আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ইবিতে শোক দিবসের অনুষ্ঠান শেষে ছাত্রলীগের মারামারি

প্রকাশিত:রবিবার ২০ আগস্ট ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ আগস্ট ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
ইবি প্রতিনিধি

Image

শোক দিবসের আলোচনা সভা শেষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ কর্মীদের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২ টার দিকে ক্যাম্পাসের বাংলা মঞ্চের সামনে আম বাগানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় হলের কয়েকজন আহত হয়।

আহতরা হলেন শেখ রাসেল হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী মুফতায়িন আহমেদ সাবিক, ফারহান লাবিব ধ্রুব, আশিক কুরাইশি, সাদ্দাম হোসেন হলের তাজওয়ার আহমেদ তনয় ও সাদিদ খান এবং জিয়া হলের কর্মী আকিব, রাকিব ও জাফর।

এর আগে রোববার সকালে ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 'মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব' শীর্ষক এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ মাহবুবউল আলম হানিফ। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগের ঝিনাইদহ জেলার শাখার সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাই।

আলোচনা সভা শেষে মিলনায়তন থেকে বের হওয়ার সময় কথা-কাটাকাটি শুরু করে উভয় হলের কর্মীরা। পরে তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শেখ রাসেল হলের মুফতায়িন আহমেদ সাবিক গুরুতর আহত হলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসা কেন্দ্রের নার্স শামীমা আক্তার।

এদিকে সাদ্দাম হলের তাজওয়ার আহমেদ তনয়, জিয়া হলের কর্মী আকিব, শেখ রাসেল হলের কর্মী সাবিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ শেখ রাসেল হল শাখা ছাত্রলীগ কর্মীদের।

এ বিষয়ে কুরাইশি বলেন, আমি অডিটোরিয়ামের দুই তলায় দায়িত্বে ছিলাম। প্রোগ্রামের আগে জিয়া হল নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঢুকে পড়ে। আমি মানা করায় সামিম ভাই আমাকে বলে, আমি তোমাকে দেখে নিবো, চোখ দুইটা তুলে নিব। প্রোগ্রাম শেষে সবাইকে নামিয়ে দিতে গেলাম। আমি ওই ভাইদের বললাম, আপনারাও নামেন। তখন তাদের কয়েকজন আমাকে ধাক্কা ধাক্কায় নিচে নামায়। তারা আমার উপর অতর্কিত হামলার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে আকিব ছুরি দিয়ে মারার চেষ্টা করে। তখন ওই ছুরি সাবিকের গিয়ে লাগে।

তবে ছুরিকাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে আকিব বলেন, প্রোগ্রাম শেষে জিয়া হলের বড় ভাই ও রাসেল হলের বড় ভাইদের ঝামেলা হয়। পরে রাসেল হলের ধ্রুব, নাইমুর রহমান জয় ভাই, সাবিক আমাদের থ্রেট দেয়। আমি নিচে পড়ে যায়। পরে আমাকে ভ্যানে করে উঠায়া চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। হাতাহাতি হয়েছে। আমাকে মারার সময় ঠেকাইছি। হলের পলিটিক্যাল বড় ভাইরা তরকাতর্কি করছিল। কিন্তু বড় ভাইদের নাম আমি জানিনা। তবে আমি ছাত্রলীগের ছিটে থাকি।

এ বিষয়ে শেখ রাসেল হলে থাকা শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি নাঈমুর রহমান জয় বলেন, আমি মূলত মারামারির ঘটনাটিকে ঠেকানোর চেষ্টা করছিলাম যাতে মারামারি না হয়। কিন্তু ঠেকাতে গিয়ে আমি আঘাত পাই। তবে আমার কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।

