আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম
সংগঠনের প্রধান নিরীক্ষকের তথ্য

হেফাজতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি 'সফল' করতে নানা উৎস থেকে টাকা নিয়েছিল সংগঠনটি। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাও সে সময় অন্তত ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই অর্থের অন্তত এক কোটি টাকার হিসাব দিতে পারেননি হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। পুরো টাকাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে জনপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

সংগঠনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে দফায় দফায় চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা খাদেম (একান্ত সচিব) মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকীর মাধ্যমে চেষ্টা করা হলে তিনি জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন বলে জানান। পরে তাকেও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত ও শনিবার বিকেলে মাওলানা সলিমউল্লাহর সঙ্গে দুই দফায় কথা হয় ওই সংসাদপত্রটির। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও নগদ ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন সংগঠনের তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দেন তিনি।

মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে হুজুরকেও (হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী) অনেকে টাকা-পয়সা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো টাকা তিনি নিজের কাছে তেমন একটা রাখতেন না। একদিন হুজুর নিজ হাতে তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাও তিনি হজম করে ফেলেছেন।

শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কারাভোগের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। মাওলানা সলিমউল্লাহ এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালে একদিন তার মেয়ের এক ভাসুরকে পাঠান এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসার কথা বলে সংগঠন থেকে ২০ লাখ টাকা নেন। সেই টাকা ফেরত দেওয়া দূরে থাক, কোনো হিসাবই দেননি তিনি। চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে; সেটাও কারও জানা নেই। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। সংগঠনের তৎকালীন মহাসচিব হিসেবেও অনেকে তার কাছে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এসব টাকার কোনো হিসাব নেই।

২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হেফাজতের যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি রয়েছে, সে কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। অবশ্য কাগজ-কলমে নাম থাকলেও কয়েক মাস ধরে হেফাজতের সঙ্গে তেমন একটা সম্পৃক্ত নন ফটিকছড়ির নাজিরহাট আল জামিয়াতুল ফারুকীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম (মহাপরিচালক) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

আর্থিক অনিয়মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, ২০১৬ সালে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী আমাকে হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক করে একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে গিয়ে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। মূলত শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় বিভিন্নভাবে নেওয়া টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি- সেটা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী চাইতেন না। তাই যখনই আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করি, তখন পদাধিকারবলে আমার নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেন তিনি। যখন যাকে পছন্দ তাকে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব দেন। অবশ্য কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধান নিরীক্ষকের পদ দেওয়া হতো। এভাবে তিনবার কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান হাকিম।

আমি যখন প্রধান নিরীক্ষক ছিলাম, তখন সে কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে তথাকথিত হেফাজতের কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ্‌ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। কয়েক মাস আগেও ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন তিনি। তবে আহমদ শফী ইন্তেকাল করার পর তাকে সে পদ থেকে সরিয়ে দেন জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার সমর্থকরা। তবে এর নেপথ্যে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলে মনে করেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তিনি বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার শরীফের পীর মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য কওমিদের সমর্থন প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন তিনি। একাধিকবার আমার মাধ্যমে শফী হুজুরকে দিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ফোন করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেটা করিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার সঙ্গে বাবুনগরীর সুসম্পর্ক হয়। শফী হুজুর ইন্তেকাল করার পর তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেন।

ফটিকছড়িতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি নামে একটি সংগঠন রয়েছে। প্রায় ২২ বছর ধরে জুনায়েদ বাবুনগরী সভাপতি ও সলিমউল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মাদ্রাসার পাশাপাশি সেই কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সলিমউল্লাহকে।

রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক-ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা, যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরদিন ৬ মে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীসহ রদশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হয়। সূত্র : সমকাল


আরও খবর



করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন তামিম-সৌম্যরা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার আগে রোববার (১১ এপ্রিল) থেকে দলীয় অনুশীলন করবে বাংলাদেশ। তার আগে দেশব্যাপী চলা দ্বিতীয় ডোজের টিকা কর্মসূচিতে যোগ দিলেন ক্রিকেটাররা। নিলেন করোনার ভ্যাকসিন।

শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কুর্মিটোলায় একে একে আসেন সবাই। তামিম-সৌম্য সস্ত্রীক। ছিলেন তাইজুল, মিঠুন, তাসকিন, সাইফ, শরিফুল, মিরাজ, নাইম, মুগ্ধ, শান্ত, রাহী। গতকাল শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাতে দেশে আসেন জাতীয় ক্রিকেট দলের হেডকোচ রাসেল ডমিঙ্গো। এরপর তিনিও সকালে চলে আসেন হাসপাতালে। সাথে ছিলেন বাকি স্টাফরাও।

টিকা গ্রহণের শেষে দেশবাসীকেও টিকা নিতে আহ্বান জানান ক্রিকেটাররা।


আরও খবর



রাঙামাটিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় লাখ টাকার টিসিবি’র পণ্য উদ্ধার!

