আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কাঁঠাল পাকা ও মিষ্টি কি না বুঝে নিন পাঁচ কৌশলে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ফলের দোকানগুলো এখন আম-কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। মধুমাসে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ বাহারি ফল এখন বাজারে মিলছে। সব ফলের মতো কাঁঠালও সবে বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তবে পাকা ও মিষ্টি কাঁঠাল খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। বিক্রেতার কথায় পাকা কাঁঠাল কিনে অনেকেই ঠকে যান!

তবে কাঁঠাল কেনার আগে ৫ কৌশল যাচাই করে দেখুন। তাহলে খুব সহজেই পাকা ও রসালো কাঁঠাল চিনে কিনতে পারবেন।

১. পাকা কাঁঠাল কেনার সময় সম্ভব হলে তা কেটে দেখে আনুন। যদিও বাইরের ফল দোকানিরা এভাবে কাঁঠাল বিক্রি করেন না। তবে অনেক সুপারমার্কেটেই কাঁঠাল কেটে বিক্রি করা হয়। এতে ক্রেতারা কাঁঠালের ভেতরের অংশ দেখে কিনতে পারেন। এভাবে কাঁঠাল কিনতে গেলে এর ভেতরের কোয়াগুলো নরম ও সতেজ আছে কি না তা দেখে কিনুন।

২. পাকা কাঁঠাল চেনার আরও এক উপায় হলো এর গন্ধ পরীক্ষা করা। কাঁঠালের সুবাস অনেক তীব্র হয়। কাঁঠাল পাকা কি না তার এর গন্ধেই টের পাওয়া যায়। যদি কাঁঠাল থেকে সুগন্ধ বের না হয় তাহলে বুঝবেন সেটি এখনো পাকেনি।

৩. কাঁঠাল পাকলে এর গায়ের রং উজ্জ্বল হলুদ হয়ে যায়। যদি দেখেন কাঁঠালের গায়ে গাঢ় রং, তাহলে বুঝবেন এতে আলাদা রং মাখানো হয়েছে।

৪. কাঁঠাল কেনার সময় খেয়াল রাখুন তা যেন অক্ষত থাকে। কাঁঠালের কোনো অংশে যদি বাড়তি চাপ লেগে নরম হয়ে যায় তাহলে তা কিনবেন না। বেশি নরম কিংবা তুলতুলে কাঁঠাল কেনা থেকে বিরত থাকুন। এমন কাঁঠালের ভেতরের কোয়াগুলোও বেশি নরম থাকে।

৫. গাছপাকা কাঁঠাল স্বাদ সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু। তবে কাঁচা কাঁঠাল পেড়ে সংরক্ষণ করে পাকানো হলে তার স্বাদ অনেকটাই কমে যায়।

যদি গাছপাকা কাঁঠাল কিনতে পারেন তাহলে বুঝবেন তা অবশ্যই পাকা ও মিষ্টি হবে। এ ধরনের কাঁঠাল পেলে কিনুন।

নিউজ ট্যাগ: কাঁঠাল

আরও খবর



এনবিআরের সেই প্রথম সচিব ফয়সালকে বগুড়ায় বদলি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আয়কর বিভাগের (ট্যাক্স লিগ্যাল ও এনফোর্সমেন্ট) প্রথম সচিব ও অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালকে বদলি করে বগুড়ায় পাঠানো হয়েছে।

রোববার (৩০ জুন) এনবিআরের কর প্রশাসন বিভাগের প্রথম সচিব মো. শাহিদুজ্জামান সই করা চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে তাকে বগুড়া কর অঞ্চলের পরিদর্শী রেঞ্জ-১ এ বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. মনিরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত ২৭ জুন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত থেকে তার নামে-বেনামে থাকা সব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দেওয়া হয়।

এনবিআরের কর্মকর্তা কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর দুদক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। সংস্থাটি প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে গতকাল ফয়সাল ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের বিবরণী আদালতের কাছে তুলে ধরে।

