আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

ইজতেমা থেকে ফেরার পথে ট্রাক উল্টে ৩ জন নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখিরি মোনাজাত শেষে বাড়ি ফেরার পথে ময়মনসিংহের ভালুকায় ট্রাক উল্টে ৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার আবুল কালাম আকন্দের ছেলে নাঈম (১৩), ভালুকা উপজেলার ফারুক খানের ছেলে সানাউল্লাহ সজল (১৯) ও ফজলু (১৮)। তাৎক্ষণিক ফজলুর বাবার নাম জানা যায়নি। তারা সবাই ভালুকা উপজেলার জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ভালুকা জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার ৩০ ছাত্র-শিক্ষক বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে যান। মোনাজাত শেষে সবাই ট্রাকযোগে মাদ্রাসায় ফিরছিলেন।

রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢালিবাড়ী মোড় ইউটার্নের কাছাকাছি এলে ট্রাকের সামনে থানা একটি কাভার্ডভ্যান ইউটার্ন নিতে দেখে তাৎক্ষণিক ব্রেক করেন চালক। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলেই নাঈম নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। আহত হন ১৪ জন। তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।- বলেন তিনি।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর মধ্যে, সানাউল্লাহ সজল নামের একজন মারা গেছেন। গুরুতর ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পথে আরও একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি।


আরও খবর



চিতাবাঘটির হত্যাকাণ্ড তদন্তে মতপার্থ্যক্য

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

Image

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নের দ্বারখোর সীমান্ত এলাকার নাগর নদ থেকে উদ্ধার মৃত চিতাবাঘটিকে হত্যা করা হয়েছে প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের ধরন নিয়ে মতপার্থ্যক রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল কারণ যাবে বলছেন তারা।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাঘটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের পর বন বিভাগ থেকে জানানো হয়, তাদের ধারণা বাঘটি ভারত থেকে এসেছে। বাঘের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে নামে দুটি টিম। একটির তদন্ত করছেন বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তিন সদস্য। অপরটি স্থানীয়ভাবে জেলা বন বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে তদন্ত করছে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তদন্ত কমিটির প্রধান বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, আমরা স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে তথ্য নিয়েছি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা পেয়েছি বাঘটিকে হত্যায় স্থানীয়রা জড়িত ছিল। হত্যা করা হয় শ্বাসরোধে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়ভাবে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান আটোয়ারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হত্যার কারণ হিসেবে পিটিয়ে, বিষ প্রয়োগসহ তিন ধরনের তথ্য এসেছে। ময়নাতদন্তে এ ধরনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভিসেরা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এজন্য ঢাকায় ল্যাবে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন কত দিনের মধ্যে আসবে তা বলা যাচ্ছে না।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় দ্বারখোর সীমান্ত এলাকার মানুষ বাঘটিকে লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া করছেন। তখন বাঘটি ভয়ে নদের পানিতেই ছোটাছুটি করছে। মানুষজন নদীতে নেমে মাছ ধরার জাল দিয়ে বাঘটিকে তাড়া করতে থাকেন। তখন নদের তীরে একটি জঙ্গলে আশ্রয় নেয় বাঘটি। সেখানেও ধাওয়া দিলে আবার নদীতে নামে বাঘটি। একপর্যায়ে বাঘটি ক্লান্ত হয়ে স্থানীয়দের জালে ধরাশায়ী হয়। পরে বাঘটিকে ধরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হত্যার পর বাঘটিকে একটি বাঁশে বেঁধে নেওয়া হয় বোধঁগাঁও বিজিবি ক্যাম্পে। সেখান থেকে বাঘটিকে নেওয়া হয় বারঘাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে। সেখান থেকে বাঘটিকে ময়নাতদন্তের জন্য আটোয়ারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে নেওয়া হয়।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, চেঁচামেচি শুনে আমি কাছে যাই। দেখি বাঘটি বসে আছে। কাছে গেলেও বাঘটি নড়াচড়া করতে পারছিল না। আমরা তখন একটি জাল দিয়ে বাঘটিকে ঢেকে দেই। তখন বাঘটি নড়াচরা শুরু করলে একটি লাঠি দিয়ে ভালো করে জালে পেঁচিয়ে ধরি। তখন বাঘটি মনে হয় মারা গিয়ে নদীতে ডুবে যাচ্ছিল। পরে নদী থেকে ডাঙায় নিয়ে একটি বাশঁ দিয়ে বাঘের চার পা বেঁধে সামনে নিয়ে আসি।

