আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ থেকে মো. মোশারক হোসেনকে (আরিফ বাপ্পি) অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এই বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মোশারফ হোসেনকে হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এদিকে গত শুক্রবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পীর ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। মূহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ও ওয়াটসঅ্যাপে ভিডিওটি একে অপরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পী অজ্ঞাত এক যুবতীর সাথে ভিডিও কলে কথা বলছেন এবং তাকে উড়ো কিস করছেন। এতে ওই যুবতী নেচে নেচে উলঙ্গ হয়ে গোসল করছে। আর ওই যুবতীকে উলঙ্গ অবস্থা দেখে আরিফ বাপ্পী নিজেও নগ্নতায় জড়িয়ে পড়েন।

ভিডিওটি ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয় সমালোচনা। পাশাপাশি ছাত্রলীগ পরিবারে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।

গত শুক্রবার রাতে মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পী তার ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি এডিটিং বলে উল্লেখ করে একটি স্ট্যাটাস দেন।


আরও খবর



কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে শোকজ

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আদর্শ পরিপন্থী ও সংগঠনের রীতিনীতি পরিপন্থী বক্তব্য দেওয়ায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খানকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি। শনিবার তাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ কারণ দর্শানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আপনার বক্তব্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে এবং তা সংগঠনের রীতিনীতি ও আদর্শ পরিপন্থি। এসব বক্তব্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- তার ব্যাখ্যাসহ লিখিত জবাব ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এমপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জানাতে বলা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের গোসাইডাঙ্গি গ্রামে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আপন ছোট ভাইয়ের নির্বাচনী পথসভায় গিয়ে সদর উদ্দিন খান বলেন, আল্লাহ পাক উন্নয়ন করাবে আমাকে দিয়ে। আমার সঙ্গে যারা বিরোধিতা করবে তারা আল্লাহর সঙ্গে বিরোধিতা করবেন।

জেলা সভাপতি আরও বলেন, শয়তানরাও মসজিদে আসবে, শয়তানরাও গোরস্থানে শোবে। শয়তানরা মসজিদে এসে সুখে থাকতে পারবে না। আর গোরস্থানে গেলে শয়তানদের যেভাবে মাটি চাপা হবে আপনারা কল্পনাই করতে পারবেন না।

১ মে বুধবারের ওই পথসভায় তার বক্তব্যের ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এমন বক্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর প্রেক্ষিতে তাকে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলো সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

এর আগে খোকসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার ভাইয়ের পক্ষে নির্বাচন করার জন্য থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেনকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। সে সময় তাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে আওয়ামী লীগের একাংশের নেতাকর্মীরা।


আরও খবর



মোংলায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটের মোংলায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৫ জুন) দুপুরে তাদেরকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

এর আগে বুধবার সকালে মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বোন। ভুক্তভোগী ও তার বোন মোংলা পৌর শহরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলো- মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের মনিরুল ফকিরের ছেলে রুমান ফকির (২৫), ওলি শেখের ছেলে রানা শেখ (২৪), তায়জিদ খানের ছেলে সুমন (২৯), বাশার মোসাল্লির ছেলে মিজানুর মোসাল্লি (৩৬) ও চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া পঙ্গুর মোড় এলাকার মৃত চানমিয়া শেখের ছেলে রাসেল শেখ (২২)।

এই মামলায় মোট সাত জনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছে। তারা হলো- মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে জামাল (৪৫), লুৎফরের ছেলে আওয়াল (৩৫)।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম আজিজুল ইসলাম জানান, চিংড়ি ঘেরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে ৭ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়ের ও সকল আইনানুক প্রক্রিয়া শেষে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



শনিবারের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করলো এনবিআর

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঢাকার অঞ্চল-২০ এর জন্য ১১১ পদে কর্মী নিয়োগে আগামীকাল শনিবার লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে আদালতের আদেশে শনিবারের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করেছে এনবিআর। শুক্রবার (৩১ মে) এ তথ্য জানান এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুনেম।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর একটি নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের এক নির্দেশনা এসেছে। নিদের্শনা মানতে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-২০ এ নিয়োগের জন্য এই লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

এর মধ্যে কম্পিউটার অপারেটর পদে একটি, প্রধান সহকারী ১৭টি, উচ্চমান সহকারী পদে ২০টি, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ২০টি, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২১টি এবং অফিস সহায়ক পদে ২৩টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

