আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

জাবিতে পাঁচ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দুই ঘন্টার জন্য প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য আচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর বেলা ১১টার দিকে অবরোধ কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো- অছাত্রদের বের করে গণরুম বিলুপ্ত করা; নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা; যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তিসহ ক্যাম্পাসে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; ধর্ষণের ঘটনায় প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে 'নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের' ব্যানারে অবরোধ লেখা সম্বলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ঝুলিয়ে দেন তারা। ফলে প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের বাইরে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

অবরোধ চলাকালে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, 'সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনো বাস্তবায়ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করতে পারেনি। তারা পাঁচ কর্মদিবস সময় চেয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় গতকাল শেষ হলেও অছাত্রদেরকে বের তো দূরে থাক বরং প্রশাসন তাদেরকে নিয়ে ভাগবাটোয়ারার মিটিং করছে প্রতিনিয়ত। তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা অবরোধ করছি।'

নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি বলেন, উপাচার্য গতকাল বলেছেন আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি অছাত্রদের বের করার। তিনি যদি আপ্রাণ চেষ্টা করেই থাকবে তাহলে এই পাঁচ দিনে অন্তত পাঁচশত শিক্ষার্থী বের করার কথা। যদি সেটা না পারেন তাহলে তিনি কোন নৈতিকতার বলে তিনি তার পদে আছেন সেই প্রশ্নটি করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গত কয়েক বছর ধরে ঘুরে ঘুরে পদে আসছেন। আমরা জানিনা তার মধ্যে বিশেষ কি গুণ রয়েছে, কোনো বিশেষ গুণতো দেখতে পাই না। তিনি নিজেও নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত, অসংখ্য নিপীড়নের ঘটনাকে তিনি উস্কে দিচ্ছেন। তাকে বারবার ক্ষমতায় বসিয়ে কি বুঝাতে চান আমরা বুঝিনা।এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য অনুরোধ করছি আমরা।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে, গতকাল রবিবার রাতে একই দাবিতে একটি মশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আধা-ঘণ্টা পর বাসভবন থেকে বের হয়ে আসেন উপাচার্য। এসময় আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। তখন নির্ধারিত পাঁচ কর্মদিবস পার হলে প্রতিশ্রুতির কথা রাখতে না পারায় আন্দোলনকারী প্রশাসনিক ভবন অবরোধের ঘোষণা দেন।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মানব পাচারে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত : ডিবি হারুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মানব পাচার চক্রের পাঁচজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভুয়া ভিসা, বোডিং পাস, বিমানের টিকিট উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মিন্টু রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানায়, মধ্যপ্রাচ্য, লিবিয়াসহ বেশকিছু নৌকাডুবিতে মৃত্যুর কারণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। যার কারণে দালাল চক্র ইউরোপ এবং সেনজেনভুক্ত দেশে লোক পাঠিয়ে আসছিলো চক্রটি। এ পর্যন্ত ২৫০ জনের বেশি লোক বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছে দালাল চক্রটি। চক্রের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের নিরাপত্তাকর্মী, কুয়েত এয়ারওয়েজের কর্মী রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায় চক্রের লোক থাকে যারা বিমানের টিকিট, ভুয়া ভিসা এবং বোডিং পাস ম্যানেজ করে দেয় এবং বিমান পর্যন্ত উঠতে সহায়তা করে থাকে। বেশিরভাগ যাত্রীকে তারা টুরিস্ট ভিসা বা ভুয়া ভিসায় পাঠায়। নির্দিষ্ট একটা সময় পর তারা বুঝতে পারে তারা জালিয়াতি চক্রের খপ্পরে পরেছে। কারও ভাগ্য ভালো থাকলে তারা দেশে ফিরে আসতে পারে, না হলে কারাগারে যেতে হয়। ১৬-১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে জাল ভিসা দিয়ে থাকে চক্রটি।

ডিবির দাবি, চক্রের সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত আছে। তা না হলে কিভাবে বোডিং পাস, বিমানের টিকিট ম্যানেজ সম্ভব হয়।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




ছাদ থেকে পড়ে ডিবি কর্মকর্তার গৃহকর্মীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আনোয়ারা (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সহকারী পুলিশ কমিশনার তরিকুল ইসলামের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি পড়ে যান। পরে দুপুর দেড়টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

মৃত আয়োয়ারার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায়। বেশ আগেই স্বামী রেজার সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানা গেছে।

শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজিত কুমার সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মালিবাগ ১৭৭/১৭৮/১৭৯ (মাধবীলতা) নম্বর ভবনের সহকারী পুলিশ কমিশনার তরিকুল ইসলাম স্যারের বাসায় ১৬-১৭ মাস ধরে কাজ করতেন আনোয়ারা। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ওই নারীকে ছাদের ওপর হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। এখন অসাবধানতাবশত পড়ে গেলেন, না লাফিয়ে পড়েছেন- বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে।


