আজঃ বুধবার ১২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

হিজবুল্লাহর কাছে সর্বোচ্চসংখ্যক রকেট মজুদ রয়েছে: ইসরাইল

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইসরাইলের এক সামরিক কমান্ডার বলেছেন, যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তা হলে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ প্রতিদিন দুই হাজার রকেট হামলা করতে পারে।

ইসরাইলের হোমফ্রন্ট কমান্ডের প্রধান উরি গরডিন এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত মে মাসে গাজা উপত্যকায় ইসরাইল হামলা শুরু করলে সেখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০০-এর বেশি রকেট ছোড়া হয়েছে।

যদি হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ লাগে তা হলে আমরা ধারণা করতে পারি প্রতিদিন এর চেয়ে পাঁচগুণ বেশি রকেট হামলা হবে।

এর আগে গত মার্চ মাসে এই কমান্ডার বলেছিলেন হিজবুল্লাহর কাছে সর্বোচ্চসংখ্যক রকেট মজুদ রয়েছে এবং যুদ্ধ শুরু হলে প্রতিদিন হিজবুল্লাহ গড়ে দুই হাজার রকেট ছুড়তে সক্ষম।

২০০০ ও ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধ হয় এবং দুটি যুদ্ধেই ইসরাইল লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করেছে।

হিজবুল্লাহ বারবার বলছে, নতুন কোনো যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা তাদের নেই, তবে ইসরাইল যদি যুদ্ধ শুরু করে তবে লেবাননকে রক্ষার ব্যাপারে তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে স্বর্ণের পাহাড়ে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

মাটি খুড়লেই পাওয়া যাচ্ছে স্বর্ণ, এ আশায় ছুটছে মানুষ। এতে আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল কাতিহার আরবিবি ইটভাটা ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (২৫) রাত সাড়ে ১০টার পর থেকে এ আদেশ জারি করেন প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।

উল্লেখ্য, সোনা মিলুক আর না মিলুক মাটি খুরলেই পাওয়া যাচ্ছে সোনা এমন খবরে আবারো যেনো প্রতিযোগীতায় নামে স্থানীয়রাসহ উৎসুক জনতা। গত কয়েকদিন ধরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কাতিহার বাজার এলাকার বাচোর ইউনিয়নের আরবিবি নামে একটি ইটভাটায় ইট প্রস্তুতের জন্য মাটিগুলো সংগ্রহিত করা হয় দীর্ঘ দিন ধরে। গেল এপ্রিলে হঠাৎ স্থানীয় এক ব্যক্তির ফেইসবুকে এমন খবর ছড়িয়ে দেয়।

তারপর থেকেই মাটি খুড়তে স্থানীয়রাসহ উৎসুক জনতা ভিড় করে। মাঝে কয়েকদিন খোড়াখুড়ি বন্ধ হলেও আবারো গেল বুধবার থেকে স্বর্ণের খোঁজে ছুটেন মানুষ।

ইট তৈরি জন্য দুর-দুরান্ত থেকে নিয়ে আসা পাঁকা সড়কের পাশে স্তুপ করে রাখা মাটি খুরতে থাকেন স্বর্ণের লোভে।

তাই কেউ কোদাল হাতে, কেউবা বসিলা, আবার কেউ খন্তি হাতে নিয়ে সোনা পাওয়ার আশায় এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের মাটি খুরেন। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান জানান, মাস খানিক ধরে মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে মাটি খুরতে থাকে। যেহেতু সেখানে মাটি খোরার কোদাল, খন্তিসহ সরঞ্জামাদি নিয়ে দলবদ্ধ হচ্ছে। সে কারণে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ইট ভাটার আশপাশ এলাকা ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।


আরও খবর



প্রায় ৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টেকসই উন্নয়নের পরিক্রমায় স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট উত্থাপন করা হয়েছে। যা চলতি বাজেটের চেয়ে ৮২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বেশি।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এটি পেশ করেন।

এবারের বাজেট হতে যাচ্ছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার। যাতে থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জনের কঠিন চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) আয় করতে হবে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।

২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির এই বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য সাড়ে ৬ শতাংশ।

এছাড়া আয়, মুনাফা ও মূলধনের ওপর কর ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, মূল্য সংযোজনের করের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা, সম্পূরক শুল্ক ৬৪ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা, আমদানি শুল্ক ৪৯ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা, রপ্তানি শুল্ক ৭০ কোটি টাকা, আবগারি শুল্ক ৫ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা এবং অন্যান্য কর ১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।

কর ব্যতীত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত করের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

খাতভিত্তিক বরাদ্দের মধ্যে জনপ্রশাসন খাতে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ৪৭ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ১১ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যে ৪১ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা, কৃষিতে ৪৭ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা, পরিবহন ও যোগাযোগে ৮২ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকা।

এছাড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৩০ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় ৩৩ হাজার ৫২০ কোটি টাকা এবং শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা খাতের জন্য ৫ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে।

বাজেট বক্তৃতায় চলমান অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।


আরও খবর



সিলেটে বন্যায় পানিবন্দি সাড়ে ছয় লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সীমান্তবর্তী ছয় উপজেলাসহ আটটিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি অবস্থায় আছেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭০ জন মানুষ।

প্লাবিত হয়েছে সুরমা নদী তীরবর্তী সিলেট নগরীর নিম্নাঞ্চলও। এতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ৪ হাজার পরিবার।