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাঙামাটি থেকে শহিদুল ইসলাম হৃদয়

চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষজন যখন ন্যায্যমূল্যের দ্রব্যাদির জন্য হাহাকার করছে এমনিতর পরিস্থিতিতে রাঙামাটি শহরে পরিত্যক্তবস্থায় লক্ষ টাকার টিসিবি পণ্য উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানার পুলিশ।

শনিবার সকালে শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় স্টেডিয়ামের সিড়ির নীচে পরিত্যক্ত অবস্থায় সয়াবিন তেল, ডাল, চিনি, ছোলা ও পেয়াজ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি কোতয়ালী থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে।

লকডাউনময় পরিস্থিতিতে টিসিবি পণ্যের জন্য স্থানীয় খেটে খাওয়া মানুষ যখন হন্য হয়ে ঘুরলেও মোট বাসিন্দাদের দুই শতাংশের ভাগ্যে টাকা দিয়েও মেলেনা ন্যায্যমূল্যেও টিসিবি পণ্য। এমনিতর পরিস্থিতিতে জনগণের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ন্যায্যমূল্যের টিসিবি পণ্য নির্জণ স্থানে কে-বা কাহারা টিসিবি পণ্যগুলো মজুদ করে রেখেছিলো তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন অনেকেই।

পথচারি মোঃ হানিফ জানিয়েছেন, ভোরের আলো ফোঁটার সাথে সাথেই এখানে টিসিবি লেখা বস্তায় পেয়াজ, চিনি, ডাল, ছৌলা ও সয়াবিন তেল পড়ে থাকতে দেখে অনেকেই সেখান থেকে কিছু কিছু নিয়ে যাচ্ছিলো। কিছুক্ষণের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে খেটে খাওয়া লোকজন সেখানে ভিড় জমাতে থাকে।

স্টেডিয়াম এলাকার সিড়িঁর নীচ এলাকাটি নির্জন হওয়ায় এখানে রাতের বেলায় টিসিবি পন্যগুলো মজুদ করে পরবর্তীতে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে দোকানদারদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার লক্ষ্য ছিলো সংশ্লিষ্ট্যদের এমন মন্তব্য করে পথচারি হানিফ জানান, হয়তো সকাল হয়ে যাওয়ায় এবং লোকজন চলে আসায় সংশ্লিষ্ট্যরা পণ্যগুলো ফেলে রেখে চলে যায়।

কোতয়ালী থানা পুলিশ সকাল ১০টার সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে টিসিবি পন্যগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রায় দুইশো বোতল দুই লিটার সয়াবিন তেল, ৬ বস্তা ডাল, ৫ বস্তা চিনি, ২ বস্তা ছোলা ও ৪ বস্তা পেয়াঁজ ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, নির্ধারিত মূল্য ৫শ টাকা হাতে নিয়ে আমরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে থেকেও সংশ্লিষ্ট্য ডিলার থেকে টিসিবি পণ্য নিতে পারিনা। অথচ রাস্তা পড়ে থাকে টিসিবি পণ্য।

কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কবির হোসেন জানিয়েছেন, আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পন্যগুলো উদ্ধার করেছি। তদন্ত করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, রাঙামাটি শহরে টিসিবি পন্য বিক্রয়কারি ডিলার জিল্লুল মজুমদার জানিয়েছেন, শনিবার সকালে আমি টিসিবির পন্য উদ্ধারের খবরটি পাই। সাথে সাথে আমি গোডাউনে গিয়ে দেখি গেইটের তালা ভাঙ্গা। তিনি জানান, তার গুদাম থেকে উক্ত পন্যগুলো কে-বা কাহারা চুরি করে নিয়ে গেছে। বিষয়টি তিনি কোতয়ালী থানা পুলিশকে অবহিত করেছেন এবং ওসিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন বলেও জানান। জিল্লুল মজুমদার জানান, গত বৃহস্পতিবার তিনি প্রায় আড়াই লাখ টাকার পন্য চট্টগ্রাম টিসিবি কেন্দ্র থকে ক্রয় করে রাঙামাটিতে এনেছিলেন। আজ শনিবার সেগুলো রাঙামাটি শহরে বিক্রি করার কথা ছিলো।


