আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

গজারিয়া-কালিপুর সেতু কবে নির্মাণ শুরু হবে তা অনিশ্চিত : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | ২১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তানজিমুল হাসান মায়াজ : নাড়ির টানে মতলবের উন্নয়ন করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম মোহন। আলোচিত গজারিয়া কালিপুর সেতু নির্মাণ ও কৃষি কার্যক্রম চলমান রাখতে অভ্যন্তরীন খাল খনন বিষয়েও কথা বলেন তিনি। রবিবার চাঁদপুরের মতলব উত্তরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে অলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি মতলব উত্তরে হওয়ার ফলে প্রতিমন্ত্রী পদে থাকা অবস্থায় মতলবের উন্নয়ন করে যেতে চাই। দীর্ঘ কয়েক বছরের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু গজারিয়া কালিপুর সেতু নির্মাণ বিষয়ে কয়েক দফা মাটি পরীক্ষা, সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে গণমাধ্যমে আলোচনা হলেও সুস্পষ্ট কোন সিদ্ধান্ত জানতে পারেনি স্থানীয় জনগণ।

গত বছরের ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টায় পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ড. শামসুল আলম মোহন শপথ নেয়ার পর নতুন করে সেতু নিয়ে আশার আলো দেখতে শুরু করে মতলববাসী। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার ১ মাস পর ২৫ জুলাই ২০২১ মতলব উত্তর সফরে এসে উপজেলার লুধুয়া স্কুল প্রাঙ্গনে বক্তব্যে অতিদ্রুত গজারিয়া-কালিপুর সেতু নির্মাণ শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন। ঘোষণার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে প্রতিমন্ত্রীর জয়জয়কার শুরু হয়।

তবে এরই মধ্যে সেতুর কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি না দেখায় জনমনে হতাশার ছায়া নেমেছে। রবিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতু নির্মাণ কবে শুরু হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা বলে নতুন তথ্য দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তবে তিনি বলেছেন, তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হবে ।

বিষয়টি এখন পর্যন্ত সেতুবিভাগের কার্যতালিকায় রয়েছে। আগামী যে কোন একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলেই সেতুর কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সেতুর পিলার স্থাপন করার চেষ্টা থাকবে।

শামসুল আলম বলেন, এটি আধুনিক ক্যাবল স্টেয়েড ব্রিজ বা তার সংযুক্ত সেতু হিসেবে নির্মাণ করা হবে। যেটি ২ লেন করে ৪ লেন হয়ে ২ কিলোমিটার দৈর্ঘের হবে।

এদিকে কৃষি জমিতে জলাবদ্ধত ও পানি প্রবাহে কৃত্রিম সঙ্কট নিরসনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একদিনেই এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয় । ধীরে ধীরে সমস্যা নিরসনে পরিকল্পনা করা হবে। বেদখলকৃত সেচ ক্যানেলের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, স্থনীয় ভাবে কিছু সমস্যা সমাধান করতে হবে। অপরদিকে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করতে নির্মিত পানি নিষ্কাশন ক্যানেল গুলো বেদখল হওয়ায় কৃষকরা নির্দিষ্ট সময়ে পানি সঙ্কটে ভুগছেন। ফলে কৃষি পণ্য উৎপাদন ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।

সেচ কার্যক্রম ব্যহত হওয়ায় ফসল উৎপাদন কমেছে প্রায় ২০ হাজার টন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্যমতে জলাবদ্ধতার ফলে আউশ ধানের উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ২ হাজার হেক্টর জমিতে। এছাড়া আমন ধান উৎপাদনে জমির পরিমাণ নেমে এসেছে ৯ হাজার হেক্টরে।

উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, আগামীতে চাঁদপুর ২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোন উদ্দেশ্য নেই। এছাড়াও ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি আমার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাকে প্রতিমন্ত্রী পদে নিযুক্ত করায় আমি গর্বীত। তবে আগামী নির্বাচনে আওয়ালীগ সরকারকে নির্বাচিত করতে জনসমর্থনে কাজ করবো।


আরও খবর



বিদ্যুৎ উৎপাদনের ‘রেকর্ড’ সত্ত্বেও লোডশেডিং কেন?

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে গত ১৬ এপ্রিল রাতে। এসময় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট। এর আগের রেকর্ড ছিল ১২ এপ্রিল। ওইদিন ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। ভোক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এই যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড তারপরও কেন লোডশেডিং? কেন ঢাকার বাইরে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সাহরি-ইফতার অন্ধকারে করতে হয়? সরকারি হিসাবে, দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। তারপরও বিদ্যুৎ কেন থাকে না তা নিয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, গ্যাসের স্বল্পতা থাকায় সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরনও পাল্টে যায়। সাহরি, ইফতার ও তারাবিতে একযোগে বাড়ে বিদ্যুতের ব্যবহার। শপিংমলেও কেনাকাটার সময় একযোগে বাড়ে বিদ্যুতের ব্যবহার। এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্রীষ্মের গরম। চলছে সেচ মৌসুম। সব মিলিয়ে বছরে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে এই রমজানে। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, সরকারি হিসাবে এখন বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। গড় উৎপাদন ৫০০ মেগাওয়াটের কিছু কম অর্থাৎ ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এর সঙ্গে আছে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের বিভ্রাট। ফলাফল লোডশেডিং।

ভোক্তারা বলছেন, বিদ্যুতের দাম তো ঠিকই বাড়াচ্ছে সরকার। কিন্তু বিদ্যুতের ব্যাকআপ তো পাচ্ছি না। প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ থাকে না। এজন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি করছি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়ার। বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কারণে জ্বালানির বিশ্ববাজার এখনো অস্থির। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ গ্যাস আমদানি করতে পারছে না সরকার। তারপরও শিল্পের সরবরাহ কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

এ অবস্থায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, এখন তো একটু ভাল অবস্থায় চলে এসেছি আমরা। মনে হয় না কোনো বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আছে। কোনো ধরনের ফল্ট আমরা এখনো ফেস করিনি।

তবে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, রংপুর অঞ্চলে হয়তো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সমস্যা অনেক কেটে গেছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভাল হবে বলে আশা করি। সংকট কাটাতে গ্রাহকদেরও সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

নিউজ ট্যাগ: লোডশেডিং

আরও খবর



পুঠিয়ায় ৯২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে বেশ কয়েকটি গুদাম ও দোকানে অবৈধভাবে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল মজুদের ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকালে রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পুঠিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে। নিউজ লেখা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিলো।

মঙ্গলবার (১০ মে) সন্ধ্যা পোনে ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। চারটি গোডাউন থেকে সয়াবিন ও সরিষার তেল পাওয়া যায়। চার গোডাউনের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেইসাথে তাদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে এখনও জব্দ বা আটক কোনো কিছু দেখানো হয়নি। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ ও নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করার অভিযোগে রাজশাহীর তিন ব্যবসায়ীকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী ও সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ এই অভিযান চালান।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ জানান, মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা নগরীর সাহেব বাজার ও বহরমপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় সাহেববাজার এলাকার মেসার্স হুমায়ুন স্টোরে ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল মজুদ পাওয়া যায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুদ রেখেছিলেন বিক্রেতা হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনায় তাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে জব্দকৃত ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল গায়ে লেখা দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীতে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

একই অভিযানে সাহেববাজার এলাকার মেসার্স পাপ্পু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক নজরুল ইসলাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন।

হাসান-আল-মারুফ জানান, আলাদা অভিযানে নগরীর বহরমপুর মোড় এলাকার মেসার্স নুরুন্নবি ট্রডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি মূল্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক নুরুন্নবী। তাৎক্ষণিকভাবে এই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।


আরও খবর



৩ ঘরোয়া টোটকা: গরমেও ঠোঁট থাকবে কোমল

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীত বিদায় নিয়েছে বেশ কিছু দিন। বঙ্গে এখন গ্রীষ্মের দাপট। তবু শীতকালীন কিছু কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে গরমেও। তার মধ্যে অন্যতম ঠোঁট ফাটা। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শুধু শীতকাল নয়, গ্রীষ্মেও ত্বক ও ঠোঁট রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। গরমে শরীরে জলের পরিমাণ কম থাকে। ফলে ঠোঁটের জলীয় ভাব ক্রমশ হ্রাস পায়। ঠোঁটের চামড়া খুব পাতলা হয়। ফলে তা অল্পেতেই রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়ে। গরমে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া স্ক্রাবার।

