আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

হুইপপুত্র শারুনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ মে 2০২1 | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

আজ রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়ার আদালতের এ আবেদন করেন গুলশানে আত্মহত্যার শিকার তরুণীর ভাই আশিকুর রহমান।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশে উল্লেখ করেন, কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। এ মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যা মামলার আবেদনটি স্থগিত থাকবে।

গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজ শিক্ষার্থী ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই তরুণীর বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে সেই রাতে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

পরে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ মে দিন ধার্য করেন।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত সায়েম সোবহান আনভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। তিনি যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: হুইপপুত্র শারুন

আরও খবর



রাজধানীতে অর্থ বহনের ক্ষেত্রে ডিএমপির নির্দেশনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়। এসময় তৎপর হয়ে ওঠে চুরি ও ছিনতাইচক্র থেকে শুরু করে মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা। এসব চক্রের হাত থেকে নগরবাসীকে বাঁচাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)মানি এস্কর্ট সেবা দিচ্ছে। এছাড়া এই সময়ে অর্থ বহনের ক্ষেত্রেও নির্দেশনাও দিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির মিডিয়া উইং আসন্ন ঈদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। নিচে তা উল্লেখ করা হলো-

ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো

১. বড় অংকের অর্থ একা বহন করবেন না। একাধিক বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে সঙ্গে রাখুন। অর্থ বহন সংক্রান্ত কোনো তথ্য আগেই অন্যকে জানানো থেকে বিরত থাকুন।

২. পায়ে হেঁটে অথবা রিকশায় অর্থ বহনের পরিবর্তে মোটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে অর্থ বহন করুন।

৩. নগদ অর্থ বহনের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যেন আপনার দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কেউ দুষ্কৃতকারীদের না জানিয়ে দেয়।

৪. দৈনিক নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজন হলে মাঝে মাঝে ভিন্ন পথ ব্যবহার করুন যেন দুষ্কৃতকারীরা পূর্বেই ওঁৎ পেতে থাকার সুবিধা নিতে না পারে।

৫. অর্থ বহনের সময় ব্যাগ এমনভাবে ব্যবহার করুন যেন বাইরে থেকে বোঝা না যায়। এতে দুষ্কৃতকারীরা প্রলুব্ধ হওয়ার সুযোগ পাবে না।

৬. বড় নোট ব্যবহারে সচেষ্ট হন।

৭. সব টাকা একসঙ্গে না রেখে বিভিন্ন জায়গায় যেমন: পকেটে, ব্যাগে, সঙ্গীয় ব্যক্তির সঙ্গে ভাগ করে রাখুন।

৮. গলি পথ কিংবা নির্জন পথ ব্যবহারের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত ব্যস্ত সড়ক ব্যবহার করুন।

৯. ট্র্যাফিক সিগন্যাল বা জ্যামে পড়লে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন।

১০. সিসি ক্যামেরা আছে এমন ব্যাংকে লেনদেন করুন। ব্যাংক থেকে বের হওয়ার পর বোঝার চেষ্টা করুন সন্দেহজনক কেউ আপনাকে অনুসরণ করছে কি না।

১১. বড় অংকের অর্থ পরিবহনের কাজটি রাতে না করে দিনের বেলায় সম্পন্ন করার চেষ্টা করুন।

১২. এটিএম বুথে টাকা তুলতে গেলে বুথের ভেতরে কেউ আছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন। কেউ থাকলে তিনি বের হওয়ার পর বুথে প্রবেশ করুন।

১৩. এটিএম বুথের অভ্যন্তরে আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত পিন নম্বরটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

১৪. সম্ভব হলে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফারের কাজটি চেকের মাধ্যমে সম্পন্ন করুন।

১৫. বড় অংকের টাকা পরিবহনে প্রয়োজনে পুলিশ এস্কর্ট ব্যবহার করুন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তা

সহায়তা প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সংশ্লিষ্ট থানা অথবা পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ এস্কর্ট প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যানবাহনের ব্যবস্থা করতে হবে। কন্ট্রোলরুমের নম্বর : ফোন : ৯৫৫১১৮৮, ৯৫১৪৪০০, ৫৫১০২৬৬৬, ০১৩২০০৩৭৮৪৫ ও জাতীয় জরুরি সেবা : ৯৯৯


