আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ-কর্মসূচি বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ ও কর্মসূচির বন্ধ ঘোষণা করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৩ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্ব ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় গত ১০ অক্টোবর ক্লাব প্রাঙ্গণে সংগঠিত বিশৃঙ্খল ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল আলমের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কমিটি ক্লাব ও সদস্যদের স্বার্থে ক্লাবে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। যেকোনো মূল্যে ক্লাবের স্বার্থ, মর্যাদা সমুন্নত রাখা হবে। ক্লাবের বিভিন্ন হল ও মিলনায়তন ভাড়া প্রদানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মাবলী ও শর্ত আবশ্যিকভাবে পালন করা হবে।

আলোচনা সভা, সেমিনারের নামে কোনো দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি, সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। সভায় জেহাদ স্মৃতি পরিষদ, জিয়া পরিষদসহ যেকোনো দলের রাজনৈতিক সমাবেশ ও কর্মসূচি ভবিষ্যতে বন্ধ থাকবে বলে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও বলা হয়, ইতোপূর্বে এসব সংগঠনের কর্মসূচির ফলে ক্লাবে বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। যার ফলে ঐতিহ্যবাহী প্রেস ক্লাবের সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হচ্ছে এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।


আরও খবর



হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন আবেদন হাইকোর্টে

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া বিতর্কিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

সোমবার (১১ অক্টোবর) জামিন আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী সৈয়দ ফজলে ইলাহী। আবেদনটির ওপর মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে করা প্রায় সব মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। এখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিনটি বাকি রয়েছে। এ কারণে এ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৯ জুলাই রাতে গুলশানের বাসা থেকে তাকে আটক করে র‍্যাব। তার বাসা থেকে বিদেশি মদ, অবৈধ ওয়াকিটকি সেট, ক্যাসিনো সরঞ্জাম, বিদেশি মুদ্রা ও হরিণের চামড়া জব্দ করা হয়। পরে গত ৩০ জুলাই গুলশান থানায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় প্রতারণার অভিযোগে এবং পল্লবী থানায় টেলিযোগাযোগ আইনে মামলা হয়। এসব মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বেশ কয়েকদফা রিমান্ডে নেয় পুলিশ।


আরও খবর



লিটারে ৭ টাকা বাড়লো সয়াবিন তেলের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ১৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারে আবারও খোলা ও বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৩ টাকা।

আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৩৬ টাকা, যা আগে ছিল ১২৯ টাকা। বুধবার থেকে নির্ধারিত নতুন দাম কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংগঠনটির সচিব মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের দাম ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিবেচনায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন এ দাম নির্ধারণ করেছে। আগামীকাল বুধবার থেকে সারাদেশে নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল মিলগেটে দাম ১৩৪ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ১৩৬ টাকা। বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল মিলগেটে ১৫০ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১৫৪ টাকা এবং খুচড়া পর্যায়ের দাম ১৬০ টাকা।

৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলগেটে ৭২০ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৭৪০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৭৬০ টাকা। আর পাম তেল প্রতি লিটার মিলগেটে ১১৬ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১৭ এবং খুচরা পর্যায়ে ১১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই দাম পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ে পুরাতন মজুদকৃত তেলের ওপর কার্যকর হবে না।

গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত নিত্যপণ্যের মজুদ পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামান বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আমরা ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিলাম। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাচ্ছিল, তাই তারা ৮/১০ দিনের মধ্যে মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন। ২০১১ সালের আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ দিন অন্তর ট্যারিফ কমিশন অ্যানালাইসিস করে সুপারিশ করবে। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রিফাইনারিদের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য নির্ধারণ করি। পরে রিফাইনারি অ্যাসোসিয়েশন তাদের অফিসিয়াল প্যাডে এটা ডিক্লেয়ার করে।

তেল দামের বিষয়ে মঙ্গলবারের বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে সফিকুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ভেজিটেবল ওয়েল রিফাইনার অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফেকচার অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাব ছিল বোতলজাত লিটার প্রতি তেল ১৬৮ টাকা করার। ট্যারিফ কমিশন একাধিকবার বসে অ্যানালাইসিস করে ১৬২ টাকা প্রস্তাব করেছে। এটা ছিল সেপ্টেম্বর মাসে অ্যাভারেজ রিপোর্ট। আজকে আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম ঠিক করা হয়েছে ১৬০ টাকা। যেটার আগে দাম ছিল ১৫৩ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: সয়াবিন তেল

আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




১২০ বাস নিয়ে ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে ‘ঢাকা নগর পরিবহন’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | ৮৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১২০টি নতুন বাস নিয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা নগর পরিবহন নামে শুরু হচ্ছে বাস রুট রেশনালাইজেশনের প্রথম ধাপ। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত চলবে এ পরিবহন। প্রায় ২১ কিলোমিটারের এ রুটে প্রতি কিলোমিটার যাতায়াত ভাড়া পড়বে দুই টাকা ২০ পয়সা।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ১৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সভাপতি।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, নগরের সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গত এক বছর আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও দুরূহ ছিল। এখন আমরা লক্ষ্য পূরণের কাছাকাছি আছি। ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর একটি পাইলটিং রুট নির্ধারণ করেছি। এ রুটে নতুন নিয়ম এবং পদ্ধতিতে বাস চলবে। সবার প্রচেষ্টায় আমরা এতদূর আসতে পেরেছি।

তিনি বলেন, আগামী ১ ডিসেম্বর এ রুটে বাস চলাচল শুরু হবে, এটা আমরা চূড়ান্ত করেছি। বাসগুলো জয়েন ভেঞ্চারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। পরে পুরো ঢাকায় কয়েকটি কোম্পানির মাধ্যমে বাস চলবে।

নতুন এ রুটে কোনো পুরোনো বাস থাকবে না জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর রুটে পুরোনো বাস চলবে না। এখন এই রুটে যে বাসগুলো চলছে, সেগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারির পর কেনা বাস থাকবে। বাকি বাসগুলো উঠিয়ে নেওয়া হবে। এর সঙ্গে নতুন বাস যোগ হবে। তাতে পরিবহন মালিকরা সম্মতি দিয়েছেন।

এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় গণপরিবহনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে নগরে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আসবে। চালকের মাঝে প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, নতুন এই রুটে ৪০টির বেশি যাত্রী ছাউনি করা হবে। বাস বে হবে ১৬টি। জায়গা সংকটের কারণে বাস বের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। এছাড়া এ রুটের বাসগুলোর রং কী হবে, তা আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। পরে ২০ অক্টোবর বাসের রং নির্ধারণ করা হবে।


আরও খবর
শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




ভারতীয় বিমানবাহিনীর অফিসারদের পার্টিতে ধর্ষণ, ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ১০২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতীয় বিমানবাহিনীর অফিসারদের একটি পার্টিতে এক সহকর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন এক নারী। সেই নারীই এবার অভিযোগ তুলেছেন, অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত হতে তাকে টু ফিঙ্গার টেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে; যা দেশে নিষিদ্ধ।  

ওই নারীর এই টু ফিঙ্গার টেস্টের অভিযোগটি আবার মানতে রাজি না ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বিবেক রাম চৌধুরী। ভয়েস অব আমেরিকা তাদের খবরে বলছে, বিবেক রাম চৌধুরী বলেছেন, কোনো টু ফিঙ্গার টেস্ট হয়নি। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা রক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্যাতনের শিকার নারী আরও অভিযোগ করেছেন তাকে তার যৌন সম্পর্কের ইতিহাস নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। 

বিমানবাহিনী প্রধান আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় বিমানবাহিনীর আইন খুবই কঠোর। নারী অফিসারের টু ফিঙ্গার টেস্ট করানোর ভুল খবর বেরিয়েছে। কোনো টু ফিঙ্গার টেস্টই হয়নি। আমরা নিয়মবিধির ব্যাপারে পুরোপুরি সচেতন। যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অফিসারের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের এই অভিযোগের তদন্তভার বিমানবাহিনীর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণে অভিযুক্ত ২৯ বছর বয়সী ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের বিচার হবে কোট মার্শাল আইনে, তা জানিয়েছে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাত্তুরের আদালত। অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে বিমানবাহিনী কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ভারতের মহিলা কমিশন এক বিবৃতিতে বলছে, বিমানবাহিনীর একজন নারী অফিসারের তোলা অভিযোগের বিষয়ে তারা ভারতীয় বিমানবাহিনী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা ভারতীয় বিমানবাহিনী ডাক্তারদের আচরণে অত্যন্ত হতাশ, ক্ষুব্ধ, কেননা তারা নির্যাতিতার টু ফিঙ্গার টেস্ট করিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করেছেন, নির্যাতিতার সম্মান, গোপনীয়তা রক্ষার অধিকারেও হস্তক্ষেপ করেছেন।

