আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

জামায়াত শিবিরের রাজনীতির প্রতি আনুগত্য আছে কদরুদ্দিন শিশিরের

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের ফেসবুকের ফ্যাক্ট চেকার কদরুদ্দিন শিশির বুম বিডি নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যার নিয়োগ হয়েছে। Boom BD এর প্রধান কর্মকর্তা কদরুদ্দিন শিশির।

পাশাপাশি কদর উদ্দিন শিশির বিডি ফ্যাক্ট চেক নামক আরেকটি ফ্যাক্ট চেকারের সহ-প্রতিষ্ঠাতাও। দীর্ঘদিন যাবত সরকার সমর্থিত বা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির অনলাইন আ্যকটিভিস্টদের অভিযোগ ছিল ফেসবুকের Fact-checking এর পক্ষপাত মূলক আচরনের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে কদরুদ্দিন শিশিরের অতীত এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একসময় যমুনা টেলিভিশনে সাংবাদিকতা করা এ ব্যক্তি জামায়াত শিবিরের রাজনীতির প্রতি আনুগত্য আছে। নানা সময়ে সরকার বিরোধি অনেক লেখালেখি করেছেন এই শিশির। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সারাদেশে গণজাগরণ তৈরী হলেও কাদের উদ্দিন শিশির ছিলেন স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষের একজন। যুদ্ধাপরাধী সাঈদীকে নিয়ে তার ফেসবুক পোষ্ট আমাদের সংরক্ষনে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে বিদ্রুপপূর্ন পোষ্ট করতেও দেখা গেছে। তার লেখালেখি বাঁশেরকেল্লা সহ জামায়াত শিবিরের অনেক পেইজ ও গ্রুপে কার্টেসি দিয়ে প্রকাশ হতো। এছাড়াও জামায়াত শিবিরের অনেক আইডি থেকে সরকার বিরোধী পোষ্টসমূহের ট্যাগ তার সাথে দেখা গেছে।

এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও আছে জামায়াত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ততা। তার ভাই আ.আ.ছ ইসমাঈল জবিহুল্লাহ (Zabihullah) সরাসরি শিবিরের রাজনীতিতে জড়িত থাকার প্রমান আছে। সিলেট মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি পরে সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সাথে তার ছবি আমরা খুঁজে পেয়েছি।

https://m.facebook.com/photo.php?fbid=1442705565979503&set=a.1378378459078881&type=3

কদরুদ্দিন শিশির নিয়ে বিস্তারিত

এমন কিছু তথ্য প্রমান, ফেসবুক লিংক, স্ক্রিনশর্ট এখানে তুলে ধরছি। উল্লেখ্য কদরুদ্দিন শিশিরের ফেসবুক আইডির অতীতের লেখা ও পোষ্ট সমূহ only Friends করা।

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=526461697364354&set=a.135851459758715&type=3

২/ ২০১২ সালের ডিসেম্বরে কাদের শিশির সরকারের এক নারী মন্ত্রীকে নিয়ে ব্যাঙ্গতক কবিতা ফেসবুক পোষ্ট করেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যঙ্গভাবে উপস্থাপন করে।

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=400365836640608&set=a.135851459758715&type=3

৩/ ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ছবি ব্যাঙ্গত্বক কাটুন আঁকারে প্রকাশ করে কাদের উদ্দিন শিশির। ছবির উপরে ক্যাপশনে সে লিখে India-bd friendship

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=216612325015961&set=a.135851459758715&type=3

৪/ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে এক ফেসবুকে স্টাটাসে সরাসরি দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভিসহ  জামায়াত নিয়ন্ত্রিত অনলাইন পোর্টাল শীর্ষ নিউজ, সোনারবাংলা বন্ধের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের বিষয়টি ফেসবুকে লিখেন কাদের উদ্দিন শিশির।

https://www.facebook.com/qshishir/posts/1392703044073544

৫/ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে একটি গুজব সংক্রান্ত প্রপাগান্ডা পোষ্ট করে শিশির।

https://tinyurl.com/y7bjbubv

কদরুদ্দিন শিশিরের ফেসবুক আইডিতে ডুকতেই Featured এ দুইটি ছবি চোখে চোখে পড়বে। একটি হচ্ছে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুরানো একটি খবর। অন্যটি কাজী নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যের কাঁধে হাত দিয়ে ব্যঙত্বক ভঙ্গিতে ছবি। ছবি দুইটি ২০১৭ সালে এড করা হয়েছে।