শেখ রাসেল হলে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী ফারহান লাবিব ধ্রুব নাঈমুর রহমান জয়ের বক্তব্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, আমরা মূলত মারামারি ঠেকাচ্ছিলাম। মধ্যখানে জিয়াউর রহমান হলের আকিব ছুরি জাতীয় কিছু দিয়ে সাবিক ও তনয়কে আঘাত করে। সেটা ঠেকাতে গিয়ে আমিও আঘাত প্রাপ্ত হই।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তবে এতে কারো ইন্ধন আছে কিনা বিষয়টি খুঁজার চেষ্টা করছি। যদি কারো সংশ্লিষ্টতা পাই তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, আলোচনা সভা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। তবে সভা শেষে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি নিয়ে বসবো। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবো।


আরও খবর



মধ্য গাজায় ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ‍উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গত কয়েকদিন ধরে গাজার এই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলা ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার গাজা প্রতিনিধি বলেন, আল-আকসা হাসপাতাল থেকে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সকে দেইর এল-বালাহ শহরের পূর্ব অংশে যেতে দেখেছি। ওই অঞ্চলে একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

ওই হামলায় হতাহতদের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটির পাশ দিয়ে যাওয়া লোকজনও রয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তৃতীয়জনকে হাসপাতালে আনা হয় ও চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

এদিকে, মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের একটি স্কুলে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ১২ নারী-শিশুসহ অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৫ জুন) রাতে এই হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই স্কুলটি পরিচালনা করতো জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)। হামলার সময় স্কুলটিতে বাস্তুচ্যুত অনেক ফিলিস্তিনি অবস্থান করছিলেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, স্কুলটিতে হামাস যোদ্ধারাও আশ্রয় নিয়েছিলেন।

অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী জাতিসংঘের একটি স্কুলে শিশুসহ কয়েক ডজন লোককে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করেছে। তাছাড়া মধ্য গাজার শরণার্থী শিবিরগুলোতে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আল জাজিরা আরবির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মধ্য গাজার মাগাজি শরণার্থী শিবিরের একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে। এর আগে রাতে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মধ্য গাজার একটি মিউনিসিপ্যাল ​​অফিসে হামলা চালালে নুসেইরাতের মেয়র ইয়াদ আল-মাঘরিসহ পাঁচজন নিহত হন।

এর আগে ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণাঞ্চলীয় আজ-জাহরা ও মধ্য গাজার মাগাজি পৌরসভার মেয়রও নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজাজুড়ে বেশ কয়েকটি পৌরসভার সদর দপ্তরও ধ্বংস হয়ে গেছে।

গাজায় কাজ করা নার্স ও মেডিকেল রেফারেন্ট কারিন হাস্টার বলেছেন, আল-আকসা হাসপাতাল এখন একটি ডুবন্ত জাহাজ। আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের মরদেহ রাখতে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। হাসপাতালটির জরুরি কক্ষের ভিতরের দৃশ্য এখন গত কয়েকদিনের চেয়ে অনেক বেশি খারাপ।

আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় আল-আকসায় আসা অধিকাংশ মানুষই মারা যাচ্ছেন। চিকিৎসা কর্মীরা বলছেন, আমরা রোগীদের ছেড়ে দিচ্ছি না কিন্তু নানা সংকটের কারণে পর্যাপ্ত চিকিৎসাও দিতে পারছি না। জানি না, কবে সবকিছু ঠিক হবে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৮৩ হাজার ৩০৯ জন।


আরও খবর



বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ জুন) প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। মুকাব্বির ছিলেন বায়তুল মোকাররমের অবসরপ্রাপ্ত মুয়াজ্জিন হাফেজ ক্বারী মো. আতাউর রহমান। নামাজ শেষে সালাম ফিরিয়ে দল বেঁধে বেরিয়ে যাচ্ছেন মুসল্লিরা।

দেশের কোটি কোটি মুসলমান আজ সকালে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ উদযাপন শুরু করছেন। ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ, আত্মশুদ্ধি, নিজেদের পাপমোচন এবং পরিবার-পরিজন, দেশ ও মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া চেয়ে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেন।

বায়তুল মোকাররমের গেটে এবং আশপাশে পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা রয়েছে।

যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও ত্যাগের মহিমায় উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপন হচ্ছে। মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ১০ জিলহজ অন্যতম বৃহৎ এ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করেন।

দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়। বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহীউদ্দিন কাসেম এতে ইমামতি করবেন। মুকাব্বির হবেন মসজিদের খাদেম আব্দুল হাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়েছে, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থটি সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ ঈদের জামাত হবে বেলা পৌনে ১১টায়।


আরও খবর



সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরো বিশ্বই এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি ফান্ডিং কমে এসেছে। আমাদের এখন শ্যাম ও কুল দুটিই রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুত অর্থ ছাড়ে দেরি করছে। এটা আমাদের ভোগাচ্ছে। পুরো বিশ্বই এখন অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়েছে। সবাই ব্যয় সংকোচন করছে। বড় বড় দেশগুলো বিশ্বযুদ্ধের মহড়া দিচ্ছে। আমরাও এর শিকার হচ্ছি। এ কারণে বড় বড় প্রকল্পগুলো অনেকটা স্লো হয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থ সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থ সংকট কবে শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না।

এ সময় কাদের বলেন, ইদানিং বেপরোয়া ড্রাইভিং, মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায় আছে। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ইজিবাইকগুলোকে মহাসড়কে চলতে দিচ্ছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, রাজধানীতে একটি মোটরসাইকেলে দুজন এবং হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। এটা শুধু শহর নয়, মফস্বল ও‌ গ্রামেও মানছে। নো‌ হেলমেট, নো‌ ফুয়েল কার্যকর করায় এটা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে দেশের অনেক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রাস্তা‌ মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কগুলো শিগগিরই সংস্কার ও মেরামত করা হবে। এ ছাড়া এসব কাজের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।


আরও খবর



শনিবারের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করলো এনবিআর

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঢাকার অঞ্চল-২০ এর জন্য ১১১ পদে কর্মী নিয়োগে আগামীকাল শনিবার লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে আদালতের আদেশে শনিবারের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করেছে এনবিআর। শুক্রবার (৩১ মে) এ তথ্য জানান এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুনেম।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর একটি নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের এক নির্দেশনা এসেছে। নিদের্শনা মানতে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, গ্রেড-১৩ থেকে গ্রেড-২০ এ নিয়োগের জন্য এই লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

এর মধ্যে কম্পিউটার অপারেটর পদে একটি, প্রধান সহকারী ১৭টি, উচ্চমান সহকারী পদে ২০টি, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ২০টি, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২১টি এবং অফিস সহায়ক পদে ২৩টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

নিউজ ট্যাগ: এনবিআর

আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: পানি উন্নয়ন বোর্ডে কন্ট্রোল রুম চালু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ থেকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল সম্পর্কিত জরুরি তথ্য সংগ্রহ এবং বিতরণের জন্য কন্ট্রোল রুম খুলেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। শুক্রবার (২৪ মে) বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে রয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনার তৈরি হয়েছে। সেজন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের গ্রীন রোডের পানি ভবনের লেভেল-২ এবং কক্ষ নম্বর ২১৪ এ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যার কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলবে। এর সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন দপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া।

এতে আরও জানানো হয়, কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা থেকে হতে সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, পূর্বাভাস ও জলোচ্ছ্বাস সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির মাঠ পর্যায়ের দপ্তর থেকে উপকূলীয় বাঁধ, পোল্ডার ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সংগ্রহ করা হবে।

সেজন্য মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের ঘূর্ণিঝড়ের সময় জরুরি তথ্য ই-মেইল বা ফোনের মাধ্যমে কন্ট্রোল রুমে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর হচ্ছে ০২-২২২২৩০০৭০, মুঠোফোন নম্বর হচ্ছে ০১৭৬৫৪০৫৫৭৬, ০১৫৫৯৭২৮১৫৮। তথ্য পাঠানোর ই-মেইল ঠিকানা হচ্ছে [email protected], [email protected]

একইসঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এই দপ্তরের সব কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সব ধরণের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।


আরও খবর