আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কবি সুফিয়া কামালের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জননী সাহসিকা হিসেবে খ্যাত কবি সুফিয়া কামালের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ সন্মান লাভ করেন।

সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে রোকেয়া হল নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ে তার নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সৃষ্টিকর্ম ও চিন্তা-চেতনার মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সে সময় বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতা চর্চা করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এরমধ্যে স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক, উইমেনস ফেডারেশন ফর ওয়ার্ল্ড পিস ক্রেস্ট, বেগম রোকেয়া পদক, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণপদক ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন।

এ ছাড়া ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার তাকে জাতীয় পুরস্কার তঘমা-ই-ইমতিয়াজ দেয়। তবে ১৯৬৯ সালে বাঙালিদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে তা বর্জন করেন তিনি।

সুফিয়া কামালের লেখা কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন , দিওয়ান, অভিযাত্রিক ইত্যাদি। কেয়ার কাটা নামে একটি গল্পগ্রন্থ ছাড়াও তিনি ভ্রমন কাহিনী, স্মৃতি কথা শিশুতোষ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনাও লিখেছেন।

বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে জনগণের জননী সাহসিকা উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


আরও খবর



তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তিস্তা ও সানিয়াজান নদী পাড়ের বাসিন্দারা বন্যার আশঙ্কা করছেন। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট।

বুধবার (১৯ জুন) সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৯২ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার)। এর আগে সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের পয়েন্টে ৫১ দশমিক ৯৫ সেন্টিমিটার পানি ছিল, যা বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরের বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এতে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারে ঘরবাড়িতে পানি উঠে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, কালমাটি, রাজপুর, গোকুণ্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে।

অন্যদিকে গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকে সানিয়াজানে পানি বৃদ্ধিতে হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে পানি প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গিয়ে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

চর সিন্দুর্নার বাসিন্দা মফিজার রহমান বলেন, গতরাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে চর এলাকার বসতবাড়ি ও চলাচলের রাস্তা ডুবে গেছে। পরিবারগুলো ঘর থেকে বের হতে পারছে না।

হাতীবান্ধার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান খোকন বলেন, গতকাল থেকে ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবারের ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা বলেন, গজলডোবায় পানি ছেড়ে দেওয়ার কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকাল থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


আরও খবর



জামালপুরে অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়নে পবিস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও সকল চুক্তিভিত্তিক/অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে গেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে তারা সারাদেশে একযোগে কর্মবিরতি পালন করছেন। কর্মবিরতি পালন করছেন জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে অভিন্ন চাকরবিধি বাস্তবায়নসহ ১৬টি দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমিতির প্রাঙ্গণে কর্মবিরতি পালন করেন। এ সময় তারা 'বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়, বৈষম্যের স্থান নাই, বৈষম্য নিপাত যাক, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক' শ্লোগানে মুখর করে তোলেন সমিতির প্রাঙ্গণ।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম ওবায়দুল্লাহ আল মাসুম, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (অপারেশন এন্ড ম্যান্টেন) সাধন কুমার সরকার,  ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নাঈমা সিদ্দিকা, লাইন টেকনিশিয়ান আসাদুজ্জামান, জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

জানা গেছে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পদমর্যাদা (সরকার ঘোষিত গ্রেডিং ১-২০) ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫% বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিও বোনাস সমহারে না দেওয়া লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারি পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, লাইনক্রু লেভেল-১ ও মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার (চুক্তিভিত্তিক), বিলিং সহকারি (কানামুনা) চাকরি নিয়মিত না করা স্মারকলিপিতে অংশগ্রহণ করায় ভোলা পবিস-এর এজিএম আইটি ও এজিএম অর্থকে সাময়িক বরখাস্ত, সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ডিজিএম (কারিগরি) ও এজিএম আইটি-কে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে সংযুক্ত করায়, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও ভবিষ্যতে আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে বাপবিবো/পবিস এ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়নের জন্যই এই কর্মবিরতি পালন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম এক হলেও বেতন-ভাতা, পদোন্নতি, ছুটিসহ সব সুযোগ-সুবিধা ভিন্ন। এছাড়া বিভিন্ন সময় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের স্থায়ী না করায় তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। নির্ধারিত কর্মঘণ্টা নির্ধারণসহ তাদের দাবিদাওয়া না মেনে নিলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হুঁশিয়ারি দেন।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় আড়াইশ কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে যোগ দেন। পরে তারা তাদের দাবি ও বৈষম্যগুলো উত্থাপন করেন।


আরও খবর



সংবাদ সম্মেলনে আসছেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২৪ জুন) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শায়রুল কবির বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন।

দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু, দলের চেয়ারপারসন গুরুতর অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মির্জা ফখরুল বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



সিলেট বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৩০ জুন শুরু হবে। ১১ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষে ১২ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে।

এবার দেশের ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন, ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি।

অধ্যাপক তপন কুমার বলেন, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও বলেন, স্থগিত পরীক্ষাসমূহের রুটিন শিগগির ঘোষণা করা হবে। 

এর আগে ৫ জুন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছিলেন দেশের যেসব অঞ্চলে বন্যা হবে, সেখানে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

তিনি বলেছিলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও পানিসীমার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে অঞ্চলে বন্যা ছড়াবে, শুধু সেখানে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেই পরীক্ষা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরে সুপার এইট শুরু করেছে বাংলাদেশ। তাই আসরে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচে জয় বাংলাদেশের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে আফগানিস্তানকে হারিয়ে ইতোমধ্যেই ২ পয়েন্ট পেয়েছে ভারত। তাই সেমির দৌড়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই আজ মাঠে নামছে ভারত।

গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। অ্যান্টিগার নর্থ সাউন্ডের স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায়।

একাদশে এক পরিবর্তন নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ খেলতে পারছেন না। এই পেসারের পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন জাকের আলি। দুই পেসার আর তিন স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট।

ভারত তাদের একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি। গত ম্যাচের একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে আজও।

বাংলাদেশ একাদশ:

তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস (উইকেটকিপার), সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, জাকের আলী, তানজিম হাসান সাকিব ও মোস্তাফিজুর রহমান।

ভারত একাদশ:

রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, রিষভ পান্ত, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষ প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, জাসপ্রিত বুমরাহ, আর্শদীপ সিং।

নিউজ ট্যাগ: ভারত-বাংলাদেশ

আরও খবর