুদিনের জন্য গর্ভাবস্থা স্থগিত করতে পারেন। যাতে পরবর্তীতে আরও শান্তিপূর্ণভাবে গর্ভধারণ করতে পারেন। যারা ৪২-৪৩ বছর বয়সের আমরা তাদের এই কথা

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে শনাক্ত এবং মৃত্যু প্রতিদিনই বাড়ছে। দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬৬ হাজার মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সন্তান না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্রাজিল। করোনার আগের ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বর্তমান রূপটি সন্তান প্রত্যাশী নারীদের স্বাস্থ্যের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা রাফায়েল প্যারেন্টি জানান, যদি সম্ভব হয় তবে নারীরা কিছুদিনের জন্য গর্ভাবস্থা স্থগিত করতে পারেন। যাতে পরবর্তীতে আরও শান্তিপূর্ণভাবে গর্ভধারণ করতে পারেন। যারা ৪২-৪৩ বছর বয়সের আমরা তাদের এই কথা বলতে পারি না। কিন্তু অল্প বয়সী নারীরা চাইলেই কিছুদিন অপেক্ষা করতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, নতুন ভ্যারিয়েন্টটি গর্ভবর্তী নারীদের ওপর অনেক বেশি আক্রমানত্মক।

তিনি জানান, সম্প্রতি দ্বিতীয় এবং মাঝেমধ্যে প্রথম তিন মাসে আরও গুরুতর সংক্রমণের শিকার রোগী পাওয়া গেছে।


আরও খবর



প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স, বয়স-স্পিডবোট চালাতে লাগে না কিছুই!

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদারীপুর থেকে দেলোয়ার হোসাইন

দীর্ঘদিন ধরেই মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চালান হালিপ মিয়া (২৬)। মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা কোনো প্রশিক্ষণ পাইনি। তবে অভিজ্ঞ চালকের সঙ্গে চার-পাঁচ দিন থাকলেই বোট চালানো শেখা যায়। তবে ফুল লোড নিয়ে বোট চালাতে হলে খুব সর্তক হতে হয় জানিয়ে এই চালক বললেন, এখানে অনেক চালক, সবাই তো আর সর্তক নন। কারও কারও বয়স কম, ইচ্ছেমতো চালায়।

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে লঞ্চ ও ফেরির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যাত্রী বহন করে প্রায় আড়াইশ স্পিডবোট। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলাচলরত এসব স্পিডবোটের চালকদের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এমনকি চালকদের বড় একটি অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক। অবৈধ স্পিডবোট, অদক্ষ চালকের কারণে এই নৌপথে ঘটছে দুর্ঘটনা। নৌযানগুলোতে লাইফ জ্যাকেটের মতো সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও বেশি।

এদিকে এই নৌপথে চলাচলরত ৫০টির মতো স্পিডবোট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক লাইসেন্স নিয়েছে। যে কটির লাইসেন্স আছে, তারও আবার নবায়ন নেই। ফলে চলাচলরত স্পিডবোটগুলোর সব কটি অবৈধ।

এ সম্পর্কে বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, উভয় ঘাটে আড়াই শ স্পিডবোট চলে, যার একটিরও লাইসেন্স বা কোনো কাগজপত্র নেই। এরপরও প্রতিবছর মন্ত্রণালয় থেকে ইজারা হয়। কিন্তু কেন হয়, তা বলতে পারবেন না তিনি। তিনি আরও বলেন, স্পিডবোট লাইসেন্সের জন্য আমরা স্পিডবোট মালিকপক্ষকেও চাপ দিয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই লাইসেন্স হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বাংলাবাজার কাঠালবাড়ি ঘাট সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য অন্যতম শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ। এই নৌপথ দিয়ে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় স্পিডবোটে। বর্তমানে এই নৌপথে প্রায় ২৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে। এ ছাড়া ফেরি, লঞ্চ ও ট্রলারেও যাত্রী পারাপার হয়। যদিও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউন থাকায় এই নৌপথে ফেরি ছাড়া সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে লঞ্চগুলো সেই নিয়ম মেনে চললেও দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই অবাধে চলাচল করে স্পিডবোট।

স্পিডবোট চালক শাহিন মিয়া বলেন, আমি ৬ বছর ধরে স্পিডবোট চালাই। উভয় ঘাটে নতুন কিছু ২০০ সিসির বোট নামানো হয়েছে। এগুলোর চালকের বয়স বেশির ভাগই ১৮ এর নিচে। ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে অন্তত ৩০ জন আছে, যারা খুব তাড়াহুড়া করে বোট চালায়। এদের কারণে আজ সব চালকের সমস্যা।

ইমরান মিয়া নামের এক তরণ চালক বলেন, কাউন্টার থেকে আমাদের যতজন নিতে বলে, আমরা ততজনই নিই। এখানে আমাদের লাভ কম। কাউন্টারে যারা থেকে নেতৃত্ব দেয়, তারাই সব ম্যানেজ করে চালায়।

স্পিডবোটের মালিকেরা বলছেন, আরও এক বছর আগেই স্পিডবোটের লাইসেন্সের জন্য বিআইডব্লিউটিএর বন্দর বিভাগের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মালিকদের লাইসেন্স দিচ্ছে না। নানা অজুহাতে লাইসেন্স বাতিলও করে দিচ্ছে। স্পিডবোটের চালকদের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা দিলেও প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।

বাংলাবাজার স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও পাঁচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমাদের পারে ১০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স আরও দেড় বছর আগে দিছে বিআইডব্লিউটিএ। এরপর এক বছর আগে ৩৯ টি বোটের লাইসেন্সের জন্য কাগজপত্র ও তালিকা নেয়। চালকের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা নেয়। কিন্তু লাইসেন্সও দেয় না আর চালকদের প্রশিক্ষণও দেয় না।

তিনি আরোও বলেন, শিমুলিয়া ঘাটের স্পিডবোটগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তারা লকডাউনের মধ্যে ছাড়ে। তবে বাংলাবাজার ঘাটে তারা আসতে পারে না। তারা চরে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। সোমবারের দুর্ঘটনাটিও চরে যাত্রী নামাতে গিয়ে বাল্কহেডের পেছনে ধাক্কা লাগিয়ে দেয় স্পিডবোটের চালক।

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রায় ৫০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স নেওয়া। তবে এগুলোর হয়তো নবায়ন নেই। এখানে আমাদের লাইসেন্স দিতে কোনো সমস্যা নেই। মালিকপক্ষ কখনো আমাদের কাছে আসছে, কখনো আসেনি। সবার মধ্যে একটি সমন্বয়হীনতা ছিল। এরপরও আমরা অতিদ্রুত স্পিডবোটগুলো লাইসেন্সসহ চলাচলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।

বাংলাবাজার ঘাটের দায়িত্বরত চরজানাজাত নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবদুল রাজ্জাক বলেন, লকডাউন কার্যত থাকার পরও কিছু বোট চুরিচামারি করে চলে। এগুলোয় লাইফ জ্যাকেটও ব্যবহার করা হয় না। সোমবারের দুর্ঘটনায় কোনো যাত্রীর সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট ছিল না। দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই মুমূর্ষু হয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন। লাইফ জ্যাকেট থাকলে অনেকেই বেঁচে যেত।


আরও খবর



জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ মে ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনায় আজ বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে কমিটির এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন

দেশে ঈদুল ফিতরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ বুধবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে এ সভা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনায় আজ বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে কমিটির এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিচের টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। টেলিফোন নম্বর ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।


আরও খবর
আগামীকাল সৌদিতে ঈদ

বুধবার ১২ মে ২০২১