আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

কালিয়াকৈরে ঝুঁকির মধ্যে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মো: আফসার খাঁন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর)

Image

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। শুধু কোমলমতি শিশুরাই নয়, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্কে আছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরাও। তবে অতিদ্রুত জরাজীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের মাধ্যমে শঙ্কামুক্ত সুন্দর শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী স্থানীয়দের।

এলাকাবাসী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের মতো কালিয়াকৈর উপজেলাতেও ব্যাপক উন্নয়ন করেছে বর্তমান সরকার। এর ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হকের হস্তক্ষেপে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় নতুন নতুন ভবনসহ সুন্দর শিক্ষা পরিবেশ সৃষ্টি করেছে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিস। অথচ এ উপজেলার ১২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে এখনো ২২টি স্কুলের মধ্যে পুরাতন, জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূণ-১৪টি, অতি-ঝুঁকিপূর্ণ ৮টি।

এগুলো হচ্ছে, কালিয়াকৈর, নয়াপাড়া, কাচিঘাটা, ডাইনকিনি, গলাচিপা, বহেরাতলী, উত্তর দাড়িয়াপুর, বাঁশতলী, সিনাবহ, আকুলিচালা, তালতলী, মুরাদপুর, হাটুরিয়াচালা, মাঝুখান, রাজাবাড়ী, পাইকপাড়া, সাহেবাবাদ, অলিয়ারচালা, কাঞ্চনপুর, সেওড়াতলী বালক, কাইনারা, ভান্নারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


এসব স্কুলের ভবনে পিলার ও ছাদের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। অনেক সময় কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর পলেস্তারার বিভিন্ন অংশ পড়ে। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালেও রয়েছে ছোট-বড় ফাটল। এসব কারণে বই-পুস্তক, কলম-খাতা ও স্কুলব্যাগও নষ্ট হচ্ছে। নোংরা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা পরিবেশও। সব মিলিয়ে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এসব স্কুলের ভবন গুলো। আর এসব জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলের ভবনেই আতঙ্কের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের চলছে পাঠদান। এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রমও। এছাড়াও পাঠদানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্কুলে পাঠিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অভিভাবকরা। এসব জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। ফলে শুধু কোমলমতি শিশুরাই নয়, বড় ধরণের দুর্ঘটনার আতঙ্কে আছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রাও।

কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী তাসলিমা, অনিক সাহা, অর্জুন সরকার, সামিয়া আক্তারসহ অনেকেই বলেন, অনেক সময় আমাদের ওপর ছাদ থেকে বালু, পাথর, সিমেন্ট খসে পড়ে। স্কুলের ভবন খুব ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য আমরাও খুব আতঙ্কে থাকি। সরকার যদি তাড়াতাড়ি মেরামত করে দিতেন, তাহলে আমাদের লেখাপড়া আরো ভাল হতো। শুধু শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরাই নয়, অতিদ্রুত জরাজীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের মাধ্যমে শঙ্কামুক্ত সুন্দর শিক্ষা পরিবেশের দাবী জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহেদা আখতার জানান, অতিরিক্ত ভবনের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব অ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি এটার জন্য ডিউ লেটার প্রদান করেছেন। তবে খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করা হবে বলেও জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ জানান, ইতোমধ্যেই স্কুলের জরাজীর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ ভবন গুলোর তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে সেগুলো অনুমোদন হলেই অতিদ্রুত বিধি মোতাবেক টেন্ডারের মাধ্যমে কাজগুলো সমাধান করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: কালিয়াকৈর

আরও খবর



ঢাকায় প্রতি বর্গফুট চামড়ার সর্বোচ্চ দাম ৬০ টাকা, বাইরে ৫৫

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। সোমবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এ দাম ঘোষণা করেন।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে এবার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতি পিস চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় প্রতি পিস গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ১ হাজার টাকা।

ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। আর এবার ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা।

তিনি আরও জানান, গতবারের তুলনায় খাসির কাঁচা চামড়ার দাম ২ থেকে ৫ টাকা বেশি এবং বকরির চামড়ার দাম ৬ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এবারের ঈদে খাসির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য ১৮ থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


