আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জেনে নিন পেঁয়াজের যত অপকারিতা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

পেঁয়াজ কাটার সময়ে চোখে যতই পানি আসুক না কেন, খাবারের স্বাদ বাড়াতে পেঁয়াজের জুড়ি নেই। তেমনি অপকারিতার যেন শেষ নেই। আসুন জেনে নিন পেঁয়াজের অপকারিতা

অ্যালার্জি : পেঁয়াজে অ্যালার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য খাওয়াটা মোটেই নিরাপদ নয়। অ্যালার্জির অন্যতম একটি উৎস হচ্ছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের কারণে যদি অ্যালার্জি হয়, তবে য়াজ খেলে ত্বক এবং চোখে লালভাব, ত্বকের চুলকানি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, শরীর জ্বলন ইত্যাদির মতো অ্যালার্জির লক্ষণগুলোর জন্ম দিতে পারে।

চোখের সমস্যা : পেঁয়াজ কাটার সময় যে ঝাঁঝালো রস বাতাসে ভেসে চোখে লাগে ও চোখের পানি ঝরায় তাতে থাকে সালফিউরিক এসিড। এই সালফিউরিক এসিড চোখের সংস্পর্শে গেলে চোখ জ্বলাপোড়াসহ মানুষকে অন্ধও করে দিতে পারে।

মুখে দুর্গন্ধ : মানুষের মুখের দুর্গন্ধের অন্যতম কারণ হতে পারে অতিরিক্ত পেঁয়াজ খাওয়া। কাঁচা পেঁয়াজের এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আপনার মুখ ও শ্বাসকে দীর্ঘসময় ধরে দুর্গন্ধযুক্ত রাখতে পারে।

হৃদপিন্ডের সমস্যা: প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যে হৃদরোগের পক্ষে খুব ভাল নয়। কারণ আমাদের দেহে পটাসিয়ামের উচ্চ মাত্রা হাইপোটেনশনের জন্ম দিতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ফলে আপনার অনিয়মিত হার্টবিট এমনকি হার্ট স্ট্রোক এর মতো মারাত্মক অঘটন ঘটতে পারে যেকোনো সময়। খুব বেশি পেঁয়াজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার জন্ম দেয়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে নিম্ন স্তরে নামিয়ে আনতে পারে। ফলে অস্পষ্ট দৃষ্টি, দ্রুত হার্টবিট, অনিয়মিত হার্টবিট, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।


আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ঝুকি বেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে রোগীর অবস্থা প্রথমবারের চেয়ে বেশি গুরুতর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপের দিকে চলে যায়। সম্প্রতি ভ্যাকসিনসওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ বা ধরন রয়েছে। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা এসব ধরনের সঙ্গে লড়াই করে। প্রথম আক্রমণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ায় দ্বিতীয় আক্রমণটি শক্তিশালী হয় এবং সেরোটাইপগুলো আগের ভাইরাস কণার সঙ্গে যুক্ত হয়। এভাবে শরীরে ডেঙ্গু আবারও বাসা বাঁধতে পারে। প্রথমটির বিরুদ্ধে দেহে আজীবন অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও পরবর্তী তিনটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডির সক্ষমতা দুই মাসের কম হতে পারে। এ জন্য দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে সাইকোটিন নামক এক প্রকার প্রতিরোধক শরীরের জীবাণু প্রতিরোধী কোষকে সংকেত পাঠায়। এতে দেহে সাইকোটিন স্টর্ম তৈরি হয়। দুর্বল শরীরে এই প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী কাজ করায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। 

আরও পড়ুন>> দেশে নতুন মাদক ব্ল্যাক কোকেন উদ্ধার

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতে প্রতিবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালে দেশ দুটিতে আগের তুলনায় বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের কোভিড-১৯ ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রূপান্তর করার প্রয়োজন পড়ে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৫ জন। এরমধ্যে ১৪ জন মারা গেছেন। 

আরও পড়ুন>> বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট

এর আগে, ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হন রেকর্ড তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরের দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন এক হাজার ৭০৫ জন। তার আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ৬২ হাজার ৩৮২ জন আক্রান্ত এবং ২৮১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জান্তার আরও দুটি ঘাঁটি দখলে নিলো আরাকান আর্মি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাখাইনের ম্রাউক ইউ ও কিয়াকতাও শহরে জান্তা বাহিনীর আরও দুটি ব্যাটালিয়নের সদরদপ্তর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আরাকান আর্মি জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর দখলের অভিযানের সময় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মিয়ানমার জান্তার অনেক সৈন্য হতাহত হয়েছেন।

ইরাবতীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইনের ঐতিহাসিক ম্রাউক ইউ শহরে কয়েক দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন (এলআইবি)-৩৭৮ এর সদরদপ্তর দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মির যোদ্ধারা।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ম্রাউক ইউ শহরে জান্তা বাহিনীর এলআইবি-৫৪০ এর সদরদপ্তরের দখল ও এলআইবি-৩৭৭ ঘাঁটিতে হামলা চালায় আরাকান আর্মি।

রাখাইনের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওই তিনটি ব্যাটালিয়ন ম্রাউক ইউ শহরের ঐতিহাসিক রাজধানী, ম্রাউক ইউ প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, শহরের আবাসিক এলাকা এবং আশপাশের গ্রামগুলোতে গোলাবর্ষণ করেছে।