আরও খবর



মহামারি থেকে রক্ষায় চুক্তি, ২৩ দেশের সম্মতি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় প্রস্তাবিত একটি চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে বিশ্বের ২৩টি দেশ। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রস্তবিত চুক্তিতে সায় দেয় এসব দেশ। এরই মধ্যে চুক্তিটির অনুমোদন দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস।

চুক্তিটি ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান।

গতবছর প্রথম এ ধরনের চুক্তির কথা তুলে ধরেন ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল। মহামারিতে টিকা ও ওষুধের সমান অধিকার নিশ্চিতের কথা বলেন তিনি। খবর রয়টার্সের

প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরিকারী যেকোনো বিষয়ে তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে কড়াকড়ির কথা বলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা আলোচনা শুরু হয়নি বলে কূটনীতিকেরা জানিয়েছেন।

চুক্তিতে সম্মতি দেয়া দেশগুলো হলো- যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, নরওয়ে, গ্রিস, ফিজি, পর্তুগাল, রোমানিয়া, রুয়ান্ডা, কেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, চিলি, কোস্টারিকা, আলবেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, তিউনিসিয়া, সেনেগাল, সার্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ইউক্রেন। তবে এ বিষয়ের চিঠিতে এখনো সই করেনি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। তবে দেশ দুটির নেতারা এই প্রস্তাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক জানিয়েছেন।

টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে যেসব ঘাটতি দেখা দিয়েছে, সেগুলো মোকাবিলা সম্ভব হবে নতুন এই চুক্তি হলে। আগামী মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের বার্ষিক সভা হবে। সেখানে সংস্থাটির সদস্য ১৯৪টি দেশের প্রতিনিধিদের সামনে খসড়া প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। এখন পর্যন্ত এতে ২৮ লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।


আরও খবর



পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মোট ১ হাজার ৭১ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫৩ কোম্পানি ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় রাজ্যের মোট ৬ জেলার ৪৫ আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

পঞ্চম দফায় উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার ১৬ আসন, পূর্ব বর্ধমানের ৮ আসন, নদিয়ার ৮, জলপাইগুড়ির ৭, দার্জিলিংয়ের ৫ ও কালিম্পংয়ের ১ আসনে ভোট গ্রহণ চলছে। এর আগে চতুর্থ দফায় রাজ্যের ১৩৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মোট ১ হাজার ৭১ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫৩ কোম্পানি ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

এর আগে প্রথম তিন দফায় ভোটগ্রহণের সময় বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও চতুর্থ দফায় পাঁচজনের প্রাণহানি হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ হয়। সেসময় জানানো হয় শীতলখুচিতে বুথের লাইনে দুর্বৃত্তের গুলিতে ১ জন এবং বাকি ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, আগে গত ২৭ মার্চ প্রথম দফা, ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা, ৬ এপ্রিল তৃতীয় দফা এবং ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবার মোট আট দফায় রাজ্যটিতে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: ভারত

আরও খবর



টেস্ট স্ট্যাটাস পেল বাংলাদেশ নারী দল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ এপ্রিল 2০২1 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ এপ্রিল 2০২1 | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বহুল কাঙ্ক্ষিত টেস্ট স্ট্যাটাস পেল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি কর্তৃক এই মর্যাদা পেল বাংলার জয়িতারা। বোর্ড এবং কমিটি মিটিংয়ে বাংলাদেশ নারী দল, আফগানিস্তান নারী দল এবং জিম্বাবুয়ে নারী দলকে টেস্ট স্ট্যাটাস দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেয় আইসিসি।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, বোর্ড সভায় আইসিসির পূর্ণাঙ্গ নারী দল সদস্যদের ওয়ানডে এবং টেস্ট স্ট্যাটাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে নারী ক্রিকেট দল এখন থেকে টেস্ট ম্যাচও খেলতে পারবে।

এর আগে টেস্ট খেলেছে ১০টি নারী দল। মূল দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা খেলত। এর পাশাপাশি আইসিসির সহযোগী দেশ হিসেবে টেস্ট খেলেছে নেদারল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড নারী দল।


আরও খবর