আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

খাদ্য জোগাতে মার খাচ্ছে লাভের ফসল সয়াবিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিগন্ত জোড়া মাঠ। যতদূর চোখ যায় কেবল সবুজ আর সবুজ। বিস্তীর্ণ কৃষিজমির অধিকাংশেই দোল খাচ্ছে সয়াবিনের গাছ। বলছি লক্ষ্মীপুর জেলার কথা। বিশেষ করে রায়পুর, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় এখন ব্যাপক হারে সয়াবিনের চাষ হচ্ছে। কম খরচে ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি দাম বেশি পাওয়ায় এই অঞ্চলের চাষিদের মধ্যে অন্যান্য রবিশস্যের পরিবর্তে তেল-ফসলটির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। যদিও চরাঞ্চলের এসব জমিতে এক সময় কেবল খেসারি, মরিচ,বাদাম, তিল, মিষ্টি আলু, তরমুজসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হতো।

জানা গেছে, দেশে গড়ে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিনের উৎপাদন হয় প্রতি বছর। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশই উৎপাদন হচ্ছে লক্ষ্মীপুর জেলায়। তাই এই ফসলটিকে ব্র্যান্ডিং করছে জেলা প্রশাসন। লক্ষ্মীপুরের পর সবচেয়ে বেশি সয়াবিন চাষ হয় পাশের জেলা চাঁদপুরে। এ ছাড়াও নোয়াখালী, ফেনী, ভোলা, বরিশাল ও ফরিদপুর, নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে কিছু পরিমাণে সয়াবিনের চাষ শুরু হয়েছে লাভজনক ফসল হওয়ায়। কিন্তু সম্ভাবনা থাকলেও এর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। কেননা দেশের সীমিত জমি থেকে বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, সয়াবিনের উৎপাদন বাড়াতে পারলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় সম্ভব। তবে আমাদের চাষযোগ্য আবাদি জমির পরিমাণ খুবই সীমিত। আর এই সীমিত জমি থেকে দেশের বিশাল জনগণের খাদ্য চাহিদা পূরণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নতুন করে সয়াবিনের চাষের পরিমাণ খুব বেশি বাড়ানোর সুযোগ নেই। দেশের প্রধান ফসল ধান বাদ দিয়ে অন্য ফসলে গেলে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। সে ক্ষেত্রে যদি সয়াবিনের চাষকে সম্প্রসারণ করা হয়, তা হলে এর বিপরীতে অন্য কোনো ফসলে ঘাটতি দেখা দেবে। এতে করে সুফলের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণটাও কম হবে না। তবে দেশের লবণাক্ত অঞ্চলে সয়াবিনের চাষ বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য পরিকল্পিতভাবে ফসলবিন্যাস নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় সয়াবিন চাষের উপযোগী জমি রয়েছে। ক্রমান্বয়ে কৃষকরাও ফসলটির প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। প্রয়োজনে সরকারি সহায়তার পরিমাণ বাড়বে।

কৃষি গবেষকরা বলছেন, লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের আবাদ জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে এখানকার অপ্রতুল সেচব্যবস্থারও বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ সয়াবিন আবাদে খুব একটা সেচের প্রয়োজন নেই। ফলে জেলাটিতে এ শস্যের আবাদের উপযোগিতা অনেক বেশি। তা ছাড়া সার্বিকভাবে সয়াবিন উৎপাদন লাভজনক। এটি একটি পরিবেশবান্ধব ফসলও। এতে সারের পরিমাণ লাগে অনেক কম। শিম গোত্রের ফসল হওয়ায় সয়াবিনের শিকড়ে নডিউল তৈরি হয়, যা থেকে হেক্টরপ্রতি প্রায় ২৫০ কেজি নাইট্রোজেন (ইউরিয়া সার) সংবন্ধন হয়। এ নাইট্রোজেন সার গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং একটি অংশ মাটিতে যুক্ত হয়ে পরবর্তী ফসলে অবদান রাখে। প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ উৎপাদন খরচ পড়ে ২০ হাজার টাকা। ভালো ফসল ও দাম পাওয়া গেলে উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি লাভ করা সম্ভব সয়াবিন চাষ করে। যেখানে অন্য কোনো ফসল আবাদ করে এ পরিমাণ লাভ পাওয়া অসম্ভব।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের কৃষক মো. ইউছুফ বলেন, সয়াবিন আবাদে খরচ কম। রোগ ও পোকার আক্রমণও কম হয়। চাষাবাদ পদ্ধতি সহজ। বিক্রি করলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায় ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আগে চরাঞ্চলে অনেক জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে সেই জমিগুলো আর পড়ে থাকে না। পরিত্যক্ত জমিতেও সয়াবিন চাষ করা হচ্ছে। মৌমুমে প্রতি মণ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। আর মৌসুমের পর আড়াই হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়।

