আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৪৫জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে ৯নং নবীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.বেলায়েত হোসেন সোহেলের ওপর হামলা চালিয়েছে কিশোর গ্যাং। এ ঘটনায় স্থানীয়রা কয়েকটি দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

গতকাল মঙ্গলবার ১০ মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের নূরানী মাদ্রাসা সংলগ্ন কালামিয়ার টেক এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আটককৃত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা হলো, নবীপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের অন্তর (১৯) ও বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের টিপু (২৪) আবদুল গনি পারভেজ (২৫) ইমরান হোসেন ওরফে শান্ত (২০)।

নবীপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আবদুল ছোবহান জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে নবীপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের জসিমের নতুন বাড়িতে কিশোরী মেয়েরা বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গেলে ইভটিজিং করে একই গ্রামের হারিস মোল্লা বাড়ির বাশারের ছেলে ইভটিজার রবি (২৩) ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। সে দীর্ঘদিন থেকে ওই মেয়েদের উক্ত্যক্ত করে আসছে। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীদের পরিবার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে জানায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করার অভিযোগে বিকেলের দিকে রবি ও কিশোর গ্যাংয়ের বহিরাগত সদস্যরা ইভটিজিংয়ের শিকার কিশোরীদের বসতঘরে হামলা চালায় এবং তাদেরকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে।

ইউপি সদস্য আরো জানায়,খবর পেয়ে চেয়ারম্যান আমাকে ঘটনাস্থলে পাঠালে বহিরাগত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা চলে যায়। একপর্যায়ে কিশোর গ্যাং বাহিনীর প্রধান রবির মা ও ইভটিজিংয়ের শিকার কিশোরীদের মায়ের মধ্যে তুমুল বাকবিতন্ডা বেধে যায়। তখন আমি বিষয়টি চেয়ারম্যান কে জানাই। যে এ সমস্যা আমার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। তখন চেয়ারম্যান আমাকে জানায় আপনি ঘটনাস্থলে থাকেন আমি আসছি।

ইউপি সদস্য জানায়,চেয়ারম্যান এসে দুই পক্ষকে নিবৃত করে। অভিযুক্ত রবিকে চেয়ারম্যানের প্রাইভেট কারে তুলে নেয়। একপর্যায়ে আসস্মিক রবির কিশোর গ্যাংয়ের ৩০-৩৫জন সদস্য চেয়ারম্যান ও তাঁর ভাগনে নজরুল ইসলামের (৩৫) ওপর হকিস্টিক,রড দিয়ে হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যান বাম চোখে ও কপালে গুরুত্বর আঘাত পায়। হামলাকারীরা চেয়ারম্যানের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারও ভাংচুর করে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় চারজনকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখান থেকে রাত পৌনে ১টার দিকে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  ৯নং নবীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, ইভটিজিং নিয়ে বিরোধের জের ধরে ইভটিজার কিশোর গ্যাং বাহিনীর সদস্যরা এ হামলা চালায়। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী। তিনি বলেন, ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান সমস্যা সমাধানে গেলে তাঁর ওপর হামলার এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন চারজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটককৃতদের থানায় এনে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের লিখিত এজহার পেলে আটকৃতদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আরও খবর



যাত্রীর চাপ নেই শিমুলিয়া ঘাটে

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদযাত্রার শেষ দিনে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীর চাপ নেই। যাত্রীরা ঘাটে এসে ফেরি, লঞ্চ, স্পিডবোট দিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে অনায়াসে গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হলেও শেষ রাতে ঝড়-বৃষ্টির কারণে সোমবার ( ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পর লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।

গত ৩ দিন শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় থাকলেও আজ অনেকটাই ফাকা শিমুলিয়া ঘাট। ফলে‌ ভোগান্তি কমেছে এ পথে যাতায়াতকারীদের।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, সকাল থেকে ১০টি ফেরি, ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫৫টি স্পিডবোট চলাচল করছে। এসব যানবাহনে চড়ে নির্বিঘ্নে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমুখী মানুষ।

এই ব্যাপারে শিমুলিয়া খাটের নদীবন্দর কর্মকর্তা মো. সোলাইমান বলেন, শিমুলিয়া ঘাট থেকে ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫৫টি স্পিডবোট চলছে। শেষরাতে ঝড়-বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে সকাল ৬টা থেকে লঞ্চ চলাচলের কথা থাকলেও ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে লঞ্চ চলাচল শুরু করা হয়েছে। ঘাটে এখন তেমন যাত্রীর চাপ নেই।

শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঘাট একেবারে স্বাভাবিক। ১০টি ফেরি চলাচল করছে। অপেক্ষমাণ কোনো গাড়ি নেই।

নিউজ ট্যাগ: শিমুলিয়া ঘাট

আরও খবর



টলিউড অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গড়ফার একটি আবাসনের ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল টলিউডের এক অভিনেত্রীর। তাঁর নাম পল্লবী দে।

আমি সিরাজের বেগম ধারাবাহিকে সিরাজের স্ত্রী লুৎফা-র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পল্লবী। এই চরিত্রের জন্য তিনি জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠেন। তার আগে রেশম ঝাঁপি ধারাবাহিকেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। টলিউডে পল্লবীর যাত্রা খুব বেশি দিন হয়নি। কুঞ্জছায়া নামে একটি ধারাবাহিকেও তিনি অভিনয় করেছিলেন।

রবিবার গড়ফার ফ্ল্যাট থেকে পল্লবীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন তাঁর সঙ্গী। তিনিই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ অভিনেত্রীর দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

বর্তমানে পল্লবী অভিনয় করছিলেন মন মানে না ধারাবাহিকে। সেখানে তিনি নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। যে চ্যানেলে ধারাবাহিকটি চলছিল, চ্যানেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পল্লবী একদম স্বাভাবিক ভাবেই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শ্যুট করেছেন। তার পর কী ভাবে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, বুঝতে পারছে না কেউ। অভিনেত্রীকে বৃহস্পতিবার দেখেও কেউ কিচ্ছু বুঝতে পারেননি বলেই দাবি করেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।প্রশ্ন উঠছে, সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরেই কি এই মৃত্যু? সহঅভিনেতাদের একাংশ যদিও তেমন ইঙ্গিত দেননি।

 


আরও খবর



প্লাস্টিকের বোতলে পানি খাওয়ার অপকারিতা

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাড়িতে নাহয় গ্লাসে ঢেলে খাওয়া হয়, অফিসে কিংবা রাস্তায় তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। কাঁচ কিংবা স্টিলের বোতল আর কজন সঙ্গে রাখেন! তাইতো প্লাস্টিকের বোতলেই পানি খেয়ে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। তৃষ্ণা নিবারণ যখন জরুরি হয়ে ওঠে, তখন পানির পাত্রের দিকে নজর দেওয়ার সময় সবার থাকে না।

প্লাস্টিকের বোতলে পানি খাওয়ার ফলে আপনার অজান্তেই হচ্ছেন শারীরিক নানা ক্ষতির শিকার। কারণ এটি মোটেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। বিশুদ্ধ পানি হলেও প্লাস্টিকের বোতলে রাখার কারণে তাতে নানা ক্ষতিকর পদার্থ যোগ হয়ে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে। ফলস্বরূপ আপনি ভুগতে শুরু করেন অসুখে। জেনে নিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করার অপকারিতা-

ক্ষতিকর উপাদান: গরমে যখন প্রকৃতির তাপমাত্রা বাড়ে তখন স্বাভাবিকভাবে প্লাস্টিকের বোতলে থাকা পানিও গরম হয়ে যায়। এতে প্লাস্টিকের নানা উপাদান বোতলে থাকা পানিতে মিশে যায়। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ক্ষতিকারক উপাদানগুলোও অনেক বেশি মিশতে থাকে। আর সেই পানি পান করলে তা শরীরের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তাই গরমে তৃষ্ণা নিবারণের আগে দেখে নিন সেটি প্লাস্টিকের বোতলে নেই তো!

ডায়াবেটিস, মেদ ও আরও অনেক সমস্যা: প্লাস্টিকে থাকে Biphenyl-A নামক একটি উপাদান। এই উপাদান গরম তাপ পেলে পানির সঙ্গে দ্রুত মিশে যায়। এটি শরীরে প্রবেশ করলে দেখা দিতে পারে ডায়াবেটিস, বন্ধ্যাত্ব, মেদ, মানসিক জটিলতার মতো সমস্যা। তাই এ ধরনের মারাত্মক সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হলে প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করা বন্ধ করতে হবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়: প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করার আছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব। আপনি যদি প্লাস্টিকের বোতলে রাখা পানি খান তবে সেই পানির সঙ্গে মিশে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ শরীরে প্রবেশ করে। ফলে কমতে থাকে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেখান থেকেই দেখা দেয় নানা অসুখের ভয়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: প্লাস্টিকের বোতলে থাকে থ্যালেট নামক একটি ক্ষতিকর উপাদান। প্লাস্টিকের বোতলে পানি রাখলে তা পানির সঙ্গে মেশে। এই ক্ষতিকর উপাদান বাড়িয়ে দেয় লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি। সেইসঙ্গে এটি পুরুষের বন্ধ্যাত্বেরও কারণ হতে পারে।


