আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জনবল নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে পয়েন্টম্যান পদে ৭৬২ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এ পদটির জন্য আবেদন করতে পারবেন আগামী ২৩ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকেই। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: পয়েন্টম্যান (গ্রেড-১৮)

পদ সংখ্যা: ৭৬২ জন

যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস।

বেতন: ৮,৮০০ থেকে ২১,৩১০

চাকরির ধরন: স্থায়ী

কাজের ধরন: ফুল টাইম

বয়স: আবেদনের সময়সীমা ১৮-৩০ বছর। তবে আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবার এ বছরের ১৫ নভেম্বর যাদের বয়স ১৮ হয়েছে, তারাও আবেদন করতে পারেবেন। আর প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://br.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

নিউজ ট্যাগ: বাংলাদেশ রেলওয়ে

আরও খবর



শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাড়ির ধাক্কায় নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।দাবিগুলো মানতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলনে নেমে এ ঘোষণা দেয় শিক্ষার্থীরা।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি আদায় না হলে রোববার (২৮ নভেম্বর) আবারও আন্দোলনে নামবেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো:

১. যথাযথ তদন্ত করে নাঈমের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান।

২. জেলাশহরের বিভিন্ন রুটে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু

৩. স্কুল-কলেজের সামনে হর্ন ও ওভারস্পিডিং-এর জন্য স্টুডেন্ট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনের কাছে জরিমানা অধিকার হস্তান্তর করা।

৪. সকল ছাত্রদের জন্য হাফ পাস নিশ্চিতকরণ

৫. প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে একাধিক স্পিড ব্রেকার নির্মাণ

৬. শহরের প্রত্যকটি অচল ট্রাফিক লাইটের সংস্কার এবং সঠিক ব্যবহার করা।

৭. ট্রাফিক আইনের সঠিক প্রয়োগ

৮. জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ

৯. চলন্ত বাসে যাত্রী উঠানামা করালে প্রত্যেক বাসকে আইনের আওতায় আনা

১০. সর্বোপরি নিরাপদ সড়ক আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন


আরও খবর



আজ আখাউড়া মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ৬ ডিসেম্বর। পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রণাঙ্গন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মুক্ত দিবস। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এ রণাঙ্গনে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭১ সালের ৪ ও ৫ ডিসেম্বর তুমুল যুদ্ধের পর ভারত ত্রিপুরা সীমান্তঘেঁষা আখাউড়া সম্পূর্ণভাবে (পাকিস্তানি হানাদার) শত্রুমুক্ত হয়। পরে আখাউড়া সড়কবাজার ডাকঘরের সামনে লাল-সবুজ পতাকা উত্তোলন করেন পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনের প্রধান জহুর আহাম্মদ চৌধুরীসহ মুক্তিযোদ্ধারা।

একই স্থানে আজ সোমবার বৃষ্টিস্নাত সকালেও পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের আয়োজনে দিনটি আনন্দ শোভাযাত্রা, উপজেলা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনাসভার মধ্য দিয়ে পালিত হবে।

১৯৭১ স্বাধীনতা সংগ্রামের ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী সম্মিলিতভাবে আখাউড়া আক্রমণ করে। ৫ ডিসেম্বর দিন-রাত উপজেলার আজমপুর এলাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ হয়। ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া শত্রুমুক্ত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি বিজড়িত অন্যতম এ রণাঙ্গনের আখাউড়া দুরুইন গ্রামের মাটিতেই বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধিস্থল।


আরও খবর



আজ লক্ষ্মীপুর মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
১৯৭১ সালের ২১ মে ভোর রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর ও দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের হিন্দু পাড়ায় পাকহানাদার বাহিনী ভয়াবহ তান্ডবলীলা চালায়। বাড়ি ঘরে আগুন লাগিয়ে, বহু মানুষকে গুলি ও বেওনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করাসহ নির্যাতন চালায় তারা

লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ ৪ ডিসেম্বর। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরো সময় জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী পাক-হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল-শামসদের সহযোগিতায় নৃশংস হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষত-বিক্ষত। ১৯৭১ সালের এ দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে, এ জেলায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। তাদের হত্যা, লুট, আর পাশবিক নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তিপায় জেলাবাসী।

লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘ ৯ মাস জেলার বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে ২২ টি সম্মুখ যুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালায়। এতে শহীদ হন ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেক মুক্তিকামী বাঙ্গালী। পাক-হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে গিয়ে সর্বপ্রথম মুক্তিযোদ্ধারা লক্ষ্মীপুর শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রহমতখালী খালের ওপর নির্মিত মাদাম ব্রিজটি উড়িয়ে দেন। আজও এর স্মৃতি হিসেবে ব্রিজের লোহার পিলার দাঁড়িয়ে আছে।

৭১’ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন এ জেলায় উল্লেখযোগ্য রণক্ষেত্র গুলো হল- কাজির দিঘীর পাড়, মিরগঞ্জ, চৌধুরী বাজার, দালাল বাজার, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, চর আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জের গোডাউন এলাকা। যুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলায় ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ শতাধিক লোক শহীদ হয়েছেন। সদর উপজেলায় ২৩ জন, রামগতিতে ২জন, কমলনগর ১জন, রায়পুরে ৭জন ও রামগঞ্জে ২জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

