আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

‘ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে’

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৩৮৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ০৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। মুজিববর্ষে শপথ নেবো, জাটকা নয় ইলিশ খাবো-এ প্রতিপাদ্যে আমাদের এবারের কর্মসূচি। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রম সুরক্ষা এবং জাটকা নিধন বন্ধে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় বলেন, ইলিশের উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। আশা করছি ভবিষ্যতে এটা আরো ব্যপক আকার ধারণ করবে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে। ইলিশের অভয়াশ্রমে জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা কারেন্ট জাল, বেহুন্দী জালসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জাল তৈরি করে জাটকা নিধন করে তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান ও জরিমানা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের সংবাদ বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্বিং অপারেশনসহ বিভিন্নভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো যোগ করেন, জাটকাসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল নির্মূলে এবছর বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে ১৫ দিনে ১৭ টি জেলায় মোট ৪৯২ টি মোবাইল কোর্ট ও ১ হাজার ৬৮১ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ২ হাজার ৪৪৮ টি বেহুন্দি জাল, ২৭৪.২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩ হাজার ২৫৫ টি বেড় জাল, চরঘড়া জাল, মশারি জাল ও পাইজাল আটক করা হয়েছে এবং প্রায় ৯ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা খুব কঠোর অবস্থান নিয়েছি। প্রভাবশালী ব্যক্তিরাদের সাথে আমরাও ন্যুনতম সমঝোতা করিনি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওযা হয়েছে এবং অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা আহরণে বিরত ৩ লক্ষ ১ হাজার ২৮৮ টি জেলে পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪ মাসে ৪৬ হাজার ৭৭৮ মে.টন ভিজিএফ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ম কিস্তিতে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ৮১৫টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে প্রদানের জন্য মোট ২৬ হাজার ৩০৫ মে.টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। কারণ আমাদের মৎস্যজীবীদের পরিবারের কথাও মাথায় রাখতে হয়। ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার জেলেকে চাহিদানুযায়ী নানা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেউ যাতে জাটকা আহরণ করতে না পারে, আহরণের পৃষ্ঠপোষকতার জাল তৈরি করতে না পারে, ট্রলার চালাতে না পারে, ইলিশের অভয়াশ্রমে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখতে না পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। এমনকি মাছের বাজারে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কোনভাবে চোরাইপথে জাটকা আসলেও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরফ কল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের যে বিস্তৃত এলাকায় ইলিশ উৎপাদন হয় সব জায়গায় ভূমিকা রাখতে না পারলেও আমরা চেষ্টা করছি কোন প্রান্তেই যেন জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে কেউ জাটকা আহরণ করতে না পারে।-যোগ করেন মন্ত্রী।

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে এ সময় জনসচেতনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। আমরা জাটকা ধরবো না। বড় ইলিশ তৈরির সুযোগ করে দেবো। আমরা বড় ইলিশ খাওয়ার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করবো না। এটা হোক জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে আমাদের অঙ্গীকার।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় অতীতের তুলনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় মোবাইল কোর্টের সংখ্যা এবং জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবৈধভাবে মৎস্য আহরণকারী নেপথ্যের ব্যক্তিদেরও আমরা এখন আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। মৎস্যজীবীদের মধ্যে যারা ইলিশের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এসময় তালিকা অনুযায়ী আমরা ভিজিএফ দিচ্ছি। এ তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হচ্ছে।

করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে।-যোগ করেন মন্ত্রী

করোনা লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১




১২ দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারা বিশ্বে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাজ্য বাদে সমগ্র ইউরোপ ও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি। এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সার্কুলারের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যে ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেগুলো হলো- আর্জেটিনা, ব্রাজিল, চিলি, তুরস্ক, উরুগুয়ে, পেরু, বাহরাইন, সাউথ আফ্রিকা, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও লেবানন।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের সদস্য চৌধুরী এম জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, আগামী ৩ এপ্রিল রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই সেসব দেশের যাত্রীদেরও প্রত্যেকের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট (৭২ ঘণ্টা আগের পরীক্ষা করা) থাকতে হবে।

এছাড়া চার দিন বাধ্যতামূলক প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আর যদি করোনার কোনো লক্ষণ থাকে তাহলে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিতস্থানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কেউ যদি কোভিড-১৯ সার্টিফিকেট না নিয়ে আসে তাহলে ৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে নিজ খরচে পরীক্ষার পর ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।


আরও খবর



কওমি মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ১০৭৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কওমি মাদরাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সোমবার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে করোনা প্রতিরোধে সরকারের নতুন ১৮ দফা নির্দেশনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

করোনার মধ্যে অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কওমি মাদরাসায় পাঠদান চলছিল। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ২২ মের পর খুলবে বলে ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এবার কওমি মাদরাসাও বন্ধ থাকার সিদ্ধান্ত দেওয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত নির্দেশনার ১০ নম্বরে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদরাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্তের পর ১৮ মার্চ থেকে কওমি মাদরাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলেও পরে কওমি মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়া হয়।