আরও খবর



চট্টগ্রামে হেফাজত নেতা হারুন ইজহার আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর প্রেস সচিব ইনামুল হাসান ফারুকী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, হারুন ইজহারকে র‌্যাব তুলে নিয়ে গেছে

চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার মাদরাসার পরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের বিলুপ্ত কমিটির কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদক মুফতি হারুন ইজহারকে আটকের খবর পাওয়া গেছে।

হারুন ইজহারের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ ওসমান সাংবাদিকদের জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে নগরের লালখান বাজার মাদরাসা থেকে র‌্যাব তাকে আটক করে। তিনি ওই মাদ্রাসার শিক্ষক।

এদিকে, রাত ১টার দিকে হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর প্রেস সচিব ইনামুল হাসান ফারুকী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, হারুন ইজহারকে র‌্যাব তুলে নিয়ে গেছে। তবে র‌্যাবের কাছ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হারুন ইজহারকে আটকের বিষয়ে জানার জন্য র‌্যাব-৭ এ মিডিয়া অফিসারকে ফোন করলেও রিসিভ করেননি।

গেল ২৬ মার্চ সহিংসতার ঘটনায় চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পটিয়ায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দশটি মামলা প্রায় ছয় হাজার জনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।


আরও খবর



যশোরে দুজনের শরীরে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | ১৩৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে দুজনের শরীরে ভারতীয় ভেরিয়েন্টের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোনাম সেন্টারের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন।

এ অবস্থায় ওই দুই রোগীকে আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়া ও ভারত থেকে ফেরার পথে তাদের সংস্পর্শে আসা সকল ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে ভারতের সাথে সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরছেন। গত ৪ মে পর্যন্ত বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এক হাজার ৫৭৭ জন দেশে ফিরেছেন। যাদের বেনাপোলসহ যশোর জেলা ও পার্শ্ববর্তী চার জেলার হোটেলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ জন করোনা পজিটিভ যাত্রীর নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোনাম সেন্টারের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে তিনজনের নমুনা পজিটিভ এসেছে। এ তিনজনের মধ্যে দুজনের শরীরে করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন জোনাম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ।

তিনি বলেন, ভারতীয় ভেরিয়েন্টের নাম্বার হলো বি ১.৬ ১৭.২। তবে এটি ডাবল মিউট্যান্ট নয়। ভারতের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ এ ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত।তারপরও এ ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ রোধে সতর্ক হতে হবে। আমরা আশা করছি যারা ভারত থেকে ফিরতে তাদের পরীক্ষার পাশাপাশি পৃথক পরিবহন ব্যবস্থায় কোয়ারেন্টিনে নিতে হবে এবং নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে।

এদিকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালে থাকা ওই দুই রোগীকে আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি ভারত থেকে ফেরার পথে তার সংস্পর্শে আসা সকল ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমরা যে দুজনের নমুনায় ভারতীয় ভেরিয়েন্ট মিলেছে তাদের নমুনার হোল জিনোম সিকোয়েন্স করার উদ্যোগ নিয়েছি।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলিপ কুমার রায়  বিকেল পৌনে ৪টার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ও আইইডিসিআরএ নমুনা পঠানো হয়েছিল। আমরা এখনো কোনো তথ্য পাইনি। পেলে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


আরও খবর



ইফতারে প্রাণ জুড়াতে স্বাস্থ্যকর ফলের শরবত

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে প্রাণ শীতল করা এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবতের জুড়ি নেই। সারাদিনের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয় শরবত পান করে। এছাড়া এ সময় গরমের কারণে ঘামের সাথে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়

চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। অন্য সময়ের চেয়ে এ সময় খাবারের আয়োজনে থাকে ভিন্নতা। রোজায় দিনের বেশ বড় একটা সময় কোনো খাবার খাওয়া হয় না বলে সুস্থতার কথা বিবেচনা করে সাহরি ও ইফতারে ভেবেচিন্তে খাবার বাছাই করতে হয়। রোজার সময় ভাজাপোড়া কম খেয়ে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে এমন খাবার বেশি বেশি খাওয়া দরকার। আর করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবারই এখন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে নানারকম ফল এবং ফলের শরবতের কোনো বিকল্প নেই।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে প্রাণ শীতল করা এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবতের জুড়ি নেই। সারাদিনের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয় শরবত পান করে। এছাড়া এ সময় গরমের কারণে ঘামের সাথে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয় বলে রোজাদারদের পানিশূন্যতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ইফতারে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে পান করা যেতে পারে ফলের শরবত।