নিউজ ট্যাগ: এনবিআর

আরও খবর



সিলেটে বন্যায় মৎস্য খাতে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় সিলেটের মৎস্যখাতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলার মৎস্য চাষী ও খামারিরা। টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে জেলার জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ উপজেলায় ঢলের পানিতে ভেসে গেছে ১ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৪৮ হেক্টর মাছের ঘের। সৃষ্ট বন্যায় সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে বলে জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে।

বিশেষ করে জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ, গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন উপজেলায় শত-শত পুকুর বন্যার পানিতে ভেসে যায়। কোন কোন পুকুরের চিহ্ন ও দেখা যায়নি। আর বেশিরভাগ পুকুর বিশাল জলারাশির নিচে ঢাকা পড়ে যায়। খামারীরা শেষ চেষ্টা হিসেবে জাল ও নেট দিয়ে মাছগুলো আগলের রাখার শেষ চেষ্টা করলেও পানির তোড়ের কাছে তারা হার মানে না।

সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রাণী বিশ্বাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বন্যার পানিতে ভেসে গেছে ৭ হাজার ৩৮২ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৮ হাজার ২৫৮টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ৮ শত ৪৯ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন মাছ ও ৫৬ দশমিক ৮৫ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার, পোনার মূল্য ২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ১ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৪৮ হেক্টর।

জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯০০ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৭৫০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ২৬০ মেট্রিক টন মাছ ও ১৪ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৫ কোটি ৭২ লাখ, পোনার মূল্য ৪২ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৬ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৫১০ হেক্টর।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২৯ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ২৯টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ১০৫ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন মাছ ও ৭ লাখ ২৫ হাজার মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার, পোনার মূল্য ৩৫ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ২০ দশমিক ৪৫ হেক্টর।

গোয়াইনঘাট উপজেলার ১ হাজার ৭০০ মৎস্য চাষী ও খামারির ২ হাজার ১০০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ৩৫০ মেট্রিক টন মাছ ও ২২ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৬ কোটি ৯৮ লাখ, পোনার মূল্য ৬০ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ২৫ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৩১০ হেক্টর।

জৈন্তাপুর উপজেলার ১ হাজার ৯৫৩ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ২ হাজার ৭৫টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ২৪ মেট্রিক টন মাছ ও ২১ দশমিক ৬০ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৭২ লাখ, পোনার মূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৩৫ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৩৩৬ দশমিক ০৩ হেক্টর।

কানাইঘাট উপজেলার ২ হাজার ৮০০ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৩ হাজার ৩০০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ১১০ মেট্রিক টন মাছ ও ৬ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১ কোটি ৫৪ লাখ, পোনার মূল্য ১৮ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ১০ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৪০৭ হেক্টর।

জৈন্তাপুর এলাকার এক মাছ চাষী বলেন, পুকুরে মাছ চাষের জন্য ঋণ নিয়েছি। বন্যার শুরুতে পুকুরের চারদিকে ঘের দিয়ে মাছ বাঁচানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। বন্যার তোড়ে সব মাছ ভেসে গেছে। একই উপজেলার আরেক মাছ চাষী বলেন, নির্ঘম রাত কাটিয়েও রক্ষা করতে পারিনি স্বপ্নের খামারটি। চোখের সামনেই ভেসে গেছে মাছ।

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভেসে যাওয়া মাছের মধ্যে তেলাপিয়া, পাঙাশ, কাতল, রুই ও অন্যান্য জাতের মাছ ছিল। আকস্মিক সৃষ্ট বন্যায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন। মাছের পাশাপাশি পোনা উৎপাদনের হ্যাচারি ভেসেও সকল পোনা চলে গেছে। এ অবস্থায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। মৎস্য চাষীদের অনেকে বেশি সুদে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করেছিলেন। এখন মাছ ভেসে যাওয়ায় একদিকে সংসার চালানোর চিন্তা, অন্যদিকে ঋণ শোধের চিন্তা। সব মিলিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে মৎস্য ঋণ মওকুফ ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করলে আগামী দিনে নতুনভাবে মৎস্য চাষে আগ্রহী হবেন বলে জানান মৎস্য চাষীরা।

সিলেট জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সীমা রাণী বিশ্বাস আলাপকালে জানান, ভেসে যাওয়া মাছের মধ্যে দেশি মাছের সংখ্যা ছিল বেশি। এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে খামারিদের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে খামারিদের সহায়তা করা হবে।


