আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেয়ার জন্য কোনো আবেদন করা হয়নি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেয়ার জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। বিদেশ যেতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (৪ মে) রাজধানীতে কর্মহীন আসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া করোনা আক্রান্ত হয়ে তার ইচ্ছানুযায়ী রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে আমরা জানি। খালেদা জিয়া কিংবা তার পরিবারের তরফ থেকে কোনো ধরনের আবেদন-নিবেদন আমাদের কাছে আসেনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশ নিতে পারবে কি পারবে না সেটা আদালত নির্ধারণ করবেন। তিনি যেন দেশে থেকে সুচিকিৎসা পান, সে ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন। এরপরও যদি তিনি (খালেদা জিয়া) আরও কিছু পেতে চান, তাহলে আদালতের মাধ্যমে আসতে হবে।

এদিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে খালেদা জিয়াকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকেই তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে দেশের বাইরে নেয়ার বিষয় নিয়ে নানা মহলে শুরু হয় গুঞ্জন।

ওইদিন রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন দিয়ে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত করেন। ফোনালাপের পরপরই শুরু হয় গুঞ্জন।

এর আগে, গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার বিষয়টি ওইদিন বিকেলে নিশ্চিত করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখান থেকে এক মাসের মধ্যেই ফেরার কথা থাকলেও চিকিৎসায় সময় লাগায় হওয়ায় দেশে ফিরতে দেরি হয়। ওই বছর ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া।


আরও খবর



আদালতে মামুনুল হক

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে (সিএমএম আদালত) নেওয়া হয়েছে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হককে। আজ আদালতের কাছে তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ জানিয়েছিলেন, আজ আদালতে হাজির করে এ রিমান্ড আবেদন করা হবে।

দীর্ঘদিন নজরদারিতে রাখার পর রবিবার ( ১৮ এপ্রিল) দুপুরে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ। এদিন গ্রেফতারের পর সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুনুর রশিদ জানান, ২০২০ সালের মার্চে মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাংচুরের মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি এ মামলার ৭ নম্বর আসামি। এছাড়া, রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি থানায় তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা আছে। সেগুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ডিবির মতিঝিল বিভাগে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ৮ টি মামলা তদন্তাধীন আছে। এছাড়া লালবাগ বিভাগে দুটি, তেজগাঁও বিভাগে একটি এবং মতিঝিল ও পল্টন থানায় পৃথক চারটি মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মামুনুল হক।

২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, সংঘর্ষ, লুটপাট ও নাশকতার অভিযোগে এসব মামলা হয়। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সর্বশেষ মামলাটি হয়েছে গত ৫ এপ্রিল। চলতি বছরের ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজের পর সংঘর্ষের ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় হেফাজত নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


আরও খবর



হেফাজত নেতা জুবায়ের পাঁচদিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৩ সালে পল্টন থানায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন

২০১৩ সালে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলায় সংগঠনটির ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। ২০১৩ সালে পল্টন থানায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ- ডিবি লালবাগ।

মাওলানা জুবায়ের আহমদ হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়া তিনি মুফতি আমিনীর জামাতা হিসেবেও পরিচিত।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এ অবরোধ কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতের কর্মীরা। এ ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা করা হয়।


আরও খবর



অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সবজির দাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | ১৩৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দাম বাড়লেও বাজারে কোনো সবজির কমতি নেই। আলু, পটল, করলা, টমেটো, শিম, লাউ, কাঁচা-পাকা মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বেগুন, মুলা, লাল শাক, পালং শাক, লাউ শাক সব কিছুই বাজারে ভরপুর

রমজান উপলক্ষে প্রতি বছরই বাড়ে সবজির দাম। তবে এবার তার সঙ্গে দেশব্যাপী লকডাউন হওয়ায় বাজারে এখন বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে।

করোনার কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে কিছুটা কমেছে মুরগির দাম। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজার, আজিমপুর বাজার ঘুরে এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।

