আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত মেতুলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গত বছর ২০২৩ এর ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইসরায়েল। কারণ, ওই দিন ইসরায়েলের শক্তিশালী গোয়েন্দা বিভাগ ও সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে নজিরবিহীন অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক গোষ্ঠী হামাস। ওই দিন ইসরায়েলে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়। আহত হয় দুই হাজারেরও বেশি। এছাড়াও আড়াই শতাধিক মানুষকে ইসরায়েল থেকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের এই কর্মকাণ্ডে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

হামাসের ওই হামলার জবাবে অবিলম্বে গাজায় আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। তারা ঘোষণা দেয়, হামাসকে নির্মূল করা ও জিম্মিদের উদ্ধার করা এই যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু দীর্ঘ চার মাসেও সেই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি ইসরায়েল। বরং এখনও গাজায় স্থল অভিযানে হামাস যোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে নাস্তানাবুদ হচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। শুধু তাই নয়, আকাশপথেও গাজা থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে রকেট সক্ষমতাও দেখিয়ে যাচ্ছে হামাস।

তবে গাজার চেয়েও ইসরায়েলের জন্য বিপজ্জনক দেশটির সর্ব উত্তরের মেতুলা সীমান্ত। তিন দিক থেকে লেবানন বেষ্টিত এ শহরটি একরকম নিঃসঙ্গভাবে পাহারা দিচ্ছে ইসরায়েলি সীমান্তরক্ষীরা। অর্থাৎ ইসরায়েলের এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেতুলা সীমান্তের এক সীমান্তরক্ষী তার আঙ্গুল দিয়ে হিজবুল্লাহর অবস্থান নির্দেশ করছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আমরা তিন দিক থেকে হিজবুল্লাহর নজরে রয়েছি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষীর বরাতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই শহরটি পশ্চিমে এক চুতার্থাংশ, উত্তরে আধা মাইল এবং পূবে আধা মাইল লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর নজরে রয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই দেশটির মেতুলা সীমান্তে সৈন্য জমায়েত করে হিজবুল্লাহ। পরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ইসরায়েল। তবে এই সীমান্তে চূড়ান্ত যুদ্ধের পক্ষে নন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কারণ এ অঞ্চলের সীমান্তরক্ষীরা জানেন হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো মানে তাদের এখানে বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষী জানিয়েছেন, আমরা জানি হিজবুল্লাহ হামাসের চেয়ে বেশ আধুনিক এবং শক্তিশালী বাহিনী। হামাসের চেয়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের পক্ষে লড়াই করে আসছে।

এছাড়া হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ওয়াশিংটনেরও মাথা ব্যাথার কারণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হামাস-ইসরায়েল সংঘাত যদি আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে এই যুদ্ধে ইরানও জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মেতুলা সীমান্তে ইসরায়েলের জন্য হিজবুল্লাহ বড় ধরনের বিপদ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষক, এক শিক্ষার্থীসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৮ মে) রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ও একই উপজেলার গোপালগঞ্জ-চাপাইল সড়কের চাপাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ২টি ঘটে।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার দেবাসুর গ্রামের কানাই লাল দাসের ছেলে ও শহরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের সমাজ কল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিনাকী রঞ্জন দাস (৫৭), একই উপজেলার কড়িগ্রামের রেবতী মোহন সরকারের ছেলে ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর এম.এইচ.খান ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক বাবুল সরকার (৪৮), পুঁইশুর গ্রামের আব্দুল আলী মোল্যার ছেলে ইমাদ পরিবহনের সুপারভাইজার জুয়েল মোল্যা (৪২) এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাবু শেখের ছেলে ও ৫ম শ্রেণীর ছাত্র রামিম শেখ (১০)।

পিনাকী রঞ্জন দাস শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ছিলেন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে গোপালগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই মোঃ আল মাহামুদ জানান, একটি মোটরসাইকেলে করে কাশিয়ানী থেকে গোপালগঞ্জ শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারী মহিলা কলেজের শিক্ষক পিনাকী রঞ্জন দাস, এমএইচখান ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক বাবুল সরকার ও ইমাদ পরিবহনের সুপারভাইজার জুয়েল মোল্যা তাদের মোটর সাইকেলটি শহরতলীর হরিদাসপুর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে মোটর সাইকেলের ৩ আরোহী মহাসড়কে ছিটকে পড়ে মারাত্মক আহত হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুয়েল মোল্যা মারা যায়। আহত অপর দু শিক্ষককে সংকটজনক অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যান।