আরও খবর



আজকের দর্পণে সংবাদ প্রকাশের পর

কৈখাইন-চামুদরিয়া সড়ক সংস্কার কাজ শুরু, জনমনে স্বস্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো.আমজাদ হোসেন, আনোয়ারা

Image

দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় পরৈকোড়া ইউনিয়নের কৈইখাইন চামুদরিয়া শাহ্ আলী রজা (রহঃ) সড়কের সংস্কার কাজ। ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে জনসাধারণ।

এর আগে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে ভরে ছিলো সড়কটি। সড়কে ছোট-বড় গর্তে পড়ে প্রায়ই বিকল হতো যানবাহন, ঘটতো নানা দুর্ঘটনা। তাছাড়া এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই যাতায়াত করছেন হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৩০শে জানুয়ারী জাতীয় দৈনিক "আজকের দর্পণ পত্রিকায়" পাঁচ কিলোমিটার সড়কে পাঁচ হাজার গর্ত! শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। অবশেষে গত বুধবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ হতে ওষখাইন দরবার শরীফ পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের কাজ শুভ উদ্বোধন করেন পরৈকোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, কৈখাইন-চামুদরিয়া শাহ্ আলী রজা (রহঃ) সড়কে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কানুশাহ্ (রহঃ) মাজার পর্যন্ত মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব করতে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যায়ে শুরু হয়েছে সড়ক সংস্কারের কাজ। দীর্ঘদিন কাপেটিং হওয়া সড়কটির বেশিরভাগ অংশ জুড়েই ছিলো ছোট-বড় গর্ত। ফলে এই ইউনিউনের বেশির ভাগ মানুষই ওই সড়ক পথে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হওয়া এ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বসিত হয়েছেন।

পরৈকোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক চৌধুরী বাবুল বলেন, সাবেক ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কৈখাইন চামুদরিয়া শাহ্ আলী রজা (রহঃ)সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় সকলের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আশা করি খুব দ্রুততার সাথে সড়কের কাজ শেষ হবে।


আরও খবর



জন্মদিনে স্বর্ণের কেক কাটলেন উর্বশী

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা ৩০ বছরে পা রাখলেন। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জন্মদিনে ২৪ ক্যারেট খাঁটি সোনার কেক কাটলেন তিনি। এ সময় তার পাশে ছিলেন জনপ্রিয় ব়্যাপার হানি সিং।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস) জানিয়েছে, বর্তমানে হানি সিংয়ের সঙ্গে একটি মিজজিক ভিডিও অ্যালবামে কাজ করছেন উর্বশী। চলছে মিজজিক ভিডিও অ্যালবামের শুটিং।

২০১৫ সালে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের মেয়ে উর্বশী রাউতেলা। ২০১৩ সালে ‌সিং সাহাব দ্য গ্রেট ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এরপর সনম রে, হেট স্টোরি ৪, ভার্জিন ভানুপ্রিয়ার মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর সুবিধা দিতে হাইকোর্টের রায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ লক্ষাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

পরে এই আইনজীবী জানান, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা, ১৯৯৯ এর প্রবিধান-৬ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা, ২০০৫ এর প্রবিধান-৮ অনুযায়ী শিক্ষকদের  মূল বেতনের ২ শতাংশ ও কর্মচারীদের ৪ শতাংশ কাটার বিধান ছিল। যার বিপরীতে শিক্ষকদের ট্রাস্টের তহবিল হতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কিছু আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হতো। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল উল্লিখিত প্রবিধানমালাগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ কাটার বিধানগুলো সংশোধন করে ৪ শতাংশ এবং ৬ শতাংশ করে দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই অতিরিক্ত অর্থ কাটার বিপরীতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কোনও বাড়তি আর্থিক সুবিধার বিধান করা হয়নি বলে জানান মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারীদের ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের বেতন হতে ৬ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ টাকা অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে জমা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। 

আরও পড়ুন>> ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ কাটার বিপরীতে কোনও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি না করায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে অতিরিক্ত অর্থ কাটার আদেশ বাতিল করার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে তারা বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। তাতেও কর্তৃপক্ষ নীরব থাকলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে বিবাদীদের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন।

পরবর্তীতে নতুন একটি প্রবিধানমালা জারি করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসরের ৬ মাসের মধ্যে কেটে নেওয়া ৬ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ অর্থের বিপরীতে সুবিধা প্রদান করার নির্দেশনা চেয়ে সাপ্লিমেন্টারি রুলের জন্য আবেদন দাখিল করেন। শুনানির পর বিচারপতি জাফর আহমেদ এবং বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিবাদীদের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