দুদক আদালতকে বলেছে, ২০০৫ সালে কাজী আবু মাহমুদ ফয়সাল বিসিএস (কর) ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। তিনি থাকেন রাজধানীর বেইলি রোডের একটি ফ্ল্যাটে। তার স্থায়ী ঠিকানা খুলনার খান এ সবুর রোডের মুজগলি এলাকায়।

ফয়সালের শ্বশুর আহম্মেদ আলী একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তার শাশুড়ি মমতাজ বেগম পেশায় গৃহিণী। ফয়সাল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নিজের ও স্ত্রীর নামে রাখার পাশাপাশি স্বজনদের নামেও রেখেছেন। শ্বশুর ও শাশুড়ির নামের ব্যাংক হিসাবে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা ফয়সালেরই অপরাধলব্ধ আয়। আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথি বলছে, ফয়সাল ও তার ১১ স্বজনের নামে ১৯টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮৭টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে তার শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে। দুদক আদালতে জানিয়েছে, ফয়সাল তার অপরাধলব্ধ আয় লুকানোর জন্য স্বজনদের নামে ৭০০টির মতো ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন। এর মধ্যে দুদক ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে।

আদালতে জমা দেওয়া দুদকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের জুনে রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ফয়সালের নামে পাঁচ কাঠার একটি প্লট কেনা হয়। এ ছাড়া, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তার নামে আলাদা চারটি দলিলে জমি কেনা হয়। এসব সম্পদের দলিল মূল্য দেখানো হয় ৪০ লাখ টাকার বেশি।

গত বছর রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ফয়সালের স্ত্রী আফসানা জেসমিনের নামে কেনা হয় পাঁচ কাঠার প্লট। প্লট কেনার অর্থ (৭৫ লাখ টাকা) পরিশোধ করা হয়েছে মাহমুদা হাসানের নামে থাকা একটি ব্যাংক হিসাব থেকে। এর চার বছর আগে স্ত্রীর নামে একই এলাকায় আরও পাঁচ কাঠার একটি প্লট কেনা হয়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জেও স্ত্রীর নামে জমি রয়েছে। এসব সম্পদের দলিল মূল্য দেখানো হয়েছে ৪২ লাখ টাকা।

ফয়সালের শ্বশুর আহমেদ আলীর নামে রাজধানীর রমনা এলাকায় গত বছরের অক্টোবরে একটি ফ্ল্যাট কেনা হয়, যার মূল্য দেখানো হয় ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া, শাশুড়ি মমতাজ বেগমের নামে ২০২২ সালে খিলগাঁওয়ে ১০ কাঠার একটি প্লট কেনা হয়। দলিল মূল্য ৫২ লাখ টাকা।

ফয়সাল ও তার পরিবারের সদস্যের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্রের বিবরণও আদালতে জমা দিয়েছে দুদক। এতে দেখা যায়, ফয়সাল, তার স্ত্রী ও শ্বশুরের নামে ৫০ লাখ টাকা করে সঞ্চয়পত্র রয়েছে। এর বাইরে তার স্বজনদের নামেও সঞ্চয়পত্র রয়েছে। দুদক বলেছে, তাদের নামে থাকা সঞ্চয়পত্রের মোট অর্থের পরিমাণ দুই কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

ফয়সাল, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তার স্বজনদের ১৯টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা থাকা অর্থের পরিমাণ ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ৯০৮ টাকা।


আরও খবর



বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তার পানি, ব্যারেজের সব জলকপাট খুলে দিলো কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ও ভারী বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৩০ জুন) সকাল ৮টায় তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৪ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার চরাঞ্চলগুলোর ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি উঠতে শুরু করেছে। নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলে বসবাসরত মানুষ বন্যা ও নদীভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজিক বিভাগের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম বলেন, রোববার সকাল থেকে পানি বাড়তে থাকে।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৮-১০টি চর ও পার্শ্ববর্তী কালীগঞ্জ, আদিতমারী উপজেলার ১০-১৫টি চর এলাকায় পানি উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আকবার আলী বলেন, রাতে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। কখন যে কী হয়।


