আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জামিন পেলেন না মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জমিন না মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য গত সোমবারের (৪ ডিসেম্বর) কার্যতালিকায় ছিল। পরে বিষয়টি উপস্থাপন করে শুনানির জন্য আর্জি জানালে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ বৃহস্পতিবার দিন ঠিক করেন। 

আরও পড়ুন>> গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিরল পদক্ষেপ

গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় মির্জা ফখরুল হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন গত ৩ ডিসেম্বর। বিএনপির আইনজীবীরা তার পক্ষে এ আবেদন জমা দেন। তার আগে গত ২২ নভেম্বর এ মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গত ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ।


আরও খবর



এফবিসিসিআই-এর স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান হলেন ড. মো. সাদী-উজ-জামান

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ল্যান্ড ডেভেলপার্স-এর কো-চেয়ারম্যান (২০২৩-২০২৫) হওয়ার অসামান্য গৌরব অর্জন করলেন নতুনধরা গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ সাদী-উজ-জামান।

যিনি বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ) হতে মনোনীত হয়ে এফবিসিসিআই- এ আবাসন খাতে প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের একজন! গত সোমবার এফবিসিসিআই এর মহাসচিব মোহাম্মদ আলমগীর এর স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কমিটির ডিরেক্টর-ইন-চার্জ হয়েছেন জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী। দেশের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় আবাসন ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গঠিত হয় এফবিসিসিআই এর এই স্থায়ী কমিটি!


আরও খবর



শিশু আয়ানের মৃত্যু নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বাড্ডার সাঁতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল রোববার হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। এতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এড়াতে চারটি সুপারিশ করা হয়েছে।

সেগুলো হলো হাসপাতালে একাধিক অ্যানেসথেশিওলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া, রোগী ও তার আত্মীয়কে অ্যানেসথেশিয়া ও অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি ভালোভাবে জানানো, হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা রাখা, সরকারের অনুমোদনের পরে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা। এ নিয়ে শুনানির জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিকে ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে গতকাল আয়ানের বাবা শামীম আহমেদকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শামীম আহমেদ শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এতে তিনি বলেন, হাইকোর্টের মাজার গেট থেকে হেঁটে শিশু একাডেমিতে যাওয়ার সময় ছয় থেকে সাতজন বাড্ডা থানায় ডাক্তারদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। মামলা তুলে না নিলে অফিসে যাওয়ার সময় যে কোনো ধরনের ক্ষতি করবে বলে ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে উপপরিচালক (আইন) ডা. পরিমল কুমার পাল প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, আয়ান ‌চাইল্ডহুড অ্যাজমা সমস্যায় ভুগছিল। শ্বাসকষ্টের জন্য তাকে মাঝেমধ্যে নেবুলাইজার ও ইনহেলার দিতে হতো। অস্ত্রোপচারের আগে ওয়েটিং রুমে তাকে নেবুলাইজার ও ইনহেলার দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়টি চিকিৎসকদের জানানো হয়নি। তবে আয়ানের বাবা সামীম আহমেদ সমকালকে বলেন, তাঁর ছেলের হালকা ঠান্ডা ও সর্দির বিষয়ে দুই চিকিৎসক সবকিছুই জানতেন। তারা নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। সব রিপোর্ট দেখার পর অস্ত্রোপচার করা হয়।

আদালতে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। পরে আদালত প্রতিবেদন অ্যাফিডেভিট আকারে দাখিলের নির্দেশ দেন এবং শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এদিকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তা হবে হাইকোর্টের রায়ের পর। তিনি আরও বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নেই। আস্থাহীনতার কারণে মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি করে দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চান তিনি। এ জন্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে।

গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ মাসুম জনস্বার্থে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে বাড্ডার সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইউনাইটেড গ্রুপের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এ পর্যন্ত কত রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তা জানাতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পাশাপাশি এ মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।


আরও খবর



অনির্দিষ্টকালের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার সীমান্তে চলমান উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুল জামান সিদ্দিকী। তাই যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাবে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এবং তৎসংলগ্ন বিওপি পরিদর্শনকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, বিজিবি হেফাজতে মোট ২৬৪ জন মিয়ানমারের নাগরিক আছেন। এরমধ্যে বিজিপি, কর্মকর্তা, নারী এবং শিশু আছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান বিজিবি মহাপরিচালক।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গত কয়েকদিন থেকে আরাকান আর্মি ও দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সংঘর্ষ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। দুপক্ষের ছোড়া গুলি ও মর্টারশেল এসে পড়ছে বাংলাদেশের ভেতরে। এ ঘটনায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বান্দরবানে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলে এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা নিহত হন। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম হুসনে আরা (৫০)। তিনি জলপাইতলি এলাকার বাদশা মিয়ার স্ত্রী। এ ছাড়া নিহত রোহিঙ্গা তাদের বাড়ির কাজের লোক। জানা গেছে, মিয়ানমার জান্তার ছোড়া মর্টারশেল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বাদশা মিয়ার বসতবাড়িতে এসে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটে। এতেই ওই নারীসহ তাদের বাড়ির কাজের লোক নিহত হন।

বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান নিশ্চিত করেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বেঁচে আছেন পুনম পাণ্ডে, নিজেই ছড়িয়ে ছিলেন মৃত্যুর গুজব

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শোনা গিয়েছিল সার্ভিক্যাল ক্যানসারে মারা গেছেন মুম্বাইয়ের আলোচিত ও বিতর্কিত অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে। অভিনেত্রীর অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে তার মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে যা দেখে হতবাক সবাই! এই পোস্ট দ্রুতই ছড়িয়ে পরে। ভারতসহ দেশি-বিদেশি অনেক গণমাধ্যমেই সংবাদ প্রকাশ হয় মারা গেছেন পুনম পাণ্ডে।

অবশেষে মৃত্যুর খবরের জবাব দিলেন পুনম নিজেই! পুনম পাণ্ডে বেঁচে আছেন। মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে ছিলেন নিজেই! শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সেই একই একাউন্ট থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করে পুনম জানান তার মৃত্যুর সংবাদ সত্য নয়। ভিডিও তে তিনি বলেন, আমি বেঁচে আছি। সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আমি মারা যাইনি।’ তিনি আরও জানান, আগের মৃত্যুর পোস্টটি তিনি নিজেই দিয়েছিলেন।

নিজের মৃত্যুর গুজব ছড়ানোর জন্য তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। মৃত্যুর এই গুজব সাজানোর পেছনের কারণ বলতে গিয়ে তিনি জানান, সার্ভিক্যাল ক্যানসার নিয়ে মানুষ সচেতন নয়, তাই এটি আলোচনায় আনার জন্য তিনি এই মিথ্যা নাটক সাজান। তিনি বলেন, জানি হয়ত বিষয়টা বাড়াবাড়ি, কিন্তু এর জন্য হঠাৎ করে জরায়ু-মুখ ক্যানসার নিয়ে কথা বলছে সবাই। সার্ভিক্যাল ক্যানসার নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। আমি গর্বিত আমার মৃত্যুর গুজবে এটা আলোচনায় আসলো।

২০১৩ সালে নাশা’ ছবিতে বলিউডে অভিষেক পুনম পাণ্ডের। অভিনয় করেছেন ভোজপুরি, কন্নড় ছবিতেও। সাহসী ও খোলামেলা পোশাকের কারণে সব সময়ই ছিলেন আলোচনায়। এবার আলোচনায় আসলেন নিজেই নিজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশে নতুন মাদক ব্ল্যাক কোকেন উদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এবার প্রথমবারের মতো খোঁজ মিলল ব্ল্যাক কোকেন নামের নতুন মাদক। যা দেশে এবারই প্রথম উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরসহ (ডিএনসি) সংশ্লিষ্টদের।

সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে এক ব্যক্তির বাসায় উদ্ধারকৃত কিছু কলমের সিসের মতো কালো জিনিস উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর চোখ ছানাবড়া কর্মকর্তাদের। সেগুলো অন্য কিছু নয়, নতুন মাদক ব্লাক কোকেন। এই মাদক কিভাবে দেশে আসলো তা জানা যায়নি। কোকেন সাধারণত সাদা রঙের দানাদার বা পাউডার আকারে হয়। তবে এবার ব্ল্যাক কোকেন উদ্ধার হওয়ায় ভাবিয়ে তুলেছে ডিএনসিকে।

ডিএনসির ফরিদপুর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গত মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলে একটি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে ফরিদপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। ওই ঘটনায় করা মামলার তদন্তে মাদক কারবারি হিসেবে রুবেলের নাম আসে। ওই চালানে জড়িতদের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এরপরই তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। রুবেল এলাকায় এক সময় ইলেকট্রনিক্সের ব্যবসা করতেন। সম্প্রতি নির্দিষ্ট কোনো ব্যবসা নেই। জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসায়। বছরখানেক আগে ইয়াবাসহ ধরা পড়েছিল পুলিশের হাতে। বর্তমানে রুবেল পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসির ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শামীম হোসেন বলেন, রুবেলকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত আছে।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, ব্ল্যাক কোকেন কখনও বাংলাদেশে পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে নতুন মাদক হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডিএনসি জানায়, ফরিদপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা গত ১১ ডিসেম্বর ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ভুলবাড়িয়া গ্রামে আবুজার ওরফে রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় ওই যুবক। তার শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ গ্রাম আইস, গুঁড়া ইয়াবা ১২ গ্রাম ও এক গ্রাম কোকেন জব্দ করা হয়। এসব মাদকের পাশাপাশি স্বচ্ছ একটি পলি প্যাকেট পায় আভিযানিক দলটি। অতি সুরক্ষিতভাবে সেটি সংরক্ষণ করা দেখে তাদের সন্দেহ হয়। সেটির ভেতরে পেন্সিলের শীষের মতো কালো ৪৪টি টুকরো পাওয়া যায়। প্রতিটি পৌনে এক ইঞ্চি লম্বা ও চিকন, যার ওজন সাত গ্রাম। পরে সেগুলো জব্দ করা হয়।


আরও খবর