সংশ্লিষ্টরা অবশ্য জানান, বাংলাদেশে তেলের জন্য সয়াবিন আবাদ সেভাবে সম্ভব না। কারণ ৫ কেজি সয়াবিন বীজ ভাঙিয়ে তেল হয় এক কেজি। আর চার কেজি খৈল বা সয়া কেক হয়। খৈলটা হচ্ছে আসল আর তেলটা বাই-প্রোডাক্ট। খৈল থেকে সয়াবিস্কুট, সয়ামিল অনেক কিছুই তৈরি হয়, যাতে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। তবে দেশে উৎপাদিত খৈল কেবল মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যে ব্যবহৃত হয়। অন্য দেশের মতো এখানেও সয়া কেকের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। কেননা কেবল তেল দিয়ে পোষাবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭৯ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন উৎপাদন হয়েছে ১ দশমিক ৪১৯ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭৭ হাজার ৩ হেক্টরে ১ দশমিক ৪৬৯ লাখ মেট্রিক টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭৯ হাজার হেক্টরে ১ দশমিক ৩৫২ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। এ ছাড়াও চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সয়াবিন চাষ হয়েছে ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৪৮ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে সয়াবিনের আবাদ হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে হয় ৪০ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সয়াবিন আবাদ হয়েছে ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে। গড় উৎপাদন ৮০ থেকে ৮৫ হাজার মেট্রিক টনের মতো।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বছর লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের উৎপাদন ভালো হয়েছে। কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল বিনা ৫ ও ৬ এবং বারি ৫ ও ৬ জাতের বীজ বিতরণ করেছি। তাই ফলন ভালো হয়েছে। আর আগে সোহাগ জাতের বীজ চাষ করত কৃষক, যার ফলন ছিল কম। এখন আর সেই সমস্যা নেই। এ ছাড়াও মন্ত্রণালায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সয়াবিন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। উৎপাদিত সয়াবিন দিয়ে কী করা হয় জানতে চাইলে তিনি জানান, মাঠ থেকে আহরিত সয়াবিন আধুনিক অটোমেটিক মেশিনের মাধ্যমে সিদ্ধ করে শুকানোর পর তেলবীজ, ডালবীজ ও পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে প্রক্রিয়াজাত হয়। পরে সেগুলো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে ২৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান। এর মাধ্যমে সরিষা, তিল, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, সয়াবিনসহ তেল ফসলের আবাদ এলাকা ২০ শতাংশ বাড়ানো এবং তেলজাতীয় ফসলের হেক্টরপ্রতি ফলন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সয়াবিনের গাছ

আরও খবর
যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




নানাবাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে কমলনগরে চার বোন নিখোঁজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার ১৬ ঘন্টাতেও ঘরে ফেরেনি ৪ বোন। তারা হলেন জোবায়দা আক্তার (১২), সিমু আক্তার (১৪), মিতু আক্তার (১২) ও সামিয়া আক্তার নিহা (১৩)। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবার জানায়, শনিবার (৭ মে) সকাল ৮ টার দিকে তারা উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়। কোথাও খুঁজে না পেয়ে সন্ধ্যায় কমলনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তাদের দাদি আকলিমা বেগম।

সম্পর্কে চাচাতো বোনদের মধ্যে জোবায়দা চরবসু গ্রামের মো. ইব্রাহিমের মেয়ে, সিমু মৃত আবুল খায়ের চুন্নুর মেয়ে, মিতু একই বাড়ির জয়নাল আবেদিনের মেয়ে এবং নিহা শামছুল আলমের মেয়ে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। তাদের খুঁজে পেতে চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তদন্তও করা হচ্ছে।


আরও খবর



১২০ কোটি টাকার কেনাকাটায় হাজার কোটি গচ্চা!

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরকার ১৬ থেকে ২২ টাকা দরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনলেও সরকারি মালিকানাধীন সবচেয়ে সাশ্রয়ী কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সংস্কার কাজ ঝুলে আছে বছরের পর বছর। অথচ এ কেন্দ্র থেকে ৪০ পয়সার কম খরচে পাওয়া যায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ। কেন্দ্রটি সংস্কারে ১২০ কোটি টাকার মালামাল ক্রয়ে দরপত্র-পুনঃদরপত্রেই কেটে গেছে তিন বছরের বেশি। সংস্কারের অভাবে উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকের নিচে। উৎপাদন কমায় গত তিন বছরে সরকারের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা। একইসঙ্গে দেশের সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি চিরতরে বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

সূত্র জানায়, কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের জরুরি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় ২০১৮ সালে। ইউনিট দুটিতে জেনারেটরসহ মালামাল সরবরাহের জন্য ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত চারবার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) থেকে বার বার দরপত্র মূল্যায়ন করে অনুমোদনের জন্য ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল হয়ে গেছে। বর্তমানে চতুর্থ দফা দরপত্রের মূল্যায়ন চলছে।

জানা গেছে, সরকারি মালিকানাধীন কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৪০ পয়সার কম। অন্যদিকে তেলভিত্তিক অনেক বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৬ থেকে ২২ টাকা দরে কিনছে পিডিবি, যা কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় ৪০ গুণ বেশি। বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসে থাকলেও দিতে হচ্ছে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং চার্জ। বাড়তি খরচের এ বোঝা শেষ পর্যায়ে গিয়ে চাপছে ভোক্তার কাঁধে। বাড়ছে বিদ্যুৎ বিল। বাড়ছে সরকারের ভর্তুকি। তবুও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সংস্কার বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে। সূত্র মতে, কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা ২৩০ মেগাওয়াট। বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের কম। বর্ষাকালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও গত বছরের আগস্টে ভরা বর্ষায় উৎপাদন ছিল ১২৫ মেগাওয়াটেরও কম। ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট। তাও অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সংস্কারের অভাবে ইউনিট দুটি থেকে নিয়মিত গড়ে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হলেও গত তিন বছরে মোট ৭৮ কোটি ৮৪ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ কম পেয়েছে দেশ। ৪০ পয়সা করে এ কম উৎপাদিত হওয়া বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৩১ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ১৬ টাকা দরে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটে কম উৎপাদিত হওয়া বিদ্যুতের মূল্য দাঁড়ায় ১ হাজার ২৬১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এতে সরকারকে বিদ্যুৎ ক্রয়ে বাড়তি গুনতে হয়েছে (উৎপাদন খরচ বাদে) ১ হাজার ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

পিডিবি সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট জেনারেটরের মূল প্রস্তুতকারক জাপানের তোশিবা এনার্জি সিস্টেম অ্যান্ড সলিউশন করপোরেশন। এ কারণে ইউনিট দুটিতে জেনারেটরসহ মালপত্র সরবরাহ কাজের জন্য ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি ডিপিএম (সরাসরি ক্রয়) পদ্ধতিতে প্রথম দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠান আরও কম দামে কাজ করবে বলে ক্রয় কমিটিতে অভিযোগ দেয়। পরে তাদের কথায় ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ফের দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে অভিযোগ দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি দরপত্রই দাখিল করেনি। সাতটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করলেও যোগ্যতা না থাকায় ছয় প্রতিষ্ঠানই দরপত্র দাখিল করেনি। শুধু তোশিবা তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে দরপত্র দাখিল করে। ক্রয় কমিটি অনুমোদন না দেওয়ায় ফের তৃতীয় দফা দরপত্র আহ্বান করা হয়। এবারও তোশিবা ছাড়া অন্য কেউ দরপত্র দাখিল করেনি। সর্বশেষ চতুর্থ দফা দরপত্র আহ্বান করলে তোশিবা মনোনীত তিনটি ও একটি চাইনিজ কোম্পানি দরপত্র দাখিল করেছে। বর্তমানে দরপত্রের মূল্যায়ন চলছে।

সবচেয়ে সাশ্রয়ী সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিনে সংস্কার না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্ল্যান্ট চালু আছে। এখন পানি কম। পানি থাকলে সব ইউনিট চালাই। সংস্কার না করে দীর্ঘমেয়াদে চালানো সম্ভব নয়। সংস্কারের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়াধীন আছে।

কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মো. এ টি এম আবদুজ্জাহেরকে ফোন করলে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ আছে। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে চলছে। ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট এখনো ৩০-৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষম। মোট ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াট কম উৎপাদন হচ্ছে। এর বেশি লোড দিলে বসে যেতে পারে। ইউনিট দুটি সংস্কারে চতুর্থ দরপত্র মূল্যায়ন পর্যায়ে আছে। আগের তিনবার একক প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করায় অনুমোদন দেয়নি। এবার চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পিপিআর অনুযায়ী একক দরপত্র গ্রহণের নিয়ম রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের অমূলক চিঠির ভিত্তিতে সংস্কার কাজ তিন বছরের বেশি ঝুলিয়ে রাখায় শুধু হাজার কোটি টাকা গচ্চাই দিতে হয়নি, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংস্কারের খরচও বাড়বে।


আরও খবর



মুশফিক-লিটনের অর্ধশতকে তিনশ পেরোলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দুর্দান্ত ব্যাট করে যাচ্ছে লিটন কুমার দাস ও মুশফিকুর রহিম। ইতিমধ্যে দুজনই অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন। তাতেই দলীয় স্কোর তিনশ অতিক্রম করেছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩১০ রান।

এখন ৫০ রানে মুশফিক ও ৫২ রানে লিটন অপরাজিত রয়েছেন।

দিনের শুরুতে বিনা উইকেটে ৭৬ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করা বাংলাদেশে আজ আবারও ব্যাট করতে নামে। ব্যাটিং নেমে দেখে-শুনেই খেলে যাচ্ছে আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার তামিম ও জয়। আর দুজনই তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক।

এই দুই ব্যাটার মিলে দিনের প্রথম সেশনটা কাটিয়ে দিয়েছেন অনায়াসেই। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে নেমেই সাজঘরে ফিরেছেন জয়। আভিষ্কা ফার্নান্দোর করা বলে কিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। আউট হওয়ার আগে করেছেন ৫৮ রান। ১৪২ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ৯টি চারে সাজানো।

এরপরের দুই ব্যাটার ক্রিজে দাঁড়াতেই পারেননি। বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়েছেন ২ রানে। আর দলনেতা মুমনিুল হকও আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। এই দুই বাংলাদেশি ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন বিশ্ব ফার্নান্দোর বদলি হিসেবে খেলতে নামা লঙ্কান পেসার কাসুনা রাজিথা।

এদিকে দ্বিতীয় দিনে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকা টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল নিজের অর্ধশতকের শতকও পূর্ণ করেন। খেলে যাচ্ছিলেন আপনতালেই। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের পর আর ব্যাট করতে নামননি। ব্যক্তিগত ১৩৩ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হলে ক্রিজে ব্যাট করতে আসেন লিটন দাস।

এ সময় মুশফিক-লিটন মিলে দলীয় স্কোরটা আরও বড় করতে থাকেন। এখন পর্যন্ত অপ্রতিরোধ্য ৯০ রানের জুটি গড়েছেন তারা। আর দুজনই অধশতকের দেখা পেয়েছেন।


আরও খবর



২৩ এপ্রিল: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৭০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ২৩ এপ্রিল, ২০২২, শনিবার। ৯ বৈশাখ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১১৩তম (অধিবর্ষে ১১৪তম) দিন।

একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ইতিহাস:

১৬৬১ সালের এই দিনে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে দ্বিতীয় চার্লস ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের রাজা হিসাবে অভিষিক্ত হন।

১৬৩৫ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে বোস্টন ল্যাটিন স্কুল নামে প্রথম পাবলিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৯৫ সালের এই দিনে ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পান।

১৮২৭ সালের এই দিনে আইরিশ গণিতজ্ঞ ও পদার্থবিদ উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন আলোকরশ্মির তত্ত্ব প্রদান করেন।

১৮৯৬ সালের এই দিনে নিউ ইয়র্ক শহরে জনসমক্ষে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

১৯২০ সালের এই দিনে মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের নেতা নির্বাচিত।

১৯২০ সালের এই দিনে তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ঐদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ আংকারা শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৩ সালের এই দিনে গদানস্ক উপসাগরের তীরে পোলীয় বন্দর গদানিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৭ সালের এই দিনে তুরস্ক একমাত্র দেশ, যেখানে শিশু দিবসকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৩২ সালের এই দিনে লন্ডনে শেক্সপিয়র মেমোরিয়াল থিয়েটার উদ্বোধন করা হয়।

১৯৬১ সালের এই দিনে ১৯৪০ এর দশকের সেনাপতির পোষাক পরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট চার্লস দ্য গল ফ্রান্সের সামরিক বাহিনী ও সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানান, তারা যেন আলজিয়ার্সে উদ্ভূত অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন।

১৯৬৮ সালের এই দিনে নিউ ইয়র্কের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা এই দিনে ইউনিভার্সিটি বন্ধ করে দিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করে।

১৯৬৮ সালের এই দিনে ব্রিটেনে প্রথম দশমিক মুদ্রা চালু হয়।

১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতে প্রথম সুপার এক্সপ্রেস টেলিগ্রাফ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়।

১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকাররা প্রায় তিন হাজার হিন্দু হত্যা করেছিল জোতিভাঙ্গা নামক এলাকায়।

১৯৭৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫ম সংশোধনী গৃহীত হয়।

১৯৮৮ সালের এই দিনে লিবিয়ায় বিস্ফোরক ভর্তি ট্রাক বিস্ফোরণে ৫৪ জন নিহত হন।

১৯৯০ সালের এই দিনে ২৬ বছরের মধ্যে প্রথম চীনের সরকার প্রধান, প্রধানমন্ত্রী লি পেং সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে যান।

জন্ম :

১৭৭৫ সালে এই দিনে প্রখ্যাত ইংরেজ আর্টিস্ট উইলিয়াম টার্নার জন্মগ্রহণ করেন।

১৭৯১ সালে এই দিনে আমেরিকার পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি জেমস বিউকানান জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৫৮ সালে এই দিনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী করেছিলেন মাক্স প্লাংক জন্মগ্রহণ করেন ।

১৮৬৭ সালে এই দিনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডেনিশ পদার্থবিজ্ঞানী জোহানেস ফিবিগের জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯১ সালে এই দিনে রাশিয়ার প্রখ্যাত সংগীত রচয়িতা, সুরকার এবং পিয়ানোবাদক সের্গেই প্রোকোফিভ ইউক্রেনের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৩ সালে এই দিনে মৃত্তিকাবিজ্ঞানী জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৭ সালে এই দিনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডিয়ান রাজনীতিবিদ ও ১৪ তম প্রধানমন্ত্রী লাস্টের বি. পিয়ারসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ সালে এই দিনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ বারটিল অহলীন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০২ সালে এই দিনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইসল্যান্ডিক লেখক ও কবি হাল্ডর লাক্সনেস্ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৮ সালে এই দিনে ফরাসি লেখক মরিস দরুন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৮ সালে এই দিনে আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়িকা, ড্যান্সার ও কূটনীতিক শার্লি টেম্পল জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯৪১ সালে এই দিনে আমেরিকার কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪১ সালে এই দিনে ফিনিশ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ৩৮ তম প্রধানমন্ত্রী পাভো লিপোনেন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৪ সালে এই দিনে আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও সমাজ সেবী মাইকেল মুরে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৫ সালে এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী জুডি ডেভিস জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬২ সালে এই দিনে স্কটিশ অভিনেতা ও প্রযোজক জন হান্নাহ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৮ সালে এই দিনে আমেরিকান সন্ত্রাসী, ওকলাহোমা শহরের হামলার ঘটনার সহ-অপরাধী টিমোথি ম্যাকভেই জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৭ সালে এই দিনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা কাল পেন্‌ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৯ সালে এই দিনে চেক টেনিস খেলোয়াড় নিকলে ভাইডিসোভা জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু:

১৭১১ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন তৃতীয় চিল্ডেবেরট, তিনি ছিলেন ফ্রাঙ্কিশ রাজা।

১৬১৬ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন উইলিয়াম শেক্সপিয়র, তিনি ছিলেন বিশ্ববরেণ্য কবি ও নাট্যকার।

১৬১৬ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন মিগেল দে থের্ভান্তেস, তিনি ছিলেন স্পেনীয় ঔপন্যাসিক, কবি ও নাট্যকার।

১৮৫০ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ, তিনি ছিলেন একজন অন্যতম ইংরেজ রোমান্টিক কবি।

১৯১৫ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন রুপার্ট ব্রুক, তিনি ছিলেন ইংরেজ কবি।

১৯৫১ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন চার্লস জি. ডাওস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান ব্যাংকার, রাজনীতিবিদ ও ৩০ তম ভাইস প্রেসিডেন্ট।

১৯৬৮ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন বড়ে গোলাম আলী খাঁ, তিনি ছিলেন উপমহাদেশের খ্যাতনামা সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৭৫ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন উইলিয়াম হার্টনেল, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৮১ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন জোসেপ প্লা ই কাসাডেভেল, তিনি ছিলেন কাতালান সাংবাদিক ও লেখক।

১৯৮৬ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন অটো লুডভিগ প্রেমিঙার, তিনি ছিলেন ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৮৭ সালে এই দিনে কবি ও প্রাবন্ধিক সুফি জুলফিকার হায়দার মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯০ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন পাউলেটে গডার্ড, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী ও সমাজসেবী।

১৯৯২ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন সত্যজিৎ রায়, তিনি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক, সাহিত্যিক ও চিত্রকর।

১৯৯৩ সালের এই দিনে শ্রীলঙ্কার শীর্ষ বিরোধীদলীয় নেতা ললিত আথুলাথ মুদালি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

১৯৯৭ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন ডেনিস কম্পটন, তিনি ছিলেন ইংরেজ ক্রিকেটার।

২০০৭ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন বরিস ইয়েল্টসিন, তিনি ছিলেন রাশিয়ান রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

২০১৪ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন পাট্রিক স্টান্ডফরড, তিনি ছিলেন ইংরেজ সুরকার ও শিক্ষক।

নিউজ ট্যাগ: ইতিহাসে এই দিনে

আরও খবর
১২ মে: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২




ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে এডিবি’র সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তা চেয়ে বলেছেন, এটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশনস-১) শিঝিন চেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও জ্বালানির ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এডিবির সহায়তা কামনা করেন।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে এবং এডিবি বাংলাদেশের পাশে থাকবে। এ দেশের গ্রামীণ ও নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট করোনা মহামারির মধ্যে ও বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, এডিবি আশা করছে বাংলাদেশ জিডিপিতে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

শিঝিন চেন বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে (উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্নাতক হওয়ার কারণে) যা সাধারণত একটু জটিল। কিন্তু বাংলাদেশ ভালো করছে।


আরও খবর