আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

হলিউড অভিনেতা ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড আর নেই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

হলিউড অভিনেতা ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড আর নেই। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে এই অভিনেতার বয়স হয়েছিলো ৮৮ বছর।

তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থতায় ভুগছিলেন। দ্য হাঙ্গার গেমস ও ডোন্ট লুক নাউ সিনেমায় অভিনয় করে সাদারল্যান্ড বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। ডোনাল্ড সাদারল্যান্ডের ছেলে ও অভিনেতা কিফার সাদারল্যান্ড এক বিবৃতিতে বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

দ্য ডার্টি ডজনস, এমএএসএইচ এবং ক্লুটে সিনেমায় সাদার‌ল্যান্ড অভিনয় করেন। কানাডার নিউ ব্রান্সউইকে শহরে জন্ম সাদারল্যান্ডের। ১৯৫৭ সালে কানাডা ছেড়ে লন্ডন চলে যান তিনি। 


আরও খবর



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে দোয়েল চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এছাড়া ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের পাশে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসে উপস্থিত ঢাকা মহানগর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতির পর ঢাবি এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

এদিকে পুলিশের ১০০ গজ দূরে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের সামনে অবস্থান করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; জবাব চাই জবাব চাই, প্রশাসন জবাব চাই; আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে হবে-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

এর আগে বিকেল ৬টা থেকে শহীদুল্লাহ হলের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। একই সঙ্গে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

এরও আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে পিছু হটে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উভয়পক্ষের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৫৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে আটজনকে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- কাজী তাসনিম (২৪), ইয়াকুব (২৪), অমি আক্তার (২৬), আমিনুর (২২), শুভ (২৫), গিয়াস উদ্দিন (২২), নাসির (২৩) ও অপি (২২)।


আরও খবর



শেখ হাসিনা কোন হুমকির কাছে মাথা নত করে না: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, কোটার নামে উশৃংখলতা সৃষ্টি করে রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেশকে অস্থিতিশীল করে কেউ যদি সুযোগ নিতে চায় লাভ হবে না। শেখ হাসিনা কোন অপচেষ্টা অথবা হুমকির কাছে মাথা নত করে না।

তিনি আজ পিরোজপুরের ইন্দুরকাণী উপজেলার সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ কৃষকলীগ ইন্দুরকানী শাখার উপজেলা ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, রুহুল কবির রিজভী ও বিএনপির কিছু কিছু নেতা কোটা আন্দোলনের ছাত্রদের উপর ভর করে দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া, চোর তারেক জিয়াকে ক্ষমতায় বসাতে চায়। কোটা আন্দোলন আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে। কোটা আন্দোলনের নামে শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা কেউ করলে তারা ছাড় পাবেন না এটা বিশ্বাস রাখতে হবে। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি যেনো শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের দেশকে কোন ভাবে ব্যাহত করতে না পারে।

এমপি বলেন, খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯৫ সালে গাইবান্ধায় সার কিটনাশকের জন্য কৃষকরা মিছিল করেছিলো। সেই মিছিলে গুলি করে পাখির মত ১৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিলো। তাই শুধু না জমিতে পানি উঠানোর জন্য বিদ্যুৎ লাগবে। সেই বিদ্যুতের দাবিতে মিছিল করেছিলো কৃষকরা। নির্মমভাবে তাদেরকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছিলো। কৃষকদের প্রতি তাদের (বিএনপির) মায়া নাই। আর শেখ হাসিনা আপনারা মিলিয়ে দেখবেন ১ কেজি ইউরিয়া সার যে টাকায় আপনারা কেনেন, আমাদের কিন্তু তা আনতে খরচ হয় ৭৫ টাকা। ৭৫ টাকার ভিতর থেকে সরকার ভর্তুকি দিয়ে আপনাদের কম দামে সার দেয়। কিটানাশক নবনা পয়সায় দেই। শর্ষের বীজ বিনা পয়সায় দেই। ট্রাক্টর লাগবে, একভাগ টাকা আপনারা আর সরকার দুইভাগ টাকা দেয় শেখ হাসিনা সরকার। কৃষকদের জন্য যদি বলি তাহলে কৃষক রত্ন, কৃষক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী বলি বঙ্গবন্ধুর পরে সে একজনই সে শেখ হাসিনা আর কেউ না। কৃষকদের মায়া তিনি যত  বোঝেন কৃষকদের প্রতি তার যত দরদ এই দরদ বাংলাদেশে আর কারো নাই। কেননা শেখ হাসিনা কৃষদের ভিতর থেকে বেড়ে উঠেছেন। শেখ হাসিনা জানেন এটা কৃষি প্রধান দেশ। ধান, শষ্য উৎপাদন না হলে আমরা না খেয়ে মরবো। এই বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে লাগবে কৃষককে। আর কৃষককে না বাঁচালে জমিতে কৃষি হবে না। হাহাকার হবে বুভুক্ষ হবে। না খেয়ে মরবো। সেজন্য আজ বাংলাদেশ খাদ্যে সয়ংসম্পন্ন শেখ হাসিনার সুপরিকল্পনার কারনে। 