আরও খবর



এত পরিশ্রমের পরও কটু কথা কষ্ট দেয়, সবকিছু অর্থহীন মনে হয়: জাহ্নবী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বর্তমানে বলিউডে যে কজন তারকা সন্তান অভিনয় করছেন তাদের মধ্যে অন্যতম শ্রীদেবীকন্যা জাহ্নবী কাপুর। ইতোমধ্যে পায়ের নিচের মাটি খানিকটা শক্ত করেছেন তিনি। শুরু থেকেই মা শ্রীদেবীর সঙ্গে তুলনা টানা হতো জাহ্নবীর। এমনকি তাঁকে নানাভাবে কটাক্ষও করা হতো। সে সময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন তিনি। তবে এখন তিনি এসব নিয়ে বাঁচতে শিখেছেন। মিলি, বাওয়াল, গুঞ্জন সাক্সেনা: দ্য কারগিল গার্ল, গুডলাক জেরির মতো ছবিতে অভিনয়ের পর তাঁর কদর আরও বেড়েছে। নিজের প্রতিভা প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন।

কিছুদিন আগেই এক বিবৃতিতে মায়ের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে জাহ্নবী বলেন, মাম্মার [শ্রীদেবী] মতো কেউ বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠতে পারবেন না। তাঁর যা উচ্চতা, সেই উচ্চতায় কেউ পৌঁছাতে পারবেন বলে আমি মনে করি না। তাই দয়া করে আমাকেও রেহাই দিন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে মানুষের কটু কথায় মন খারপ হতো জাহ্নবীর। তবে এখন অনেকটাই সামলে নিতে শিখেছেন। এর পরও মাঝেমধ্যে যে মন খারাপ হয় না, তা নয়। এ অভিনেত্রী বলেন, এত পরিশ্রমের পরও কটু কথা আমাকে কষ্ট দেয়। আমার রক্ত, ঘাম ঝরানো পরিশ্রম অর্থহীন বলে মনে হয়। কিছু মানুষের তির্যক মন্তব্য শুনে মন অশান্ত হয়ে ওঠে। তবে ইতিবাচক সমালোচনাকে সব সময় সম্মান জানাই।

আগামী শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে এই অভিনেত্রীর নতুন সিনেমা মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহিশরণ শর্মা পরিচালিত এই সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন রাজকুমার রাওয়ের সঙ্গে।এই ছবিতে এক উঠতি ক্রিকেটারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহ্নবী। সম্প্রতি ছবির ট্রেলার প্রকাশ্যে এসেছে। অনুরাগীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে এই ট্রেলার। এই চরিত্রের জন্য বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে জাহ্নবীকে।

জাহ্নবী বলেন, এই ছবির জন্য আমি প্রচুর পরিশ্রম করেছি। মিলি ছবির প্রচারণার সময় এই ছবির জন্য ক্রিকেটের প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে দিয়েছিলাম। প্রায় দুই বছর প্রশিক্ষণ নিয়েছি। শরণ (পরিচালক) এই ছবিতে কোনো ভিএফএক্স ব্যবহার করেননি।তিনি চেয়েছিলেন ক্রিকেটের দৃশ্যগুলো বাস্তব দেখাতে। পর্দায় যেন আমাকে প্রকৃত ক্রিকেটারের মতো দেখতে লাগে তাই টানা পরিশ্রম করেছি।ট্রেনিংয়ের সময় অনেক চোট পেয়েছি। আমার দুই কাঁধের হাড় সরে গিয়েছিল। এতটাই কষ্ট হয়েছিল মাঝেমধ্যে ভেবেছিলাম ছবিটি ছেড়ে দেই।

নিজের সম্পর্কে খুব বেশি খোলামেলা কথা বলেন না অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তবে বলিউডে কান পাতলেই শোনা যায়, শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন শ্রীদেবীকন্যা। আকারে-ইঙ্গিতে অবশ্য জাহ্নবী নিজেও বুঝিয়েছেন, শিখরের সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ তিনি।

তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিখরকে নিয়ে জাহ্নবী বললেন, আমার যখন ১৫-১৬ বছর বয়স, তখন থেকে ও আমার সঙ্গে আছে। আমার স্বপ্নগুলো ও নিজের করে নিয়েছে। ওর স্বপ্নগুলোও আমি আমার নিজের স্বপ্ন করে তুলেছি। আমরা পরস্পরের খুব কাছের। আমরা সব সময় পরস্পরের পাশে এমনভাবে থেকেছি যেন আমরাই পরস্পরকে বড় করে তুলেছি।

নিউজ ট্যাগ: জাহ্নবী কাপুর

আরও খবর