আজঃ শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

কাতারে এক দশকে ১০১৮ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কাতারে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর। কিন্তু তাদের বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনে গত এক দশকে প্রাণহানি ঘটেছে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার অভিবাসী শ্রমিকের। যার মধ্যে বাংলাদেশের ১ হাজার ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

দেশটিতে বিশ্বকাপ ঘিরে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার এই শ্রমিকরা নিয়োজিত ছিল। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের দীর্ঘ এক অনুসন্ধানে কাতারে প্রবাসী শ্রমিকদের এই প্রাণহানির বিষয়টি উঠে এসেছে। গত ১০ বছরে যে কয়জন নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তার অধিকাংশকেই স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করেছে ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ কাতার। গার্ডিয়ানের যে তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের যতজন মারা গেছেন, তাদের শতকরা ৬৯ ভাগের স্বাভাবিক মৃত্যু ও ১২ ভাগের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনায়। শুধু ৭ ভাগের মৃত্যুর সঙ্গে কাজের পরিবেশ জড়িত। আর ৭ ভাগ কর্মী করেছেন আত্মহত্যা। এশিয়ার এই পাঁচ দেশের সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন করেছে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সরকারি পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গার্ডিয়ানে। এতে বলা হয়, ওই পাঁচ দেশের কাতারস্থ দূতাবাস ও অন্যান্য সরকারি কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য মতে জানা গেছে, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ভারতের ২,৭১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় বাংলাদেশের ১,০১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন কাতারে। এই দশ বছরে নেপালের ১,৬৪১, পাকিস্তানের ৮২৪ ও শ্রীলংকার ৫৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে কাতারে। উল্লেখ্য, মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। কেনিয়া ও ফিলিপাইনের অভিবাসী শ্রমিকদের পরিসংখ্যান ওই প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়নি।

২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত এক দশক ধরে নজিরবিহীন নির্মাণকাজ পরিচালনা করছে কাতার। সাতটি নতুন স্টেডিয়ামের পাশাপাশি কয়েক ডজন বড় প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে বা নির্মাণাধীন রয়েছে বলে জানা যায়।

Share

আরও খবর
ব্রিটেনে আর ফিরতে পারবেন না শামীমা

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ১০৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কোয়েল আহমেদ বলেন, আব্বা আর নেই। আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি।

অভিনেতা কখন মারা গেছেন জানতে চাইলে জানি না বলেই আবারও অঝোরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মেয়ে। বাবার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন কোয়েল।

এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র আগমন হয় এটিএম শামসুজ্জামানের। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের নয়নমণি সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। প্রবীণ এ অভিনেতা আজও দর্শকের কাছে নন্দিত।

Share

আরও খবর
মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১




খাগড়াছড়িতে চাঁদের গাড়ি উল্টে নিহত ২

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খাগড়াছড়িতে চাঁদের গাড়ি (জিপ) উল্টে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হতাহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জেলা সদরের ভাইবোনছড়া এলাকার দুর্গম আমলাই হাদুকপাড়া গ্রামে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন হরেন্দ্র ত্রিপুরা ও গনেশ্বর ত্রিপুরা। তাদের বাড়ি আমলাই হাদুকপাড়া গ্রামে।

ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিমল ত্রিপুরা বলেন, হতাহতরা খাগড়াছড়ি হাটবাজারে বিক্রির জন্য গাছ রেখে চাঁদের গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে আমলাই হাদুকপাড়া পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। তখন ঘটনাস্থলেই হরেন্দ্র ত্রিপুরা ও গনেশ্বর ত্রিপুরার মৃত্যু হয়। এছাড়া, দেব ত্রিপুরা, রহেন ত্রিপুরা, চয়ন ত্রিপুরা আহত হন। আহতদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রশিদ জানান, নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারে কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

Share

আরও খবর



মা আ.লীগ করায় খালেদা জিয়াকে মা ডাকেন ছাত্রদল নেতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ১১০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বেবি ইয়াছমিনের ছেলে এম রিফাত বিন জিয়াকে। তাঁকে পদ দেওয়ায় নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে তোলপাড় চলছে। তবে পদ বাঁচাতে রিফাতের দাবি, আওয়ামী লীগ করায় তিনি নিজের মাকে মা বলে ডাকেন না।

