আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

Image

১০ বছরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ। বর্তমানে তার কাছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা আছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দশম সংসদ নির্বাচনের সময় ইনুর কাছে নগদ ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ছিল। একাদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৬ টাকা। আর বর্তমানে তার কাছে আছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ, ১০ বছরের ব্যবধানে তার নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ।

এ ছাড়া এবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ইনুর জমা আছে ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৪ টাকা, যা ৫ বছর আগে ছিল ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ১৫৬ টাকা।

আরও পড়ুন>> সাকিবের বার্ষিক আয় সাড়ে ৫ কোটি, ব্যাংক ঋণ ৩১ কোটি ৯৮ লাখ

হলফনামায় দেওয়া তথ্য থেকে আরও জানা গেছে, ইনুর বর্তমানে বার্ষিক আয় ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৪ টাকা। একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ছিল ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৬২৩ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ২৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮২ টাকা।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের টানা তিনবারের এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী আফরোজা হকেরও নগদ টাকা বেড়েছে। ১০ বছর আগে তার কাছে নগদ টাকা ছিল মাত্র ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯০ টাকা। ৫ বছর আগে ছিল ৬০ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ টাকা। এখন তার নগদ টাকা আছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪৩ টাকা।

এ ছাড়া ১০ বছর আগে আফরোজা হকের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল মাত্র ৮০ হাজার ৪৯৩ টাকা। ৫ বছর আগে তার কাছে ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৭ টাকা থাকলেও এখন আছে ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৭০ টাকা।

হলফনামায় হাসানুল হক ইনু নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী ও প্রকৌশলী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ও তার ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের মধ্যে কৃষি খাতে কোনো আয় নেই। তার আয়ের বড় অংশ আসে ব্যবসা, বেতন-ভাতা, ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ও টিভি টকশো থেকে।


আরও খবর



শরীয়তপুরে পেঁয়াজের ফলন কম, পাইকারি বাজারে অস্থিরতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

Image

শরীয়তপুরের আবহাওয়ায় পেঁয়াজ একটি উচ্চ ফলনশীল ফসল। তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এই বছর পেঁয়াজের ফলন কম হওয়ায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। বৃহস্পতিবার  (২২ ফেব্রুয়ারি) শরীয়তপুরের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্রই মিলেছে।

দেশের অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও ডলার সংকটের কারণে এবছর বিদেশ থেকে তুলনামূলক কম পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর প্রভাব পরেছে স্থানীয় বাজারগুলোতেও। এদিকে পেঁয়াজের বীজ ও সারের দাম বাড়ায় তার প্রভাব পরেছে পেঁয়াজের পাইকারি ও খুচরা বাজারে।

গত বছর যেখানে এক কেজি ডিএপি সার বিক্রি হতো ১৬  টাকায় সেখানে এই বছর পেঁয়াজ লাগানোর মৌসুমে তা বিক্রি হয়েছে ২১  টাকায়, ইউরিয়া বিক্রি হতো ২২ টাকায় তবে এবছর বিক্রি হয়েছে ২৭ টাকায় এবং এমওপি গত বছর প্রতি কেজি ছিলো ১৫ টাকা যা বেড়ে এবছর বিক্রি হয়েছে ২০ টাকায়। এছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও শ্রমিক খরচও বেড়েছে গত বছরের তুলনায়।

পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা নিয়ে কৃষক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, তিনি ২০ বিঘা জমিতে এইবছর পেঁয়াজ চাষ করেছে। তিনি এবছর প্রতিবিঘায় ৪০-৪৫ মণ পেঁয়াজ পেয়েছে। তার দাবি এবছর পেঁয়াজ লাগানোর মৌসুমে বৃষ্টির সমস্যা না দেখা দিলে ৬০-৭০ মন পেঁয়াজ পেতেন প্রতি বিঘায়। এবছর পেঁয়াজের উচ্চমূল্য পেয়েছেন তিনি। ১০৫-১১৩ টাকা পর্যন্ত পাইকারী বিক্রি করেছেন।