আরও খবর



আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন রাইসি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইরানি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি আজ বৃহস্পতিবার চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন। এদিন স্থানীয় সময় দুপুরে জন্মস্থান মাশহাদে জানাজা শেষে সমাহিত করা হবে তাঁকে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে খোরাসানে প্রিয় প্রেসিডেন্টকে শেষ বিদায় জানাবেন সর্বস্তরের মানুষ। গতকাল বুধবার তেহরানে ৫০ দেশের ৬৮ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এতে অংশ নেন কাতার, ইরাক, পাকিস্তান ও সিরিয়া, তুর্কমেনিস্তানের জাতীয় নেতাসহ বিশিষ্টজনেরা।

ওই দিন সকালে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে রাইসির তৃতীয় জানাজা পড়ান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। পরে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

গত রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ান উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন।

সেদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি বাঁধ উদ্বোধন করতে আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভও ছিলেন। সেখান থেকে তিনটি হেলিকপ্টারের বহর নিয়ে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের রাজধানী তাবরিজে ফিরছিলেন ইব্রাহিম রাইসি ও তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য কর্মকর্তারা। পথে পূর্ব আজারবাইজানের জোলফা এলাকার কাছে পাহাড়ি এলাকায় প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। তবে অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে।

ঘন কুয়াশার কারণে দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টার টানা অভিযান শেষে গত সোমবার হেলিকপ্টারটির খোঁজ পায় উদ্ধারকারী দল। হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্টসহ নয়জন নিহত হন।


আরও খবর



বেনজীর আর সময় পাবেন না: দুদক আইনজীবী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

পু‌লিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ আগামী রোববার (২৩ জুন) দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশনে (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির না হলে তাকে আর সময় দেওয়া হবে না। দুদক আইন ও বিধিতে দ্বিতীয়বার সময় দেওয়ার এখতিয়ার নেই।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দুদকের প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তিনি বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান জোরেশোরে চলছে। তার বিরুদ্ধে আরও অপরাধলব্ধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে বলে জানান দুদক আইনজীবী।

গত ৬ জুন পু‌লি‌শের সা‌বেক মহাপরিদর্শক (আইজি‌পি) বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নতুন তারিখ দেয় দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন (দুদক)। ২৩ জুন তাকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়। দুদ‌কের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ‌্য জানান সংস্থাটির স‌চিব খোরশেদা ইয়াসমীন।

দুদক সচিব ব‌লেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুদক তলব করলেও শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় ২৩ জুন নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে দুদক।

গত ২৮ মে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ৫ জুন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের কার্যালয়ে বেনজীরের পক্ষে তার আইনজীবী আরও ১৫ দিনের সময় চান। দুদকের উপ-পরিচালক বরাবর সময় চেয়ে আবেদনটি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ তারিখ দেওয়া হয়েছে।

বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় ৬২১ বিঘা জমি, ঢাকার গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব, ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ৩টি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসা করার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) এবং ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের সন্ধান পেয়েছে দুদক। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের ওই আদেশ আসার আগেই গত ৪ মে বেনজীর আহমেদ দেশ ছেড়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানিয়েছে।


আরও খবর



দেশের ৯টি কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় বাড়লো ৫ জুন পর্যন্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদনের সময়সীমা আগামী ৫ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদনের শেষ সময় ছিল।

বুধবার এ বিষয়ে কৃষিগুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে জানানো হয়।

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রেমাল কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি এবং টেকনিক্যাল কমিটির এক জরুরি জুম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: কামাল।

৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছপদ্ধতিতে মোট আসন ৩ হাজার ৭১৮টি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৬৯৮টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৪৮টি, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি ২৭০টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৯০টি ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।


আরও খবর



সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের সাফল্যে চট্টগ্রামে বিলবোর্ড স্থাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য সংক্রান্তে প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিলবোর্ড স্থাপন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি ৩ হাজার পিস লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) জেলা সিভিল ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বিলবোর্ড স্থাপন ও প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন। এসময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকতা থোয়াইনু মং মারমা, আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সুমন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন-এর আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের সহযোগিতায় এলএন্ড এইচইপি ইনভাইট ইন অ্যাসিভমেন্ট অব ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ, টুওয়ার্ডস এসডিজি এন্ড স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীর কার্যক্রম হিসেবে জনসমাগমস্থলে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থ সাইজের বিলবোর্ড  স্থাপন করা হচ্ছে। একই সাথে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর