আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ইসলামে নারীর অধিকার ও মর্যাদা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

সমাজে নারীর অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ইসলাম বদ্ধপরিকর। প্রাক-ইসলামি যুগে নারীর যখন কোনো সামাজিক অধিকার ও সম্মানবোধ ছিল না, যখন নবজাত কন্যাশিশুকে জীবন্ত পুঁতে ফেলা হতো এবং পুরুষেরা নারীকে শুধু ভোগের জন্য ব্যবহার করত, তখন মহানবী (সা.) সৎকর্মে নারী ও পুরুষের সমমর্যাদার কথা বললেন। তিনি মানুষকে জানিয়ে দিলেন, পুরুষ অথবা নারীর মধ্যে কেউ সৎকাজ করলে ও মোমিন হলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি অণু পরিমাণও জুলুম করা হবে না। (সুরা আন-নিসা : ১২৪)।

জাহেলি যুগে নারীদের মানুষ ও পশুর মাঝামাঝি একটি জীব বিশেষ মনে করা হতো। যার উদ্দেশ্য হলো মানুষের বংশ বৃদ্ধি এবং পুরুষের সেবা করা। আর এ জন্যই কন্যাসন্তানের জন্মগ্রহণ লোক সমাজে শরম ও লজ্জার কারণ ছিল। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জীবন্ত কবর দিত এবং এটাকেই গৌরব ও আভিজাত্যের বিষয় হিসেবে মনে করা হতো। এ ব্যাপারে আল কোরআনের হুঁশিয়ারি হলো, যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ( তাকভির : ৮-৯)।

সমাজের সর্বত্র অবলা নারীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালানো হতো। জোর জবরদস্তি করে তাদের ভোগ করা হতো। তাদের ধারণা ছিল, নারীরা হলো ভোগের সামগ্রী। নারীদের তাদের মাসিক ঋতুকালীন সময়ে গবাদি পশুর মতো গোয়াল ঘরে বা আস্তাবলে বেঁধে রাখা হতো। মানুষ হিসেবে তাদের অধিকার দেয়া হতো না।

জীবজন্তু, অন্যান্য প্রাণী ও নারীদের মাঝে কোনো পার্থক্য ছিল না। আরবের এই বর্বর জাতির অবস্থা স্বয়ং আল কোরআন থেকেই জানা যায়। নারী জন্মের পর পিতাদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে স্বয়ং কোরআনের বর্ণনা, তাদের কাউকে যখন কন্যাসন্তান জন্মনোর সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার চেহারা কালো হয়ে যায় এবং এক অসহনীয় মর্মবেদনায় ভুগতে থাকে। তাকে যে কন্যা জন্মানোর সংবাদ দেওয়া হয়েছে, তার লজ্জায় সে মানুষ থেকে লুকিয়ে থাকত। সে চিন্তা করে, হীনতা সত্ত্বেও সে কী তাকে রেখে দেবে না মাটিতে পুঁতে ফেলবে? (সুরা নাহল : ৫৮-৫৯)।

যেসব পিতা-মাতা অপমানের গ্লানি নিয়ে সন্তান হত্যার অপরাধে লিপ্ত, তাদের হুঁশিয়ার করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুরা বনি ইসরাইলের ৩১নং আয়াতে বলেছেন, দরিদ্রতার ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা করো না। আমিই তোমাদের ও তাদেরকে জীবিকা দিয়ে থাকি। (বনি ইসরাইল : ৩১)।

ইসলাম পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীকে পুরুষের সমান মর্যাদার অধিকারী করেছে, অত্যন্ত সম্মানজনক মর্যাদা দিয়েছে। কবির ভাষায় বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। অর্থাৎ সব কল্যাণকর বিষয়ে যতটুকু পুরুষের অবদান, ঠিক ততটুকুই নারীর। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি অবদান নারীর। কিন্তু তারপরও সমাজে নারীকে পুরুষের সমান মর্যাদা দেওয়া হয় না।

নবী করিম (সা.) স্বয়ং নারীদের শিক্ষা গ্রহণের গুরুত্বের প্রতি বিশেষভাবে সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন। তিনি বিভিন্ন সময় নারীদের উদ্দেশে শিক্ষামূলক ভাষণ দিয়ে উদাত্ত কণ্ঠে বলেছেন, প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর জন্য জ্ঞানার্জন করা ফরজ। (ইবনে মাজাহ)।