স্থানীয়দের দাবি নয় দিন আগে এক কৃষকের গরু খেয়ে ফেলেছিল বাঘটি। পরে গরুটিতে বিষ ছিটিয়ে রাখা হয়। সেই গরুটি আবারো খেয়ে নদীতে পানি খেতে নামে বাঘটি। সেখানেই মরে পড়ে থাকতে দেখেন নাগর নদে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন। পরে বাঘটিতে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় গৃহবধূ ময়না বেগম বলেন, গত রবিবার আমার একটি গরু মারা যায়। গরুটিকে বাঘ নাকি শিয়াল আক্রমন করেছিল জানি না। তবে আমার ছোট ছেলে বলেছিল আমাদের এতবড় ক্ষতি করল, আমি তাকেও মেরে ফেলব। এরপর সে গরুর মধ্যে অল্প করে দানাদার বিষ দিয়েছে বলে শুনেছি। এখন বাঘটি বিষ খেয়ে মারা গেছে, নাকি ঠান্ডায় অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে মারা গেছে আমি জানি না।

তোড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমার বাড়ি সাড়ে তিন কিলোমটিার দূরে। স্থানীয়দের কাছে শুনতে পাই একটি বাঘ গরু খেয়েছে। পরে গরুতে বিষ দেওয়া হলে বাঘটি গরুটি খেয়ে মারা যায়। বাঘটিকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়টি আমি জানতাম না। ঢাকা থেকে একটা টিম এসেছে শুনেছি, আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, আমরা বিশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাঘের শরীর এবং উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত জাল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছি। বিষ টোপের কারণে না কি আঘাতে বাঘের মৃত্যু হয়েছে, সেটা পরে নিশ্চিত করে বলা যাবে। আমাদের তদন্তে উঠে আসা বিষয়গুলো নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করব।

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি চিতা বাঘ হত্যা করলে তিনি সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে শর্ত থাকে চিতা বাঘ কোনো ব্যক্তিকে আক্রান্ত করলে এবং এতে তার জীবনশঙ্কার সৃষ্টি হলে জীবন রক্ষার্থে আক্রমণকারী চিতা বাঘ হত্যার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে আরও শর্ত থাকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো মামলা দায়েরের প্রশ্ন দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা ওয়ার্ডেনের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা দায়ের করতে পারবেন। বাঘের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের হয়নি।

জানতে চাইলে পঞ্চগড় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মধুসুধন বর্মন বলেন, হত্যা হলেও সেটা পিটিয়ে না কি শ্বাসরোধে তা নিশ্চিত হয়। ঢাকা থেকে বন বিভাগের লোকজন এসে তদন্ত করছে। স্থানীয়ভাবেও তিন সদস্যর একটি তদন্ত দল তদন্ত করছে। মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যারা দোষী শনাক্ত হবেন আইন অনুযায়ী অবশ্যই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: পঞ্চগড়

আরও খবর



খৎনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যু: জেএস ডায়াগনস্টিক সিলগালা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সুন্নতে খতনা করাতে এসে মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সেটিতে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার জন্য হাসপাতালের অনুমোদন প্রয়োজন হয়, কিন্তু এই হাসপাতালের শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে। যে কারণে তাদের অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগের কোনো সুযোগ নেই। 

আরও পড়ুন>> শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসক

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান। তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা জেনেছি গতকাল সামান্য একটা মুসলমানির জন্য শিশুটিকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডা. ইশতিয়াক নামক একজন এই খতনার সার্জন ছিলেন, আর ডা. মাহবুব মুর্শেদ শিশুটির অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ছিলেন। অভিযোগ অনুসারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার সময় শিশুটিকে অজ্ঞান করার পর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা মারা হয়েছে।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, খতনা করাতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আয়হামকে মালিবাগের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ফেরেনি তার। তাদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয় আয়হামকে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর যে চিকিৎসকের অধীনে ভর্তি করা হয়েছিল, তিনি সটকে পড়েন।

আয়হামের বাবা ফখরুল আলম বলেছেন, অ্যানেসথেশিয়া দিতে নিষেধ করার পরও সেটি শরীরে পুশ করেন ডা. মুক্তাদির। তাঁর অভিযোগ, এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবার

রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের আরেক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। ৫ বছরের আয়ানেরও অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর জ্ঞান ফেরেনি। সাত দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ৭ জানুয়ারি তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যৌন নির্যাতনের কথা এখনো ভুলতে পারেননি ভূমি পেডনেকর