নতুন নির্দেশনায় কওমি মাদরাসাগুলো বন্ধ থাকবে কিনা- প্রশ্নে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখানে উল্লেখ করে দিয়েছি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদরাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। কোনো রকম শিক্ষার্থী আপাতত আসবে না। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।

মাদরাসার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। এখানে কওমি না, সব মাদরাসা, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদরাসা সব জায়গায় বন্ধ থাকবে। কারণ এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। এটা যদি রোধ করতে না পারি তাহলে সমস্যা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে রিপোর্ট আছে যারা ইসলামিক ওয়াজে উপস্থিত ছিলেন তারা অনেকে আক্রান্ত হয়েছে। যারা খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। করোনা হচ্ছে একটা ভাইরাস, সেটা কাউকে ছাড়বে না। কেউ অন্য কিছু বিশ্বাস করে যদি করোনাকে ভয় না করেন, ভয় না পাওয়া অযৌক্তিক, আপনাকে অবশ্যই সুরক্ষায় রাখতে হবে।


আরও খবর



তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে চান উদ্যোক্তরা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং আউটসোর্সিং সেবাসহ সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিষেবাকে (আইটিইএস) জরুরি সেবাখাতে অন্তর্ভুক্তি করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী ও কর্মীরা। 

বর্তমান সময়ের লাইফলাইন এই খাতকে জরুরি সেবার আওতায় না এনে এটিকে বন্ধ করে রাখলে ভোগান্তিতে পড়বে সাধারণ জনগণ। দেশ হারাবে আন্তর্জাতিক বাজার, এমনটাই বলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

দেশের সফটওয়্যার ও আইসিটি খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, গত বছরের লকডাউনের সময় থেকে এখন পর্যন্ত দেখেন আইসিটি খাত কী অবদান রাখছে। আমরা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে সেগুলো বলছিও। তাহলে যে লাইফলাইন এর ওপর পুরো দেশ-অর্থনীতি সচল হয়ে আছে সেটিকে জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হবে না কেন? আমরা এটিকে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

আইটি-আইসিটি খাতকে জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত না করার ক্ষতিকর দিক কী এমন প্রশ্নের জবাবে আলমাস বলেন, এখন দেখেন সবকিছু প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে। সবকিছুই প্রায় সফটওয়্যারে চলছে। এই সফটওয়্যারকে সচল রাখতে ব্যাক অ্যান্ড সাপোর্ট দিতে হয়। ধরেন একটা হাসপাতাল এখন পুরোপুরি সফটওয়্যার কেন্দ্রিক। সেই সফটওয়্যারকে সাপোর্ট দিতে হয়। এখন যদি এই খাত জরুরি সেবার আওতাভুক্ত না হয় তখন এই কাজগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে সাধারণ মানুষই সব থেকে ভোগান্তিতে পড়বে। এই খাতের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের সহজ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে আলমাস বলেন, ইউরোপ-আমেরিকা কিন্তু তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম খুলে দিয়েছে। এদের আউটসোর্সিং কাজের বড় অংশ হয় বাংলাদেশ থেকে। আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো কলসেন্টার, সিকিউরিটি সেটআপ তৈরি করে রেখেছে যেখানে একসাথে কর্মীরা সমন্বিতভাবে তাদের গ্রাহকদের জন্য কাজ করেন। এখন যদি আমাদের দেশে এই সেবা বন্ধ থাকে, কর্মীরা যদি অফিসে আসতে না পারে তাহলে আমরা আন্তর্জাতিক এই গ্রাহকদের হারাবো। কারণ আমরা বন্ধ থাকলেও ভিয়েতনামের মতো দেশ কিন্তু বন্ধ নেই। গ্রাহকেরা সেখানে চলে যাবে। ফলে বিদেশে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে এবং আমরা আন্তর্জাতিক বাজার হারাবো।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা যারা কল সেন্টারে আছি তারা বিটিআরটর (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। এই চিঠিতে আমরা এবং মোবাইল অপারেটরসহ এই খাতের সবাইকে একসঙ্গে একটি অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ও কর্মীদের চলাচলের জন্য। কিন্তু এটা সাময়িক এবং অস্থায়ী একটা বিষয়। আমরা এই খাতকে স্থায়ীভাবে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, মনে করেন একজন বেসিস বা বাক্যের সদস্য না কিন্তু তিনি এই খাতের উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী। এখন অস্থায়ী চিঠি তো আমাদের মতো সংগঠনগুলোর সদস্যদের দিয়েছে। তাহলে তার কী হবে? আমাদের সেবা যদি এবার বন্ধ রাখতে হয় তাহলে সব কোম্পানি স্রেফ বন্ধ হয়ে যাবে। ভারত, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম খোলা আছে। সব ক্লায়েন্ট ওখানে চলে যাবে। গত লকডাউনে আমার প্রতিষ্ঠানে ৫৬ জন কর্মীকে ছয় মাস অফিসে রেখে কাজ চালু রেখেছি। এটা তো প্রতিবার আর সবাই করতে পারবে না।


আরও খবর



রাশিফল: আজকের দিনটি কেমন যাবে?