নিচে কিছু লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেকটি লিংকে প্রবেশ করলে দেখা যাবে- জামায়াত শিবিরের বিভিন্ন আইডি বা পেইজ থেকে সরকার বিরোধী হরতাল সমাবেশ বা প্রপাগান্ডা কদরুদ্দিন শিশিরের আইডিতে ট্যাগ হয়েছে। উল্লেখ্য, এসকল পোষ্টে অন্য যেসকল আইডিতে ট্যাগ হয়েছে তারা প্রত্যেকেই জামায়াত শিবিরের নেতৃবৃন্দ।

https://www.facebook.com/mrdilwer/photos/a.160692204067974/245738975563296/?type=3

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=434582330051054&set=a.144396205736336&type=3

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=608383032508724&set=a.211134155566949&type=3

https://www.facebook.com/Desher.Khobor/photos/a.262592573828963/966420686779478/?type=3

নিচে কিছু লিংক সংযুক্ত করা হচ্ছে। জামায়াত শিবিরের ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপে কদরউদ্দিন শিশিরের লেখা কার্টেসি দিয়ে প্রকাশ হতো।

https://www.facebook.com/groups/JamaatShibirNetwork/permalink/1785935788132446/

https://www.facebook.com/groups/BICSgroup/permalink/2466227680354814/

কদরউদ্দিন শিশিরের ভাই আ.আ.ছ ইসমাঈল জবিহুল্লাহ (Zabihullah) আপাদমস্তক শিবিরের রাজনীতিতে জড়িত। যা উপরে সিলেট নগর শিবিরের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সাথে ছবিতে দেখা গেছে। এখন তার সরকার বিরোধি নানমুখি গুজব, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেনাবাহিনী সহ সরকার বিরোধী বিভিন্ন পোষ্টের লিংক সংযুক্ত করছি।

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2535698990013483/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2504458666470849/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2503248469925202/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2491638797752836/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2441847749398608/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2252234708359914/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2164869220429797/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2161810177402368/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2156982287885157/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2082037375379649/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/2066601486923238/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/1872973379619384/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/1857687067814682/?d=n

https://www.facebook.com/100007202192520/posts/1857687067814682/?d=n

নিউজ ট্যাগ: কদরুদ্দিন শিশির

আরও খবর



আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
স্বাধীন সাংবাদিকতার ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী

আজ সোমবার (৩ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। দিবসটির এ বছরের স্লোগান তথ্য জনগণের পণ্য। প্রতি বছর আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় (৩ মে) তারিখটিকে ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডেঅথবা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়।

স্বাধীন সাংবাদিকতার ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয় এই দিনটিতে।

দিনটি উপলক্ষে জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয় থেকে রবিবার (২ মে) মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের একটি বার্তা প্রচার করা হয়। উইন্ডহোক ঘোষণার ৩০ বছরশীর্ষক বাণীতে গণমাধ্যম বিষয়ে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় আমরা বিশ্বব্যাপী যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি, সেগুলো জীবন বাঁচাতে, শক্তিশালী, স্থিতিশীল সমাজ গঠনে এবং সর্বজনীন ভূমিকাকে চিহ্নিত করে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দিবসটি উপলক্ষে এক বিবৃতিতে জানায়, কোভিড-১৯ অতিমারিকালে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের পেশাগত ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরও প্রকট হয়েছে। বহু গণমাধ্যম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য সাংবাদিক চাকরিচ্যুত কিংবা পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছেন। তাই মুক্ত গণমাধ্যম এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে অবিলম্বে স্বাধীন ও পেশাদার গণমাধ্যমের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।


আরও খবর



ক্যাচ মিসের মাশুল দিয়ে হতাশাময় সেশন বাংলাদেশের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম টেস্টের ছবিই ভেসে উঠছে ক্যান্ডিতে। পিচ বোলারদের সাহায্য করলেও উইকেটের দেখা নেই বাংলাদেশের। লাঞ্চ বিরতির পরও সাফল্য আসেনি। উইকেট অক্ষত রেখে শ্রীলঙ্কার স্কোর ১০০ ছাড়িয়ে গেছে।

নাজমুল হোসেন শান্ত ক্যাচটি তালুবন্দি করতে পারলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারতো। তার ক্যাচ মিসে দ্বিতীয় জীবন পাওয়া দিমুথ করুণারত্নে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৬তম হাফসেঞ্চুরি। ২৮ রানে জীবন পাওয়া লঙ্কান অধিনায়ক ইতিমত্যে পূরণ করেছেন টেস্টের ৫ হাজার রানের মাইলফলকও।

করুণারত্নের সঙ্গে সমানতালে লড়ে যাচ্ছেন আরেক ওপেনার লাহিরু থিরিমানে। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বোলারদের কোনও সুযোগই দিচ্ছেন না। চমৎকার ব্যাটিংয়ে তিনিও পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। ১০২ বলে পূরণ করেছেন লাল বলের ক্রিকেটের ১১তম ফিফটি। তাদের দৃঢ়তায় কঠিন সময় যাচ্ছে তাসকিন আহমেদ-আবু জায়েদ রাহীদের। অথচ শান্ত ক্যাচটি নিতে পারলে উইকেট উদযাপন করতে পারতেন তাসকিন।

ক্যান্ডির দ্বিতীয় টেস্টেও তাই লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের দাপট। ৩৭ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ১১৪।

এই ক্যাচ ফেলে দিলেন শান্ত!

সুযোগ খুব বেশি দিচ্ছেন না শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা। অনেক চেষ্টার পর এলো প্রথম দিনের সবচেয়ে সহজ সুযোগ। কিন্তু হেলার নষ্ট করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। স্লিপে দাঁড়িয়ে বল হাতে নিলেন কিন্তু তালুবন্দি করতে পারলেন না। বোলার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আক্ষেপে পুড়লো বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

দ্বিতীয় টেস্টেও দুর্দান্ত সব ডেলিভারি দিচ্ছেন তাসকিন। বেশ কয়েকবার কঠিন পরীক্ষা নিয়েছেন শ্রীলঙ্কান ওপেনারদের। চমৎকার বোলিংয়ের পুরস্কারও পেতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সতীর্থ ফিল্ডার শান্ত সুবর্ণ ‍সুযোগ নষ্ট করলে উইকেট বঞ্চিত তাসকিন। ডানহাতি পেসারের দুর্দান্ত ডেলিভারি দিমুথ করুণারত্নের ব্যাটের কানায় লেগে গেলে স্লিপে দাঁড়ানো শান্ত হাতে নিয়েও বল রাখতে পারেননি। ফলে করুণারত্নে পেলেন দ্বিতীয় জীবন

এক বল পরই দলীয় ৫০ রান ছাড়ায় শ্রীলঙ্কা। ফলে কোনও উইকেট না হারিয়েই ফিফটি পেয়েছে স্বাগতিকরা। আর প্রথম সেশনে বাংলাদেশকে থাকতে হয় উইকেটশূন্য। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ২৭ ওভারে ৬৬ রান।

রিভিউ নষ্ট করলো বাংলাদেশ

রিভিউয়ের সঠিক ব্যবহারে এখনও পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ক্যান্ডি টেস্টের প্রথম দিনের খেলায় যেমন নষ্ট করলো একটি রিভিউ। আবু জায়েদ রাহীর বল দিমুথ করুণারত্নের ব্যাটের বেশ খানিকটা বাইরে দিয়ে যাওয়ার পরও রিভিউ নিয়েছিলেন অধিনায়ক মুমিনুল হক।

