আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

খালেদার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করার অনুরোধ ড. হাছানের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করতে বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরামের নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় বিএনপি। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এটি কে বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। কোনো ডাক্তার এখনও বলেনি বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এখন বিএনপির নেতারা চিকিৎসক হয়ে গেছেন। এখন বিএনপি নেতাদের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখন তারা দাবি তুলেছে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটু ও গাঁয়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। কিছু হলেই বিদেশ পাঠাতে হবে এই জিকির তোলার কারণ কি? কারণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চান। তারা বিশেষত বেগম জিয়াকে পাঠাতে চান লন্ডনে যেখানে তারেক জিয়া আছে।

তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও বেগম জিয়া যাতে সেখান থেকে আবার রাজনীতি করতে পারেন। তারেক রহমানও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে সেখান থেকে রাজনীতি করছেন। বেগম জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তারা সেই কাজটি করতে চান। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবি, তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে এ দাবি উত্থাপন হচ্ছে। ডাক্তাররা এই দাবি করছে না, এ দাবি করছেন বিএনপি নেতারা। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এ দাবি করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়ার যাতে সঠিক চিকিৎসা হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করে দিতে বদ্ধপরিকর। দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে চায় সরকার। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছে, তারা কি বলেছেন? তারা কি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন? দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বেগম জিয়ার আসলে কি হয়েছে সেটা পরীক্ষা করার কথা সেটা তো তারা বলছেন না। তারা বলছেন, বিদেশ পাঠিয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু নানা কথাবার্তা বলছেন, সভা-সেমিনার করছেন। আর এই সভা-সেমিনার করার একটি প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। কারণ তাদের আবার পদ রক্ষা করতে হয়। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের। সেজন্য তারা আবার অনশনও করছেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য। বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে।

বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকার রহস্যজনক আচরণ করছে- বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের সব বড় বড় চিকিৎসকদের নিয়ে বেগম জিয়ার চিকিৎসা করাতে চাইলে সেটাও করতে চায় সরকার। কিন্তু বেগম জিয়া অসুস্থ হলে বিদেশ নিতে চায় এটিই আসলে রহস্যজনক।

দিন দিন হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে দিন দিন যেভাবে হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে গত কয়েক বছরে ১৩৭টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। এর অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন- নানা কারণে বনভূমি কমে গেছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। আবাসস্থলগুলোতে মানুষ বসবাস করছে, চাষাবাদ করছে। হাতি যাতে আসতে না পারে সেজন্য ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এগুলো সত্যিই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে খুব দ্রুত আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানাবো পৃথিবী শুধু মানুষের জন্য নয়, মহান স্রষ্টার সব সৃষ্টির বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।


আরও খবর



বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ব্রাজিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উড়ছে ব্রাজিল। গত ১১ ম্যাচের সবগুলোতে অপরাজিত থাকা সেলেকাওদের পরাজিত করতে পারেনি কলম্বিয়াও।

ঘরের মাঠে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে কাতার বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব নিশ্চিত করলো তিতের শিষ্যরা। 

সাও পাওলোতে শুক্রবার (১২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সাড়ে ছয়টায় শুরু হওয়া ম্যাচটির ৭২তম মিনিটে নেইমারের সহায়তায় একমাত্র গোলটি করেন দলকে জয় এনে দেন লুকাস পাকেতা। 

ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল ব্রাজিল। তবে দুর্বল সুযোগের কারণে গোলের দেখা পাচ্ছিল না সেলেকাওরা। ২৭তম মিনিটে নেইমারের শট রুখে দেন কলম্বিয়া গোলরক্ষক ওসপিনা। ২৬তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিল। কিন্তু গোলপোস্টের খুব কাছে বল নিয়ে যাওয়া দানিলোর শট প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৯তম মিনিটে কলম্বিয়া ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াসের দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য জালে ভেড়ায়নি। ফলে গোলশূণ্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল ব্রাজিলের। কিন্ত গ্যাব্রিয়েল জেসুসের বুলেট শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন ওসপিনা। ৫৮তম মিনিটে নেইমারের ফ্রি-কিক ঝাপিয়ে ঠেকান এই গোলরক্ষক। ৬৯তম মিনিটে অ্যান্তনির ক্রস হেডে জালে ভেড়াবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন ম্যাথিউস কুনিয়া। ৭২তম মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। নেইমারের দেওয়া দারুণ পাস কাজে লাগিয়ে প্রথম শটেই কলম্বিয়ার জাল খুঁজে নেন লুকাস পাকেতা। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে কুনিয়ার শট ওসপিনা ফিরিয়ে দিলে ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। 

