আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

কেন খাবেন মাছের তেল?

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অনেকের ধারণা, বড় মাছের তেল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ কারণে খেতে পছন্দ করলেও খাদ্যতালিকা থেকে তারা মাছের তেল বাদ দেন। কিন্তু সত্যিই কি মাছের তেল স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে?

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন বলছে, পুষ্টিবিদদের মতে, মাছের মতোই এর তেলও সমান পুষ্টিকর। মাছের তেলে প্রোটিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রচুর ভিটামিন, আয়োডিন ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। এ কারণে সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্যতালিকায় মাছের তেল রাখা উচিত। যারা মাছ খেতে পছন্দ করেন না, তাদেরকে পুষ্টিবিদরা ফিশ অয়েল ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

মাছের তেলের যত গুণ-

১. মাছের তেল হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী। যারা নিয়মিত মাছ খান, তাদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি তুলনামুলকভাবে কম। মাছের তেলে ভালো কোলেস্টেরল রয়েছে। মাছের তেল রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে মাছের তেল।

৩. মাছের তেল শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করে। হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে চাইলে এই তেল ভীষণ কার্যকর। বয়স্ক নারীরা হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাছের তেল খেতে পারেন।

৪. চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে মাছের তেল।

৫. উজ্জ্বল ত্বক পেতে চাইলে মাছের তেল খেতে পারেন। এই তেল ত্বককে মোলায়েম রাখে।

৬. মাছের তেলে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।

নিউজ ট্যাগ: মাছের তেল

আরও খবর



চট্টগ্রামে রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতে নগরের অধিকাংশ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে দুর্ভোগ পড়েছে নগরবাসী। টানা বৃষ্টির ফলে হাঁটু থেকে বুক পরিমাণ পানিতে তলিয়ে গেছে বেশিরভাগ এলাকা। এতে গণপরিবহনের সংখ্যা কমেছে। ফলে রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। ভারী বৃষ্টির সাথে ঝড়ো হাওয়ার কারণে নগরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক প্রকল্পে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে আট হাজার কোটি টাকা। বিশাল টাকা ব্যয় হলেও সামান্য বৃষ্টিতে ডুবে যাচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীর সকল এলাকা।

সোমবার (২৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের কাপাসগোলা, বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, চকবাজার, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেইট, ওয়াসার মোড়, তিন পোলের মাথা, মেহেদীবাগ সিডিএ কলোনি, আগ্রাবাদ, পতেঙ্গা, হালিশহর শুলকবহর এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। উপকূলীয় এলাকা পতেঙ্গার আকমল আলী রোড সংলগ্ন জেলেপাড়া জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

নগরের প্রধান সড়কগুলো হাঁটু থেকে কোমর পানি, অনেক স্থানে ‍বুক সমান পানিতে ডুবে গেছে। সড়কের অনেক দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধ ব্যবসা। নগরের ব্যস্ততম পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ ডুবে গেছে পানিতে। এতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার শঙ্কা বাড়ছে নগরবাসীর।

সুমন নামের এক যাত্রী বলেন, জলাবদ্ধতার থাকায় গাড়িতে বেড়েছে তিনগুণের বেশি। গাড়ি কম থাকায় গন্তব্য পৌঁছাতে রিকশা হচ্ছে একমাত্র ভরসা, কিন্তু বাধ্য হয়ে তিনগুণ ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।'

রাস্তায় চলাচলকারী নগরবাসী ক্ষোভ ছেড়েছেন দুই সেবা সংস্থা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) প্রতি। সামান্য বৃষ্টির পানিতেই রাস্তাঘাট ডুবে যায়। এত টাকা খরচের কোনো সুফল জনগণ পাচ্ছে না।

বাকলিয়ার এলাকার বাসিন্দা এডভোকেট জয়শ্রী নন্দী বলেন, আমি সকালে কোর্টে যাওয়ার উদ্দেশ্য রাস্তায় বের হয়ে দেখি, পুরো রাস্তা পানি ডুবে গেছে, কিন্তু কাজের তাগিদে আমাকে বের হতে হচ্ছে। তাই সকালে কোমর পানিতে অফিসে যেতে হয়েছে। সারা বছর দেখি খালে কাজ চলছে। কিন্তু এই কাজের কোনো সুফল পেলাম না।

তবে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত করে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এরপর বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। রিমালের প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টিপাত হবার আভাস দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নগরজুড়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২০৫ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

সোমবার জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়া চসিক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



নিখোঁজের ৬ দিন পর পুকুরে ভেসে উঠল নারীর মরদেহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের ছয় দিন পর পুকুরে ভেসে উঠল এক নারীর মরদেহ। আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মদিনা আক্তার (৩৬) জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, আজ সকালে সদর উপজেলার বিন্নাটি এলাকার কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের একটি পুকুরে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান টিটু জানান, গত ২৯ মে দুপুরে পাকুন্দিয়ার চন্ডিপাশা ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি মদিনা আক্তার। পরে স্বজনেরা ওইদিনই পাকুন্দিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ছয় দিন পর পুকুরে ভেসে ওঠে তাঁর মরদেহ। ময়নাতদন্তের পর মদিনার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