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত সিলেটে পানিবন্দি ও আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠা লোকজনের সংখ্যা বেড়েছে বলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলার ১৩টি উপজেলায় বন্যা প্রস্তুতি হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৫৪৭টি। বন্যা কবলিত আট উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭৩৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারতের মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ফলে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা দেখা দেয় সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।

শুক্রবার নতুন করে প্লাবিত হয় সিলেট সদর উপজেলা। এদিন বিকালে সরেজমিনে সিলেট নগরীর তালতলা, যতরপুর, মাছিমপুর ও উপশহরের রাস্তাঘাটে পানি দেখা গেছে। ময়লা পানি মাড়িয়ে নগরবাসীকে চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে বেশি প্লাবিত হয়েছে উপশহরের কয়েকটি ব্লক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিনভর কর্মতৎপর ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা। শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

পানিবন্দি মানুষের জন্য ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের কিশোরী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও পাশ্ববর্তী একটি পাঁচ তলা খালি বিল্ডিংয়ে একই ওয়ার্ডের মতিন মিয়ার কলোনির ৪০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, বিভিন্ন কাউন্সিলরদের দেয়া তথ্যমতে ইতিমধ্যে নগরীতে বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার পরিবার। তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিসিক।

এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় নগরীর ১৫, ২২ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের, সুবহানীঘাট, উপশহর, তেররতন এলাকা পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফজলে রাব্বি চৌধুরী মাসুম, ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সুহিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের নদ নদীর পানির বেড়ে ইতিমধ্যে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানি শহরের দিকে ধেয়ে আসছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তত্ত্বাবধানে সংকট মোকাবেলা করতে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে বন্যা পরিস্থিতি মোকবেলায় বৃহস্পতিবার জরুরি সভা করে সিলেট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সুরমা সিলেট শহর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার, কানাইঘাট পয়েন্টে ৯২ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা জকিগঞ্জ পয়েন্টে বিদৎসীমার দুই সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আর সিলেটের অন্য নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি পানিবন্দি হয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নই বন্যা কবলিত হয়েছে। আর ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১ হাজার ২৪২ জন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন ৯৩ হাজার মানুষ। উপজেলায় ৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৭৩ জন মানুষ।

কানাইঘাট উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে নয়টি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন ৮০ হাজার ৬০০ মানুষ। ৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন।

জৈন্তাপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে ৬৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। এ উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৪৮টি। সেখানে ৬৭৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

জকিগঞ্জ উপজেলায় নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আটটি প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ জন। উপজেলার ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন ১৯৮ জন।

বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে বন্যা হয়েছে; এখানে পানিবন্দি হয়েছেন ৫ হাজার ৫০০ মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৭টি; আশ্রয় নিয়েছেন ৬০ জন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র একটি ইউনিয়নে বন্যা কবলিত হয়েছেন ৩ হাজার ৫০০ মানুষ। উপজেলায় ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ১৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

নতুন করে প্লাবিত সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টি বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি রয়েছেন ১ হাজার ৬২০ জন। এই উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ২৯টি; এখনও কেউ আশ্রয় নেয়নি।


আরও খবর



ভুয়া সাংবাদিকদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সাংবাদিকতার নামে কোন ভুয়া লোক যাতে মহান এ পেশাকে অসম্মান করতে না পারে সেজন্য সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও তিনি বলেছেন, কোন সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, সাংবাদিকতার নামে সাংবাদিকের লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারে কাছেও নেই। এমন অনেককেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভুয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনার বিরুদ্ধে নয়। সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা আমরাও করি কিন্তু তা গঠনমূলক হওয়া প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী বলেন, আপনারা স্বাধীনতা চান সরকারের কাছে। কিন্তু নিজেরা যেখানে কাজ করেন, সেখানে কি আপনি যা চাইছেন, তা লিখতে পারেন? আপনি যা দেখেন, তা কি লিখতে পারেন? সেটাই আমার বক্তব্য।

গঠনমূলক ও সৃজনশীল সাংবাদিকতাকে প্রধানমন্ত্রী সব সময় উৎসাহিত করেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগও একই নীতি অনুসরণ করে, বলেন তিনি। কোনো সাংবাদিক যাতে অর্থনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য সতর্ক আছেন বলে জানান।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, সাংবাদিক হিসেবে শক্তিশালী হতে চাইলে পেশাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। দলমত-নির্বিশেষে সাংবাদিকেরা জনকল্যাণে শক্তি ব্যবহার করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন জি এম কাদের।

এ সময় ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যার সংবাদ কাভার করতে গিয়ে নিহত ১০৮ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আরও খবর



বিষ খাইয়ে প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রতিবন্ধী শিশু সন্তানকে (২) বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে মা-বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার রাতে হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ চাতুল গ্রাম থেকে শিশুর বাবা রাশেদ মিয়া ও মা শাপলা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের রাজপাড়া গ্রামের দুই বছরের শিশু ফারিয়া জান্নাত মিলি জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল। সে চলাফেরা করতে পারত না। তার বাবা রাশেদ মিয়া ও মা শাপলা বেগম দেখাশোনা করতে গিয়ে এক সময় অধৈর্য হয়ে পড়ে তাঁরা গত শুক্রবার বিকেলে শিশু ফারিয়ার মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। ঘটনার পর শিশুর মা-বাবা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

শিশুর নানা ওয়াসির মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন শনিবার শ্রীমঙ্গল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষন রায় বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মা-বাবা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।


আরও খবর