এ জয়ে বাকি এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। ১২ ম্যাচে ১১ জয় ও ১ ড্রয়ে শীর্ষে থেকেই পরবর্তী পর্ব নিশ্চিত করলো নেইমারবাহিনী। এক ম্যাচ কম খেলা আর্জেন্টিনা ২৫ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে দুইয়ে। এ ম্যাচ হেরে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে রয়েছে কলম্বিয়া।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাজিল

আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণে জাতিসংঘের প্রস্তাব মহান অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়া দেশের জন্য একটি অনন্য উত্তোরণ ও বিরল সম্মান অর্জন। রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন তিনি।

তার সরকারের অগ্রগতির জন্য পরিকল্পিত নীতি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বাস্তবায়নকে কৃতিত্ব দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারা রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করাই এখন মূল লক্ষ্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী অর্থাৎ মুজিববর্ষ এবং ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই সময়ে এই অর্জন আমাদের জন্য অনেক গৌরবের। কারণ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যখন আমারা উদযাপন করছি, সেই সময় এই যুগান্তকারী অর্জন। বাঙালি জাতির জন্য এটা একটা বিরল সম্মান অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ এবং এরই আলোকে আমরা যে পরিকল্পনাগুলো পর পর নিয়েছি, সে সময় অনেকে ধারণাই করতে পারেনি বাংলাদেশের এ ধরনের উত্তোরণ ঘটতে পারে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সে সময় অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হলেও আমার বিশ্বাস ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের এই পরিকল্পিত প্রচেষ্টার একটা সুফল বাংলাদেশ পাবে।

তিনি বলেন, এই দেশটাকে আমি চিনি ও জানি। এ কারণেই সমালোচনায় কান না দিয়ে অভিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে আশু, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশের ক্যাটাগরি থেকে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশের উত্তরণের ঐতিহাসিক রেজুলেশন গৃহীত হয়। রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে (উন্নয়নশীল দেশে) উত্তরণের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সববিছু হারিয়ে সেই বেদনা বুকে ধারণ করে কেবল একটা লক্ষ্যকে সামনে রেখেছি, বাংলাদেশ  লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত, এই বাংলাদেশের মানুষের জন্যই আমার বাবা সারাজীবন কষ্ট করেছেন, জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন, নিজের জীবনে তিনি কিছু চাননি। তাই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন আমার মা, যার নিজেরও জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু ছিলনা। পাশে থেকেই তিনি প্রেরণা যুগিয়েছেন, শক্তি জুগিয়ে গেছেন। সাংসারিক কোনো কাজে জাতির পিতাকে বিরক্ত করেননি। পর্দার আড়ালে থেকেই তিনি এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হত। আমাদের দুর্ভাগ্য জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই জিয়া, এরশাদ বা বেগম জিয়া, কেউই দেশকে আসলে উন্নত করতে চাননি। ক্ষমতা ছিল তাদের কাছে ভোগের বস্তু। ক্ষমতা মানে নিজের জীবনকে বিলাস- ব্যসনে ব্যস্ত রাখা এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে একটি এলিট শ্রেণি তৈরি করা এবং কিছু লোককে দলে টানা। কাজেই দেশের সাধারণ মানুষ যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যায়।


আরও খবর



বিএনপি নেতা আলালের বিরুদ্ধে এবার শ্রীপুর থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩৬৫জন দেখেছেন

Image

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তিপূর্ণ মন্তব্য করায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আশিক বিন ইদ্রিস। আজ বুধবার দুপুর একটার দিকে থানায় ওই অভিযোগটি জমা দেন তিনি।