আরও খবর
‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




পাঁচ কারণ: কেন নিয়মিত খাবেন ওটস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিন্তু হরেক রকম খাদ্যগুণের জন্য এখন ক্রমেই বাড়ছে ওটস খাওয়ার চল। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, খনিজ দ্রব্য ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ ওটস যেমন সহায়তা করে পুষ্টিতে তেমনই দূরে রাখে বেশ কিছু গুরুতর রোগ। দেখে নিন কী কী উপকার মিলতে পারে নিয়মিত ওট খেলে।

১। রক্তবাহের স্বাস্থ্য রক্ষায়: ওট খেলে দেহে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ হ্রাস পায়, ফলে কমে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস রোগের ঝুঁকি। পাশাপাশি ওটে থাকে অ্যাভেনানথ্রামাইড নামক এক প্রকার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে: ওটের খোলাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। বিশেষত ওটে থাকা বিটা-গ্লুকান নামক এক প্রকার ফাইবার পেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় বেশ উপযোগী বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। ফাইবারসমৃদ্ধ খাদ্য কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।

৩। ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে: মধুমেহতে ভোগা রোগীরা কী খাবেন আর কী খাবেন না তা নিয়ে সর্বদাই চিন্তিত থাকেন। ডায়বিটিস রোগীদের জন্য একটি ভাল বিকল্প হতে পারে ওটস। পাশাপাশি ওটের ফাইবার বিপাক প্রক্রিয়ার গতিকে কমিয়ে দিতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ আচমকা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

৪। ওজন কমাতে: ওটসে স্নেহ পদার্থের পরিমাণ বেশ কম। পাশাপাশি যে হেতু ওটস দীর্ঘ সময় পেটে থাকে, তাই খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে । ফলে যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন তাঁদের জন্য ওট বেশ উপযোগী।

৫। স্ট্রোকের আশঙ্কা কমাতে: বিশেষজ্ঞদের মতে ওটস ফাইবারে থাকে এমন কিছু উপাদান যা রক্তনালীর পুনর্গঠনে সহায়তা করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালীগুলি পুনরায় স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এতে হ্রাস পেতে পারে স্ট্রোকের আশঙ্কা। তবে মনে রাখবেন সবার শরীর সমান নয়। তাই যে কোনও খাবার বা পথ্য নিয়মিত খাওয়ার আগে একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বিচক্ষণতার পরিচয়।

নিউজ ট্যাগ: ওটস

আরও খবর



শিমুলিয়া ঘাটে অতিরিক্ত টাকার নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিমুলিয়া ঘাটে সিরিয়ালের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ফেরি সঙ্কটে যাত্রী ও যনবাহন পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ঈদে ঘরমুখো দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে এসব অনিয়মের অভিযোগের মধ্যেই ঈদ উদযাপন করতে বাড়ি ফিরছে লাখ লাখ মানুষ। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিরকান্দি নৌরুটে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপে দেখা দিয়েছে। আর সেই চাপের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যানবাহন চালকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভেঙে পরের গাড়ি আগে পার করার অভিযোগ উঠেছে ফেরি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও লঞ্চ গুলোতেও নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী।

বর্তমানে এই নৌরুটটিতে ১০ টি ফেরি, ৮৩ টি লঞ্চ ও ১৫৫ টি স্পিডবোর্ডে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

স্পিডবোট ঘাটে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ঘাট ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে জোর করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে টিকিট না দিয়ে বকাঝকা করারও অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্পিডবোট ঘাট ইজারাদার আশ্রাফ হোসেনের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তিনি ফোন ধরেননি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন, মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ আবু তাহের মিয়া।

টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভাঙার বিষয়টি মিথ্যা দাবি করে বিআইডাব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক (মাওয়া জোন) শফিকুল ইসলাম বলেন, যাত্রী ও যানবাহন ঘাটে এসেই পার হতে চায় ফলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। 

নিউজ ট্যাগ: শিমুলিয়া ঘাট

আরও খবর