আজঃ শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

কাদের মির্জার ডাকে হরতাল চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পরিদর্শককে (তদন্ত) প্রত্যাহারের দাবিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার আহ্বানে তাঁর সমর্থক দলীয় নেতাকর্মীরা হরতাল পালন করছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর কোম্পানীগঞ্জ থানা অবরোধ করে রাখার পর আজ বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন দাবিতে উপজেলার সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করে পৌর মেয়রের সমর্থকেরা সেখানে হরতাল পালন করছে।

ফেনী-কোম্পানীগঞ্জ সড়ক, কোম্পানীগঞ্জ-মাইজদী সড়ক, চাপরাশিরহাটসহ সব সড়কের ওপর গাছের গুড়ি, বাঁশ ও বাস আড়াআড়ি করে রেখে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। হরতালের কারণে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা সদরের দোকানপাট সব বন্ধ আছে। বাইরে থেকে কোনো যানবাহন কোম্পানীগঞ্জে ঢুকতে পারছে না।

সকাল থেকে চলা কর্মসূচির কারণে যান চলাচলের প্রতিবন্ধকতা ঘটায় রাস্তায় মানুষকে বিপাকে পড়তে দেখা গেছে। অনেককে পরিবার-পরিজন নিয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা যায়। এদিকে, হত্যা করা হতে পারেএমন আশঙ্কা করে গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিজে বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জা।

আজকেও গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র অভিযোগ করে বলেন, তাঁকে, তাঁর পরিবারের সদস্য ও সমর্থকদের হত্যা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এজন্য ৫০ কোটি টাকার ফান্ডও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসবের সঙ্গে প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা জড়িত। কর্মসূচি চলাকালে তিনি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ, রাহাত, রবিউল প্রমুখের গ্রেপ্তারের দাবির পাশাপাশি নোয়াখালীর অপরাজনীতি বন্ধের দাবিও জানান।

সূত্র জানায়, অজ্ঞাতস্থান থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তাঁকে গালিগালাজ করলে সবুজকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এরপর পুলিশ ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে পরে আবার ছেড়ে দিলে আবদুল কাদের মির্জা ক্ষুব্ধ হয়ে থানার সামনে গতকাল থেকে অবরোধ শুরু করেন।

আজ সকালে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে এই হরতাল। কাল সকাল পর্যন্ত এক্সিট দিলাম চলি যাক। ডিসি সাব, এসপি সব চলি গেলে, অপরাজনীতি বন্ধ হলে, আমার ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হলে- আমি কালকে থেকে হরতাল করুম না। আর যদি দাবি না মানে... আমার সব দাবি মানতে হবে।

আবদুল কাদের মির্জা আরো বলেন, আমি এখন অবস্থান নিব আমার পৌরসভাতে, আমি বাড়িতে যামু না। দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি লাগাতার... এরপর আরো কঠিন হরতালসহ লাগাতার কর্মসূচি দিমু।

Share

আরও খবর



সাতক্ষীরায় সিরিজ বোমা হামলা ১৪ জনের সাজা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
জেলা জজ আদালত চত্বর, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত চত্বর, বাস টার্মিনাল ও খুলনা মোড়সহ পাঁচটি স্থানে একযোগে এই বোমা হামলা ও নিষিদ্ধ লিফলেট ছড়ানোর ঘটনা ঘটে

সাতক্ষীরার পাঁচটি স্থানে বোমা হামলার ঘটনায় পুলিশের দায়েরকৃত ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটি মামলায় ১৪ আসামিকে সর্বোচ্চ ১৩ বছর ও সর্বনিম্ন ৩ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসব মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং একজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ আসামিকে ১৩ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বাকি ১০ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপর একটি মামলায় ১৯ আসামির সবাইকে খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরিফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