থানায় জমা দেওয়া অভিযোগে আশিক বিন ইদ্রিস লেখেন, গত ৭ ডিসেম্বর রাত আটটার দিকে শ্রীপুর উপজেলার বরমীতে বসে একটি লিংকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আলালের অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের ভিডিও দেখতে পান। যা সরকার, দেশের জনগণের জন্য মানহানিকর। অভিযোগে ভিডিওর লিংকটিও যুক্ত করেছেন তিনি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, থানার ডিউটি অফিসারের কাছে অভিযোগটি দিয়ে গেছেন আশিক বিন ইদ্রিস।

এর আগে এই ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী নূরউদ্দীন একই থানায় (শাহবাগ) একটি অভিযোগ দেন।

এদিকে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্য অপসারণ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিটিআরসির প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার মৌখিকভাবে এই আদেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আলালের কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্য আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।


আরও খবর



উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২১ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২১ এর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এখানে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত।

দেশের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষ একটা উন্নত জীবন পাবে। একেবারে তৃণমূলে পড়ে থাকা মানুষটারও জীবনমান উন্নত হবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।

 সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন দেশ হিসেবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বসভায় মর্যাদা নিয়ে চলবে। সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করি।

সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সেনাবাহিনী চলতে পারে। কারণ জাতিসংঘের শান্তিবাহিনীতে আমাদের সেনাবাহিনী অংশগ্রহণ করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তাদের চলতে হয়। তাই আধুনিক প্রযুক্তি, অস্ত্রশস্ত্র থেকে শুরু করে সকল ধরনের সরঞ্জামাদি সম্পর্কে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সব সময় প্রশিক্ষিত ও জ্ঞানলাভ করবে, সেটাই আমার চেষ্টা।

শেখ হাসিনা বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে সদা প্রস্তুত থাকে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নানান কার্যক্রম করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি দেশের অবকাঠামো ও আর্থিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নিশ্চিত কল্পে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

পঁচাত্তর পরবর্তী ২১ বছর সামরিক বাহিনীতে ১৯ বার হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কত সামরিক কর্মকর্তা, জওয়ান, সৈনিক, সাধারণ মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে, তা জানা নেই। অনেক পরিবার এখনো তাদের মরদেহের সন্ধান কিংবা আপনজনের সন্ধানও পায়নি। এমন একটি অস্থিরতার মধ্যে ২১টি বছর কেটেছে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে-বিদেশের সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের জন্য একটি শীর্ষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা। আজ আমি সন্তুষ্টির সঙ্গে বলতে পারি, এই প্রতিষ্ঠান তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছে।


আরও খবর



ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করা ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসী ও আশ্রয় প্রার্থীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফরাসি কর্মকর্তারা প্রথমে ৩১ জনের মৃত্যুর কথা জানালেও পরে তারা ২৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় মাছ ধরা জেলের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সমুদ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকার সুবিধা নিয়ে বুধবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মানুষ ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা দেয়।

এক ব্যক্তি সমুদ্রে একটি খালি নৌকা এবং আশেপাশে নিথর মানুষ ভাসতে দেখে উদ্ধারকারী সংস্থাকে খবর দেয়। পরে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের একটি যৌথ দল তিনটি জাহাজ এবং তিনটি হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন জানিয়েছেন, নৌকাডুবির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে চার জনকে গ্রেফতার করেছে ফরাসি পুলিশ। তিনি এই ঘটনাকে তার দেখা সবচেয়ে বড় অভিবাসী ট্রাজেডি বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, মারাত্মত ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়া দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে নৌকায় আরোহীদের জাতীয়তা কিংবা পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

লন্ডনভিত্তিক টাইমস সংবাদপত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন আফগান সেনা রয়েছেন। তিনি ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর হয়ে কাজ করতেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহায়তা পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর তারা ঝুঁকি নিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই ঘটনাকে ২০১৪ সালের পর ইংলিশ চ্যানেলে সবচেয়ে বড় একক প্রাণহানির ঘটনা বলে অভিহিত করেছে।


আরও খবর