যেহেতু গ্রীষ্মকাল চলছে তাই হাতের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফল। এসব ফল দিয়ে ব্লেন্ডারে সহজেই বানিয়ে নেয়া যায় সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর শরবত। ইফতারের আগে রান্নার তাড়াহুড়োর মধ্যেও খুব কম সময়ে ব্লেন্ডারে তৈরি করা যায় যেকোনো ফলের শরবত। ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ডারে সহজে তৈরি করা যায় এমন দুইটি শরবতের রেসিপি নিচে দেয়া হলো।

তরমুজের শরবত

উপকরণ: মাঝারি আকারের তরমুজ (১টি), বিট লবণ (১ চা চামচ), চিনি (২ টেবিল চামচ), ক্রিম (আধা কাপ), লেবুর রস (২ চা চামচ)।

প্রস্তুত প্রণালি: তরমুজের বিচি ফেলে দিয়ে শুধু লাল অংশটা নিন। এবার তরমুজটি ছোট ছোট টুকরো করে ব্লেন্ডারের জগে নিন। এর মধ্যে পরিমাণমতো চিনি, বিট লবণ, লেবুর রস যোগ করে ব্লেন্ড করুন এবং ঠাণ্ড হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এবার একটি বাটিতে ক্রিম নিয়ে দুই চা চামচ চিনি দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। পরিবেশনের সময় গ্লাসে ফ্রিজে রাখা তরমুজের রস ঢেলে উপরে ফেটানো ক্রিম ঢেলে দিন। সবশেষে কয়েকটি তরমুজের টুকরো উপরে ছড়িয়ে পরিবেশন করুন মজাদার তরমুজের শরবত।

কাঁচা আমের স্মুদি

উপকরণ: কাঁচা আম (২টি), চিনি (এক কাপ,) টক দই (এক কাপ), বিট লবণ (এক চা চামচ), মধু (এক টেবিল চামচ), কাঁচা মরিচ (২-৩টি), পুদিনা পাতা (আধা কাপ), টালা জিরার গুঁড়া (আধা চা চামচ), লবণ (স্বাদমতো), বরফকুচি।

প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে ছোট টুকরো করে কাঁচা আমগুলো কেটে নিন। এবার সব উপকরণ ব্লেন্ডারে নিয়ে নিন। প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এবার গ্লাসে স্মুদি ঢেলে উপরে বরফ কুচি দিয়ে দিন। লেবুর স্লাইস দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন স্বাস্থ্যকর কাঁচা আমের স্মুদি।


আরও খবর



ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা কয়েকশ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সব ধরনের সীমান্ত যোগাযোগ ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়ায় বেনাপোল স্থলবন্দরের ওপারে ভারতের পেট্রাপোলে আটকা পড়েছেন প্রায় তিন শতাধিক বাংলাদেশি। এর মধ্যে বেশিরভাগই চিকিৎসা নিতে ভারত গিয়েছিলেন। আর কয়েকজন রয়েছেন শিক্ষার্থীও।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, যারা আটকা পড়েছেন তারা সোমবার সকাল থেকে স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসার জন্য সেখানে অবস্থান করেন। তবে এখনও তারা পেট্রোপোলে অবস্থান করছেন কিনা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

ভারতের হাইকমিশন থেকে পাঠানো কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটকেপড়া এক বাংলাদেশি বলেন, আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যেন আমাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নেয়। কারণ আমরা এখানে শুধু চিকিৎসার জন্য এসেছিলাম। এখন আমাদের হাতে টাকা-পয়সা নেই। আমরা এখানে কি করে থাকব!

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আটকাপড়া তিন শতাধিক বাংলাদেশি দেশে ফেরার জন্য আবেদন করেছে। পর্যায়ক্রমে এসে বাংলাদেশিসহ যাদের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিন বা তার চেয়ে কম তাদের দেশে ফেরত আনা হবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবুর রহমান জানান, গতকাল সর্বশেষ ভারত থেকে ৫৭০ জন বাংলাদেশি ফিরেছেন। এসব যাত্রীর মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ ছিল। এরা ভারতে গিয়েই করোনা আক্রান্ত হন। আক্রান্তদের যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আর করোনা নেগেটিভ সনদবিহীন ১১ জনকে বেনাপোল রজনীগন্ধা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ভারত বেনাপোল

আরও খবর