মোটকথা পুরুষ এবং নারী একই ঝরনার দুটি তরঙ্গ মাত্র। মানুষ হিসেবে দুয়ের ভেতর বিশেষ পার্থক্য করা বাস্তবভিত্তিক নয়, বরং কল্পনাপ্রসূত। আল্লাহতায়ালা বলেন, হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে। পরে তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হতে পারো। তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে মর্যাদাসম্পন্ন, যে অধিক সাবধানী। (আন নিসা : ১৩)। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, হে মানব সম্প্রদায়! তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর; যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেন। আর যিনি দুজন থেকে নারী-পুরুষ বিস্তার করেন। (আন নিসা : ১)।

 


আরও খবর
দেশে ফিরলেন ৫৯ হাজার ৩৩০ হাজি

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




কুমারী রেখা রাণী গার্লস স্কুলে আর্থিক অনুদান প্রদান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) উদ্যোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক জীবনসংগ্রামী নারীর হাতেগড়া কুমারী রেখা রাণী গার্লস হাই স্কুলকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান। পাশাপাশি দুইজন অনাথ অসচ্ছল ছাত্রীর পড়ালেখার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকালে দামপাড়াস্থ  সিএমপির পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)  উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায়।এসময় গোপালগঞ্জের কলাবাড়ী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বুরুয়া গ্রামে অবস্থিত কুমারী রেখা রাণী গার্লস হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা রেখা রাণী ওঝার হাতে ৫ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন চট্টগ্রাম পুনাক সভানেত্রী রীতা দাস ও সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা কুমারী রেখা রাণী দাস তাঁর জীবন-সংগ্রামের গল্প তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বুরুয়া গ্রামে দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের জন্য জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে নিজের নামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। একসময় সরকারি হাসপাতালের নার্স ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর পেনশনের টাকা দিয়ে জমি কিনে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রাবস্থায় নিজের খরচ চালানোর জন্য মঞ্চে অভিনয় পাশাপাশি ওষুধের দোকান চালিয়েছেন। এ জীবনে অনেক ছেলেমেয়েকে পড়াশোনা করার জন্য সহায়তা করেছি। তাঁদের অনেকেই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। এত দূর আসতে কারও কাছে হাত পাতেননি। তবে এখন আর পারছি না। ক্যান্সারসহ স্বাস্থ্যগত নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। স্কুলটি চালাতে কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষকদের বেতন দিতে পারছি না বলে শিক্ষকেরা চাকরি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যদিও শিক্ষকেরা এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিনা বেতনেই পড়াবেন এমন শর্তেই যোগ দিয়েছিলের।

তিনি বক্তব্যে তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্কুলের জন্য ৫ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করায় চট্টগ্রাম পুনাক প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি তাঁর স্কুলটিকে এমপিওভুক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

সিএমপি কমিশনার বলেন, পুনাক অনেক ভালো কাজ করে। কিন্তু আজকের কাজটি অন্য কাজগুলোর চেয়ে ব্যতিক্রম। কারণ, আজকে আমরা এমন একজন মহান নারীকে সামনে পেয়েছি যিনি মানুষ গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার যেখানে নারী ও পুরুষ সমাজে যার যার অবদান রাখার সুযোগ পায় এবং শৈশব থেকেই সমান সুযোগ পায়। অনুষ্ঠানে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা রেখা রাণী অনুরোধে দুইজন অনাথ অসচ্ছল ছাত্রীর লেখাপড়ার খরচ চালানোর দায়িত্ব গ্রহণ করেন সিএমপি কমিশনার। এছাড়াও স্কুলটিকে এমপিওভুক্তকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সিএমপির পৃনাক সভানেত্রী রীতা দাস বলেন, নারী সংগঠন হিসেবে শিক্ষা-চিকিৎসায় আমরা নারীদের পাশে দাঁড়াই৷ পুনাক পরিবার আজ গর্বিত আপনার স্বপ্নপূরণের অংশীদার হতে পেরে।

অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আ স ম মাহাতাব উদ্দিন; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহাম্মদ; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ, সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সিএমপির পুনাস নেতৃবৃন্দ-সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