কথা হয়েছে নুরুহক সরদার নামক এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর সাথে। তিনি জানায় এলসি আসার খবরে পেঁয়াজের বাজার মুহুর্তে কমছে আবার কখনও ভিন্ন খবরে বেড়েছে পেঁয়াজের বাজার দর। গত কাল ১০৫ টাকা কেজি পাইকারী পেঁয়াজ থাকলে এলসি খুলেছে এই খবর সকালে বাজার দর তুলনামূলক কিছুটা কম। আজকে সকালে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০-৯৫ টাকা পর্যন্ত।

জাজিরা মিরাশার চাষী বাজারের কমিটির সভাপতি ও আড়ৎ ব্যবসায়ী আবদুল জলিল মাদবর জানায়, গত বছরের তুলনায় এবছর পেঁয়াজের উৎপাদন কম এবং ফলনও কম। গত বছর পেঁয়াজের উৎপাদন এবং ফলন দুইটাই বেশি ছিলো। এবছর পেঁয়াজের বীজের দাম বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি।

পেঁয়াজের সর্বোপরি বাজার ও উৎপাদন নিয়ে কথা হয় শরীয়তপুর জেলা উপসহকারী কৃষি অফিস্যার বিষ্ণুপদ বিস্যাসের সাথে, তিনি জানায় এবছর জেলার তাদের পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৪২৫ হেক্টর। তবে পেঁয়াজের চাষ তাদের লক্ষ্যমাত্রা থেকে কম হয়েছে, এবছর জেলায় মোট পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে ৩৯০৭ হেক্টর জমিতে। জাজিরায় মোট পিয়াজের চাষ হয়েছে  ২০১০ হেক্টর জমিতে।

এ বছর জেলায় পেঁয়াজ চাষীদের সরকারী ভাবে ৫২০ জন কৃষককে ১ কেজি করে পেঁয়াজের দানা, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভারতে পাচার হওয়া দুই নারীকে বেনাপোল হস্তান্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর)

Image

ভারতে পাচার হওয়া বাংলাদেশী দুই নারী দীর্ঘ আড়াই বছর পর ট্রাভেল পারমিট এর মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিজিবি বিএসএফের উপস্থিতিতে তাদেরকে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানা ও ঢাকা গেন্ডারিয়া থানার বাসিন্দা।

ফেরত আসা নারীরা জানান, দালালের খপ্পরে পড়ে প্রায় আড়াই বছর আগে ভারতে পাচার হন। পরে ভারতের পুলিশ কর্তৃক আটক হলে তারা জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এরপর জেল হাজত থেকে একটি এনজিও সংস্থা ছাড়িয়ে তাদের হেফাজতে রাখার পর দু-দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে মঙ্গলবার বিকালে দেশে ফিরেছেন তারা।

এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ দুই নারীকে হস্তান্তর করেছে।ইমিগ্রেশনে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বেনাপোল পোর্ট থানার নিকট হস্থান্তর করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বেনাপোল

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবিতে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলে বহিরাগত স্বামীকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের এক নেতা ও বহিরাগত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন বনাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও বহিরাগত মামুন (৪৫)। মোস্তাফিজ মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক‌ এবং শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেলের অনুসারী।

ভুক্তভোগী জাহিদ সাভারের জিরানি এলাকায় ভবানীপুর বটতলায় থাকেন। তার ডেকোরেটর ও সাউন্ড বক্স ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা আছে। তার স্ত্রী একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করেন।