১২তম ওভারের চতুর্থ বলটি করেছিলেন রাহী। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করা বল হয়তো পয়েন্ট দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি করুণারত্নে। কিন্তু বাড়তি বাউন্স পাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী খেলতে পারেননি। বল সরাসরি জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। বোলার রাহী আবেদন করতেই থাকলেন, তাতেও আম্পায়ারের সাড়া মেলেনি। এই অবস্থায় বেশ খানিকটা সময় নিয়ে অতঃপর রিভিউ নিলেন মুমিনুল।

কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাট-বলে কোনও সংযোগ হয়নি। ফলে রিভিউ হারায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বোলারদের সামনে অবশ্য সুবিধা করতে পারছেন না শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার করুণারত্নে ও লাহিরু থিরিমানে। শুরু থেকেই তারা সতর্ক। বেশ কয়েকবার পরীক্ষাও দিতে হয়েছে তাদের। যদিও ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে উইকেট অক্ষত রেখেছেন দুই ওপেনার। প্রথম ঘণ্টায় কোনও উইকেট না হারিয়ে স্বাগতিকদের স্কোর ছিল ১৪ ওভারে ২২।


আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ মে ২০২১ | ৩২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৯৭২ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫১৪ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ২৭ জনে। মৃত্যু ৩৮ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী।

সোমবার (১০ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১১৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ১২ হাজার ২৭৭ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৫৪টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২৮টি, জিন এক্সপার্ট ৩৫টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ২৯১টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ৯৬৩টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৪৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৬ লাখ ৪৭ হাজার ১৯৭টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৯০ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৪ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৬ জন, সিলেট বিভাগে ৩ জন, বরিশাল বিভাগে ২ জন। এছাড়া রংপুর বিভাগে ১ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১০ জন। আর বাড়িতে মারা গেছেন ২ জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ২৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৩৩৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৫২ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ২৬ হাজার ৪৯১ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৫৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৩৩২ জন।


আরও খবর



আরও এক সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের সুপারিশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সরকার ইতোমধ্যে ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। কমিটি এতে সন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না। দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি

আরও এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকালে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির ৩১তম সভা রবিবার (১৮ এপ্রিল) দিনগত রাতে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেশ কিছু সুপারিশসমূহ গৃহীত হয়। এতে বলা হয়, আরও এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউনের পরবর্তী সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে আবার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। ধীরে ধীরে লকডাউন শেষ করার পূর্ব পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সভায় সংক্রমণের অবস্থা ও প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সারাদেশে কোভিড-১৯ এর উচ্চ সংক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান মৃত্যুতে সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিটি। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন সুপারিশ করেছিল। সরকার ইতোমধ্যে ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। কমিটি এতে সন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না। দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি কমিটি উপলব্ধি করে। তবে বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে। পাশাপাশি সভা-সামাজিক সমতার বিষয়েও নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। স্বাস্থ্য, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া সভায় সবকিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কমিটি খোলা রাখা জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করার অনুরোধ করে। অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। উদাহারণ হিসেবে চলমান লকডাউনে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিউটির জন্য চলাচলে বাধা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। কাঁচাবাজার উন্মুক্ত স্থানে স্থাপনের প্রস্তাব আবারও দেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতাল চালু হওয়ায় সভায় সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়। রোগী ভর্তির বাড়তি চাপ থাকায় অতিদ্রুত আরও সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়।

করোনা রোগী দ্রুত শনাক্ত করা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ল্যাবরেটরির সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। সাম্প্রতিককালে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। নমুনা সংগ্রহ সহজ ও রোগীদের হাতের নাগালের মধ্যে আনার জন্য শহর অঞ্চলে প্রতি ওয়ার্ডে নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা প্রয়োজন। সভায় রিপোর্ট দ্রুত পাঠানোর জন্য নমুনা সংগ্রহের বুথে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