সম্মেলনে কৃষকলীগের জেলা কমিটির সভাপতির ও সম্মেলনের উদ্বোধক চান মিয়া মাঝির সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম টিটুর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন। আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম মতিউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু, পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম বায়েজীদ হোসেন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম ডালিম, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ মাঝি, ইন্দুরকানী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ লতিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাসেল পারভেজ রাজা প্রমূখ।


আরও খবর



কোটা নিয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ বিদ্যমান কোটা বাতিলসংক্রান্ত পরিপত্র নিয়ে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার অপেক্ষা করছি। রায় পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেহেতু বিচারাধীন বিষয়, এটি নিয়ে আন্দোলন না করাই ভালো।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন আগামী বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে আসার কথা এবং সে ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ রায় যদি না পাওয়া যায়- এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বুধবার পূর্ণাঙ্গ রায় পেলেও লিভ টু আপিল করার চেষ্টা করবো।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটাপদ্ধতি বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে। এই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে হাইকোর্টে রিট করেন ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল দেন আদালত। আর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৫ জুন হাইকোর্ট রায় (রুল অ্যাসলিউট বা যথাযথ) ঘোষণা করেন।

এই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে, যা আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হয়ে ৪ জুলাই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। রিট আবেদনকারী পক্ষের সময়ের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আপিল বিভাগ নট টুডে (৪ জুলাই নয়) বলে আদেশ দেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়।

লিভ টু আপিল করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, যেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয় এবং আমি সরকারের পক্ষ থেকে মামলাটি করেছি। আমি এ বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। আমরা রায়টা পেয়ে নিই, অবশ্যই দেখবো।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




পুলিশের সাঁজোয়া যানে উঠে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে প্রবেশে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এ সময় পুলিশের জলকামানের ওপর উঠে স্লোগান দিতে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে।

পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে করা আন্দোলনকারীরা।

আজ বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে আসেন। শিক্ষার্থীরা শাহবাগে এলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাদ-বিতন্ডা হয়। তারা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। ব্যারিকেড ভাঙার সময় শিক্ষার্থীরা ভুয়া, ভুয়া; বলে স্লোগান দেন। পাশে পুলিশ সদস্যদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। শাহবাগ মোড়ে পুলিশের আনা জলকামানেরও ওপরও উঠে যান কয়েকজন শিক্ষার্থী। তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দিচ্ছেন। এ ছাড়া তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে এগিয়ে গিয়ে সেখানকার মোড়েও অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন।


আরও খবর



বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধসের মামলায় ৮ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার ধসে ১৩ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এতে গাফেলতির মাধ্যমে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ৮ কর্মকর্তাকে একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনজুরুল ইসলাম, প্রকল্প প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, আমিনুর রহমান, আব্দুল হাই, মো. মোশাররফ হোসেন রিয়াজ, মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী শাহজান আলী ও রফিকুল ইসলাম।

২০১০ সালে এম এ মান্নান (বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার) ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। নির্মাণ কাজ শেষে ২০১৭ সালে সেটি চালু করা হয়।

বুধবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ রায় দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারি ওমর ফুয়াদ বলেন, দন্ডবিধির ৩৩৪(এ) ধারায় ৮ আসামিকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। এসব জরিমানার টাকা ফ্লাইওভার ধসে হতাহতের পরিবারের কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

এছাড়া একই রায়ে দন্ডবিধির ৩৩৮ ধারায় আসামিকে দুই বছরের কারাদন্ড। পাশাপাশি উভয় সাজায় একটির পর আরেকটি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা আট আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ধসে ১৩ জন নিহত, আহত হন অর্ধশতাধিক। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজে তখন চেয়ারম্যান ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুচ ছালাম। পরে ২৬ নভেম্বর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা করেছিলেন চান্দগাঁও থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। মামলায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তারা হলেন- প্রকল্প পরিচালক সিডিএর তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, সহকারি প্রকৌশলী তানজিব হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার অ্যান্ড পারিশা ট্রেড সিস্টেমসের ১০ জন এবং বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএআরএম অ্যাসোসিয়েটস অ্যান্ড ডিপিএমের ১২ জনকে আসামি করা হয়।

এরপর তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর চান্দগাঁও থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শহীদুল ইসলাম আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ১৮ জুন অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মজিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।


আরও খবর