আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ: ডা. জাফরুল্লাহ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রর ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে, মাঝে মাঝে রক্ত বমি করছেন।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে নাগরিক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা মঙ্গলবার বিকেলে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। যা দেখেছি সম্প্রতিককালে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের নজরে আসেনি। খালেদা জিয়া কতক্ষণ, কয় মিনিট, কয় দিন বাঁচবেন সেটা আমি বলতে পারব না। তবে এটা বলতে পারি খালেদা জিয়া চরম ক্রান্তিকালে আছেন।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, তিনি অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল অবস্থার মধ্যে আছেন। যে কোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারেন। মেডিক্যাল বোর্ডের ৬ চিকিৎসক আমাকে বিস্তারিত বলেছেন। আমি তাদের ফাইলের প্রত্যেকটা লেখা পড়ে দেখেছি। ওনার মুখ দিয়ে রক্তপাত হচ্ছে। পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হচ্ছে। ব্লাড প্রেসার একশোর নিচে নেমে এসেছে। আমি সেখানে দেখেছি খালেদা জিয়াকে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। আমি ফাইলের প্রত্যেকটা লাইন দেখেছি, কারো মুখের কথায় কিছু বলছি না। সম্ভব হলে আজ (২৪ নভেম্বর) রাতেই ওনাকে বিদেশে ফ্লাই করা উচিত। আর না হলে যে কোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর পরিচালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সদস্য অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ক শহিদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




বিজয়ের মাসেই ফাইভ-জি

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজয়ের মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করবে। আগামী ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় দেশে ৫জি প্রযুক্তির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে শুভ উদ্বোধন করবেন।

বুধবার আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত ফাইভজি: দ্য ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি শীর্ষক সেমিনারে নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি চালুর কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয় দেশে ৫ জি প্রযুক্তির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে শুভ উদ্বোধন করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথমে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি কার্যালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও শিল্প প্রতিষ্ঠান-নির্ভর এলাকাসমূহে বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৫জি প্রযুক্তি সেবা কেবল গ্রাহকের মোবাইল ব্রডব্যান্ড ও ভয়েস কলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান, সরকার ও এন্টারপ্রাইজ এবং ইউটিলিটি সার্ভিস প্রোভাইডাররা আইওটি, হিউম্যান টু মেশিন, মেশিন টু মেশিন ডিভাইস ব্যবহার করে ক্রিটিক্যাল মিশন সার্ভিস, স্মার্ট গ্রিড, স্মার্ট সিটি, স্মার্ট ফ্যাক্টরি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। মুজিব বর্ষে এটি একটি বিশাল উদ্যোগ। ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল গ্রাহকরা অধিকতর উন্নত গুণগত মানের ভয়েস কল ও ৪জি হতে ২০ গুন দ্রুত মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ৫জির মাধ্যমে চালক বিহীন গাড়ি চলবে রাস্তায়। ফাইভ জি চালু হলে কল ড্রপের সংখ্যা কমে যাবে বলে আমরা আশা করছি। মানুষ ও ডিভাইসের মধ্যে তৈরি হবে জিরো ডিসটেন্স কানেক্টিভিটি। বিগডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে ৫জি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ৫জি চালু হলে আমূল পরিবর্তন আসবে চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কিংবা অগমেন্টেড রিয়েলিটির এক্সপেরিয়েন্স নেয়া ৫জির কল্যাণে আরো সহজ হয়ে যাবে।


নিউজ ট্যাগ: ফাইভ-জি

আরও খবর



দেশে করোনায় মৃত্যু ২৮ হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ১ জনে। রোববার (৫ ডিসেম্বর)  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ধরা পড়েছে ১৯৭ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৩ জনে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করেছে বাংলাদেশ।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দল ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিরর জন্য দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ১২ সদস্যের দলে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন বাবর আজম।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) ম্যাচ পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক বাবর আজম প্রথম ম্যাচের জন্য ১২ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেন। এই ম্যাচে অভিজ্ঞদের উপরেই আস্থা রেখেছে পাকিস্তান।

প্রথম ম্যাচের জন্য পাকিস্তানের ১২ সদস্যের স্কোয়াড-

বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান, ফখর জামান, হায়দার আলী, হারিস রউফ, হাসান আলী, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও শোয়েব মালিক।

 


আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




সাদিয়ার পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে ড্রেনে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সেহরীন মাহবুব সাদিয়ার (১৯) মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তাদের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও সিসিবি ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার অনিক আর হক এ রিট দায়ের করেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি আজ উপস্থাপন করা হয়েছে। আদালতে অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
চট্টগ্রামে পাট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-প্যারিস সম্মতিপত্র স্বাক্ষর

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করায় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতারবিষয়ক সম্মতিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, হ্যাঁ, আমরা করেছি (সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর)। এটি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সরকারি সফরে ফ্রান্সে যান। এ সময় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে শেখ হাসিনা ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করা, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশই প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা অনুভবে আহ্বান জানালে, নিজেদের সক্ষমতার ভিত্তিতে একে অপরকে সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ছাড়া একে অন্যকে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমেও সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

দুই দেশই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে এবং বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্স সরকার ও জনগণের সমর্থনের কথা স্বীকার করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় উভয় পক্ষই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে। দুই দেশই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে সকলের জন্য কল্যাণকর একটি মুক্ত, স্বাধীন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ কামনা করেন। তারা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বজায় রাখতে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সমুদ্র অর্থনীতিতে সহযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে।

জাতিসংঘের কনভেনশন প্রণীত ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন পালনের পাশাপাশি সমুদ্র নিয়ে বিভ্ন্ন বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি, হুমকি বা বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকা প্রভৃতি বিষয়ে ‍নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।

এ সময় বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সন্ত্রাসবাদকে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে সম্মতি প্রকাশ করে যৌথভাবে সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

জাতিসংঘ এক সুপারিশে বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নীত করার কথা জানানোয় ফ্রান্স বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে শ্রম খাতে বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্ল্যান অব অ্যাকশন জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে ফ্রান্স এটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

উভয় দেশই বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উদারীকরণ ও সহজতর করার জন্য তাদের অঙ্গীকার এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ভূমিকার প্রতি তাদের অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়েছে।

দুই দেশ কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে পারস্পারিক সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উভয় দেশ একে অপরের অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে সহযোগিতা করতে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছে এবং নিজ নিজ শ্রমবাজারে প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

তারা কৃষি, অবকাঠামো, পরিবহণ, জ্বালানি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতসহ দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও শিল্প অংশীদারত্ব জোরদার করার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ফ্রান্স ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় জাতিসংঘে নিজেদের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান দেশ এবং ফ্রান্সও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখে।

দুই দেশ নিজেদের সহযোগিতা বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়েছে এবং কৌশলগত দিক-নির্দেশনার জন্য নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শের মাধ্যমে অংশীদারত্ব বৃদ্ধি ও বিকশিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এ ছাড়া রাজনীতি ও কূটনীতি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য তাদের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।


আরও খবর