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পুরনো জ্যোতিষশাস্ত্রের এমন একটি ধরন, যার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়কাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। যেমন দৈনিক রাশিফল প্রতিদিনের ঘটনার ভবিষ্যকথন করে, তেমন সাপ্তাহিক, মাসিক তথা বার্ষিক রাশিফল যথাক্রমে সপ্তাহ, মাস এবং বছরের ভবিষ্যদ্বাণী করে। বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন-এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একই রকমভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।

মেষ:

কোনো শুভ সংবাদ পেতে পারেন। ইচ্ছানুসারে কাজের স্বাধীনতা পাবেন। কোনো পদস্থ ব্যক্তির আনুকূল্য লাভ হতে পারে। বন্ধুর সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

বৃষ:

দক্ষ ব্যবস্থাপনার অভাবে কাজে স্থবিরতা দেখা দিতে পারে। কিছুটা মানসিক চাপ থাকলেও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অন্যের সহযোগিতা পাবেন। স্থির বুদ্ধির দ্বারা সময়ের মোকাবেলা করুন।

মিথুন:

কোনো খবর উৎসাহিত করবে। ব্যাবসায়িক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। অর্থাগমের নতুন পথ পেতে পারেন। ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগতে পারে। রোমান্স ও বিনোদন শুভ।

কর্কট:

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির আভাস পেতে পারেন। দাম্পত্য ক্ষেত্রে ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হবে। ব্যবসায়ীদের বাড়তি আয়ের সুযোগ আসবে। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

সিংহ:

বিদেশযাত্রায় জটিলতা দূর হবে। সঠিক প্রচেষ্টায় কাজের অগ্রগতি। নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগকে কাজে লাগাতে পারেন। পারিবারিক সম্প্রীতি অটুট রাখতে আপনাকে কুশলী থাকতে হবে।

কন্যা:

আপনার কাজে অন্যকে উৎসাহিত করতে পারবেন। কোনো বন্ধুর সমস্যায় চিন্তিত থাকতে পারেন। ব্যবসায় ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

তুলা:

কোনো অংশীদারি কাজে অগ্রগতি। প্রেমপ্রীতির ক্ষেত্রে দিনটি শুভ। সম্পত্তি নিয়ে শরিকি আলোচনা হতে পারে। ব্যবসায় মন্দা থাকলেও উন্নতির যোগ আছে। বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।

বৃশ্চিক:

কাজে পারদর্শিতা দেখাতে পারবেন। প্রতিপক্ষ সক্রিয় থাকতে পারে। ভয়ের কিছু নেই। উপার্জন হলেও আর্থিক চাপের মধ্যে থাকতে হবে। সময় ও সুযোগের সুষ্ঠু ব্যবহার করুন।

ধনু:

অপ্রত্যাশিত কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর্থিক সাহায্য মেলার আশ্বাস। হারানো কিছু পুনরুদ্ধার হতে পারে। নিজস্ব বুদ্ধিবলে কঠিন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। রোমান্স শুভ।

মকর:

কোনো স্থাবর সম্পত্তির আলোচনায় অগ্রগতি। অবসাদের ফলে অনেক কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। নিজের মধ্যে উৎসাহ আনুন। জেদের বশে কোনো কাজ করবেন না। সুস্থ থাকুন।

কুম্ভ:

কোনো পরিকল্পনার অগ্রগতি। সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। কোনো আত্মীয় মানসিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। পেশাগত দিক ভালো যাবে। গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সাবধানে রাখুন।

মীন:

পূর্বের তুলনায় মানসিক চাপ কমবে। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ আসতে পারে। কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসতে পারে। প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখুন। ভালো থাকুন।


আরও খবর
যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১




চুয়াডাঙ্গায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় কৃষক নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হিজলগাড়ি এলাকায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ইউসুফ হোসেন (৭০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ সময় ওই কৃষকের স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম (৬৩) ও শ্যালিকা ফাহিমা খাতুন (৪০) আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইউসুফ দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, ওই তিনজন ডাকবাংলা বাজার থেকে পাখিভ্যানে (ব্যাটারিচালিত ভ্যান) করে বাঘাডাঙ্গা গ্রামে যাচ্ছিলেন। এ সময় হিজলগাড়ি পৌঁছালে পেছন থেকে একটি মাইক্রোবাস ওই ভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে তিনজনই রাস্তায় ছিটকে পড়ে আহত হন। মাইক্রোবাস চালক আহতদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আসেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন কৃষক ইউসুফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিউজ ট্যাগ: নিহত

আরও খবর