আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ৮২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।  তিনি বলেন, জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের জাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে জাকাত আদায় করতে পারবেন। আর একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন। জাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেওয়া হবে ইসলামি ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে। কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশনটা তারা করবেন। কাকে কাকে কীভাবে দেবে, এটা তারাই ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা অর্থ সংগ্রহ করবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া আইনটিতে ১৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারিভাবে জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে জাকাতদানে উদ্বুদ্ধ করা হবে। জাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, জাকাতদানে আগ্রহী ব্যক্তিদের যাকাতযোগ্য সম্পদের বিষয়টি খসড়া আইনে রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সুরা তাওবায় প্রিসাইসলি সাতটি ক্যাটাগরি করে দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি যে জাকাতযোগ্য, সেই সাত ক্যাটাগরির যেকোনো একজনকে জাকাত দিতে পারবেন। বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে বোর্ড আছে। অনেকেরই হয়ত ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার সুযোগ থাকে না, সে হয়তো জাকাতফান্ডে দিয়ে দিলেন। তখন জাকাত ফান্ড তার পক্ষে জাকাত আদায় করে দেবে।


আরও খবর



টানা এক সপ্তাহ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দিন দিন বেড়েই চলছে শীতের প্রকোপ। এক দিকে হিমালয়ের হিম বাতাস অন্য দিকে ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি কুয়াশা হওয়ায় জেলায় শীতের তাপমাত্রা উঠানামা করছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষদের।

সোমবার (০৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া উপজেলার পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। টানা এক সপ্তাহ ধরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে বলে আবহাওয়া অফিস নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতিদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও উত্তাপ স্থায়ী থাকছে না। ফলে বেলা গড়াতে না গড়াতেই হিম শীতল বাতাস বইতে শুরু করে জেলাজুড়ে। এছাড়া রাতভর থাকছে শীতের দাপট। তবে এক সপ্তাহ তাপমাত্রা উঠানামা করলেও শীতের চেয়ে কুয়াশার দাপট কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। সকালের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত রোদের উজ্জ্বল হাসি থাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে খানিকটা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, প্রতি শীত মৌসুমে অন্যান্য জেলার তুলনায় এ জেলায় শীত আসে আগে। তবে বর্তমানে যে শীত অনুভূত হচ্ছে তা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। তাপমাত্রা বর্তমানে ১০ ডিগ্রির ঘরে ঘুরপাক খেলেও তা ৪-৫ ডিগ্রির ঘরে নেমে যাবে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে ইতোমধ্যে গরিব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, সোমবার সকাল ৯টায় তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তবে আকাশে কিছুটা মেঘ দেখা যাচ্ছে। শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 


আরও খবর



করোনায় আরও ৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ২২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচ হাজার ২৮০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৭৭ হাজার ১৩১ জনে। একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৪০ হাজার ২৩৫ জন।  এতে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯ জনে।

এদিকে বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৩৯ জন। মারা গেছেন ৫৭৫ জন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত পাঁচ কোটি এক লাখ ২৮ হাজার ৪৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন আট লাখ ১০ হাজার ৩৬ জন।

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজার ১৮৪ জন। নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩২ হাজার ১৩৬ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৮ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৮২ হাজার ৪৬২ জনের।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত তিন কোটি ৪৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬ জন। মারা গেছেন চার লাখ ৭৩ হাজার ৫৩৭ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ১১৫ জন। নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন চার হাজার ৩৮৫ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই কোটি ২১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৬ জন। মারা গেছেন ছয় লাখ ১৫ হাজার ৭৮৯ জন।


আরও খবর



রাজধানীর গুলশানে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গুলশানে সানা রেজওয়ান (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে গুলশান-২-এর ৪১ নম্বর রোডের একটি বাড়ির সামনে থেকে সানার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির বাচ্চু মিয়া বলেন, মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে রাত আড়াইটার দিকে ১০ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে সানা। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।’ বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, তবে সত্যিই সে আত্মহত্যা করেছে, না-কি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ১২ তলা বাড়ির দশম তলায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত সানা। তার বাবা একজন পোশাক ব্যবসায়ী। উত্তরার সানবিমস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সানা।

এ বিষয়ে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিল্পী আক্তার বলেন, সানা আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার জানিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী প্রতিবছরের এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়ে থাকে। তবে করোনার কারণে পৌনে তিন বছর পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সর্বশেষ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়।

গত বছর করোনার কারণে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে অটোপাস দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। চলতি বছরের এপ্রিলে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও আট মাস পিছিয়ে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে ডিসেম্বরে। সব মিলিয়ে করোনার নতুন সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই পৌনে তিন বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না। তবে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি যেন না হয় সে জন্য শিক্ষার্থীদের স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন অংশ নিচ্ছেন। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি থেকে পাওয়া তথ্যমতে, দেশের সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন, ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। এতে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন, ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম বা ভোকেশনাল) পরীক্ষা দিচ্ছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। এতে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন, ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন। সুষ্ঠুভাবে এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য ইতিমধ্যে ২৫ নভেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া আছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর পদার্থবিজ্ঞান প্রথম (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা আজ সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ৩০ ডিসেম্বর শেষ হবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কোরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়ে ১৯ ডিসেম্বর শেষ হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা আজ থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন সাগরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের আধার হিসাবে বিবেচিত দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রবালগুলো রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। গত চার দশকে এ দ্বীপ উপকূল থেকে হারিয়ে গেছে হাজার হাজার টন প্রবাল ও পাথর। এ কারণে ক্ষয়ের শিকার হয়ে উপকূলের বিস্তীর্ণ ভূমি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, বিশেষ করে দ্বীপের উত্তর উপকূলে সৃষ্টি হয়েছে ভাঙনের। মনুষ্যঘটিত বেশ কয়েকটি প্রভাবে দ্বীপটি পরিবেশগত এক ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাবের শিকার হয়েছে। অবিলম্বে পরিবেশগত পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া না হলে অদূর ভবিষ্যতে দ্বীপটি সাগরগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

শনিবার কক্সবাজারের পেঁচারদ্বীপস্থ বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বুরি) বিজ্ঞানীদের ২০২০-২১ অর্থবছরে সম্পাদিত গবেষণা ফলাফল উপস্থাপনের ওপর আয়োজিত এক সেমিনারে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান এবং বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ।

প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। পরিবেশ ও পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমেই সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে। যদি আমাদের প্রাকৃতিক রিসোর্স বা সম্পদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে উন্নয়ন কখনো টেকসই হবে না। তাই প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেমিনারে প্রবাল ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ শীর্ষক মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও সমুদ্র বিজ্ঞানী সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর (অতিরিক্ত সচিব)।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশগত পুনরুদ্ধারের জন্য বুরি বিজ্ঞানীরা কয়েকটি প্রজাতি চিহ্নিত করেছেন এবং যার মাধ্যমে সেন্টমার্টিনে দ্বীপে কৃত্রিম উপায়ে কোরাল রিফ গড়ে তোলার কৌশলও অর্জন করেছেন বলে জানান মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর।

তিনি দ্বীপে পরিবেশগত বিপর্যয়ের জন্য প্রবাল মরে যাওয়া, আহরণের কারণে উপকূল থেকে প্রবাল ও পাথর হারিয়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন। তিনি অপরিকল্পিতভাবে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা, প্লাস্টিক ও অন্যান্য দূষণ, ক্ষতিকর পদ্ধতিতে মাছ ধরা, অতিরিক্ত মাছ ধরা ও বড় বড় জাহাজ চলাচলসহ মনুষ্যঘটিত অন্যান্য কারণেই এ দ্বীপের প্রবালগুলোর রোগাক্রান্ত হওয়া ও মরে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২০-২১ অর্থবছরের গবেষণা ফলাফলসহ মোট সাতটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: সেন্টমার্টিন

আরও খবর
বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১