আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

জেলে বন্ধুত্ব, ছাড়া পেয়ে একসঙ্গে ডাকাতি শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
জামিনে বের হয়ে যোগাযোগ করে দেখা-সাক্ষাত করে জামিনে থাকা অপর ডাকাতদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে নিয়ে ডাকাতি করে বেড়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায়

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ার তিল্লী এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে গণডাকাতির ঘটনায় ছয় ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশের হাতে গ্রেফতার ছয় ডাকাতের বাড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে হলেও তাদের পরিচয় হয় কারাগারে। ডাকাত সর্দার কারুন মিয়া ওরফে শমসের মিয়ার (৪৭) বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ১০টি মামলা চলমান রয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধেও দুই থেকে চারটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ডাকাত দলের কাছ থেকে ৪০টি মোবাইল ফোন, এক রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল, সোনা, রূপার জুয়েলারি, নগদ টাকা, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

রবিবার বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম গ্রেফতার হওয়া ডাকাতদের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এসব বিষয় নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার তার ব্রিফিংয়ে জানান, কারাগারে থাকাকালীন তাদের মধ্যে নিবীড় বন্ধুত্বর সুবাদে বড় ধরনের ডাকাতির পরিকল্পনা করে দেশের বিভিন্ন স্থানসহ মানিকগঞ্জে। তারই অংশই হিসেবে ওই ডাকাত দল গত ২ জুন ও ৮ জুন রাতে সাটুরিয়া উপজেলা তিল্লী ব্রিজ এলাকায় রাস্তায় কাঠের গুঁড়ি ফেলে ডাকাতি করে।

ডাকাতির সময় বাধা দেওয়ায় আ. রাজ্জাক নামের স্থানীয় এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে ওই ডাকাত দল। আহতাবস্থায় সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন রাজ্জাক।

এদিকে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, ডাকাতির ঘটনার অভিযান চালিয়ে প্রথমে ডাকাত সর্দার কারুন এবং পরে পৃথক অভিযানে বাকি পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চেচুরিয়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে কারুন মিয়া ওরফে শমসের মিয়া (৪৭)। অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ১০টি মামলা চলমান রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকার সময়ে বন্ধুত্ব হয় কারাগারে আগত অপর পাঁচ ডাকাতের সঙ্গে।

এর পর জামিনে বের হয়ে যোগাযোগ করে দেখা-সাক্ষাত করে জামিনে থাকা অপর ডাকাতদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে নিয়ে ডাকাতি করে বেড়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায়। সর্বশেষ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রিজ এলাকায় দলবেঁধে ডাকাতি করে কারুনের নেতৃত্বে একদল ডাকাত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা আরও জানান, ডাকাত সর্দার কারুনের নেতৃত্বে থাকা গ্রেফতার হওয়া অপর ডাকাতরা হলেন- গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার তিলকপাড়া এলাকার শফি মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া (২৬), গাইবান্ধা সদর উপজেলার কাশাদহ গ্রামের উজ্বল মিয়া (২৪), একই জেলার পলাশবাড়ী উপজলোর দুর্গাপুর গ্রামের জব্বার মিয়ার চেলে গোলজার ওরফে সাগর (৩৫), বগুড়া জেলার গাবতলী থানার সন্ধ্যাবাড়ি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে শাহিন (৩০) এবং টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার শাহ আলমের ছেলে টুটুল মিয়া (৩০)।

এর মধ্যে সুরুজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা চলমান, উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা এবং শাহিনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা চলমান রয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ডাকাতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান সাটুরিয়া থানার ওসি আশরাফুল আলম। তিনি জানান, এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: মানিকগঞ্জ

আরও খবর



বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও কাজ শুরু হয়নি অদ্যাবধি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও অদ্যাবধি কাজ শুরু হয়নি। স্থান নির্বাচন, প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন দৃশ্যমান অবকাঠামো না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে বগুড়ার আপামোর জনগণ ও শিক্ষা সংশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জানা যায় চার বছরেরও বেশি সময় আগে দ্বিতীয় দফায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছিল।

বিশ বছরের ব্যবধানে চার বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি বগুড়ায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে আইন প্রণয়ন করা হয়। দ্বিতীয় দফা এই আইন করার পরও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাসীনতায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই বলে মনে করছেন বগুড়াবাসী।

প্রায় ২৪ বছর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, যেহেতু বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান প্রাগ্রাসর বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ পঠন-পাঠন ও গবেষণার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি ও সম্প্রসারণ কল্পে বৃহত্তর বগুড়া জেলার জামালপুর নামক স্থানেবগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা আইন করা হইলো।

এই আইন বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ নামে অভিহিত হবে। সে সময় স্থান নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। এর দুই দশক বা বিশ বছর পর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়। ২০০১ সালে আইন করে গেজেট প্রকাশকরা হলেও ভিসি নিয়োগ বা প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করা হয়নি। এর ফলে সেই সময় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন আইন করা হলেও তার বাস্তবায়ন ২০ বছরেরও সম্ভব হয়নি।

এরপর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রীসভায় খসরা অনুমোদন দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ব্যাপারে বগুড়ার শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে কোন কাগজপত্র বগুড়ায় আসেনি। প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগও দেওয়া হয়নি। এমনকি জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। জায়গাও নির্ধারণ করা হয়নি।

দ্বিতীয় বার ২০২০ সালের সিদ্ধান্তের পর ৪ বছর পার হলেও কোন অগ্রগতি নাই। দ্বিতীয় বারের মত বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত আসার পর বগুড়ার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলো, কিন্তু এত দিনেও সেই আশার প্রতিফলন দেখেনি বগুড়াবাসী।

২০২৩ সালে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসনে বগুড়া জেলা আওয়াপমীলীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দেন। তিনি ওই সংসদের  শেষ পর্যায়ে প্রায় ৯ মাস সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

তার গৃহিত পদক্ষেপে জনগণ ইতিবাচক ভাবে নিলেও একাদশ সংসদের মেয়াদকালে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নূন্যতম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার প্রতিটি আসনে আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কোন সংসদ সদস্যই এ বিষয়ে কথা না বলায় হতাশ হয়েছে বগুড়াবাসী।

বগুড়ার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সাথে কথা বললে তারা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন অগ্রগতি বা ভূমি অধিগ্রহণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন।


আরও খবর



সংরক্ষিত নারী আসনে আ.লীগের ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে ৩৪ জনই নতুন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৪৮টি সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে ৩৪ জনই প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে এমপি ছিলেন এমন ৭ জন এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন এবং ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল থেকে পেয়েছেন একজন। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ৮ জন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। এদের মধ্যে চার জন প্রথমবার মনোনীত হলেন। এছাড়া টানা চার বার সংসদে দলীয় মনোনয়ন পেলেন ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর আগে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে ওবায়দুল কাদের জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে ১৫৫৩ জনের মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই শেষে ৪৮টি বেছে নিতে হয়েছে। দলের সভাপতি শেখ হাসিনার অনুমতি ও সর্বসম্মতিক্রমে ৪৮টি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর নাম প্রকাশ করছি।

তিনি জানান, আমরা আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কমিশনারের কাছে  মনোনয়ন ফরম জমা দেবো। প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মনোনয়ন পেয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান। তিনি টানা তিন বার সংসদ সদস্য হচ্ছেন। কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু জাসদকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ার কারণে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়। তিনি নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের এমপি ছিলেন। আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন। দলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা এবার প্রথম মনোনয়ন পেলেন। দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৪ আসনে   মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়।

দলটির কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম আবারও মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি এর আগে নবম ও দশম জাতীয় সংসদের এমপি ছিলেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে  পরাজিত হয়েছিলেন দলটির কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম। তিনি নবম সংসদে এ আসনের এমপি ছিলেন। এরপর দশম সংসদে সংরক্ষিত আসনের এমপি ছিলেন। আবারও সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন পেলেন।

প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির আরেক কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আটজন সদস্য এমপি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তাদের মধ্যে চার জনই প্রথম মনোনয়ন পেলেন।

টানা চতুর্থ বারের মতো সংরক্ষিত আসনের এমপি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন মন্ত্রিসভার সদ্য সাবেক সদস্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা। গত তিন সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে এমপি ছিলেন মুন্নুজান সুফিয়ান। গত মন্ত্রিসভার শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি। দ্বাদশ নির্বাচনে ওই আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় এবার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো দলের মনোনয়ন পেয়েছেন আরমা দত্ত, অপরাজিতা হক, নাহিদ ইজাহার খান, ফরিদা খানম, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শবনম জাহান। ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা লীগের সভাপতি শাহিদা তারেখ দীপ্তি, যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি নাজমা আক্তার। মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি গত তিন সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের এমপি ছিলেন। দ্বাদশেও মনোনয়ন পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এবার তিনি সংরক্ষিত আসনের এমপি হচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী ছাড়া বাকি ৩০ জন নতুন মুখ হলেন  রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), দ্রোপদী দেবী আগরওয়ালা (ঠাকুরগাঁও), আশিকা সুলতানা (নীলফামারী), যুব মহিলা লীগের সাবেক সহভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর), জারা জাবিন মাহবুব (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), রুনু রেজা (খুলনা), ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট), ফরজানা সুমি (বরগুনা), খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা), নাজনীন নাহার রশিদ (পটুয়াখালী), জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী), উম্মি ফরজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ), নাদিয়া বিনতে আমিন (নেত্রকোনা), মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট), লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা), বেদৌরা আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ), পারুল আক্তার (ঢাকা), সাবেরা বেগম (ঢাকা), ঝর্ণা হাসান (ফরিদপুর), অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা), শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা), মাসুদা সিদ্দীক রোজি (নরসিংদী), হাছিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা), রুমা চক্রবর্তী (সিলেট), আশ্রাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর), কানন আরা বেগম (নোয়াখালী), শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), দিলোয়ারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম), ডরথি তঞ্চঙ্গ্যা (রাঙামাটি), নাছিমা জামান ববি (রংপুর)।

এ ছাড়া কানন আরা বেগম ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল গণতন্ত্রী পার্টির রাজনীতি করেন। জোটের বিবেচনায় স্বতন্ত্র হিসেবে তাকে মনোনীত করেছে আওয়ামী লীগ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পাচ্ছে ৪৮টি। এসব আসনে দলটির মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছিলেন ১ হাজার ৫৪৯ জন। ফলে প্রতিটি আসনের বিপরীতে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল ৩২ জন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ, যা শেষ হয় ৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায়। পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে দলের আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তারিখ আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। আপিল দায়ের ২২ ফেব্রুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ ফেব্রুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ হবে ১৪ মার্চ।


আরও খবর



বিচ্ছেদের রেশ না কাটতেই বিয়ের পিঁড়িতে কাঞ্চন মল্লিক

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

কথায় আছে, যা রটে তা কিছু হলেও ঘটে। এ কথার ষোলআনা প্রমাণ দিলেন টলিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। কারণ বহুদিন ধরে এ জুটির প্রেমের গুঞ্জন উড়ছিল। এবার বিয়ের মাধ্যমে সবকিছু বাস্তবে রূপ দিলেন এই যুগল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা যায়, কাঞ্চন মল্লিকের তৃতীয় স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন তারা।

বিয়ের কেমন অনুভূতি হচ্ছে? এ প্রশ্নের জবাবে ২৭ বছর বয়সী শ্রীময়ী বলেন, এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে, মিস থেকে মিসেস হয়েছি। একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করছে। দুজনে মিলে সামনের দিনগুলো ভালোভাবে কাটানোর কথা ভাবছি।

৫৩ বছর বয়সী কাঞ্চনের সঙ্গে থাকার প্রসঙ্গে শ্রীময়ী বলেন, আপাতত মায়ের কাছেই রয়েছি। ৬ মার্চের পর থেকে দুজনে এক সঙ্গে থাকা শুরু করব।

আগামী ৬ মার্চ সামাজিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। তবে বিয়ের অনুষ্ঠান কোথায় হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে অতিথিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, টিভি অভিনেত্রী পিংকি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। ২০২১ সালে পিংকি অভিযোগ করেন, শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এরপর কাঞ্চন-পিংকির মাঝে তৈরি হয় চূড়ান্ত তিক্ততা। দীর্ঘদিন আলাদা থাকার পর গত ১০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। আর এরই মধ্যে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করলেন কাঞ্চন। তবে শ্রীময়ীর এটি প্রথম বিয়ে।


আরও খবর



পাকিস্তানে জোট সরকার গঠনে নতুন মোড়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট গঠনের কথা বলেছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। এমনকি সংসদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

গত বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের ভোট হয়েছে। ভোটগ্রহণের তিন দিন পর ২৬৫ আসনের মধ্যে অবশেষে ২৬৪ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৯৭ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এরপরই পিএমএল-এন ৭৬ আসনে, পিপিপি ৫৪ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ছোট দল পেয়েছে ৩৭টি আসন।

কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠন করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বড় দলগুলো। তবে নাটকের এই দৃশ্যে বারবার ঘুরে-ফিরে দুটি দলই আলোচনায় আসছে। একটি নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও অন্যটি বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি।

জোট গঠন নিয়ে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে দল দুটি। তবে জোট সরকরের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত আটকে ছিল। এমনকি গণমাধ্যমে খবর আসে, ভাগাভাগি করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন দুই দলের দুজন নেতা। তবে এবার সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নিজেই প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন বিলাওয়াল।

মঙ্গলবার বিলাওয়াল বলেন, বাস্তবতা হলো- কেন্দ্রে সরকার গঠনের জন্য আমার দলের প্রতি জনগণের ম্যান্ডেট নেই। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আমি আর থাকব না।

পিপিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকের পর দলের চেয়ারম্যান বিলাওয়াল বলেন, পিএমএল-এনের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে সমর্থন করবে পিপিপি। পিপিপি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কোনো মন্ত্রিত্ব চাইবে না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও আমরা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি। পিপিপি যদি পিএমএল-এনের সঙ্গে যোগ না দিত তাহলে দেশের ক্ষতি হতো। একটা দল সবসময় ভোটের ফলের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করবে, তা হতে পারে না।

৩৫ বছর বয়সী তরুণ এই নেতা বলেন, আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল যেন ভুল-ত্রুটি দূরে রাখে। যাতে পরবর্তী নির্বাচনের দিকে কেউ আঙুল তুলতে না পারে। আমরা এসব সমস্যা মোকাবিলায় ইসিপি, সংসদের মতো ফোরামকে ব্যবহার করব।

পিপিপি নেতা বলেছেন, তাদের সঙ্গে জোট গড়তে অস্বীকার করেছে ইমরান খানের পিটিআই। তাই তারা পিএমএল-এনকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। কেননা একমাত্র পিএমএল-এন তাদের জোট সরকারে যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

তবে তিনি এ-ও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আসিফ আলী জারদারিকে তিনি পাকিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে হতে চান। তিনি বলেন, দেশ জ্বলছে। একমাত্র আসিফ আলীই এ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪




প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা হতে পারে ২২ মার্চ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই ধাপের পরীক্ষায় অংশ নেবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের চাকরিপ্রার্থীরা। আজ বুধবার এ তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মণিষ চাকমা।

মণিষ চাকমা বলেন, সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ২২ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। শিগগির পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

এবারই প্রথম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বিভাগওয়ারি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। গুচ্ছভিত্তিক এ নিয়োগে তিন ধাপে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষাও আলাদাভাবে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২ হাজার ৪৯৭ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন।


আরও খবর