আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

খিলগাঁওয়ে খালে পড়া নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ১৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ হওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। 

মারা যাওয়া ওই যুবকের নাম আবুল হোসেন (৩২)। তার আর কোনো পরিচয় জানা যায়নি।  ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার লিমা খানম যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ওই যুবক খিলগাঁও তিলপাপাড়া সাত নম্বর কালভার্টের ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ হন। যুবকটির সন্ধানে গতকালই ফায়ার সার্ভিসের কয়েকজন সদস্য উদ্ধারকাজ শুরু করে।  কিন্তু বেলা দেড়টা পর্যন্ত তার খোঁজ মেলেনি।

আজ সকালে ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে তার লাশ পাওয়া যায়।  নিহত যুবক ভবঘুরে ছিলেন। ড্রেনের আশেপাশে পরিত্যক্ত জিনিস কুড়াতে গিয়ে তিনি ড্রেনে পড়ে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। 


আরও খবর



নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৩,২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ১৭৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শহর এলাকার নিম্নআয়ের জনসাধারণের সহায়তার লক্ষ্যে ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিন ৮১৩টি কেন্দ্রে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ ১৫০ কোটি টাকা

করোনার চলমান সংক্রমণের কারণে আরোপিত বিধিনিষেধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষের সহায়তায় ৩ হাজার দুশ কোটি টাকার পাঁচটি নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে-

ক. দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং নৌপরিবহন শ্রমিকদের জন্য জনপ্রতি নগদ আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

খ. শহর এলাকার নিম্নআয়ের জনসাধারণের সহায়তার লক্ষ্যে ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিন ৮১৩টি কেন্দ্রে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ ১৫০ কোটি টাকা।

গ. ৩৩৩-নম্বরে জনসাধারণের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বিশেষ বরাদ্দ ১০০ কোটি টাকা।

ঘ. গ্রামীণ এলাকার কর্মসৃজনমূলক কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য পল্লী সংস্থান ব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে ঋণ সহায়তা দিতে (৪ শতাংশ সুদে) এর আগে বরাদ্দ ৩ হাজার ২শ কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

ঙ. পর্যটনখাতের হোটেল মোটেল, থিম পার্কের জন্য কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ শতাংশ সুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ সহায়তা দিতে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।


আরও খবর



বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়ালো

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সর্বশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৮ হাজার ০২৩ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭ কোটি ৬৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮৫ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে সোমবার (২৬ জুলাই) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৬৫ জন আর মারা গেছেন ৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৬২ জন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ৬৩৯ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৯৯৬ জনের।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৯ জনের।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




আর্জেন্টিনার জয়ের দিনে ব্রাজিলের ড্র

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টোকিও অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার শুরুটা হতাশায় মোড়ানো হলেও ব্রাজিল মিশন শুরু করেছিল উড়ন্ত জয়ে। রিচার্লিসনের হ্যাটট্রিকে জার্মানিকে উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচের আর রক্ষা হয়নি। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনা জিতেছে। কিন্তু ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ব্রাজিলকে।

অনূর্ধ্ব-২৩ দলের মধ্যকার গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে ব্রাজিল। আগের দিনের হ্যাটট্রিক করা রিচার্লিসন আজ জালের দেখাই পাননি।

তবে ম্যাচটিতে আজ ১৩ মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দগলাস লুইজ। ১০ জনের দল নিয়ে বাকি সময় রক্ষণ আগলে খেলেছে ব্রাজিল। ফলে গোলের দেখাও আসেনি। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে। দুই জয়ে নিজেদের গ্রুপে শীর্ষ দল ব্রাজিল ও আইভরি কোস্টেরই।

অন্যদিকে দিনের আরেক ম্যাচে আজ মিশরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছিল তারা। সাপ্পোরো দোমে স্টেডিয়ামে সি গ্রুপের ম্যাচটিতে জয়সূচক গোলটি করেন  ফাকুন্দো মেদিনা। ম্যাচের ৫২ মিনিটে ব্যবধান গড়া গোলটি করেন তিনি। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের নেয়া কর্নার কিক থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে গোলটি করেন তিনি।

এরপর বাকি সময় রক্ষণ ধরে খেলে। ফলে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান বাড়েনি। স্বস্তির জয় নিয়েই মাঠে ছাড়ে দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে সবশেষ ২০০৮ সালে স্বর্ণ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। আগামী বুধবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। একই দিনে মিশর লড়বে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।


আরও খবর



র‌্যাবের অভিযানে মিলল ৬ হাজার বছর পুরনো মাদক: আটক ২

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১৩৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশে ম্যাজিক মাশরুম কেনাবেচা বা খাওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে এই প্রথম আটক করা হলো। তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাংলাদেশি তরুণদের মধ্যে এই মাদকের প্রচলন আছে

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদক ম্যাজিক মাশরুম ও বিদেশি মদসহ ২ জনকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১০)। আটককৃতরা হলেন নাগিব হাসান অর্ণব ও তাইফুর রশিদ জাহিদ।