বৃষ্টির দিনে যেসব সবজি খেতে সাবধান করছেন চিকিৎসক

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

বর্ষাকালে প্রায় সময় সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এই সময়ে পেট খারাপ, সর্দি-কাশিতে ভুগতে হয়। তাই শাক শাকসবজি রান্নার সময় একটু বেশিই সতর্ক থাকতে হয়। সবসময় শাকসবজির ভাল করে ধুয়ে রান্না করা উচিত। তবে বৃষ্টির সময় একটু বেশি নজড় দিতে হবে। সুস্থ থাকতে বর্ষার মৌসুমে কিছু খাবার এড়িয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকরা। ইন্ডিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন কিছু শাকসবজির তালিকা। এই খাবারগুলো হলো:

শাক: শাকে ফাইবার, ভিটামিন রয়েছে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু তারপরেও বর্ষাকাল শাক খাওয়া যাবে না। বর্ষায় শাক খেলে ফুড পয়জন হতে পারে। পাতার ভিতর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। ঠিকমতো পরিষ্কার করে রান্না না করা হলে ক্ষতি আপনারই।

ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং ব্রকোলি: শীতকালের অন্যতম সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং ব্রকোলি। তবে বর্তমানে বছরজুড়েই এই সবজি তিনটি পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও বৃষ্টির দিনে ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং ব্রকোলি খাওয়া উচিত না। আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে এই সবজিতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, এ কারণেই এই সবজি তিনটি খেলে ফুড পয়জন হতে পারে। 

মাটির নিচের সবজি: আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুনের মতো খাবার সারাবছর খেতে হয়। কিন্তু বর্ষায় গাজর, মুলো, বিটরুটের মতো মাটির নীচের সবজি বর্ষায় খাবেন না। এই সবজি বর্ষায় দ্রুত পচে যায়।

মাশরুম: বর্ষাকালে মাশরুমের তৈরি খাবার এড়িয়ে যাবেন। এই মৌসুমে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে মাশরুমেও ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই সময় মাশরুম খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে।

অঙ্কুরিত ছোলা এবং মুগ কলাই: অঙ্কুরিত ছোলা, মুগ কলাই স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। কিন্তু বর্ষাকালে এগুলো খাবেন না। আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে এসব খাবারে ই.কোলি, স্যালমনেলার মতো ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। এতে পেটের সমস্যা দেখা দেয়।

মটরশুটি এবং ভুট্টা:  মটরশুটি এবং ভুট্টা আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এ কারণে এতে  সহজে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। তাই বৃষ্টির দিনে এই সবজি দুটি না খাওয়াই ভালো। খেলেও খুবভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: শাকসবজি

আরও খবর



ফ্রান্সের নির্বাচনে বামপন্থিদের জয়, হচ্ছে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটে কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা গেছে বামপন্থি জোট নিউ ফ্রন্ট পপুলার (এনএফপি) সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে উগ্র ডানপন্থিরা এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় দফায় তারা তা ধরে রাখতে পারেনি। এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও বামপন্থি এনএফপি এগিয়ে রয়েছে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ৫৭৭ আসনের পার্লামেন্টে বামপন্থি এনএফপি জোট ১৮২ আসন পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থি জোট এনসেম্বল পেয়েছে ১৬৮টি। আর উগ্র ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র‌্যালির (আরএন) পেয়েছে ১৪৩টি আসন। এছাড়া কনজারভেটিভ রিপাবলিক পেয়েছে ৬০টি আসন।

ফ্রান্সে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৮৯টি আসন। নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী তিন পক্ষের কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সেক্ষেত্রে বাম জোটকে সরকার গঠন করতে হলে অন্যদের সমর্থন নিতে হবে। যদিও তিন পক্ষের একসঙ্গে কাজ করারও নজির নেই। এ অবস্থায় ফ্রান্সে এখন ঝুলন্ত পার্লামেন্ট গঠনের সম্ভাবনাই বেশি।

এদিকে রোববারের (৭ জুলাই) প্রাথমকি ফলাফল ঘোষণার পর দেশটির নিউ পপুলার ফ্রন্টের সমর্থকেরা রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে আনন্দ উচ্ছ্বাস আর মিছিল করেছে।