ভুক্তভোগীর বরাতে জানা যায়, ওই দম্পতির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন অভিযুক্ত মামুন। পূর্ব পরিচয়ের ভিত্তিতে শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর স্বামীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসলে তাকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের 'এ' ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন অভিযুক্তরা। এরপর তার স্ত্রীকে দিয়ে নিজের রেখে আসা জিনিসপত্র আনতে বলেন মামুন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মামুনের জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে আসেন ভুক্তভোগী নারী। পরে জিনিসপত্র নিয়ে মামুন হলের ভেতরের ওই কক্ষে রেখে আসেন। এরপর তার স্বামী অন্যদিক থেকে আসবে বলে ওই নারীকে হল সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

সরেজমিনে দেখা যায়, এ ব্লকের ৩১৭নং কক্ষটি একজনের কক্ষ। সেখানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৬ ব্যাচের মুরাদ থাকেন। মোস্তাফিজের বিভাগের জুনিয়র হওয়ায় এ ঘটনায় মুরাদের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ‌মামুন ভাই আমাদের বাসায় ভাড়া থাকতো। তিনি আমার স্বামীর মাধ্যমে ফোন দিয়ে আমাকে তার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে বলেন। আমি তার জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে যাই। সে আমাদের বাসা ছেড়ে দিয়ে মীর মশাররফ হলের মোস্তাফিজ ভাইয়ের কাছে থাকবে বলে জানায়।

তিনি আরও বলেন, এরপর মামুন আমার কাছ থেকে তার জিনিসপত্রগুলো নিয়ে হলে রেখে আসে। পরে আমার স্বামী অন্যদিকে থেকে আসবে বলে আমাকে হলের সামনে থেকে পাশের জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যায়। তার সঙ্গে মোস্তাফিজ ভাইও ছিল। তখন তারা আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

হলের অভ্যন্তরে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা যায়, ভুক্তভোগী নারী রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে হলের সামনে এসে গার্ডদের কাছে তার স্বামীর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করছেন। পরে হল অফিসের বাইরে আরেকটি ক্যামেরায় দেখা যায়, ১০টা ৪৫ মিনিটে তাকে দলবেঁধে মারধর করে নিয়ে যাচ্ছে মোস্তাফিজ। পেছন পেছন ওই নারীকে দৌড়ে যেতে দেখা যায়।

হলের গার্ড দুলাল গাজী ও হেমন্ত সরকার বলেন, রাত আনুমানিক ১০টার পর এক মহিলা এসে বলে তার হাসবেন্ডকে আটকে রেখেছে। রুম নম্বর বলতে পারছিল না। পরে আমরা দেখলাম যে, মোস্তাফিজ ভাই ওই লোককে মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার সঙ্গে তাদের পূর্ব পরিচয় ছিল। একজনের পাওনা টাকা আদায় করে দেওয়ার জন্য আমি মধ্যস্থতা করছিলাম। ওই মহিলাকে আমি আগেই রিকশায় করে পাঠিয়ে দিয়েছি। পরে ওই ছেলেটাকেও হলের ছেলেরা বের করে দিয়েছে। আমি তো জানতাম না এই মহিলা একটা পতিতা।

এ ঘটনার পরপরই মোস্তাফিজকে ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে শাখা ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সুপারিশ করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন।

এ ঘটনায় রাত ২টায় মীর মশাররফ হলের সামনে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতৃত্বে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে রাত একটায় ভুক্তভোগী নারীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসে সাভার থানা পুলিশ। পুলিশ আসার খবরে হলের ডাইনিংয়ের রান্নাঘরের পেছনের তালা ভেঙে পালিয়ে যান অভিযুক্ত মোস্তাফিজ।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ১টা ১৭ মিনিটে মোস্তাফিজকে তালা ভেঙে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করছেন ছাত্রলীগ কর্মী সাগর সিদ্দিকী (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ৪৬ ব্যাচ), সাব্বির হাসান সাগর (বোটানি ৪৭ ব্যাচ) ও হাসান (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ৪৫ ব্যাচ)।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আলম বলেন, ঘটনা শুনেই আমি ও প্রক্টর চলে এসেছি। পুলিশ এসেছে, তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদেরকে সহযোগিতা করছি।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল বলেন, মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ঘটনা শুনেছি, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের নিয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলে এসেছি। এ ঘটনায় পুলিশ আমাদের কাছে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা চাইলে, আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। হলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, আমরা শাস্তির ব্যবস্থা করব।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আব্দুর রাসিক বলেন, ভুক্তভোগী থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনা জানিয়েছেন। আমরা প্রাথমিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বৈদেশিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প চিন্তার সময় এসেছে: মোমেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে বৈদেশিক লেনদেনে বিকল্প চিন্তার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। আজ শুক্রবার ইউয়ান-টাকায় ট্রেড ও বাংলাদেশে ডলার চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এ কে আব্দুল মোমেন।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার আয়োজন করে এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি)। 