আরও খবর



রাজাকার হতে চাওয়াদের দাবি মানা হবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা আন্দোলকারীদের রাজাকার শ্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে, মেধার পক্ষে। এটার জন্য রাজাকার হওয়ার দরকার নেই। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে যারা রাজাকার হতে চাইবে; তাদের কোন দাবি মানা হবে না।

সোমবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে শাহবাগে অবস্থানরত কোটা রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের জনসমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে রবিবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে শুরু করে কোটাবিরোধী মিছিল। তবে কিছুক্ষণ পরেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় ছাত্রলীগ।

এসময় কোটার রাখার পক্ষে মিছিল দেয়াসহ শোডাউন দেয় তারা।


আরও খবর



মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নিলেন বাইডেন-ট্রাম্প

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রথম মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ সময় আজ শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে এই বিতর্ক শুরু হয়। চার বছর পর প্রথমবারের মতো মুখোমুখি এ বিতর্কে অংশ নিলেন বাইডেন ও ট্রাম্প।

বিতর্কের শুরুতে আসে অর্থনীতি ইস্যু। এরপর একে একে গর্ভপাত অধিকার, কর, স্বাস্থ্যসেবা এবং আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে বিতর্কে জড়ান বাইডেন ও ট্রাম্প। প্রসঙ্গক্রমে আসে করোনাভাইরাসের সময় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও।

এবার বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয় টেলিভিশন স্টুডিওতে। আগের বিতর্কগুলোতে দর্শকদের উপস্থিতি থাকলেও এবার তেমনটা ছিল না। ফলে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া সরাসরি পাওয়া যায়নি। বাইডেনের প্রচার দলের অনুরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ছাড়া এবারের বিতর্কে একজনের বক্তব্য দেওয়ার জন্য বরাদ্দ সময়ে অন্যজনের মাইক্রোফোন বন্ধ ছিল। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এটি করা হয়েছে। ২০২০ সালে বাইডেন ও ট্রাম্পের প্রথম বিতর্কের সময় বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল।

এদিকে বিতর্ক মঞ্চে উঠলেও প্রথা অনুসারে করমর্দন করেননি বাইডেন ও ট্রাম্প। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিতর্কেও কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে করমর্দন করেননি দুজন।

এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন সতর্ক করে বলেন, তার বিশ্বাস ভ্লাদিমির পুতিন একজন যুদ্ধাপরাধী। পুতিন পুরোনো সোভিয়েত সাম্রাজ্য আবার প্রতিষ্ঠা করতে চান বলেও অভিযোগ তোলেন বাইডেন।

বিতর্কে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থের চেয়ে বেশি অস্ত্র দেওয়ার কথাও জোরালোভাবে বলেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এসব কারণেই আমরা শক্তিশালী।

এদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের শর্ত নিয়ে ট্রাম্পকে প্রথমে একবার প্রশ্ন করেন সিএনএনের সঞ্চালক ডানা বাশ। প্রথমবার ট্রাম্প এর উত্তর এড়িয়ে যান। এরপর বাশ দ্বিতীয়বার ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, পুতিনের শর্তগুলো আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য কি না? এর উত্তরে ট্রাম্প বলেন, না, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।

পুতিন বলেছেন, মস্কোর নিজেদের বলে দাবি করা চারটি অঞ্চল কিয়েভ ফিরিয়ে দিতে রাজি হলে ও ন্যাটোতে যোগ দেওয়া থেকে সরে আসলে ইউক্রেনে রাশিয়া যুদ্ধ থামাবে। এসব শর্ত নিয়েই ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন ডানা।