বুধবার সকালে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্বভাবতই প্রশ্ন জাগছে- কি এই ম্যাজিক মাশরুম? জানা গেছে, সাইলোসাইবিন মাশরুম, এক ধরনের অপ্রচলিত ছত্রাক। তবে ভ্রম বা মায়া উৎপাদনকারী ভেষজ হিসেবে এর ব্যবহার প্রায় ছয় হাজার বছরের পুরনো। এখন বিশ্বের মাদক সাম্রাজ্যে এর পরিচিতি ম্যাজিক মাশরুম বা জাদুকরী ছত্রাক হিসেবে। প্রাচীনকালে ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও চিকিৎসায় কাজে লাগানো হলেও এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ও ভয়ংকর মাদকের একটি।

বাংলাদেশেও নেশা হিসেবে এর ব্যবহার হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। কাদের হাত ধরে দেশে ঢুকল অপ্রচলিত এই মাদক তা নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। ইউরোপ-আমেরিকায় অনেক আগে থেকেই পরিচিত এই মাদক দেশের শিক্ষিত ও বিত্তবান পরিবারের বখে যাওয়া তরুণ-তরুণীদের কাছে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশে ম্যাজিক মাশরুম কেনাবেচা বা খাওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে এই প্রথম আটক করা হলো। তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাংলাদেশি তরুণদের মধ্যে এই মাদকের প্রচলন আছে।

সূত্র বলছে, ম্যাজিক মাশরুমের পাশাপাশি এমডিএমএ নামে দেশে আরেকটি অপ্রচলিত মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এমডিএমএ হলো- ৩, ৪ মেথাইলিন ডাইঅক্সি মেথা এমফিটামিন। কোকেন সেবনের মতো এটি শরীরে প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাজিক মাশরুম ও এমডিএমএ খেলে শরীরে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাই-ইথাইলামাইডের (এলএসডি) চেয়ে ভয়ংকর এই দুই মাদক। এর প্রভাবে মানুষ তার স্বাভাবিক সব চেতনা হারিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে আসক্ত কেউ যখন-তখন যে কোনো ভয়ংকর ঘটনায় নিজেকে জড়াতে পিছপা হন না।

উল্লেখ্য, ফেনসিডিলের পর ইয়াবা দেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মাদক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছিল। তবে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এলএসডি কারবারের সংঘবদ্ধ চক্রের খবর সামনে আসে। যদিও দুই বছর আগেই এলএসডির আরেকটি গ্রুপকে গ্রেপ্তার করেছিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি এলএসডির কারবারে জড়িয়ে গ্রেপ্তার হওয়া তরুণরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দেশে সক্রিয় ম্যাজিক মাশরুম ও এমডিএমএ মাদক চক্রের তথ্য জানায়।


আরও খবর



‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করতেন হেলেনা’

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রথমে সখ্যতা তৈরি করতেন আলোচিত-সমালোচিত রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর, এরপর ব্ল্যাকমেইল করে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন তিনি।

শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উত্তরা র‌্যাব সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, হেলেনা সুনির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির জন্য থেমে থাকেননি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে তার। উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যাকেই প্রয়োজন হয়েছে তাকে তিনি ঘায়েল করেছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন এবং সেটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছেন শুধু উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য। আমাদের মামলার কারণ এটাই। সে রাষ্ট্রের ব্যক্তিদের সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে যা তাদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে, জনগণের মধ্যেও বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, তার ১৫ থেকে ১৬টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তিনি জড়িত। বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি কিংবা ব্ল্যাকমেইল করে আদায় করা টাকাগুলো তিনি ফাউন্ডেশনের কাজে লাগাতেন। সুনামগঞ্জে তিনি ত্রাণ বিতরণ করায় স্থানীয়রা তাকে পল্লী মাতা উপাধি দিয়েছেন। ফাউন্ডেশনের নামে প্রবাসীদের কাছ থেকে অনেক টাকা এনেছেন। এগুলো কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গেছে, ফ্ল্যাট কিংবা গাড়ির সংখ্যা কতগুলো সে বিষয়ে প্রকৃত কোনো তথ্য আমাদের দিতে পারেননি। কখনো ৬টি গাড়ি, কখনো ৮ গাড়ির কথা উল্লেখ করেছে হেলেনা। এসব বিষয়ে যারা তদন্ত করবেন তারা খতিয়ে দেখবেন। তার আয়ের উৎস সম্পর্কে সিআইডি কিংবা দুর্নীতি দমন কমিশন এ ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করেন খন্দকার আল মঈন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন এই মামলাটির র‌্যাব তদন্ত করবে তাহলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে আমরা আবেদন করব। তবে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে হবে। হেলেনা জাহাঙ্গীরের স্বামী ১৯৯০ সাল থেকে গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে অন্যদের সঙ্গে পার্টনারশিপের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে এখন পর্যন্ত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে পেরেছি গত দুই বছরে বিভিন্ন মাধ্যম এবং টেলিভিশনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে, এজেন্সি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা আদায় করতেন। কারও কাছ থেকে ১০ হাজার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, আবার কারও কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়েছেন বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। কী কারণে টাকা নিয়েছেন এবং কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে- এ বিষয়ে হেলেনা জাহাঙ্গীর কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, বাসায় এবং অফিসে যে পরিমাণ ভাউচার পাওয়া গেছে তা এখনো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জয়যাত্রা টেলিভিশনের আইডি কার্ড ব্যবহার করে অনেক প্রতিনিধিও এই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।


আরও খবর