এ সব যুদ্ধে আবু ছায়েদ, আবদুল হালিম বাসু, রবীন্দ্র কুমার সাহা, মাজহারুল মনির সবুজ, মুনছুর আহাম্মদ, চাঁদ মিয়া, মো. মোস্তফা মিয়া, জয়নাল আবেদিনসহ ৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বহু নিরীহ মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন।

মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস ধরে পাকহানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে চালায় নারকীয় তান্ডবলীলা। হানাদার বাহিনী শহরের বাগবাড়ীতে ক্যাম্প স্থাপন করে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিকামী হাজার হাজার নর-নারীকে ধরে এনে নির্মমভাবে নির্যাতন করতো এবং যুবতীদের পাশবিক নির্যাতন শেষে হত্যা করে বাগবাড়ীস্থ গণকবর, মাদাম ব্রিজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গর্তে পুতে ফেলতো। এছাড়াও বহু মুক্তিকামী বাঙালিকে হত্যা করে রহমতখালী নদীর খরস্রোতে ফেলে দিয়েছিল হানাদাররা।

১৯৭১ সালের ২১ মে ভোর রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর ও দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের হিন্দু পাড়ায় পাকহানাদার বাহিনী ভয়াবহ তান্ডবলীলা চালায়। বাড়ি ঘরে আগুন লাগিয়ে, বহু মানুষকে গুলি ও বেওনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করাসহ নির্যাতন চালায় তারা। এ সময় ১১টি বাড়ির ২৯টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই করে দেওয়া হয়। এতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ও হানাদারদের গুলিতে প্রাণ হারায় প্রায় ৪০ জন নিরস্ত্র বাঙ্গালী। এ সব নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আজও নীরব সাক্ষী হয়ে আছে শহরের বাগবাড়ীস্থ গণকবর, মাদাম ব্রিজ, পিয়ারাপুর ব্রিজ ও মজুপুরের কয়েকটি হিন্দু ও মুসলমান বাড়ি।

১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হায়দার চৌধুরী, সুবেদার আব্দুল মতিন, আ.ও.ম. শফিক উল্যা, হামদে রাব্বীর নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে। অবশেষে, ৪ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা।


আরও খবর
আজ চাঁদপুর মুক্ত দিবস

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১




সংসদে করোনা টিকা কেনার হিসাব প্রকাশ সমীচীন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে করোনার টিকা কেনার খরচ প্রকাশ করা হলেও জাতীয় সংসদে এ খাতে ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করতে চাননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, নন-ক্লোজার এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার কারণে সংসদে অর্থ খরচের হিসাব প্রকাশ করা সমীচীন হবে না। সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে টিকা কেনা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে জামালপুর-১ আসনে সরকারি দলের সাংসদ আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ দাবি করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে প্রশ্নটি উত্থাপিত হয়।

আবুল কালাম আজাদ তাঁর প্রশ্নে কতসংখ্যক টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেটার পাশাপাশি এর জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে তা জানতে চান।

জবাবে মন্ত্রী জানান, ২১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার ডোজ টিকা কেনা হয়েছে। এর মধ্যে চীন থেকে নেওয়া হয়েছে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডোজ সিনোফার্মা, ৭ কোটি ৫১ লাখ ডোজ সিনোভ্যাক, ভারত থেকে ৩ কোটি কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সের আওতায় এসেছে ২ কোটি ৯৭ লাখ ২০ হাজার সিনোফার্মা।

মন্ত্রী বলেন, চীন, ভারত ও কোভ্যাক্স থেকে সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, সিসিজিপি ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে টিকা কেনা হয়েছে। নন-ক্লোজার এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার কারণে সংসদে অর্থ খরচের হিসাব প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।

এর আগে গত ৯ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে করোনা চিকিৎসার ব্যয় জানানো হয়। ওই বিজ্ঞাপনে বলা হয়, ১ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা কেনা হয়েছে (ওই সময় পর্যন্ত)। প্রতি ডোজ ৩ হাজার টাকা হিসাবে এতে মোট ৩ হাজার ৪৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।



আরও খবর



বিমানবন্দরে ৪ কেজি সোনা জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ কেজি ১০০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করেছে। এসব স্বর্ণের দাম প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে দুবাই থেকে বিজি ১৪৮ ফ্লাইটে আসা চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার মো. সোহেল (২৮) নামের ওই যাত্রীর কাছ থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।  জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা তথ্যের ভিত্তিতে যাত্রীসহ স্বর্ণ আটক করা হয়েছে।

বিমানবন্দর কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণের মধ্যে ২৪ ক্যারেটের ২৬টি স্বর্ণের বার, ৬টি গলানো গোল্ড পাত, ৩টি গোল্ড পিন্ডো, ৫টি হাতের বালা, ১টি নেকলেসসহ কিছু গহনা রয়েছে।


আরও খবর
চট্টগ্রামে পাট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১