ট্রাম্প বলেন, তিনি নির্বাচনে জিতলে ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও ট্রাম্প এমনটা বলে থাকেন। তবে তিনি কীভাবে যুদ্ধ থামাবেন তা স্পষ্ট করেননি।


আরও খবর



শেখ হাসিনা কোন হুমকির কাছে মাথা নত করে না: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, কোটার নামে উশৃংখলতা সৃষ্টি করে রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেশকে অস্থিতিশীল করে কেউ যদি সুযোগ নিতে চায় লাভ হবে না। শেখ হাসিনা কোন অপচেষ্টা অথবা হুমকির কাছে মাথা নত করে না।

তিনি আজ পিরোজপুরের ইন্দুরকাণী উপজেলার সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ কৃষকলীগ ইন্দুরকানী শাখার উপজেলা ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, রুহুল কবির রিজভী ও বিএনপির কিছু কিছু নেতা কোটা আন্দোলনের ছাত্রদের উপর ভর করে দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া, চোর তারেক জিয়াকে ক্ষমতায় বসাতে চায়। কোটা আন্দোলন আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে। কোটা আন্দোলনের নামে শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা কেউ করলে তারা ছাড় পাবেন না এটা বিশ্বাস রাখতে হবে। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি যেনো শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের দেশকে কোন ভাবে ব্যাহত করতে না পারে।

এমপি বলেন, খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯৫ সালে গাইবান্ধায় সার কিটনাশকের জন্য কৃষকরা মিছিল করেছিলো। সেই মিছিলে গুলি করে পাখির মত ১৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিলো। তাই শুধু না জমিতে পানি উঠানোর জন্য বিদ্যুৎ লাগবে। সেই বিদ্যুতের দাবিতে মিছিল করেছিলো কৃষকরা। নির্মমভাবে তাদেরকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছিলো। কৃষকদের প্রতি তাদের (বিএনপির) মায়া নাই। আর শেখ হাসিনা আপনারা মিলিয়ে দেখবেন ১ কেজি ইউরিয়া সার যে টাকায় আপনারা কেনেন, আমাদের কিন্তু তা আনতে খরচ হয় ৭৫ টাকা। ৭৫ টাকার ভিতর থেকে সরকার ভর্তুকি দিয়ে আপনাদের কম দামে সার দেয়। কিটানাশক নবনা পয়সায় দেই। শর্ষের বীজ বিনা পয়সায় দেই। ট্রাক্টর লাগবে, একভাগ টাকা আপনারা আর সরকার দুইভাগ টাকা দেয় শেখ হাসিনা সরকার। কৃষকদের জন্য যদি বলি তাহলে কৃষক রত্ন, কৃষক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী বলি বঙ্গবন্ধুর পরে সে একজনই সে শেখ হাসিনা আর কেউ না। কৃষকদের মায়া তিনি যত  বোঝেন কৃষকদের প্রতি তার যত দরদ এই দরদ বাংলাদেশে আর কারো নাই। কেননা শেখ হাসিনা কৃষদের ভিতর থেকে বেড়ে উঠেছেন। শেখ হাসিনা জানেন এটা কৃষি প্রধান দেশ। ধান, শষ্য উৎপাদন না হলে আমরা না খেয়ে মরবো। এই বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে লাগবে কৃষককে। আর কৃষককে না বাঁচালে জমিতে কৃষি হবে না। হাহাকার হবে বুভুক্ষ হবে। না খেয়ে মরবো। সেজন্য আজ বাংলাদেশ খাদ্যে সয়ংসম্পন্ন শেখ হাসিনার সুপরিকল্পনার কারনে। 

সম্মেলনে কৃষকলীগের জেলা কমিটির সভাপতির ও সম্মেলনের উদ্বোধক চান মিয়া মাঝির সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম টিটুর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন। আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম মতিউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু, পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম বায়েজীদ হোসেন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম ডালিম, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ মাঝি, ইন্দুরকানী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ লতিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাসেল পারভেজ রাজা প্রমূখ।


আরও খবর