আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ইলিশা-১ নতুন গ্যাসক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ মে 20২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ মে 20২৩ | অনলাইন সংস্করণ
পরান আহসান, ভোলা

Image

সদ্য ঘোষিত দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১ গ্যাস ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে বাপেক্স। মঙ্গলবার  (২৩ মে) রাত থেকে এ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং তা চলবে দুই/তিন দিন।

এরপর খুব শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হবে। এ গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন সম্ভব বলে নিশ্চিত হয়েছে বাপেক্স। এখানে মোট মজুদের পরিমাণ ২০০ বিসিএফ বা তার একটু বেশি। প্রতিদিন ২০ মিলিয়ন বা তার চেয়ে কম বেশি উত্তোলন করা হলেও তা চলবে প্রায় ২৬ বছর। 

বাপেক্সের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসে ভাসছে দ্বীপজেলা ভোলা। ভূ-তাত্ত্বিক জরিপে একের পর এক গ্যাসের সন্ধান মিলছে। এখন পর্যন্ত তিনটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। যার সূত্র ধরেই নয়টি কূপ খনন হয়েছে। প্রত্যেক কূপেই সফলভাবে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। আরও পাঁচটি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের। শুধু তাই নয়, নতুন আরও একটি গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হতে পারে এ জেলায়। সেটি হলে কূপ খননের সংখ্যা আরও বাড়বে। এছাড়াও চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায় গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাই করতে জরিপ করবে বাপেক্স।

বাপেক্সের ভূ-তাত্ত্বিক বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর হোসেন আজকের দর্পণ কে বলেন, নতুন ক্ষেত্রের গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়েছে, এটি চলবে আরও দুই/তিন দিন। আরও নতুন পাঁচটি কূপ খননের অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে শাহবাজপুরে দুটি গ্যাস ক্ষেত্র, ভোলা নর্থ দুটি ও ইলিশায় একটি।  আরও গ্যাস অনুসন্ধানে জরিপ করবে বাপেক্স।


আরও খবর



সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: আরাফাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন 'ইনফোকম ঢাকা ২০২৪' এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দি ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার এবং জেসিআই বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ভারতের এবিপি গ্রুপ এ সম্মেলন আয়োজন করে। সম্মেলনের এবারের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে 'সাসটেইনেবল ডিসরাপশন'।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না, যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করিনা, আমরা সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এ জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কিনা সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে সেটিই বিবেচ্য। আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি। এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।

তিনি আরো যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসাথে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। মানবতা, মানবাধিকার এবং মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসাথে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, যত বেশি আমাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসাথে চলতে পারবো, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারবো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি। ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কস এর সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটি-এর চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।


আরও খবর



ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন হালিমা আক্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের পণ্য কিনে ননস্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার কাতারে এবার যুক্ত হলেন রাজধানী ডেমরার হালিমা আক্তার দিপু। সারা দেশে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর আওতায় কিস্তি সুবিধায় ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। হয়েছেন ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ৩৮তম মিলিয়নিয়ার। ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হালিমা আক্তার। 

সোমবার (২৭ মে, ২০২৪) রাজধানী ডেমরায় এমএস টাওয়ারে ওয়ালটন প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হালিমা আক্তারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

আসন্ন ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী চলছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। এর আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন বা ফ্যান ক্রয়ে ক্রেতাদের ননস্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার।

চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় গত ১৮ মে ডেমরার এমএস টাওয়ার ওয়ালটন প্লাজা থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে কিস্তি সুবিধায় ৩১২ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন হালিমা আক্তার। ফ্রিজটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ক্রয়কৃত ফ্রিজের মডেল নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই তার মোবাইলে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়ার একটি ম্যাসেজ যায়।

হালিমা আক্তারের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির গজারিয়ায়। ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত তিনি। ৪ সদস্যের বাসায় নিজেদের ব্যবহারের জন্য ওয়ালটনের ফ্রিজটি কেনেন তিনি।

পুরস্কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে হালিমা আক্তার বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজের গুণগতমান যেমন ভালো, তেমনি দামও সাধ্যের মধ্যে। তাই বাসার জন্য ওয়ালটন ফ্রিজ কিনি। কিন্তু ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে যে ১০ লাখ টাকা পাবো তা কখনো ভাবিনি। ওয়ালটনের কাছ থেকে পাওয়া এই টাকা দিয়ে ব্যবসা করবো। ওয়ালটনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, বিশ্বমানের ইলেকট্রনিক্স পণ্য দ্বোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে ওয়ালটন। ওয়ালটন শুধু ব্যবসাই করছে না, তারা মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও কাজ করছে। আমাদের দেশেই এখন আন্তার্জতিকমানের পণ্য তৈরি হচ্ছে। তাই আমাদের উচিৎ- কষ্টার্জিত টাকায় বিদেশি পণ্য না কেনা।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন্স) সুব্রত পোদ্দার, সাব-ইন্সপেক্টর মো. মাজহার, ওয়ালটনের চিফ ডিভিশনাল অফিসার ইমরোজ হায়দার খান, ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার জাকির হোসেন, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার আবু নাসের প্রধান, রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মিজানুর রহমান, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুস্তাফিজুর রহমান ও ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজার মেহেদি হাসান।

নিউজ ট্যাগ: ওয়ালটন ফ্রিজ

আরও খবর



জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা সেই বাড়িতে অভিযান শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নেত্রকোনায় জঙ্গি আস্তানায় সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশের এন্টিটেরিজম ইউনিট। রোববার (৯ জুন) সদর উপজেলার কাইলাটি ভাসাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

এন্টিটেরিজম ইউনিট এর পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন জানান, বাড়িটির ভেতরের এখনও অভিযান চলছে। তিনি জানান, সেখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও তাদের তৎপরতার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে শনিবার (৮ জুন) দুপুর থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ভাসাপাড়া এলাকায় চারদিকে উঁচু প্রাচীর ঘেরা দ্বিতল বাড়িটির চারপাশে অবস্থান নেয় পুলিশের একটি দল। তাদের ধারণা, ওই বাড়িতে জঙ্গি প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা অস্ত্র ও বোমা থাকতে পারে। এরই মধ্যে কিছু সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ জানিয়েছেন, বাড়ির মালিক হচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ড. আব্দুল মান্নান। বাড়িটি দুই বছর আগে আরিফ নামের এক ব্যক্তিকে ভাড়া দেয়া হয়েছে।


আরও খবর



ঢাকার যেসব ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে মৌসুম শুরুর আগেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রভাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা যায়, রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার লার্ভার ঘনত্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট মানদণ্ডের চেয়েও বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার আওতাধীন জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে গত ১৭ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চালানো প্রাক-বর্ষা জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজন করা হয় এ জরিপের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান। মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে-২০২৪ এর ফলাফল অবহিতকরণ সভা শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

জরিপের ফলে বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, এসব এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টির বেশি পাত্রে এডিস মশা বা তার লার্ভা পাওয়া গেছে। এই এলাকাগুলো তাই ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডগুলো হলো ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭, ৩৩নং ওয়ার্ড। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো ৪, ১৩, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭, ২৩নং ওয়ার্ড।

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ব্রুটো ইনডেক্স নামে পরিচিত। স্বীকৃত এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ২০ শতাংশের বেশি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হয়।


আরও খবর



এমপি আনারের সঙ্গে ফ্ল্যাট থাকা কে এই শিলাস্তি?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

এখনও মরদেহ উদ্ধার না হলেও ঝিনাইদহ-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ভারতে গিয়ে যে খুন হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া গেছে দুই দেশের পুলিশের কথায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলছেন, আনোয়ারুল আজিম খুনের পেছনে কয়েকজন বাংলাদেশি জড়িত। এ ঘটনায় তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে এ ঘটনার সাথে উঠে আসছে এক তরুণীর নাম। তিনি হলেন শিলাস্তি রহমান। 

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমপিকে হত্যার জন্য কলকাতার নিউ টাউনে অভিজাত সঞ্জীবনী গার্ডেনের যে ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া হয়েছে, সেখানে অবস্থান করেছিলেন ওই তরুণী।

শিলাস্তি রহমান এমপি আনার খুনের মূল পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনের বান্ধবী বলে জানা যাচ্ছে। তবে তার বিষয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত তথ্য হাতে পাওয়া যায়নি। এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে শেষবার কলকাতা শহরতলির এই অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল

সঞ্জীবনী গার্ডেনের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে কলকাতা পুলিশ। এতে দেখা যাচ্ছে ১৩ মে ওই ফ্ল্যাটে তিনজন একসঙ্গে ঢোকেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। একদিন সেখানে অবস্থানের পর ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে আসেন এক পুরুষ ও এক নারী। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীই শিলাস্তি। ১৩ মে তিনি আমানুল্লাহ ও এমপি আনারের সঙ্গে ফ্ল্যাটে ঢুকে থাকতে পারেন।

এমপি আনারকে কলকাতা নিতে এই তরুণীকে ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।


আরও খবর