কাওরান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, লকডাউনের কারণে অনেক সবজি পৌঁছাতে পারছে না। ফলে দাম বেড়েছে। তবে সরবরাহের সমস্যা না থাকলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আবার দাম বাড়লেও বাজারে কোনো সবজির কমতি নেই। আলু, পটল, করলা, টমেটো, শিম, লাউ, কাঁচা-পাকা মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বেগুন, মুলা, লাল শাক, পালং শাক, লাউ শাক সব কিছুই বাজারে ভরপুর। এদিকে দাম বেড়ে প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৬০ টাকা, বেগুন (লম্বা) ১০০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৯০ টাকা, সাদা/সবুজ বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া প্রতিকেজি শসা ৮০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বুধবারও এসব সবজির অধিকাংশের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কম ছিল। এছাড়া গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ঢেঁড়স, বেগুন, পটল, বরবটি বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। তুলনামূলকভাবে বেড়েছে টমেটো, শসা এবং বেগুনের দাম।

হাতিরপুল বাজারের বিক্রেতা আনিসুর রহামন বলেন, অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে কয়েকটি সবজির দাম। সরবরাহ কম থাকায় এ অবস্থা। কারওয়ান বাজারেও প্রতিটি সবজির দাম বেশি। পাইকারিতে কাওরান বাজারে প্রতি পাল্লায় (৫ কেজি) সবজির দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে আমাদেরও বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে, বাজারে মুরগির দাম তূলনামূলকভাবে কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায়, লেয়ার ২৪০ টাকায় এবং সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায়।


আরও খবর



চীনের ৫ লাখ টিকা আসছে বুধবার

প্রকাশিত:সোমবার ১০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ মে ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানিয়েছেন, চীন বাংলাদেশকে সিনোফার্ম উৎপাদিত ৫ লাখ সিনোভ্যাক টিকা দেবে। টিকার এই চালান আগামী বুধবার (১২ মে) ঢাকায় আসবে।

সোমবার (১০ মে) কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ-ডিকাব আয়োজিত ডিকাব টক-এ ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে চীন। এই লক্ষ্যে ৫ লাখ সিনোফার্মের টিকা দেবে।

গত ৮ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।

শুক্রবার (৭ মে) রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরে একমাত্র চীনই এককভাবে দুটি টিকা সফলভাবে উদ্ভাবনের দাবি করেছে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিনোফার্মের টিকা। ইতোমধ্যে চীনসহ বিশ্বের ৪৫টি দেশের কয়েক লাখ মানুষ সিনোফার্মের টিকা নিয়েছেন।


আরও খবর



শিমুলিয়ায় আজও যাত্রীদের ভিড়, সবগুলো ফেরি চালু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মঙ্গলবার সকাল থেকে একের পর এক বেশ কয়েকটি ফেরি যানবাহন এবং যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। প্রতিটি ফেরিতে যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। এতে ঘাট এলাকায়

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে আজও যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। তবে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করে সবগুলো ফেরি দিয়ে যাত্রী এবং যানবাহন পারাপার করছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।

ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে একের পর এক বেশ কয়েকটি ফেরি যানবাহন এবং যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। প্রতিটি ফেরিতে যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। এতে ঘাট এলাকায় মানুষের জটলা কিছুটা কমেছে। ঘাট এলাকায় এখনো কিছু পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বহরে থাকা সবগুলো ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। প্রতিটি ফেরিতে কিছু কিছু যাত্রীও পার হচ্ছেন। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ১১টি ফেরি শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে গেছে। গতকাল রাতভর ফেরি চলাচল করেছে। এতে ঘাটের যানবাহন এবং যাত্রীদের চাপ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ঘাট এলাকায় এখনো কিছু যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে এখন সেগুলি পারাপার করা হচ্ছে।

শিমুলিয়া ফেরি ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) হিলাল উদ্দিন বলেন, ঘাট এলাকার অদূরে কয়েকটি পয়েন্টে কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকে আছে। আগে ঘাটের গাড়িগুলো পার হলে এগুলো ছাড়া হবে।


আরও খবর