অন্যদিকে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিচুর রহমান জানান, শনিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চাপাইলে রাস্তা পারাপারের সময় মাটিটানা ট্রলির চাপায় রামিম শেখ মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯ টার দিকে তিনি মারা যায়।


আরও খবর



তালতলীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নিদ্রা খালের মোহনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত আনোয়ার তুমপা এ অর্থদণ্ড দেন।

জানা যায়, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের নিদ্রা এলাকায় একটি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প নির্মাণ করার জন্য স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের সাথে চুক্তি হয় প্রশাসনের। চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা আছে সরকারি ইজারাকৃত বালু মহল থেকে বালু উত্তোলন করে মাঠ ভরাট করতে হবে। সেই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নিদ্রা খালের মোহনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগ ওঠে বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম তার অপরাধ স্বীকার করায় 'বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০' অনুযায়ী ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড নগদ পরিশোধ করায় আসামিকে সতর্ক করে তৎক্ষণাত খালাস দেওয়া হয়। বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা জানান, এই বালু ব্যবসায়ীর সাথে যেসব চুক্তিতে বালু নেওয়ার কথা রয়েছে। সে চুক্তি শর্ত ভেঙে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাথে তার বালু উত্তোলনের চুক্তি বাতিল করা হয়।


আরও খবর



বজ্রপাতে দেশের ৬ জেলায় ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বজ্রপাতে দেশের ৬ জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) দিনের বিভিন্ন সময় এসব বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নওগাঁয় তিনজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনজন, নাটোরে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে একজন, দিনাজপুরে একজন, সন্দ্বীপে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

নওগাঁ: নওগাঁর মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলায় দুই কৃষক ও একজন নারীসহ তিনজন মারা গেছেন। শুক্রবার (৭ জুন) বিকেলে বজ্রপাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও বদলগাছীতে বজ্রপাতে আরও দুজন আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন, মান্দা উপজেলার শামসুল আলম (৩৪) ভোলাম গ্রামের ফইমদ্দিন মণ্ডলের ছেলে ও পত্নীতলা উপজেলার উপজেলার পাটিচড়া ইউনিয়নের নাগরগোলা গ্রামের বিশা মণ্ডলের ছেলে খাদেমুল ইসলাম (৫০) ও গাহন গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী মনিকা (৩৫)।

আহতরা হলেন, বদলগাছীর গাবনা গ্রামের অবির উদ্দিন ফকিরের ছেলে আবুল হোসেন ফকির (৫৫) ও আমিন আলী ফকিরের ছেলে আব্দুল খালেক ফকির (৩৫)।

নিহতের বাবা ফইমুদ্দিন জানান, তার ছেলে শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি মাঠে ধানের কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথেই তার মৃত্যু হয়।

পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে কৃষক খাদেমুল ইসলাম মাঠ থেকে ধান বহন করে বাড়ির উঠানে এসে বজ্রপাতের কবলে পড়ে মারা যান। অন্য স্থানে গৃহবধূ মনিকা বাড়ির সামনে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। তাদের স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান, বদলগাছীতে শুক্রবার বেলা ৩ টার দিকে আহত দুই ব্যক্তি কাজের উদ্দেশ্যে মাঠে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তারা একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন। এমতাবস্থায়, ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে তারা গুরুতর আহত হয়। আহতদেরকে উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলায় শিশুসহ দুজন ও ভোলাহাটে একজন মারা যান। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি বলেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় আম কুড়াতে গিয়ে শিবগঞ্জ পৌরসভার আলীডাঙ্গা মহল্লার সুভাস ভকতের স্ত্রী ববি ভকত (৩২) ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের দক্ষিন পাঁকা নিশিপাড়ার এরশাদ আলীর মেয়ে কবিতা খাতুন (৮) টিউবওয়েলের পানি আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।

ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার বলেন, ভোলাহাট উপজেলার আন্দিপুরের ইসলাম আলীর মেয়ে আমেনা খাতুন (১০) বাড়ির পাশের আম বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়, পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাটোর: নাটোরের গুরুদাসপুর ও নলডাঙ্গায় উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের সাদ্দাক আলীর স্ত্রী আবেরা বেগম (৪০) ও নলডাঙ্গা উপজেলার পীরগাছার কোমরপুর শাহ পাড়ার লুৎফর আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম (৩০)।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জল হোসেন জানান, দুপুরে আবেরা বেগম বৃষ্টির সময় হাঁস আনতে মাঠে যান। এ সময় তিনি বজ্রপাতে আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনোয়ারুজ্জামান জানান, পীরগাছা শাহ পাড়া এলাকায় বারনই নদীতে জাল ফেলে কামরুল ইসলাম মাছ শিকার করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান।

ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বজ্রপাতে লিপি আকতার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার রনশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লিপি রনশিয়া গ্রামের ফিরোজ জামানের স্ত্রী।

জাবরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, দুপুরে ঝড়-বৃষ্টি আসছে দেখে লিপি আক্তার বাড়ির পাশে শুকাতে দেওয়া ভুট্টা গাছ তুলতে যান। এ সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল আলম। তিনি বলেন, বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বজ্রপাতে মো. রাফি (১৪) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। রাফি সন্দ্বীপের গাছুয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাদিয়ার গো মধ্যের বাড়ির মো. জামালউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বজ্রপাতের সময় রাফি অন্যান্য ছেলেদের সঙ্গে চরের মাঠে ফুটবল খেলছিল। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গাছুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সোহেল মেম্বার।

তিনি বলেন, নিহত রাফি স্থানীয় খান সাহেব নুরানী হাফেজীয়া মাদরাসার হিফজুল কোরআন বিভাগের ছাত্র ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছেলেকে হারিয়ে রাফির বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গেছে।

দিনাজপুর: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বজ্রপাতে জুয়েল নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের দামাইল সরকারপাড়া গ্রামের লালঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল মিয়া (১৯) নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের দামাইল সরকারপাড়া গ্রামের গোলজার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় আফতাবগঞ্জ সরকারী কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

নবাবগঞ্জের আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল হক এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার আফতাবগঞ্জ-লালঘাট পাকা সড়কের দামাইল সরকারপাড়া নামক স্থানে সড়কের উপর ধান-ভূট্টা শুকাতে দেয়। আকাশ মেঘলা হলে এইসব উঠানোর সময় হঠাৎ বজ্রপাতে জুয়েল জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যায় জুয়েল মিয়া।

নিউজ ট্যাগ: বজ্রপাতে মৃত্যু

আরও খবর



চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ২০ শতাংশের কম: ইসি সচিব

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলছে ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এই চারঘণ্টায় গড়ে ১৭ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

বুধবার বেলা ১টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাংগীর আলম বলেন, এখনো পর্যন্ত বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে।

বগুড়া সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ পদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানান এই সচিব। বলেন, প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ ছিল কোন আইসক্রিম। কিন্তু ব্যালটে লাঠিযুক্ত আইসক্রিম দেওয়ার কারণে ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ পদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

ফেনীতে অনিয়মের অভিযোগে এক প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান জাহাংগীর আলম।

তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয় নির্বাচন কমিশন। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্থগিত করা হয়েছে ২২ উপজেলার ভোট।

এই ধাপে ভোটার ২ কোটির ওপরে। এর মধ্যে ১৬টি উপজেলায় ইভিএমে এবং বাকিগুলোতে হচ্ছে ব্যালট পেপারে ভোট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ ধাপে প্রায় ৫৮ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকছে। সাথে থাকছে লক্ষাধিক আনসার সদস্য। এ ধাপে এরই মধ্যে বিভিন্ন পদে ১২ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।


আরও খবর



সিলেটে বন্যার্তদের পাশে প্রবাসী কল্যান প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের বন্যার্তদের পাশে দাড়িয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।

শনিবার (১লা জুন) দুপুর থেকে তিনি বন্যা দূর্গত কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ  জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা ও দরবস্ত  ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বন্যা কবলিত  মানুষের মাঝে এাণ সহায়তা বিতরণ করেন।

এসময় তিনি বলেন, কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এই বন্যায় অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে সফর শেষে সরাসরি আপনাদের কাছে এসেছি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের রাজনীতি করে। যেকোনো দুর্যোগ-দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগই দেশের মানুষের সবচেয়ে বেশি আশা ও ভরসার স্থান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন ২০২২ সালে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের মানুষের পাশে ছুটে এসেছিলেন। নিজের চোখে মানুষের দুঃখ, দুর্দশা দেখে বরাদ্দ দিয়েছেন প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা করছে, আমি সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ত্রান মন্ত্রীর সাথে কথা বলে সিলেটের বানবাসী মানুষের জন্য আরও সহায়তা আনার ব্যবস্থা করবো।

এসময় প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বানবাসী মানুষ তাদের কথা তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী নিজেও রাস্তাঘাটে দাঁড়িয়ে বানবাসী মানুষের কথা গুরুত্বের সাথে শোনেন। সেই সাথে বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দিকনির্দেশনা দেন।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মো: নাসির উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ ও জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এম লিয়াকত আলী, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার সহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয়  রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: সিলেট

আরও খবর