আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম
কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’ আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ১৮ জনের মৃত্যু ‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পরীমনির মামলায় সেই নাসির-অমি ৫ দিনের রিমান্ডে ৯ দেশে ছড়িয়েছে ডেলটা প্লাস ধরন

ইফতারে হালিম খাওয়ার উপকারিতা

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রোজার মাসে অনেকেরই প্রিয় খাবার হালিম। এমন অনেক মানুষ আছেন, ইফতারে তাদের হালিম ছাড়া চলেই না। হালিম সাধারণত পুরান ঢাকাবাসীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, তবে সে গণ্ডি পেরিয়ে সারাদেশেই বেড়েছে মুখরোচক এ খাবারের কদর। তবে সারাদিন রোজা রাখার পর উচ্চ প্রোটিনযুক্ত এ খাবারটি শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নানান পদের ডাল, মাংস ও বিভিন্ন রকমের মশলার সংমিশ্রণে তৈরি করা হয় এ খাবারটি। খেতে সুস্বাদু হওয়ায়, মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সব শ্রেণির মানুষের কাছে রয়েছে এ খাবারটির সমান কদর। নানান মশলার ব্যবহার এবং রান্নার কৌশলের ভিন্নতার কারণে দোকান ভেদে এ খাবারটির স্বাদও হয় ভিন্ন।

ইতিহাসবিদদের মতে, মোঘলদের হাত ধরেই আমাদের দেশে এ খাবারের প্রচলন শুরু হয়েছে। রান্না শেষে ধনিয়া পাতা, আদা কুচি, ভাজা পেঁয়াজ ও বিট লবণ দিয়ে, পরিবেশন করা হয় এ খাবারটি। পাত্রের আকার ভেদে দেড়শ থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হয় হালিম। দাম কিছুটা বেশি হলেও কমতি নেই ক্রেতাদের।

বিভিন্ন রকম ডাল ও মাংস দিয়ে তৈরি করা হয় বলে, ইফতারে পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম হালিম। তবে সারাদিন রোজা থাকার পর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায়, খাবারটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।


আরও খবর
বাবার জন্য ভালোবাসা

রবিবার ২০ জুন ২০21




আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহান মুক্তযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ বুধবার। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে আটক ছিলেন। তাঁকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ করা হলেও পরবর্তি সময়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম আওয়ামী লীগ করা হয়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। আর পূর্ব পাকিস্তান শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে।

বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ সাল থেকে এ দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। পরবর্তি সময়ে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছর দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এবারও করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থবিধি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- এদিন সূর্যোদয়ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। একই দিন সকাল ৯টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আলোচনা সভা। সভায় গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

এছাড়াও এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবেন।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ এবং বিশিষ্টজনরা মনে করেন, আওয়ামী লীগের অর্জন পাকিস্তান আমলের গণতান্ত্রিক মানুষের অর্জন, এই দলের অর্জন বাংলাদেশের অর্জন। জাতির জন্য যখন যা প্রয়োজন মনে করেছে, সেটি বাস্তবায়ন করেছে এ দলটি। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, সব আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ গঠনে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর থেকে দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে এসে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ দল সর্ম্পকে মন্তব্যে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত  নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি এ দলটিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের কয়েক দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী।

আওয়ামী লীগ দেশের অন্যতম পুরনো, অসাম্প্রদায়িক, সর্ববৃহৎ ও বাঙালির জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার কাজ প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর আগে বঙ্গবন্ধু শুরুতেই পাকিস্তানে একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন, পাকিস্তান হয়ে গেছে, সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের আর দরকার নাই। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটা সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে। এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেন, আমি মনে করেছিলাম, পাকিস্তান হয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের দরকার নাই। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটা সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে। ভাবলাম, সময় এখনও আসে নাই। তাই যারা বাইরে আছেন তারা চিন্তাভাবনা করেই করেছেন।

ইতিহাসবিদ, লেখক ও লোক সাহিত্যিক শামসুজ্জামান খান এই দলকে মূল্যায়ন করে লিখেছেন, আওয়ামী লীগ পাকিস্তান নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও দাবিয়ে রাখার বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল।

৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, ৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপোষহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ তাঁর একটি নিবন্ধে লিখেছেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ গত ৭১ বছর ধরে রাজনীতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম, সৃষ্টি, অর্জন ও উন্নয়নের ইতিহাস। আওয়ামী লীগ ছিল পাকিস্তানে প্রথম কার্যকর কোনো বিরোধী দল। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের যাত্রাই শুরু হয় বাঙালিদের স্বাথের সত্যিকার ও আপসহীন প্রতিনিধি হিসেবে। তখন পাকিস্তান রাষ্ট্রে কোনো বিরোধী দল গঠন কিছুতেই সহজসাধ্য ছিল না। শাসকগোষ্ঠীর রক্ত চক্ষু আর সকল বাধা-প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের শুধু প্রতিষ্ঠা লাভই সেদিন ঘটেনি, অতি দ্রুত এর জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা হলেও দীর্ঘ একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বর্তমান প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে ২৩ জুন দলটি ক্ষমতায় ফিরে আসে। ২০০১ এবং ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আর এক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হয়ে আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় আওয়ামা লীগ।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি এবং ২০১৮-এর ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে এ দলটি।



আরও খবর



কিশোরীকে ৯ দিন জিম্মি রেখে গণধর্ষণ : গ্রেফতার ৪

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ১৩৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মো.নুরুল আবছার বলেন, গত ৭ জুন ফ্রিপোর্ট এলাকায় পোশাক কারখানায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাঁশখালী থেকে এক তরুণীকে বাড়ি থেকে জসিম এনে কোথাও জিম্মি

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ সেল সেন্টারের সামনে থেকে নগরের ফ্রিপোর্ট এলাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ৯ দিন জিম্মি রেখে গণধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। তারা হলেন- বাঁশখালীর ছনুয়া মধুখালী এলাকার মো. জসিম উদ্দিন (২৭), একই এলাকার নুরুল আজিম (২৮), পূর্ব চাম্বল এলাকার মোহাম্মদ নবী (২২) এবং নগরের কোতোয়ালী থানার পাথরঘাটা এলাকার ওমর আলী মার্কেট এলাকার মো. জাবের আহাম্মদ (৪৮)।

বুধবার (১৬ জুন) বিকেলে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক মো.নুরুল আবছার বলেন, গত ৭ জুন ফ্রিপোর্ট এলাকায় পোশাক কারখানায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাঁশখালী থেকে এক তরুণীকে বাড়ি থেকে জসিম এনে কোথাও জিম্মি করে রেখেছে। তরুণীর পরিবার কোনো খোঁজ পায়নি। গত ১৩ জুন তার বাবা এসে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। তখন আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে খবর নিয়ে জসিমের অবস্থান শনাক্ত করি। জসিমের বাসাতেই মেয়েটিকে পাওয়া যায়। তরুণীকে আমরা উদ্ধার করি।

তিনি জানান, বাসায় আটক করে রেখে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জীবননাশসহ পরিবারের বিরাট ক্ষতি হবে হুমকি দেখিয়ে প্রথমে জসিম এবং পরবর্তীতে অন্যরা মিলে প্রতিদিন পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। তাকে চাকরি দেওয়ার পাশাপাশি বিয়ের আশ্বাস দেন জসিম। এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় মামলা হয়েছে। 

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে একদিনে ৩৩১০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আরও ৩৩১০ জন মারা গেছেন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৫ জন। রোববার (১৩ জুন) ওয়ার্ল্ডওমিটারে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারে আরও জানানো হয়েছে, করোনায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৯ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ লাখ ৭০ হাজার ৪০৭ জন।

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর প্রায় প্রতিদিনই ২ হাজার জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




দেশে করোনায় আরও ৭৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২১ জুন 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ জুন 20২১ | ৬১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৬২৬ জনের।

একই সময় আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ৬৩৬ জন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩০৪ জনে।

সোমবার (২১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৮২৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮২ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৬ টি, জিন এক্সপার্ট ৪৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৩৫৬টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৪ হাজার ৫০৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৫৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩ লাখ ৫১ হাজার ৭৯১টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৭৩ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫ জন, খুলনা বিভাগে ১৪ জন, বরিশাল বিভাগে তিনজন, সিলেট বিভাগে দুইজন, রংপুর বিভাগে নয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৬৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে নয়জন ও বাড়িতে ছয়জন মারা গেছেন।

মৃত ব্যক্তিদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৩৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আটজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের নিচে সাতজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১ হাজার ৮১৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৭৭ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৩০৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩১ হাজার ২৬৭ জন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনা শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬২৬ জন। যা দেশে  একদিনে করোনা শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | ১৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্পেনের কারাগার থেকে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ম্যাকাফির আবিষ্কারক জন ম্যাকাফির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

খবরে বলা হয়, স্পেনের বার্সেলোনার এক কারাগার থেকে ম্যাকাফির লাশ উদ্ধার করা হয়।  কর ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত ম্যাকাফিকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছিলেন স্পেনের একটি আদালত। এর কয়েক ঘণ্টা পর কারাগারে ম্যাকাফির মরদেহ পাওয়া যায়।

গত বছরের অক্টোবরে স্পেন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের নির্মাতা ম্যাকাফি। কাতালান বিচার বিভাগ বলেছে, কারাগারের চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সফল হননি।

এক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, সব কিছুই ইঙ্গিত করে ম্যাকাফি নিজেকে নিজেই শেষ করে (আত্মহত্যা) দিয়েছেন। তবে ম্যাকাফির আইনজীবী রয়টার্সকে বলেন, ৭৫ বছর বয়সি ম্যাকাফি কারাগারে তার কক্ষে নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন।

প্রযুক্তি বিশ্বে বিতর্কিত জন ম্যাকাফি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অ্যান্টিভাইরাস বাজারে ছাড়েন। ধীরে ধীরে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস দ্রুতই জনপ্রিয়তা পায়। এর পর তা টেক জায়ান্ট ইন্টেল ৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি দামে কিনে নেয়।

১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডে ব্রিটিশ-আমেরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সফটওয়্যার নির্মাতা জন ম্যাকাফির জন্ম।  ইনকরপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন ম্যাকাফি। ১৯৮০-এর দশকে নিজ নামে ম্যাকাফি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।  ২০১১ সালে ইনটেলের কাছে ম্যাকাফি বিক্রি করে দেওয়ার পর আর কোনো ব্যবসায় জড়াননি তিনি।



আরও খবর