সাতক্ষীরা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মনিরুজ্জামান, নুর আলী, গিয়াস উদ্দিন মুন্না, ইসমাইল ওরফে হাবিবুর রহমান, বেল্লাল হোসেন ওরফে আব্দুল্লাহ, মোন্তাজ ওরফে মমতাজ, মাহবুবুর রহমান, রাকিব হাসান, নাইম, ফকর উদ্দিন, আসাদুজ্জামান, মনোয়ার হোসেন, আসাদুর ও আনিসুর রহমান খোকন। খালাস পেয়েছেন- আবুল খায়ের। এছাড়া মৃত্যুবরণ করেছেন নাসির উদ্দিন দফাদার।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে সাতক্ষীরার পাঁচটি স্থানে সিরিজ বোমার প্রতিটি মামলায় ১৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। এরমধ্যে গ্রেফতারকৃতরা কারাগারে, অন্যান্যরা জামিনে এবং পলাতক রয়েছেন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট শহরের শহীদ রাজ্জাক পার্ক, জেলা জজ আদালত চত্বর, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত চত্বর, বাস টার্মিনাল ও খুলনা মোড়সহ পাঁচটি স্থানে একযোগে এই বোমা হামলা ও নিষিদ্ধ লিফলেট ছড়ানোর ঘটনা ঘটে। ২০০৭ সালে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোহাম্মদের দায়েরকৃত মামলায় আগের মামলার আসামিসহ আরো চার জনের নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে নাসিরুদ্দিন দফাদার নামে একজন ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর মস্তিষ্কের রক্ষক্ষরণজনিত কারণে সাতক্ষীরা কারাগারে মারা যান। আসামিরা দেশের বিভিন্ন কারাগারে অবস্থান করায় মামলার রায় হতে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর লেগে যায়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, সাতক্ষীরার রসুলপুরে জেএমবির ঘাঁটি চিহ্নিত করা হয়।

এই সূত্র ধরে ভারতীয় নাগরিক গিয়াসউদ্দিনসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের ঢাকায় জেআইসিতে (জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল) এ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়। সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া ছাড়াও জেএমবির বহু গোপন তথ্য জানান তারা। পরে তাদের ফিরিয়ে আনা হয় সাতক্ষীরায়।

নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা
Share

আরও খবর
অবশেষে জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১




বাবা-ছেলের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব ৭০০ পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাবা-ছেলের কোম্পানির ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন সাতক্ষীরার ৭০০ আমানতকারী। মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটির ঋণের বেশির ভাগই রয়েছে কর্তৃপক্ষের স্বজনদের কাছেই। জমার মূল টাকা তো হারিয়েছেনই, মাসিক মুনাফা পেতেও প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হয়েছে গ্রাহকদের, তবুও সুরাহা হয়নি।

২০০৩ সালে মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড যাত্রা শুরু করে সাতক্ষীরায়। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুর রশিদ ও চেয়ারম্যান তার পুত্র আহসানুর রশিদ। পরিচালনা পরিষদের সদস্যও তাদেরই আত্মীয়স্বজনদের ৬ জন। এখানে টাকা জমা রাখলে শতকরা ১৮ থেকে ২০ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দেখায় কর্তৃপক্ষ। এভাবে সংগ্রহ করা হয় ১১ কোটি টাকারও বেশি। প্রথমে কয়েক বছর ঠিকভাবে মুনাফা দিয়ে আসলেও সম্প্রতি টালবাহানা শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

তবে সোসাইটির চেয়ারম্যান আহসানুর রশিদের দাবি, করোনার কারণে লেনদেনে সমস্যা দেখা দিলেও দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।

আমানতকারীদের অভিযোগ, সোসাইটির এমডি মামুনুর রশিদের কাছে দুই কোটি ৩০ লাখ ও তার পুত্র চেয়ারম্যান আহসানুর রশিদের কাছে এক কোটি ২৫ লাখসহ চেয়ারম্যানের ভাই মেহেবুবার রহমানের কাছে ৭০ লাখ, বোন তানিয়ার কাছে ৫০ লাখ, মাতা হোসনেয়ারা বেগমের কাছে ৫ লাখ ও শাশুড়ির কাছে ১৯ লাখ টাকা রয়েছে। এতে অর্থ হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন গ্রাহকরা।

ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন অভিযুক্তরা। আর অভিযোগ লিখিতভাবে করার পরামর্শ দেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল।

নিউজ ট্যাগ: টাকা আত্মসাৎ
Share

আরও খবর



মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করলে ২০ বছর কারাদণ্ডের হুমকি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কেউ নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে সাত বছর আর জনসাধারণের মধ্যে ভীতি বা অশান্তি ছড়ালে তিন বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। এতে আরও বলা

মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনীর কাজে বাধা দিলে ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে অভ্যুত্থানবিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার। এছাড়া নতুন আইনে কেউ অভ্যুত্থানকারী নেতাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা অপমানসূচক কিছু প্রকাশ করলেই দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড বা মোটা অংকের জরিমানার মুখে পড়তে পারেন বলে জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির।

সোমবার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেউ নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে সাত বছর আর জনসাধারণের মধ্যে ভীতি বা অশান্তি ছড়ালে তিন বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। এতে আরও বলা হয়েছে, কেউ মৌখক বা লিখিত শব্দ দিয়ে, কোনও ধরনের প্রতীক ব্যবহার করে বা দৃশ্যমান যেকোনও উপস্থাপনার মাধ্যমে সেনাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করলে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড বা বড় অর্থদণ্ডের মুখে পড়তে পারেন।

মিয়ানমারে রবিবার টানা ৯ম দিনের মতো অভ্যুত্থানবিরোধীরা রাস্তায় নামার পরপরই আইনের বেশ কিছু ধারায় এই পরিবর্তন আনল নতুন জান্তা সরকার। গতকাল থেকেই দেশটির রাস্তায় টহল দিচ্ছে সাঁজোয়া যান।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হযেছে, মিয়ানমারের রাস্তায় সেনা টহল বৃদ্ধিকে অভ্যুত্থানবিরোধীদের ওপর সম্ভাব্য জোরজবরদস্তির সবশেষ নমুনা বলে মনে করা হচ্ছে। রবিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য কাচিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে। রাজ্যটির রাজধানী মিতকিনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের সময় এই গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে সেটি সাধারণ বন্দুকের গুলি নাকি রাবার বুলেট তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিক্ষোভকারীরা অং সান সু চিসহ বন্দি অন্য নেতাদের দ্রুত মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, ১৫ ফেব্রুয়ারি সু চির বন্দিদশা শেষ হওয়ার কথা। তবে সোমবার তার আইনজীবী জানিয়েছেন, এ নেতা আরও দুদিন বন্দি থাকতে পারেন। এরপর ভিডিওকলের মাধ্যমে সু চিকে নেপিদোর একটি আদালতে হাজির করা হবে।

Share

আরও খবর
নেপালি পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১

কুয়েতে মাসজুড়ে কারফিউ ঘোষণা

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১




নিজের প্রযোজনার সিনেমায় অস্কারে বিদ্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছরের অস্কার পুরস্কারের বেস্ট শট ফিল্ম বিভাগে মনোনীত হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের নটখট। লিঙ্গবৈষম্যের ওপর নির্মিত সিনেমাটির পরিচালনায় ছিলেন শান ব্যাসে। সিনেমাটি প্রযোজনায় ছিলেন বিদ্যা নিজেই।

সিনেমাপ্রেমীদের মন ভালো করা এই সংবাদটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভারতীয় জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী তার টুইট অ্যাকাউন্টে সিনেমাটির অস্কারে মনোনয়নের খবর জানিয়ে সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। উচ্ছ্বসিত বিদ্যাও জানান তার অনুভূতির কথা।

এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেন অস্কার মনোনয়নের খবর পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত আমি। অস্কারে মনোনয়ন অবশ্যই বাড়তি অনুপ্রেরণা।

প্রসঙ্গত, সিনেমাটিতে বিদ্যা ছাড়াও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিশুশিল্পী সানিকা। মুক্তির পর থেকেই নটখট ভারতসহ ভারতের বাইরেও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বিদ্যা বালান
Share

আরও খবর
মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১




একই পরিবারের চারজনকে হত্যা : ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ওই পরিবারের এক সদস্যসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন জেলা দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান।

এ সময় এ মামলার ৭ আসামির মধ্যে ৬ জন আদালতে উপস্থিত ছিল। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামি শুরু থেকেই পলাতক। তিনজন জেলে ও তিনজন জামিনে ছিলেন।

২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি ভোরে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা গ্রামের সুলতান মন্ডল, তার নাতনী রোমানা ও আনিকার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ শোবার ঘরে পাওয়া যায়। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান সুলতানের স্ত্রী হাজেরা বেগম।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হাফিজুুর রহমান অজ্ঞাতদের আসামি করে ভুরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। পরে একই এলাকার চান্দ মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করলে তারা সুলতান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

নিহত সুলতানের ভাই মমতাজ ভাড়াটে খুনি দিয়ে এদের রাতে হত্যা করায় বলে স্বীকার করলে এ রায় দেন আদালত।

আসামিরা হলেন- মমতাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম মজনু ওরফে মনজু, আমীর হামজা ওরফে আমির হোসেন, জাকির হোসেন ওরফে রাসেল খান, জালাল গাজী ওরফে পলাশ গাজী, হাসমত আলী শেখ।

মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু, মনোয়ারুল হক আলো, আমীর আলী, এটিএম এরশাদুল হক চৌধুরী শাহিন, আসাদুল হক।

Share

আরও খবর
অবশেষে জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১