প্রশিক্ষণ নিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর কলেজে যাওয়া ওই নারী অফিসার অভিযোগ করেছিলেন, ৯ সেপ্টেম্বর রাতে অফিসারদের মেসে পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। মাদকাসক্ত হয়ে ভোরে তার ওপরে চড়াও হন অভিযুক্ত। তখন পায়ে চোট থাকায় ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়েছিলেন তিনি। ঘুম ভেঙে জেগে ওঠার পর তিনি আবিষ্কার করেন, তাকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিমানবাহিনী কর্তৃপক্ষের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তুষ্ট হতে না পেরে তিনি বাধ্য হয়ে থানায় যান। ওই নারীর দাবি, বিমানবাহিনীতে দুবার তাকে অভিযোগপত্র তুলে নিতে চাপ দিয়ে বাধ্য করা হয়। আরেকবার তাকে বয়ান বদল করা একটি চিঠিতে সই করতে বলা হয়, কিন্তু তিনি রাজি হননি। ২০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নারী অফিসার। ২৫ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিতেশ হরমুখকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নির্যাতিতার অভিযোগ, ধর্ষণ প্রমাণের জন্য টু ফিঙ্গার টেস্টের কথা বলা হয় ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাসপাতালে। পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেন বাহিনীর দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এতে সংবাদমাধ্যমে বিমানবাহিনীর বদনাম হবে বলে জানানো হয় তাকে। এর পরই মূলত পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই নারী।

বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে বিমানবাহিনী পিটিশন দাখিল করে জানিয়েছে, অফিসারকে গ্রেফতার করার অধিকার স্থানীয় পুলিশের নেই। সেনা আদালতে তার বিচার করা যাবে। অভিযুক্তকে বিমানবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হোক।


আরও খবর



প্রতি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ শেষ পর্যায়ে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্ষমতা গ্রহণের আগে দেশে ফায়ার স্টেশন ছিল মাত্র ২০৪টি। এখন সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশন ৪৫৬টি। চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা হবে ৫৬৫টি ও জনবলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরও বলেন, আমরা আশা করি, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে ধরে রাখবেন। নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তা আরও শাণিত করবেন। আরেকটি বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে, এটি একটি ইউনিফরমধারী সুশৃঙ্খল বিভাগ। প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার মান বজায় রাখতে হবে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ফায়ার সার্ভিস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে ৪১তম ব্যাচের অফিসার্স ফাউন্ডেশন কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

ফায়ার সার্ভিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিসিএস নন-ক্যাডারের সুপারিশ অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরে যোগ দেওয়া স্টেশন অফিসারসহ মোট ৪৪ জন অফিসারের প্রশিক্ষণ সমাপ্তি শেষে তাদের পদায়নের আগে এই সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১১ মাসের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সব দুর্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে ৪৪ জন অফিসারের মধ্য থেকে শারীরিক যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তা, শিষ্টাচার, শৃঙ্খলা, আচার-ব্যবহার, লিখিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর দক্ষতার ভিত্তিতে তিনজনকে চৌকস নির্বাচিত করা হয়।

প্রথম চৌকস নির্বাচিত হন শেখ তরিকুল ইসলাম, দ্বিতীয় চৌকস হন খন্দকার মিরাজুল ও তৃতীয় চৌকস নির্বাচিত হন মিল্টন আহমেদ। নির্বাচিত চৌকস অফিসারদের পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী এ জনবলকে ২৫ হাজারে উন্নীত করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এখন আর আগের দমকল বাহিনী নয়। আমরা ফায়ার সার্ভিসকে সব দিক থেকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। এ প্রতিষ্ঠানটি এখন বহুমাতৃক সেবাকাজে নিয়োজিত। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ঢেলে সাজানোর জন্য নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১০০ একর জায়গা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফায়ার একাডেমি করার জন্য। আগে এ প্রতিষ্ঠানের ১০তলা ভবনের ওপরে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজ করার সক্ষমতা ছিল না। আমরা এ সক্ষমতাকে ২০ তলায় উন্নীত করেছি। আগামী বছর ৬৮ মিটারের পাঁচটি টার্নটেবল লেডার এই বহরে যুক্ত হবে। তখন এ সক্ষমতা ২২তলা পর্যন্ত উন্নীত হবে।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন অধিদপ্তরের উপসহকারী পরিচলক আনোয়ারুল হক। প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট ছিলেন ওয়ারহাউজ পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন সরকার। এ সময় পতাকাবাহী দলের নেতৃত্ব দেন জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর শামীম আহম্মেদ, প্রথম কনটিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট এবং দ্বিতীয় কনটিনজেন্টটির নেতৃত্ব দেন স্টেশন অফিসার জিল্লুর রহমান।


আরও খবর