ঈদের পরদিনও বঙ্গবন্ধু সেতু পার হলো ২০ হাজার গাড়ি

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

ঈদের পরের দিনও ২০ হাজার ২৮৫টি গাড়ি বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ৩৫০ টাকা। এদিন প্রতি মিনিটে গড়ে ১৪টি গাড়ি সেতু পারাপার হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ঈদের দিন সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এসব গাড়ি পারাপার হয়। ঈদের দিনও প্রায় ১৩ হাজার গাড়ি পারাপার হয়েছে বলে জানান।

সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুতে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। তবে এবার প্রায় ২৬ বছরে সর্বোচ্চ টোল আদায় হয়েছে গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (১৪ জুন) রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৫৩ হাজার ৭০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৬৩ হাজার ৪০০ টাকা, যা সেতু উদ্বোধনের পর টোল আদায়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড।


আরও খবর



সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সীমান্তবর্তী ছয় উপজেলাসহ মোট সাত উপজেলায় পানিবন্দি অবস্থায় আছেন প্রায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন মানুষ।

সিলেটের বন্যাকবলিত উপজেলাগুলো হলো- জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয়ের তথ্যমতে, শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ৬টায় সিলেটের কানাইঘাট সুরমা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর অমলসিদ পয়েন্টে ২০৯ সেন্টিমিটার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্য দুটি পয়েন্ট গোয়াইনঘাটের জাফলং ডাউকি পয়েন্ট ও সারি গোয়াইন পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে কুশিয়ারা নদীর পানি জকিগঞ্জের অমলসিদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২১৩ সেন্টিমিটার এবং শেওলা পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া সারি গোয়াইন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

জেলা প্রশাসনের সূত্রমতে, সিলেট জেলায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি উপজেলার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাকবলিত এলাকার ৪ হাজার ৮০২ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। প্লাবিত উপজেলাগুলোর মধ্যে কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, শুকনো খাবার ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিলেট জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দুর্গত মানুষের খোঁজ নিতে জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান উপজেলাগুলোতে পরিদর্শন করেছেন। সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন জানান, বন্যাকবলিত উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলা ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে।


আরও খবর



তমার বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করছেন মিষ্টি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা ও দন্ত চিকিৎসক মিষ্টি জান্নাত আরেক নায়িকা তমা মির্জার বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তমা মির্জার পাঠানো আইনি নোটিশে মিষ্টির বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলার খবরের পর মিষ্টি জান্নাত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জানা গেছে, মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়া এবং দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশটি মিষ্টির বিরুদ্ধে দিয়েছেন তমা। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তমা মির্জার পক্ষে নোটিশ পাঠান তার আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম। আগামী সাত দিনের মধ্যে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তবে এখনও নোটিশ পাননি বলে জানিয়েছেন মিষ্টি জান্নাত। সংবাদ মাধ্যমের বরাতে এই ব্যাপারে অবগত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই আলোচিত চিত্রনায়িকা। এই প্রসঙ্গে মিষ্টি জান্নাত বলেন, পরিষ্কার বলতে চাই, সাক্ষাৎকারে আমি তার নাম উল্লেখ করে কিছুই বলিনি। উনি কেন গায়ে মাখলেন জানি না। এখন আমি পাল্টা আইনি ব্যবস্থা নেব। এরকম মিথ্যা নোটিশ দিয়ে হয়রানি করার মানে কি? এখন আমাকেও আইনের দ্বারস্থ হতে হবে। এরই মধ্যে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি। ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আমার সম্মানহানি করায় উল্টো ২০ কোটি টাকার মানহানি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শেষ হলেই ব্যবস্থা নেব।

মূলত উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়কে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। মিষ্টি জান্নাতের একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার মোটেও ভালোভাবে নেননি তমা মির্জা। সম্প্রতি তমা মির্জা নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। এতে তমা কারো নাম উল্লেখ না করলেও স্পষ্ট তিনি মিষ্টি জান্নাতকে ইঙ্গিত করে স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলেন। এরপর সবকিছু ছিল নীরব ভূমিকায়। হঠাৎ করে তমার আইনি নোটিশের খবরে ফের উত্তাল ঢালিউড।

মিষ্টি জান্নাত বলেন, বিষয়টি ছিল জয় ভাই ও আমার মধ্যে। মাঝখানে তিনি এসে ঢুকে গেলেন। ইঙ্গিতপূর্ণ একটা স্ট্যাটাস দিয়ে শুরুটা কিন্তু তিনিই করেছেন। তারপরও আমি চুপচাপ ছিলাম। ঘটনা যখন শেষের দিকে তখন তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। কোনো ইউটিউবার যদি আমার সাক্ষাৎকারের সঙ্গে নিজের মন মতো থাম্বনেল এবং ক্যাপশন জুড়ে দেয় সেই দায়ভার তো আমি নেব না। কারণ, আমি তো তাকে নিয়ে কিছু বলিনি। সে বিষয়টি নিয়ে আমার সাথে কথা বলতে পারত। তা না করে আদালতে গিয়েছে। এখন আমিও আইনি ভাবেই বিষয়টি দেখব।


আরও খবর