২৪ ফেব্রুয়ারি ২১ সদস্যের এই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটি ঘোষণার পরই তোপের মুখে পড়েন আহ্বায়ক এম রিফাত বিন জিয়া। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির ১৪ জনই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিবৃতিতে রিফাত বলেন, 'আমার মা আ.লীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার কারণে আমি মা ডাকা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি। বিএনপি চেয়ারর্পাসন বেগম খালেদা জিয়া এখন আমার মা। জিয়া পরিবার আমার পরিবার।

রিফাত বিন জিয়া আরো জানান, ১৯৭৯ সাল থেকে আমার বাবা বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারণে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় একাধিক বার কারাবরণ করেছিলেন তিনি। নবগঠিত সরাইল উপজেলা ছাত্রদলকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করতে আমাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় আছি। ২০১৮ সালে পাকশিমুল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম।

আজ কেন এতো প্রশ্ন? তিনি মনে করেন তার মত যোগ্য নেতৃত্বে আসলে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে। তিনি মিথ্যা অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার ঘোষণা দেন।

Share

আরও খবর



মাদরাসায় জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বৈঠকে মাদ্রাসার প্রাত্যাহিক কাজ শুরু করার আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। এ সময় যে কোনো মাদরাসা প্রতিষ্ঠার আগে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা

দেশের সকল মাদরাসায় জাতীয় পতাকার উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে মাদ্রাসা শিক্ষার সিলেবাস ও কারিকুলাম এবং পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ন চন্দ্র চন্দ, মো. মাহবুব উল আলম হানিফ, মুহিবুর রহমান মানিক ও নাহিদ ইজাহার খান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে মাদ্রাসার প্রাত্যাহিক কাজ শুরু করার আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। এ সময় যে কোনো মাদরাসা প্রতিষ্ঠার আগে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন গ্রহণের বাধ্য-বাধকতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের উত্তরপত্র মাদ্রাসা শিক্ষক ব্যতিত অন্য ধারার শিক্ষকদের মাধ্যমে মূল্যায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে মাদ্রাসায় নকল প্রতিরোধে গৃহীত ব্যবস্থা, উগ্র সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি, গভর্নিং বডি, নির্বাহী কমিটি ও এডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া এবং কমিটি সংক্রান্ত উদ্ভূত জটিলতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। এক্ষেত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ গ্রহণের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং এডহক কমিটি গঠনের প্রবণতা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

Share

আরও খবর



কাবুলে বোমা বিস্ফোরণে হতাহত ৭

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | ৬০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তিনটি পৃথক বিস্ফোরণে কমপক্ষে পাঁচ জন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাবুল পুলিশের মুখপাত্র ফেরদাউস ফারামার্জ জানিয়েছেন, প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ১৫ মিনিটের ব্যবধানে এবং তৃতীয়টি ঘণ্টা দুয়েক পরে একটি পুলিশ গাড়ি লক্ষ্য করে ঘটে। কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি এবং এখনও পর্যন্ত কোনও গ্রুপ এর দায় স্বীকার করেনি বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির রাজধানীতে বেশিরভাগ আক্রমণ হয়েছে স্টিকি বোমা বা ​​চৌম্বকযুক্ত বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে, যা যানবাহনের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং রিমোট কন্ট্রোল বা টাইমার দ্বারা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

এসব ঘটনার তদন্ত চলছে উল্লেখ করে কাবুল পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম বিস্ফোরণটির লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল একটি বেসামরিক গাড়ি এবং যাতে এর অভ্যন্তরে থাকা দুই যাত্রী আহত হন। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে কাবুলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গ্রামে দেশটির জাতীয় সেনাসদস্যদের বহনকারী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে। যাতে একজন বেসামরিক যাত্রীসহ দুই সেনা নিহত হন।

আর তৃতীয় বিস্ফোরণে পশ্চিম কাবুলে পুলিশের একটি গাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। এতে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা প্রাণ হারান।

কাতারে তালেবান ও আফগান সরকারের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থগিত হওয়ায় দেশব্যাপী যুদ্ধক্ষেত্রের মতো যত্রতত্র বোমা হামলা, টার্গেট কিলিং ও সহিংসতায় ছেয়ে গেছে।

আইএসআইএল গোষ্ঠীর স্থানীয় অধিদফতর কয়েকটি হামলার দায় স্বীকার করলেও এসবের জন্য সরকারকে দায়বদ্ধ না করে অনেকে তালেবানদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। যদিও সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি বেশিরভাগ হামলার দায় অস্বীকার করেছে।

নিউজ ট্যাগ: কাবুল
Share

আরও খবর
নেপালি পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১

কুয়েতে মাসজুড়ে কারফিউ ঘোষণা

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১