১) ব্রাউন সুগার স্ক্রাবার : ত্বকের মৃত কোষ দূর করার অন্যতম একটি উপাদান হল ব্রাউন সুগার। শুষ্ক ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ ব্রাউন সুগার, দু চামচ মধু ও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। আঙুল দিয়ে এই মিশ্রণটি আলতো করে ঠোঁটে ঘষে নিন। কিছু ক্ষণ রেখে দিয়ে জলে ভেজানো নরম কাপড় দিয়ে ঠোঁটে বুলিয়ে নিন।

২) স্ট্রবেরি স্ক্রাবার: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন সি। ঠোঁটের রক্ষতা দূর করতে দারুণ কাজ করে এই ভিটামিন। গরমেও ঠোঁটের গোলাপি ভাব বজায় রাখতে ব্যবহার করতে পারেন স্ট্রবেরি। একটি পাত্রে এক চামচ অলিভ অয়েল, স্ট্রবেরির কুচি, মধু মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি ভাল করে ঠোঁটে বুলিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে এলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ঠোঁট থাকবে কোমল ও মসৃণ।

৩) কফি স্ক্রাবার: ধোঁয়া ওঠা কফির চাইতে এই গরমে ক্রিম দেওয়া ঠান্ডা কফিতেই গলা ভেজাতে ভালবাসেন অনেকে। গলা ভেজানোর পাশাপাশি ঠোঁটের যত্নেও কাজে লাগাতে পারেন কফি। এক চামচ কফির গুঁড়ো ও দু'চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে মেখে নিন। চাইলে এই মিশ্রণটি বানিয়েও রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে তিন-চার দিন মাখতে পারেন। উপকার পাবেন।

 

নিউজ ট্যাগ: কোমল ঠোঁট

আরও খবর
‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




মারিয়ুপোলের ইস্পাত কারখানায় আদৌ কেউ কি বেঁচে আছে ?

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রুশ বাহিনীর গোলা থেকে বাঁচতে আজ ভস্টল ইস্পাত কারখানার নীচে বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন মারিয়ুপোলের হাজার খানেক মানুষ। বন্দর-শহরটি রাশিয়ার দখলে যাওয়ার পরে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোনও হামলা যেন না-করা হয়। শুধু কারখানা থেকে বেরনোর সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হোক।

বাস্তব পরিস্থিতি তার থেকেও ভয়ঙ্কর। উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, কারখানার প্রতিটি ব্লকের ছাদে বড় বড় গর্ত। আকাশপথে বোমা ফেলে কার্যত গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পুরো অঞ্চল। কারখানার ভিতরে এক-এক জায়গা ধসে গিয়েছে। এক-একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপ।  ভরেজিমেন্টের আশঙ্কা, মাটির নীচে আদৌ কেউ বেঁচে আছে কি না সন্দেহ! কমান্ডার শিতোস্লাভ পালামার বলেন, ৪ মাসের বাচ্চাও ছিল ওখানে। ১৬ বছরের কিশোরও ছিল। ওরা এমন ভাবে আটকে, বেঁচে থাকলেও উদ্ধার করতে যাওয়ার কোনও পথ নেই।

পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-শহর মারিয়ুপোল। যুদ্ধের গোড়া থেকে এটিকে দখল করতে মরিয়া ছিল রাশিয়া। কিন্তু ইউক্রেনের বাহিনী ও সাধারণ মানুষের প্রতিরোধে প্রায় দুমাস লেগে গিয়েছে লক্ষ্যপূরণে। পরিণতি হিসেবে রোজই শোনা যাচ্ছে, রুশ হামলার নৃশংস বয়ান। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি আজ বলেন, ‘‘ডনবাসে যাতে কোনও প্রাণ না-বাঁচে, তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রাশিয়া।

আজ ডনবাস এলাকায় পোপাসনায় দুটি উদ্ধারকারী বাস পাঠানো হয়েছিল। খোঁজ নেই কোনওটির। সেনাকর্তা মিকোলা খানাতোভ জানিয়েছেন, একটি বাস রুশ হামলার মুখে পড়েছে। এটুকু খবর তাদের কাছে আছে। কিন্তু দ্বিতীয় বাসটির সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। মিকোলা জানান, স্থানীয় এক ইতিহাসের শিক্ষক বাসটি নিয়ে উদ্ধারে গিয়েছিলেন।