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যামেরার পেছনে দীর্ঘদিন কাজের পর হঠাৎ করেই নায়িকা হিসেবে দেখা দিয়েছিলেন ভূমি পেডনেকর। সহকারী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ ছয় বছর কাজ করেছিলেন যশরাজ ফিল্মসে। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। কিন্তু শিল্পী বাছাই করতে এসে হঠাৎ করেই একদিন নিজেই অভিনেত্রী বনে যান ভূমি।

ইন্ডাস্ট্রিতে এখন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হলেও এক সময় যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল ভূমিকে। আর সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা এখনো ভুলতে পারেননি তিনি। কী হয়েছিল তার সঙ্গে, যা এখনো ভুলতে পারেননি এ অভিনেত্রী।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর, ভূমির বয়স তখন মাত্র ১৪ বছর। সদ্যই কৈশোরে পা রেখেছেন। পরিবারের সঙ্গে মেলায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। আর সেখানেই যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল তাকে।

অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, পরিবারের সবার সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলাম মেলায়। ভিড়ের মধ্যে আমার নিতম্বে কেউ হাত দেয়, চিমটি কাটে। আমাকে বারবার স্পর্শ করতে থাকে। পেছনে বারবার ফিরে তাকালেও কে এমনটা করছে, সেটা বুঝতে পারছিলাম না। ক্রমাগত আমাকে স্পর্শ করতে থাকে। আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম। আর সেই ঘটনা আমার কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। যা এখনো ভুলতে পারিনি।

২০১৫ সালে আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে দম লগা কে হাইশা সিনেমায় দেখা যায় ভূমিকে। এরপর ধারাবাহিকভাবে টয়লেট: এক প্রেমকথা, শুভ মঙ্গল সাবধান, লাস্ট স্টোরিজ, সোনচিড়িয়া, ষাঁড় কি আঁখ, বালা, পতী, পত্নী অওর ওহ, বধাই দো সিনেমায় দেখা যায় তাকে।

এছাড়া গত বছর তার অভিনীত দ্য লেডি কিলারথ্যাঙ্ক ইউ ফর কামিং সিনেমা মুক্তি পায়। তবে এর একটাও সফল হয়নি। আর শিগগিরই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার ভক্ষক। এতে একজন সাংবাদিকের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

নিউজ ট্যাগ: ভূমি পেডনেকর

আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আত্মসমর্পণ করায় মিয়ানমারের তিন জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতের এই পর্যায়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে আত্মসমর্পণ ও শহরের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমারের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন তারা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু হামলার মুখে শান রাজ্যের লোক্কাই শহরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হয় জান্তা সেনারা। এছাড়া শত শত সেনা বিদ্রোহী জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এই শহরের নিয়ন্ত্রণ কৌশলগতভাবে ছেড়ে দেয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জান্তা সরকারের আদালত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শত শত সেনার এই আত্মসমর্পণ মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জন্য কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও আত্মসমর্পণের পর শহরের দায়িত্বে থাকা সেনা কমান্ডার ও সেনাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সামরিক আইনে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া সামরিক ঘাঁটি ত্যাগ দণ্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তবে সবশেষ মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য জান্তা মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন আদালতে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাও জানানো হয়নি।


আরও খবর



দ্বিতীয়বার মা হলেন আনুশকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। আজ ইনস্টাগ্রামে দ্বিতীয়বার মা-বাবা হওয়ার সুসংবাদ দেন আনুশকা ও বিরাট কোহলি।

এই তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে সদ্যোজাত সন্তানের জন্য সবার শুভকামনা চেয়েছেন এই তারকা দম্পতি। একই সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানোর অনুরোধ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে কোহলি লিখেছেন, আপনাদের সকলকে খুশির সঙ্গে জানাচ্ছি, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের পরিবারে একজন পুত্র সন্তানের আগমন ঘটেছে। যার নাম রাখা হয়েছে অকায়। আপনাদের সকলের আশীর্বাদ ও দোয়া কামনা করছি। আমরা অনুরোধ করছি, আমাদের গোপনীয়তাকে আপনারা সম্মান করবেন।

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ২০১৩ সালে। ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ইতালির তাসকেনি প্রদেশের ফ্লোরেন্সে এক ঐতিহ্যবাহী রিসোর্টে বিরাট কোহলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন আনুশকা শর্মা।

এটি ছিল ২০১৭ সালে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত বিয়ের অনুষ্ঠান। ২০২০ সালের ২৭ আগস্ট একটি ছবি পোস্ট করে আনুশকা ও বিরাট তাদের সন্তানের আগমনের খবরটি জানিয়েছিলেন সবাইকে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথমবার মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। তারা মেয়ের নাম রাখেন ভামিকা।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