আরও পড়ুন>> বিশেষ মঞ্জুরি পাচ্ছেন মাদরাসা ও কারিগরির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

সভায় আব্দুল মোমেন বলেন, ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্য মুদ্রা ব্যবহারের ম্যাকানিজম তৈরি করতে হবে। এর নেতৃত্ব সেন্ট্রাল ব্যাংককে দিতে হবে। কিন্তু এটা খুব সহজ নয়। কারণ এটি নতুন কিছু। আমাদের এ বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

ডলার নিয়ে আগামীতে পৃথিবীর দেশগুলো অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে যে অবস্থায় আছি, কাল সেই অবস্থা থাকবে কি না, কেউ জানে না। মনে করেন, আমরা অনেক ডলার রিজার্ভ রাখলাম, অন্যান্য দেশও রাখল। এর মধ্যে যদি যুদ্ধ হয়, ডলার তো একেবারে কাগজ হয়ে যাবে। যেভাবে পৃথিবী চলছে, তাতে আমাদের আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে।

বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিকল্প চিন্তার সময় এসেছে জানিয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের যদি অন্য মুদ্রা ব্যবহারের অনুশীলনটা আগে থেকে করতে পারি, তাহলে হঠাৎ করে কোনো ঝামেলা এলে আমরা নিজেদের ব্যবস্থা করতে পারব। তাই আমাদের এই অনুশীলনটা এখন থেকে শুরু করা উচিত। আমরা প্রাথমিকভাবে ইউয়ান-টাকা, রুপি-টাকা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে লেনদেন করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, কারণ গত ১৫ বছরে আমাদের যে অর্জন, সেই অর্জনে আমরা ধাক্কা খেতে চাই না। আমরা আমাদের অর্জনটুকু সামনে এগিয়ে নিতে চাই। ২০৪১ সালে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধিশালী-স্থিতিশীল-অসাম্প্রদায়িক অর্থনীতির দেশ হব। কিন্তু সেটা করতে গেলে আমাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সেখানে আমরা হঠাৎ করে ধাক্কা খেতে চাই না।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেনবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান প্রমুখ।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সারা বিশ্বে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে : আরাফাত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও তুরস্ক যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শনিবার স্থানীয় সময় দুপুরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-এর সদস্য দেশগুলোর তথ্যমন্ত্রীদের ইসলামিক সম্মেলনের বিশেষ অধিবেশনের পূর্বে তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাহরেতিন আলতুন এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান ।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সারা বিশ্বে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এগুলো ছড়ানো হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এর নেতিবাচক শিকার। অপতথ্য ও ভ্রান্ত তথ্য প্রতিরোধ তাই এখন একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্ক দুদেশের মধ্যে যৌথ সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ অপরাপর সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশ একসাথে কাজ করতে পারে।

বাংলাদেশের তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় যেভাবে ক্রমাগত বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে, তা বিশ্ব খুব কমই দেখেছে। এই ধরণের অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অপতথ্য ও ভুল তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও তুরস্ক যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে বাংলাদেশর তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফাহরেতিন আলতুন।


আরও খবর