আর একটি বাসও পাঠানো হয়েছিল। সেটি ৩১ জনকে উদ্ধার করে এনেছে। নিখোঁজ বাস দুটিকে খোঁজার চেষ্টা করারও উপায় নেই। ইউক্রেন প্রশাসন জানিয়েছে, গোটা ডনবাস এলাকা জ্বলছে। উত্তর-পূর্বে খারকিভ শহরেও হামলা চলছে। একটি হাসপাতালে বোমা ফেলে শত্রুরা। দুটি নতলা আবাসনেও আকাশপথে হামলা করা হয়।

আগুন ধরে যায় বাড়ি দুটিতে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নিজেরাও ঘোষণা করেছে, তারা ডনবাস এলাকায় একাধিক ইউক্রেনীয় সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আজ জানা গিয়েছে, রাশিয়ার হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন কিভের ভূত। ২৯ বছর বয়সি স্টেফান তারাবালকাকে এই নামেই ডাকা হত। একা ৪০টি রুশ যুদ্ধবিমানকে ঘায়েল করেছিলেন এই ফাইটার পাইলট। গত ১৩ মার্চ তাঁর মিগ-২৯-কে গুলি করে নামায় রুশ বাহিনী। তারাবালকাকে ইউক্রেনীয়রা ভালবেসে বলতেন ঈশ্বরের পাঠানো রক্ষক

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের আজ ৬৬তম দিন। কার্যত ধ্বংসস্তূপের উপরে দাঁড়িয়ে দেশটা। মস্কো অবশ্য এই গোটা পর্বকে বলে চলেছে বিশেষ সেনা অভিযান। পশ্চিমি রাষ্ট্রগুলোর আশঙ্কা, এ ভাবে আর বেশি দিন নয়। সামনেই ৯ মে রাশিয়ার বিজয় দিবস। ওই দিন যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে ক্রেমলিন। গত দুমাসে সেই অর্থে ইউক্রেনের খুব অল্প অংশ দখল করতে পেরেছে রাশিয়া। তারা যুদ্ধ ঘোষণা করলে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলোও অংশ নেবে লড়াইয়ে। এখন শুধুমাত্র পুতিনের অঙ্গুলি হেলনের অপেক্ষা।


আরও খবর



ঈদুল ফিতরে তুরস্কে পাড়ি জমাচ্ছেন অনন্ত জলিল

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিন দশেক পরই ঈদুল ফিতর। মুসলিমদের সবচেয়ে বড় উৎসব। ঈদকে ঘিরে সবাই নানান পরিকল্পনা সাজান। নতুন জামাকাপড়, খাদ্যদ্রব্য কেনেন; অনেকে আবার দেশ-বিদেশে ঘোরার পরিকল্পনা করেন। রাজধানী ঢাকায় যারা বসবাস করেন, তাদের প্রায় অর্ধেক ঈদের সময় গ্রামে চলে যান। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার জন্য দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তি সহ্য করেও তারা ছুটে যান। কারণ ঈদ মানেই তো সবাই একসঙ্গে আনন্দ করা।

এদিকে চিত্রনায়ক ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল ঢাকা শহর তো দূরের কথা, দেশেই ঈদ করেন না। প্রতি বছরই তিনি দেশের বাইরে ঈদ উদযাপন করেন। এবারও সেটার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

আসন্ন রোজার ঈদ তুরস্কে উদযাপন করবেন বলে জানিয়েছেন অনন্ত জলিল। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি খবরটি নিশ্চিত করেছেন। অনন্ত বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বাইরে ঈদ করব। পরিবার নিয়ে তুরস্কে চলে যাবো। তবে শুধু ঈদ নয়, সেখানে সিনেমার কিছু কাজও করব।

দিন দ্য ডে নামের একটি সিনেমার কাজ সম্পন্ন করে রেখেছেন অনন্ত জলিল। এটি নির্মাণ করেছেন ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম। বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে এটি। অনন্ত জানিয়েছেন, আগামী কোরবানির ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেবেন।

এদিকে স্ত্রী বর্ষাকে নিয়ে নতুন আরেকটি সিনেমার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন অনন্ত। নাম নেত্রী দ্য লিডার। ঈদ সফরে তুরস্কে এই সিনেমারই কিছু অংশের সেরে নেবেন অনন্ত-বর্ষা।

নিউজ ট্যাগ: ঈদুল ফিতর

আরও খবর