নমুনা পরীক্ষা সহজলভ্য করার উদ্দেশে কমিটি ইতোমধ্যে সরকারি নমুনা পরীক্ষা বিনামূল্যে করার পরামর্শ দিয়েছে। পিসিআর টেস্ট কিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বেসরকারি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মূল্য পুনর্নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে যেমন পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বে, তেমনিভাবে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসবে ও সাশ্রয়ীমূল্যে পরীক্ষা করা যাবে। সরকারি ল্যাবরেটরিতে চাপ কিছুটা কমবে। এতে রোগীদের পরীক্ষা ও রিপোর্ট দ্রুত দিয়ে আইসোলেশন নিশ্চিত করা যাবে। যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি/বেসরকারি সব হাসপাতাল, ক্লিনিকে গর্ভবতী করোনা/নন করোনা মাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিন্তে করার জন্য অনুরোধ করা হয়। এ ব্যাপারে অন্যথায় উচিত নয়। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে অবশ্যই গর্ভবতী মাদের সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নতুন ডিএনসিসি হাসপাতালে গর্ভবতী মাদের একটা কর্নারে বিশেষায়িত (আইসিইউ) ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়। প্রতিটি হাসপাতাল তার নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী চেইন অফ রেফারেন্স সিস্টেম মেনে চলবেন।

সব মৃদু করোনা রোগীদের বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য টেলিমেডিসিন সেবা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে কোয়ালিটি সেবা নিশ্চিত করার জন্য টেলিমেডিসিন সেবা নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন।


আরও খবর



ভারতে এক দিনে করোনায় আক্রান্ত ২ লাখ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ৭৩৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৩৮ জনের। গত বছর সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক লাখ ৭৩ হাজার ১২৩ জন

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতে করোনা শনাক্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা এক কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে। বার্তা সংস্থা এপির বরাত দিয়ে দ্য নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক ডজনেরও বেশি হোটেল এবং বিয়ের হলগুলোকে কোভিড-১৯ হাসপাতালে রূপান্তর করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লির সরকারি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এস কে সারিন বলেছেন, সংক্রমণের এই হার উদ্বেগজনক।

ভারতের বড় শহর ও অর্থনৈতিক রাজধানী মুম্বাইয়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত থেকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্র রাজ্যের বেশির ভাগ শিল্প, ব্যবসা ও জনসমাগম বন্ধ করা হয়েছে এবং ১৫ দিনের জন্য মানুষের অবাধ চলাচল সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তবে ট্রেন ও উড়োজাহাজ পরিষেবা চালু রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসী শ্রমিকেরা মুম্বাই ছেড়ে যাওয়ার কারণে ট্রেন স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় ছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ৭৩৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৩৮ জনের। গত বছর সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক লাখ ৭৩ হাজার ১২৩ জন মারা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনা শনাক্তে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত এবং মৃত্যুর দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। করোনা শনাক্তে ব্রাজিলের অবস্থান তৃতীয় ও মেক্সিকো চতুর্থ স্থানে রয়েছে। তবে ভারতের ১৪০ বিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে করোনা শনাক্তের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে কারণ দেশটির করোনা শনাক্ত পরীক্ষার কার্যক্রম সীমিত।

ভাইরোলজিস্ট শহীদ জামিল বলেছেন, সাম্প্রতিক স্থানীয় ও রাজ্য নির্বাচনের বিশাল রাজনৈতিক সমাবেশ এবং হিন্দুদের বড় উৎসব কুম্ভমেলায় উত্তরের শহর হরিদ্বারের গঙ্গা নদীতে স্নান করা ছিল করোনা সংক্রমণ বিস্তারের বড় কারণ।

ভারত তার টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ৩০ লাখের বেশি ডোজ দিয়ে মোট টিকা ১১৪ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।

মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট এবং আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যের হাসপাতালে রোগীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। বেশ কয়েকটি হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ঘাটতি রয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের শ্মশান ও সমাধিস্থলগুলোতে শেষকৃত্যের জন্য আগত লাশের সংখ্যা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।


আরও খবর