আরাকান আর্মি আরও জানিয়েছে, শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তারা কিয়াকতাও শহরে এলআইবি-৩৭৬ সদর দপ্তর দখলে নিয়েছে। এছাড়া মিনবিয়া, কিয়াকতাও ও ম্রাউক ইউ শহরের অন্যান্য জান্তা ঘাঁটিগুলোতে হামলা চলমান রয়েছে।

গোষ্ঠীটি জানায়, আকাশ ও সমুদ্র থেকে জান্তা বাহিনীর বোমাবর্ষণের মধ্যেই রাথেডং, পোন্নাগিউন, রামরি ও অ্যান শহরে সংঘর্ষ চলছে। মংডু শহরের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া টাং পিয়ো ​​সীমান্ত ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে আরাকান আর্মি। রোববার ও সোমবার প্রায় ৯০ জন জান্তা সৈন্য সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যসহ দেশটির অন্যান্য বাহিনীর মোট ২৬৪ জন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাছাড়া সোমবার মিয়ানমার থেকে ছোড়া কামানের গোলায় বান্দরবানে এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা পুরুষ নিহত হয়েছেন। প্রাণহানির এই ঘটনায় মিয়ানমার জান্তাকে দায়ী করেছে এএ।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে উত্তর রাখাইন ও প্রতিবেশী দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া শহরজুড়ে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মি। গোষ্ঠীটির দাবি, তাদের যোদ্ধারা রাখাইনের রাজধানী সিত্তের কাছের পাউকতাও শহর ও পুরো পালেতওয়াসহ অন্য এলাকায় জান্তা বাহিনীর অন্তত ১৭০টি ঘাঁটি দখল করে নিয়েছেন।


আরও খবর



আমাকে জেলে পুরলেও ফুটো করে বেরিয়ে আসব: মমতা বন্দোপাধ্যায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গ্রেপ্তার করা হলেও বিজেপি বিরোধী অবস্থান থেকে নড়বেন না বলে জানালেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যটির নদীয়া জেলার শান্তিপুরের সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, শান্তিপুরের সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচি নিজ দল তৃণমূলের বিভিন্ন নেতার গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাকে জেলে পুরলেও আামি জেল ফুটো করে বেরিয়ে আসব!

নাম না নিয়ে বিজেপির উদ্দেশে মমতা আরও বলেন, আমরা সব চোর? আর আপনারা সাধু? সব চোরেদের জমিদার, জোতদার। মানুষের টাকা লুট করে বড় বড় কথা! চোরের মায়ের বড় গলা। শূন্য কলসি বাজে বেশি।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিষয়ে দলের সুপ্রিমো বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা কেউ চোর নয়। হাতের পাঁচটা আঙুল সমান হয় না। তাই বলে হাত কেটে দিতে হবে?

কয়লা ও গরু পাচার নিয়ে বিএসএফ এবং বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন মমতা। তিনি বলেন, গরু পাচার, কয়লা পাচার যা হচ্ছে তাতেই তৃণমূলের নাম করছে! গরু পাচার হচ্ছে সীমান্ত দিয়ে। ওখানে পাহারা দেয় বিএসএফ। কয়লা কে দেখে? সিআইএসএফ। কাদের সংস্থা? কেন্দ্রের। কোল ইন্ডিয়া কাদের? কেন্দ্রের। সব তোমাদের! আর দোষ তৃণমূলের?

মমতার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজেয়। কিন্তু তিনি আর তার দল এবং সরকারের বিসর্জন ঠেকাতে পারবেন না। সময় ঘনিয়ে এসেছে। সেই কারণেই হয়তো এই কথা বলেছেন।


আরও খবর



প্রতি বছর বিশ্বে ক্যানসারে আক্রান্ত চার লাখ শিশু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রতি বছর বিশ্বে অন্তত চার লাখ শিশু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে ক্যানসার থেকে রোগীর সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ। বাংলাদেশে এ হার এখনো ৩০ শতাংশ। তবে যথাসময়ে ক্যানসার শনাক্ত করা গেলে এবং উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব শিশু ক্যানসার দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যানসার নিরাময় সম্ভব। দিবসটি উপলক্ষে সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) মিলনায়তনে শিশু হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবসহ নানান কারণে বেশির ভাগ ক্যানসার আক্রান্ত শিশু মারা যায়। শিশুদের মধ্যে সাধারণত লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যানসার বেশি হয়। ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত।

বিশিষ্ট শিশু ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আমিরুল মোরশেদ জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই কারণে শিশুদের ক্যানসার হয় না। প্রধানত বংশক্রমিক বা জেনেটিক্যাল কারণে শিশুদের ক্যানসার হয়ে থাকে। শিশুর দেহে শুরুতেই ক্যানসার শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে পরবর্তী সময়ে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ দেশের ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজে শিশু ক্যানসার রোগীদের সুচিকিৎসার পূর্ণ ব্যবস্থা রয়েছে। এখন দেশেই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশু ক্যানসার রোগীদের আন্তর্জাতিকমানের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যৌন হয়রানির অভিযোগে ভিকারুননিসার শিক্ষক প্রত্যাহার

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার এক সিনিয়র শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরীর সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ওই শিক্ষককে আজ থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মুরাদ হোসেন সরকার। তাদের অভিযোগ, ওই শিক্ষক কোচিংয়ে পড়ানোর সময় ছাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন।

অবশ্য ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, তা অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর