আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

খাগড়াছড়িতে কাঠ বোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ আগস্ট ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খাগড়াছড়িতে কাঠ বোঝাই ট্রাক উল্টে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে গুইমারার তৈকর্মাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ রাজু ও মোহাম্মদ ইলিয়াস।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রশিদ আহমেদ বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় কাঠবোঝাই ট্রাকটি তৈকর্মা এলাকায় উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায় । এসময় ট্রাকের উপরে থাকা কাঠ বোঝাই করার শ্রমিকরা এর নিচে চাপা পড়েন। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহনুর আলম জানান, ট্রাকটি উল্টে পড়ে এ দুর্ঘটনা ধটে। এতে দুই জন নিহত ও চালকসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহতদের চিকিত্সা চলছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিউজ ট্যাগ: খাগড়াছড়ি

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমার ইস্যুতে জটিল সমীকরণে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া সীমান্তরক্ষীদের (বিজিপি) ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। একেই বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জটিলতা কাটছে না। এমতাবস্থায় নতুন করে সীমান্তরক্ষীদের আশ্রয়দানের পর যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে করে বাংলাদেশকে বুঝেশুনে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এসব বিষয় যত দ্রুত সম্ভব আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরারও পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

গত কয়েকদিন থেকে রাখাইনে চলছে বিরামহীন গুলির আওয়াজ। বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি ও সেনাসদস্যসহ মোট ৩২৮ জন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা মাথায় নিয়ে চলা বাংলাদেশের সামনে তাই স্বাভাবিকভাবে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, মিয়ানমারের সেনাদের পালিয়ে অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। তিনি বলেন, ভারতের সীমান্তে এর আগে এমনটা হয়েছে। গত বছরও দেশটিতে আশ্রয় নেয়। ভারত সরকার দ্রুত তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। চীনও তাই করেছে।

ড. ইমতিয়াজ জানান, পশ্চিমা সমর্থিত মিয়ানমারের বিদ্রোহী গ্রুপ পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) জান্তা সরকারের ওপর হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। তবে চীন চায় না পিডিএফ একক ক্ষমতা কাঠামো তৈরি করুক। সে কারণে তারা আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন গ্রুপকে সহায়তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, আরাকান আর্মি সব দিক থেকে তাদের ক্ষমতা শক্তিশালী করেছে। অনেক জায়গা দখলও করেছে। যার প্রভাবে মিয়ানমারের জান্তা সেনারাও অনেক সময় পিছু হটছে। যাদের অনেকে বাংলাদেশে আশ্রয় পর্যন্ত নিয়েছে। যত দ্রুত পারা যায় তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো দরকার। তার আগে দেখে নিতে হবে ভারত ও চীন কীভাবে বিষয়টি সমাধান করছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইমতিয়াজ বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে হামলা হলে গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ কারণে তাদের ওপর হামলার ঘটনা দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই বলে মনে করেন এই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক।

রাখাইনে সংঘর্ষ চলতে থাকলে তা ভারত ও চীনের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে জানান ড. ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উচিত বড় আকারে এ দুই দেশের সঙ্গে আলোচনায় বসা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে যাওয়ার আগে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন তিনি ভারতের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। সেই আলোচনায় ভারতকেও কথা বলতে হবে। আর যদি বাংলাদেশের দিকে হতাহত আরও বেড়ে যায় এবং মর্টারশেল বন্ধ না হয়, তা হলে আন্তর্জাতিকীকরণ আরও বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি জাতিসংঘে যদি বিষয়টি উঠাতে হয়, তা হলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। বিভিন্ন ফোরামকে কাজে লাগাতে হবে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, রাখাইনের সংঘাতের ওপর এ অঞ্চলে চীন-ভারতের দ্বন্দ্বও নির্ভর করবে। পালিয়ে আসারা কোনো বন্দি নয়, আবার শরণার্থীও নয়। তারা একটা পক্ষ ত্যাগ করে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন। এখন বিজিবির হেফাজতে রাখা মানে হচ্ছে, তারা যে এখানে এসে আত্মসমর্পণ করেছে, সেটা গৃহীত হয়েছে।

এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলেন, রাখাইন অঞ্চলে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বলয় তৈরি হয়েছে। কাজেই রণক্ষেত্র না হলেও বাংলাদেশ একটা বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সীমান্ত এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পথ খোঁজা জরুরি। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেবে, সেটা সরকারকে বিবেচনা করতে হবে।


আরও খবর



শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রসংশা করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎ শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রসংশা করেছেন।

একই সঙ্গে টানা চতুর্থ এবং সবমিলিয়ে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। নারী ক্ষমতায়নে বঙ্গবন্ধুকন্যা যে কাজ করছেন, সেটির সঙ্গেও সহমত পোষণ করেছেন দ্রৌপদী মুর্মু।

তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সঙ্গে ভারত সবসময় ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভারতের রাজধানীতে পৌঁছান ড. হাছান মাহমুদ। তিন দিনের এই সরকারি সফরের সমাপ্তি দিনে ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।


আরও খবর



একুশে ফেব্রুয়ারিতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হবে। এ কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন সংগঠনসহ অনেকেই শ্রদ্ধা জানাবেন। এই সময়ের জন্য কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয় সে কারণেই পোশাক পরিহিত পুলিশের সঙ্গে সাদা পোশাকের পুলিশসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত আশপাশের কিছু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এ কারণে বিকল্প রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণকে চলাচল করতে হবে। পাশাপাশি শহীদ মিনারে আগত ব্যক্তিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পলাশী মোড় থেকে দোয়েল চত্বর ও বইমেলার পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শহীদ মিনারের প্রত্যেকটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো থাকবে। যারাই আসবেন আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। শহীদ মিনারে চার স্তরে নিরারাপত্তাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন থাকবে বোম ডিসপোজাল, সোয়াত টিম, টহল দল, ড্রোন, সাইবার পেট্রোলিং।


আরও খবর



এবার টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুললেন বাইডেন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার ২৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও আপলোড দিয়ে এই প্ল্যাটফর্মটিতে যাত্রা শুরু করেন তিনি। তিনি এমন এক সময়ে এই প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাকাউন্ট খুললেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে চীনা এই ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা আছে। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটা বড় অংশই এই প্ল্যাটফর্মের সমালোচনা করেছেন। এমনকি বাইডেনের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতারাও এই প্ল্যাটফর্মের সমালোচনা করেছেন। তারপরও নির্বাচনকে সামনে রেখে জো বাইডেন টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুললেন। 

আরও পড়ুন>> ফিলিপাইনে সোনার খনি ধসে নিহত ৫৪

চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স টিকটকের মালিক প্রতিষ্ঠান। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, চীন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচারের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটিকে ব্যবহার করছে। তবে বাইটড্যান্স সব সময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

টিকটকে খোলা বাইডেনের অ্যাকাউন্টের নাম @বাইডেনএইচকিউ ক্যাম্পেইন। সেই অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা ভিডিওতে রাজনীতি থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফুটবল লীগ চ্যাম্পিয়নশিপসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

টিকটক ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অন্য দুই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে অ্যাকাউন্ট আছে। ফেসবুকে তাঁর অ্যাকাউন্টের নাম জো বাইডেন এবং এক্সে তাঁর অ্যাকাউন্টের নাম প্রেসিডেন্ট বাইডেন।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমারে তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করল জান্তা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দেশটির তরুণ-তরুণীদের সামরিক কার্যক্রমে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন অংশে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে চাপে পড়েছে সরকারি বাহিনী। এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা এল।

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে। আর চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ যাদের বয়স ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে, তাদের অবশ্যই তিন বছর কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় এই সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের শাসন ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর থেকে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে।

গত বছরের অক্টোবর থেকে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারাও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে। এ সংঘাতে বহু ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে সেনাবাহিনী। বহু সেনাসদস্য প্রাণও হারিয়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশে সেনাসদস্যদের পালিয়ে যাওয়া এবং বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

১৯৬২ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এর পর থেকে এটিই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, সরকারি বাহিনী নতুন করে সৈন্য নিয়োগ দিতে এক প্রকার চাপে পড়েছে। তারা যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই এমন সেনাদেরও সম্মুখ লড়াইয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'জাতির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সৈন্যদের পাশাপাশি সব নাগরিকের মধ্যে দায়িত্ব ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই আমি সবাইকে বলতে চাই, তারা যেন গর্বের সঙ্গে জনগণের সামরিক পরিষেবা আইন অনুসরণ করে।'

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের এই আইনটি ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। যারা এ আইন লঙ্ঘন করবে তাদের সর্বোচ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