নিউ পপুলার ফ্রন্টের নেতারা বলছেন, জনগণের কাছে দেয়া অঙ্গীকার তারা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দ্রুত বাম জোটকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন বলে আশাবাদী সমর্থকরা।

গত রোববার (৩০ জুন) ফ্রান্সে প্রথম ধাপের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রায় ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় লাভ করে মেরিন লে পেনের কট্টর ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন)। অন্যদিকে প্রায় ২৯ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পায় বামপন্থি দলগুলোর জোট নিউ পপুলার ফ্রন্ট। ম্যাক্রোঁর দল ২০.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে যায়।


আরও খবর



টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বার্বাডোসের কেনসিংটন ওভালের আজকের পিচটি বেশ শুষ্ক। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, পিচ বেশ ব্যাটিং উপযোগী। তাছাড়া এবারের টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজে আগে ব্যাটিং করে জয়ের হারই বেশি। তাই টসে জিতে সিদ্ধান্ত নিতে কোনো দ্বিধায় না পড়েই ব্যাটিং বেছে নিলেন রোহিত শর্মা। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের এই ম্যাচটি শুরু বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায়।

ক্রিকেটে এতদিন চোকার্স তকমা জুটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কপালে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো করলেও আইসিসি টুর্নামেন্টে দলটি সাফল্যের জন্য হাপিত্যেশ করে। ওয়ানডে ক্রিকেটে অনেকবার সেমিফাইনাল খেললেও একটিকেও ফাইনাল পর্যন্ত নিতে পারেনি তারা। এতদিন টি-টোয়েন্টিতেও একই অবস্থা ছিল দলটির। তবে এবার এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। প্রথমবারের মতো আইসিসিরি কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে তারা।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আইসিসির কোনো ট্রফি জিততে পারছে না ভারত। বিশ্বকাপ হলে যোগ হবে আরও ২ বছর। সবশেষ ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল দলটি। এরপর ২০১৩ সালে জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এরপর ১১ বছরে তিনটি ফাইনাল খেললেও আর শিরোপার মুখ দেখা হয়নি। তাই শিরোপা জিততে মরিয়া ২০০৭ সালের উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ীরাও।

টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ২৬ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে জয়ের দিক দিয়ে কিছুটা এগিয়ে ভারত। মেন ইন ব্লুদের ১৪ জয়ের বিপরীতে প্রোটিয়ারা জয় পেয়েছে ১১ ম্যাচে। একটি ম্যাচে কোনো ফল আসেনি।


আরও খবর



গাজীপুরে কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

ঈদের ছুটি শেষে কাজে যোগদান করার দিনে লে-অফ ঘোষণার নোটিশে গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন।এ সময় শতাধিক শ্রমিক মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করে।

মঙ্গলবার (২৫জুন) সকাল ৮টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর এলাকার বি কে বাড়ি এলাকায় অবস্থিত অলিম্পিক ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়।

কারখানা শ্রমিকেরা জানান, ঈদের আগে ১৫ জুন কারখানা ছুটি হয়। আজকে খোলার দিনে এসে দেখি গেট বন্ধ। সামনে লে-অফ ঘোষণার নোটিশ। আমাদের না জানিয়ে হঠাৎ কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে আমরা আন্দোলন করছি। আমরা কারখানা খোলার দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় কমপক্ষে পাঁচজন শ্রমিক আহত হয় বলেও দাবি করেন তারা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারশনের গাজীপুর জেলার সভাপতি মো. হারুন সরকার জানান, এভাবে লে-অফ ঘোষণা করা যায় না। আগে শ্রমিকদের জানাতে হয়। দেনা পাওনা পরিশোধ করতে হয়।

অলিম্পিক ফ্যাশন লিমিটেডের জিএম এস এম খোরশেদুর রহমান বলেন, ঈদের আগে একটি শিপমেন্ট বাতিল হয়েছে। এখন অর্ডারও নেই। তাই লে-অফ ঘোষণা করেছি। ৭ জুলাই দেনা- পাওনা পরিশোধ করব। আমরা কোনো শ্রমিকের ওপর হামলা করিনি।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পরিদর্শক মঞ্জুরুল হক বলেন, শ্রমিকদের ওপর হামলা হয়নি। সাত জুলাই শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি।

নিউজ ট্যাগ: গাজীপুর

আরও খবর